Friday, August 08, 2008

মজার যত তথ্য

মজার তথ্যাবলী
##সাধারণ ছোট একটি ইঁদুরের শরীরের ওজনের শতকরা ৭ভাগ হল তার দুগ্ধগ্রন্থির ওজন। আর তা দুধে পূর্ণ থাকলে সেটা হতে পারে ইঁদুরের শরীরের ওজনের শতকরা ২০ভাগ।
##তিমি মাছ তার স্তনের ত্বকের নিচের পেশী কুঞ্চনের সাহায্যে বাচ্চার মুখে দুধ ঢেলে দেয়। তিমির বাচ্চার গায়ে অনেক জোর থাকলেও জলের নিচে বসে স্তন থেকে টেনে টেনে দুধ খাওয়া তার পক্ষে সম্ভব না।
##যত দুধ আছে তার মধ্যে মানুষ-মায়ের দুধ সবচেয়ে মিষ্টি। এতে আছে শতকরা ৭ভাগ ল্যাকটোজ। দীর্ঘস্থায়ী দুগ্ধারণের বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত পাওয়া গেছে মানুষের মধ্যে।
##এস্কিমো স্ত্রী লোকেরা তাদের সন্তানদের একটানা ১৫ বছর পর্যন্ত দুধ পান করাতে পারে।
##সবচেয়ে বেশী চর্বি আছে (প্রায় ৫০%) সীল আর ধূসর তিমিদের দুধে। সে কারণে সীলের বাচ্চারা আর তিমির বাচ্চারা দ্রুত বড় হয়ে উঠতে পারে।
##খরগোশের দুধে আছে ২৫% চর্বি। সেকারণে খরগোশ তার বাচ্চাদের সপ্তাহে দুই-তিনবার দুধ খাওয়ায়।
##সোভিয়েত ইউনিয়নে অতি সাধারণ এক জাতের মৌমাছি আছে যাদের চোয়ালের নিচে আছে বিশেষ দুগ্ধগ্রন্থি। এই দুধ এতই পুষ্টিকর যে, এটা খেয়ে রাণী মৌমাছি প্রতিদিন ২০০০ ডিম পাড়তে পারে।
##সমস্ত পাখিদের মধ্যে একমাত্র পায়রাই দুধ তৈরি করতে পারে। এদের দুধের বর্ণ সাদাটে তরল পদার্থ, যা তাদের গলার ভেতরে তৈরি হয়। পায়রার বাবা-মা উভয়েই এই দুধ ভিজে শস্যের সাথে মিশিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ায়।

সূত্র: বাংলা টাইমস (নিউ ইয়র্ক)

No comments:

Post a Comment