Friday, April 05, 2013

জামাতে ইসলামীর ভন্ডামির খতিয়ান (দ্বিতীয় পর্ব) [১৯৪৭ এর পর]

১৯৪৯- পাকিস্তান সরকার আগে বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত জামাতের “ইসলামী সংবিধানের রূপরেখা” গ্রহণ করে । পরে পাকিস্তান জামাত প্রভাবিত সংবিধান প্রণয়ন করে ।
১৯৫০- পরের বছর পাঞ্জাবের প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য ব্যাপক প্রচারণা । মওদূদী জেল থেকে মুক্তি পান ।
১৯৫১- পাঞ্জাবের প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভরাডুবি ।
১৯৫২- গোলাম আজম ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন । পরে ১৯৭০ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুর শহরে এক সংবর্ধণা সভায় তিনি বলেন “উর্দূ পাক-ভারত উপমহাদেশের মানুষের সাধারণ ভাষা। ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে অংশ নেওয়া তার মারাত্নক ভুল ছিলো। বাংলা ভাষা আন্দোলন মোটেও সঠিক কাজ হয়নি। তিনি এজন্য দুঃখিত” সূত্র : দৈনিক আজাদ ২০ জুন ১৯৭০/ সাপ্তাহিক গণশক্তি ২১ জুন ১৯৭০/ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস- ডঃ মোহাম্মদ হান্নান, পৃঃ ৩৯৯
১৯৫৩- ১৮ জানুয়ারী মওদূদী করাচীতে কাদিয়ানী তথা আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম ফতোয়া দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করেন । এবং “রাষ্ট্রের সকল পদ থেকে কাদিয়ানীদেরকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য” সরকারের কাছে দাবী পেশ এবং আন্দোলন করেন । “কাদিয়ানী সমস্যা” নামে একটা বই লিখেও কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম প্রমাণের চেষ্টা করেন । এবং তার মতবাদ নিয়ে ব্যাপক প্রচারনা চালান । এতে সৃষ্ট সাম্পদায়িক দাঙ্গায় কয়েক হাজার মানুষ মারা যায় । মওদুদী দোষী প্রমানিত হওয়ায় আদালত মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয় । পরে মৃত্যুদন্ড প্রত্যাহার করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় । এবং কিছুদিনের ভিতর তাও প্রত্যাহার করা হয় ।
১৯৫৪- গোলাম আজম জামাতে যোগ দেন । প্রথম দিকে পূর্বপাকিস্তানে জামতের অবস্থান মজবুত না থাকলেও, গোলাম আজম যোগ দেওয়ার সাথে সাথে পূর্ব পাকিস্তানে দল চাঙ্গা হয়ে উঠে ।
(সংগৃহীত)

No comments:

Post a Comment