Sunday, August 24, 2008

সরদারজী কৌতুক

সরদার রেলগাড়ীর নিচে আত্মহত্যা করার জন্য গেল কিছু মুরগী আর মদ সাথে নিয়ে। সেখানে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছে, ট্রেন আসছে না। কাছে এক লোক জিজ্ঞেস করল "কিরে মিয়া, এইসব বাড়ির থে ক্যান নিয়া আইছ?" সরদার উত্তর দিল "এই যে ট্রেন দেরীতে আসছে, যদি খিদায় মইরা যাই।"
================================================================
সরদার তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর উদ্দেশ্যে এসএমএস পাঠাল। দুই সেকেন্ডের মধ্যে একটা রিপোর্ট পেল আর নাচতে শুরু করল। রিপোর্টে লেখা "Delivered"।
================================================================
সরদার ডাক্তারের কাছে গেছে।
সরদার: আমি প্রতি রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে ইঁদুরের ফুটবল খেলা দেখি।
ডাক্তার: এই ঔষধটা নিন। ঠিক হয়ে যাবে।
সরদার: কালকে নিতে পারি? আজ আবার ফাইনাল খেলা কিনা!
================================================================
সরদারের ইচ্ছা যে সে যখন মারা যাবে সে যেন তার দাদুর মতো শান্তিতে ঘুমিয়ে মরতে পারে, তার দাদুর বাসের যাত্রীদের মতো আর্তনাদ অবস্থায় না!
================================================================
একজন সরদার ATM মেশিন থেকে টাকা তুলছে। তার পেছনের সরদার দেখে বলে উঠল "হা হা, আমি তোমার পাসওয়ার্ড দেখে ফেলেছি। এটা চারটা তারার চিহ্ন।" প্রথম সরদার উত্তর দেয় "হা হা, তুমি ভুল। এটা হলো ১২৫৮।"
================================================================
প্রশ্ন: স্কুলে/কলেজে একজন সরদারকে কিভাবে চিনবে?
উত্তর: খুব সহজ। সেইসবগুলোই সরদার যারা শিক্ষকের ব্ল্যাকবোর্ড মোছার সাথে সাথে নিজেদের নোটবুকও মুছে ফেলে।
================================================================
নেপলিয়ন সরদারকে বলছে "আমার অভিধানে 'অসম্ভব' বলে কোনো শব্দ নেই"।
সরদার বলে "বারে, আপনার কেনার সময় সেটা দেখা উচিত ছিল। এখন বলে তো কোনো কাজ হবে না।"
================================================================
সরদার দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে গেছে।
সরদার: এই লোকগুলো কেন দৌড়াচ্ছে?
পাশের লোক: এটা একটা দৌড় প্রতিযোগিতা। যে বিজয়ী হবে, সে কাপ পাবে।
সরদার: যদি বিজয়ীই শুধু কাপ পাবে, তাহলে বাকিরা দৌড়াচ্ছে কেন?
================================================================
সরদার ডাক্তারের কাছে গেছে চিকিৎসার জন্য-
সরদার: ডাক্তার সাহেব, আমি শরীরের যেখানেই ধরি, সেখানেই ব্যথা অনুভব করি।
ডাক্তার সরদারের পুরো দেহ এক্স-রে করে এবং বের করে সরদারের আঙুল ভেঙ্গে গেছে।
================================================================
তিন সরদার বনভোজনে গেছে। বনভোজনের স্পটে গিয়ে দেখে তারা কোনো ড্রিংক্স আনেনি। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সরদারকে পাঠানো হলো বাড়ি থেকে ড্রিংক্স আনতে আর না আনা পর্যন্ত অন্যরা কিছুই মুখে দেবে না।
এক ঘন্টা গেল।
দু'ঘন্টা পার হলো।
পাঁচ ঘন্টা কেটে গেলো।
এখনো ড্রিংক্স না এসেছে দেখে অন্য দু'জনে সিদ্ধান্ত নিল তারা খাওয়া শুরু করে দেবে।
এমন সময় হঠাৎ করে পেছন থেকে সেই সরদার বেড়িয়ে এসে বলল "তোমরা যদি এখন খাও, তাহলে আমি কিন্তু যাব না। তোমরা কিন্তু কথা দিয়েছিলে।"
================================================================
দুই সরদার একটি গাড়িতে বোমা ঠিক করছিল।
১ম সরদার: কি করবে যদি এই বোমাটি এখন বিস্ফোরিত হয়ে যায়।
২য় সরদার: চিন্তা করিস না। আমার কাছে আরেকটা আছে।
================================================================
সরদার পিজা অর্ডার দিয়েছে এবং ক্লার্ক তাকে বলছে সে কি ছয় না বার টুকরা নেবে।
সরদারের উত্তর "না না। ছয় টুকরা। আমি বার টুকরা খেয়ে শেষ করতে পারব না।"
================================================================
"দেখ দেখ, একটা পাখি মরে গেছে।"
সরদার উপরের দিকে তাকিয়ে "কই, কোথায়?"
================================================================
সরদার ভারতীয় বিমানে কল করেছে "অমৃতসার যেতে কতক্ষণ লাগে?"
উত্তর আসল "এক সেকেন্ড..."
"ধন্যবাদ" সরদার এই বলে রেখে দিল।
================================================================
সান্তা দেখল তার বন্ধু রাম লাই খুব বিষন্ন।
"কি হয়েছে?" সান্তার প্রশ্ন।
"আরে, আমি গতকাল বাজি ধরে ৮০০ টাকা খুইয়েছি।"
"কি করে?"
"কি আর বলব। গতকালকের ভারত-ইংল্যান্ডের ম্যাচে সরাসরি সম্প্রচারের সময় ৫০০ টাকা বাজি ধরি।"
"সে তো গেল ৫০০, বাকিটা?"
"আরে আমি তো হাইলাইটসেও বাজি ধরেছিলাম।"

No comments:

Post a Comment