Saturday, July 30, 2011

হিন্দুধর্মের ইতিহাস

হিন্দুধর্ম দ্বারা ভারতের এক ব্যাপক সমাজ-সংস্কৃতিকে বোঝানো হয়। ঐতিহাসিকভাবে এটি জুড়ে আছে ভারতে ধর্মের বিকাশ, যেটি সেই প্রাচীন ধাতুর যুগ থেকে, যা ফিরে যায় আদি ধর্মে যেমন তামার যুগে ইন্দু নদীর উপত্যকার সভ্যতা এবং পরবর্তীতে লোহার যুগের বৈদিক ধর্ম।
প্রাচীন হিন্দুধর্ম বেরিয়ে এসেছে বৈদিক সংস্কৃতির এক পুনরুভ্যুদয়ের মাধ্যমে যার সাথে ভারতে বৌদ্ধধর্মের ক্রমাগত বিলুপ্তি ঘটেছে বর্তমান সময়ের প্রায় প্রথম থেকেই। হিন্দু দর্শনের ছয়টি শাখা আছে যা বিকশিত হয়েছে খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে খ্রীষ্টপরবর্তী ষষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত, অর্থাৎ - শঙ্খ, যোগ, ন্যায়, বৈশেষিকা, মীমাংসা এবং বেদান্ত। একেশ্বরবাদী ধর্মগুলো যেমন, শৈব, বৈষ্ণব - এসবও এই সময়েই বিকাশ লাভ করে ভক্তিবাদের সঙ্গে সঙ্গে।
প্রাচীন পৌরাণিক হিন্দুধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয় মধ্যযুগে, যেমনভাবে আদি শংকরের অদ্বৈত বেদান্ত যা মিলিয়ে দেয় শৈব ও বৈষ্ণব মার্গের লোকদের এবং জন্ম দেয় স্মার্ত সম্প্রদায়ের যার সাথে সাথে দর্শনের অবেদান্তিক বিদ্যালয়গুলোর পতন শুরু হয়।
ইসলামিক শাসনামলে হিন্দুধর্ম ভক্তিবাদের ঊর্ধমান উন্নতি লক্ষ্য করে যা আজও ভীষণ প্রভাবমন্ডিত। বৃটিশ শাসনামলে হিন্দুধর্মের নানা রকমের সংস্কারবাদী আন্দোলনের জাগরণ ঘটে যা মূলত পাশ্চাত্য ভাবধারা থেকে অনুপ্রাণিত যেমন আত্ম-দর্শন। ১৯৪৭ এ ভারতবর্ষের ভাগেরও উদ্ভব ঘটে ধর্মীয় কারণেই যার ফলে হিন্দু অধ্যুষিত গণতান্ত্রিক ভারতের জন্ম হয়।
বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয়দের বিশ্বের বিভিন্ন স্থাণে যাওয়ার ফলে হিন্দু সংখ্যালঘু ছড়িয়ে গেছে সকল মহাদেশেই যার মধ্যে বড় সংখ্যায় রয়েছে আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যে। গণতান্ত্রিক ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদ এক বিশাল রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিকাশিত হয়েছে ১৯৮০-র পর থেকে, যার ফলে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেন্দ্রীয় সরকার চালায় ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ ও দক্ষিণ ভারতের রাজ্য সরকার চালায় ২০০৬ থেকে।
আদি ইতিহাসআদি ঐতিহাসিক ভারতীয় ধর্মের প্রমাণ মেলে তামার যুগের ইন্দু নদীর উপত্যকায় সভ্যতা থেকে যেখানে দেখানো হয় কিছু কিছু হিন্দুধর্মের ব্যবস্থা যেমন, স্নান (যাকে ধরা হয় একটি ধর্মীয় আচার হিসেবে) এবং প্রতীক যেমন, শিবলিঙ্গ। স্বস্ত্বিকার চিহ্নও পাওয়া যায় এ সময়ে।
অনেক প্রকার নর-নারীর আকার, যার মধ্যে নারী আকারকে "দেবী মাতা" হিসেবে আখ্যা দেয়া হয় - এসবই পাওয়া যায় ইন্দু সভ্যতার আমলে, যদিও কেউ কেউ এসব ঐশ্বরিক চরিত্রকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
একটি সীল পাওয়া গেছে মোহেনযোদারো সাইট খননের পরে যেটিকে ধরা হয় "যোগী" বা "শিব"-এর আকারধারী হিসেবে। এই "পশুপতি" (পশুপাখীর ঈশ্বর) সীল দেখিয়েছে এক বসাবস্থায় আকারকে, হয়ত ithyphallic যা পশু দ্বারা বেষ্টিত। কেউ কেউ আবার এই আকৃতিকে বর্ণনা করেছেন যে এক ঐতিহ্যবাহী যোগে বসা আকার যা তার হাঁটুর উপর ভর করে হাত দেখিয়ে বসে আছে। এই সীলের আবিষ্কারক, স্যার জন মার্শাল, এবং অন্যান্যরা বলেছেন এই আকৃতি শিবেরই আকৃতি এবং এই আকৃতির তিন চেহারা আছে , যোগাকৃতির মতো বসে আছে হাঁটু বের করে ও পা যুক্ত করে।
বৈদিক যুগবৈদিকতা ছিল ইন্দো-আর্যদের উৎসর্গকারী ধর্ম, যারা ছিল প্রাচীন ইন্দো উপভাষা ব্যবহারকারী, যেটি অবশেষে উদ্ভূত হয়েছে ইন্দো-ইরানীয় মানুষদের থেকে তামার যুগে। এর liturgy সংরক্ষিত রয়েছে বেদের তিন সংহিতায়: ঋকবেদ, সামবেদ ও যজুর্বেদ। এরমধ্যে ঋকবেদ (যেটি সবচেয়ে প্রাচীন) হলো একগুচ্ছ স্তোত্রাবলী যেগুলো খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১০০০ সনের। অন্য দুটি যোগ করেছে আনুষ্ঠানিক বিবরণসমূহ যা প্রধানত উৎসর্গের কর্মগুলোতে ব্যবহৃত হয়। অথর্ববেদে মূলত রয়েছে খ্রীষ্টপূর্ব ১০০০ সনের আগের রচনাসমূহ। এতে রয়েছে এমন জিনিসপত্র যা সেসময়কার গৃহস্থের আচারাদিতে ও লোককে দেখানো যাদুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো। এসব গ্রন্থাবলী এবং orthopraxy-র উপরে বিপুলায়তনের মন্তব্য যা ব্রহ্মে একত্র করা হয়েছে খ্রীষ্টপূর্ব ১০০০ বছরে, প্রেরিত হয়েছে মৌখিক প্রথা হিসেবে পল্লব ও গুপ্ত আমলের আগ পর্যন্ত যার মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক এক মিলিত প্রথার উদ্ভব হয়।
ঋকবৈদিক ধর্মবেদের সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ হচ্ছে ঋকবেদ যেটি একগুচ্ছ পদ্যের ন্যায় স্তোত্র যা ব্যবহৃত হয়েছে বৈদিক পুরোহিতদের দ্বারা করা উৎসর্গমূলক কর্মকান্ডে। অনেক ঋকবৈদিক স্তোত্র প্রধানত জোর দেয় অগ্নি প্রথা (অগ্নিহোত্র)-র ওপর এবং ঈশ্বরের প্রতি সোম বিসর্জন (সোমযজ্ঞ)। সোম হচ্ছে উন্মাদক ও ঈশ্বর দুইই, যেমনভাবে উৎসর্গীকৃত আগুন, অগ্নি। রাজকীয় ঘোড়া উৎসর্গ (অশ্বমেধ) হচ্ছে যজুর্বেদ অনুযায়ী এক প্রধান প্রথা।
ঋকবেদের দেব-দেবীরা মূলত মনুষ্যধারী ধারণা, যারা দুটি ভাগে বিভক্ত: দেবতা - যারা প্রকৃতির ঈশ্বর - যেমন, প্রকৃতির দেবতা ইন্দ্র (যিনি দেবতাদের রাজা), অগ্নি, ঊষা, সূর্য্য, অপঃ। অন্যদিকে রয়েছে অসুর - নৈতিক দিক থেকে ঈশ্বর - যেমন, মিত্র (চুক্তি), আর্যমন (অতিথি, বন্ধু ও বিবাহের অভিভাবক), ভাগ বা বরুণ, আদিত্য (অসুরদের সেরা)। যদিও ঋকবৈদিক দেব ব্যবহৃত হয়েছে অনেক প্রকার দেবতাদেরকে বোঝানোর ক্ষেত্রে, যার মধ্যে অসুরগণও রয়েছে। দেবতাদেরকে ধরা হয় তরুণ ঈশ্বর হিসেবে আর অসুরদের প্রবীণ ঈশ্বর। পরবর্তী বেদসমূহে অসুররা হয়ে গেছে রাক্ষস।
ঋকবেদে রয়েছে ১০টি মন্ডলা (পুস্তক)। ভাষাগত ও ভঙ্গিমাগত পার্থক্য রয়েছে পারিবারিক পুস্তক (ঋকবেদ ২-৭), পুস্তক-৮, "সোম মন্ডলা" (ঋকবেদ ৯) এবং সবচেয়ে সাম্প্রতিক পুস্তক ১ ও ১০। পুরাতন পুস্তকসমূহের মধ্যে রয়েছে অনেক ইন্দো-ইরানীয় ধর্মের দিকসমূহ এবং এটি আগেকার ইন্দো-ইরানীয় প্রথার পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মূলত ঋকবেদ-৮, যার সাথে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে অভেষ্টর, যেটিতে আছে আফগান ফ্লোরা ও ফনার উল্লেখ, যেমন - উটের প্রতি। অনেক প্রধান প্রধান ধর্মীয় বৈদিক সংস্কৃত শব্দের সমোদ্ভব আছে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার ধর্মীয় শব্দকোষের সাথে (deva: ল্যাটিনে deus; hotar: জার্মানে god; asura: জার্মানে ansuz; yagna: গ্রীকে hagios; brahman: নর্সে bragi অথবা ল্যাটিনে flamen ইত্যাদি)। মূলত দৃষ্টিযোগ্য হলো, অভেষ্টতে অসুরকে (Ahura) বলা হয়েছে ভালো এবং দেবকে (Daeva) খারাপ, যা ঋকবেদের বিপরীত।
ব্রহ্মত্বখ্রীষ্টপূর্ব দশম থেকে ষষ্ঠ শতাব্দীর সময়ে, মহাজনপন্ডদের উৎপত্তি হয়েছে আগেকার ছোটখাট রাজ্যের নানা প্রকার ঋকবৈদিক উপজাতি থেকে, এবং এর পূর্ব হরপ্পার ব্যর্থ অবশিষ্টাংশ হতে। এই সময়ে বেদের মন্ত্রের অংশ বিশেষ বেশীরভাগই সম্পন্ন হয় এবং এক ফুটফুটে বৈদিক পুরোহিতদের শিল্প গড়ে ওঠে যা সাজানো হয় অসংখ্য বিদ্যালয়ে (শাখা হিসেবে) যা পরবর্তীতে শাস্ত্রগত সাহিত্যচর্চায় পরিণত হয় অর্থাৎ ব্রহ্মত্বে। এইসব বিদ্যালয়গুলো বেদের মন্ত্রের অংশগুলো সম্পাদনা করে নির্ধারিত রিভিশনে নিয়ে যায় যেগুলো সংরক্ষিত করা হয় মূলত মৌখিক প্রথার মাধ্যমে পরবর্তী দুই সহস্র জুড়ে।
হিন্দুধর্মের ব্রাহ্মণ সমাজের এই আধিপত্যের যুগ অধগামিত হয় আধ্যাত্মিক প্রথাব্যবস্থার (সবচেয়ে প্রাচীন উপনিষদ BAU, ChU, JUB, এছাড়াও শতপথ ব্রাহ্মণ) অনমনীয় ধর্মীয় আচার ব্যবস্থার প্রতি আক্রমণের মাধ্যমে যা শুধুমাত্র উঁচু শ্রেণীর জন্যই খোলা ছিল, আত্মিক পরিজ্ঞানের (আত্মসংযমব্রত ও ধ্যান) সাথে সাথে। এই সময়ে বৌদ্ধধর্মের বিস্তার যা গৌতম বুদ্ধের (একজন খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর রাজপুত্র) আদর্শে প্রচারিত, যিনি আলোক-সম্পাতের জন্য তার সামাজিক অবস্থাণ বর্জন করেছিলেন এই প্রবণতার এক উত্তম উদাহরণ। রাজনৈতিকভাবে, মহাজনপন্ডরা আরো কমে যায় মগধ সাম্রাজ্যে মগ্ন হয়ে যা মৌর্য সাম্রাজ্য প্রায় পুরো উপমহাদেশ ঘিরে ফেলে অশোকের সময়ের মধ্যে।


----------------------------------------------------

ফেইসবুকে এক গ্রুপের মাধ্যমে এই লেখাটি ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছি। আসল লেখা থেকে বাংলা অনুবাদে ভাষাগত ভুল থাকলে অনুগ্রহ করে দেখিয়ে দেবেন। প্রকৃত ভুল অবশ্যই শুধরে দেয়া হবে।

==============================

History of Hinduism

Hinduism is a term for a wide variety of related religious traditions native to India.[1] Historically, it encompasses the development of Religion in India since the Iron Age traditions, which in turn hark back to prehistoric religions such as that of the Bronze Age Indus Valley Civilization followed by the Iron Age Vedic religion.
Classical Hinduism emerges as a revival of Vedic traditions with the gradual decline of Buddhism in India from around the beginning of the Common Era. Hindu philosophy had six branches, evolving from about the 2nd century BC to the 6th century AD, viz. Samkhya, Yoga, Nyaya, Vaisheshika, Mimamsa, and Vedanta. Monotheistic religions like Shaivism and Vaishnavism developed during this same period through the Bhakti movement.
Classical Pauranic Hinduism is established in the Middle Ages, as was Adi Shankara's Advaita Vedanta which reconciled the Vaishna and Shaiva sects, and gave rise to Smartism, while initiating the decline of the non-Vedantic schools of philosophy.
Hinduism under the Islamic Rulers saw the increasing prominence of the Bhakti movement, which remains influential today. The colonial period saw the emergence of various Hindu reform movements partly inspired by western culture, such as spiritism (Theosophy). The Partition of India in 1947 was along religious lines, with the Republic of India emerging with a Hindu majority.
Prehistory
During the 20th century, due to the Indian diaspora, Hindu minorities have formed in all continents, with the largest communities in absolute numbers in the United States and the United Kingdom. In the Republic of India, Hindu nationalism has emerged as a strong political force since the 1980s, the Hindutva Bharatiya Janata Party forming the Government of India from 1999 to 2004, and its first state government in southern India in 2006.             
Evidence of prehistoric religion in India is found in the Bronze Age Indus Valley Civilization, showing the certain elements of Hinduism such as baths (assumed to serve a ritual purpose) and Symbols, compared to the Shiva lingam.[2][3] There were also found Swastika signs.
Many male and female figurines, the female figurines popularly dubbed "Mother Goddesses" have been found in the Indus Valley, although some have expressed doubt as to the divine character of these female figures.[4]
Vedic period
A seal discovered during excavation of the Mohenjo-daro archaeological site in the Indus Valley has drawn attention as a possible representation of a "yogi" or "proto-Shiva" figure.[5] This "Pashupati" (Lord of Animals, Sanskrit paśupati)[6][7] seal shows a seated figure, possibly ithyphallic, surrounded by animals.[8][9][10] Some observers describe the figure as sitting in a traditional cross-legged yoga pose with its hands resting on its knees. The discoverer of the seal, Sir John Marshall, and others have claimed that this figure is a prototype of Shiva, and have described the figure as having three faces, seated in a "yoga posture" with the knees out and feet joined.   
Main articles: Vedism, Vedic period, and Vedic Sanskrit
Further information: Iron Age India
Rigvedic religion
Vedism was the sacrificial religion of the early Indo-Aryans, speakers of early Old Indic dialects, ultimately deriving from the Proto-Indo-Iranian peoples of the Bronze Age.[11] Its liturgy is preserved in the three Vedic Samhitas: the Rig-Veda, Sama-Veda and the Yajur-Veda. Of these, the Rig-Veda the oldest, a collection of hymns dated to between 1500 and 1000 BC[citation needed]. The other two add ceremonial detail for the performance of the actual sacrifice. The Atharva-Veda may also contain compositions dating to before 1000 BC. It contains material pertinent to domestic ritual and folk magic of the period. These texts, as well as the voluminous commentary on orthopraxy collected in the Brahmanas compiled during the early 1st millennium BC, were transmitted by oral tradition alone until the advent of the Pallava and Gupta period and by a combination of written and oral tradition since then. 
The earliest text of the Vedas is the Rigveda, a collection of poetic hymns used in the sacrificial rites of Vedic priesthood. Many Rigvedic hymns concern the fire ritual (Agnihotra) and especially the offering of Soma to the gods (Somayajna). Soma is both an intoxicant and a god itself, as is the sacrificial fire, Agni. The royal horse sacrifice (Ashvamedha) is a central rite in the Yajurveda.
The gods in the Rig-Veda are mostly personified concepts, who fall into two categories: the devas – who were gods of nature – such as the weather deity Indra(who is also the King of the gods), Agni ("fire"), Usha ("dawn"), Surya ("sun") and Apas ("waters") on the one hand, and on the other hand the asuras – gods of moral concepts – such as Mitra ("contract"), Aryaman (guardian of guest, friendship and marriage), Bhaga ("share") or Varuna, the supreme Asura (or Aditya). While Rigvedicdeva is variously applied to most gods, including many of the Asuras, the Devas are characterized as Younger Gods while Asuras are the Older Gods (pūrve devāḥ). In later Vedic texts, the Asuras become demons.
The Rigveda has 10 Mandalas ('books'). There is significant variation in the language and style between the family books (RV books 2–7), book 8, the "Soma Mandala" (RV 9), and the more recent books 1 and 10. The older books share many aspects of common Indo-Iranian religion, and is an important source for the reconstruction of earlier common Indo-European traditions. Especially RV 8 has striking similarity to the Avesta,[12] containing allusions to Afghan Flora and Fauna,[13] e.g. to camels (úṣṭra- = Avestan uštra). Many of the central religious terms in Vedic Sanskrit have cognates in the religious vocabulary of other Indo-European languages (deva: Latin deushotar: Germanic god;asura: Germanic ansuzyajna: Greek hagiosbrahman: Norse Bragi or perhaps Latin flamen etc.). Especially notable is the fact, that in the Avesta Asura (Ahura) is known as good and Deva (Daeva) as evil entity, quite the opposite of the RigVeda.                         
Brahmanism
Further information: Brahmana, Aranyaka, and Shrauta Sutra
During a period roughly spanning the 10th to 6th centuries BC, the Mahajanapadas arise from the earlier petty kingdoms of the various Rigvedic tribes, and the failing remnants of the Late Harappan culture. In this period the mantra portions of the Vedas are largely completed, and a flowering industry of Vedic priesthood organized in numerous schools (shakha) develops exegetical literature, viz. the Brahmanas. These schools also edited the Vedic mantra portions into fixed recensions, that were to be preserved purely by oral tradition over the following two millennia.
This period of dominance of priestly Brahmanic Hinduism declines with the appearance of mystical traditions (the oldest Upanishads, BAU, ChU and JUB besides the Shatapatha Brahmana) attacking the rigid ritualism available only to the elite, in favour of spiritual insight through asceticism and meditation. The rise of Buddhism at this time, according to tradition originating with Gautama Buddha, a 6th century BC prince, renouncing his status for enlightenment, is exemplary of this tendency. Politically, the Mahajanapadas declined by being absorbed into the Magadha Empire which as the Maurya Empire would encompass almost the whole subcontinent by the time of Ashoka.





No comments:

Post a Comment