Saturday, August 02, 2014

আরেকটি গাজার মতো ঘটনা রুখতে আজই এগিয়ে আসুন

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: সমালোচনা গ্রহণ করার মনোবৃত্তি নিয়ে যদি পড়ার সাহস থাকে তাহলেই শুধু পড়বেন, নতুবা উল্টা-পাল্টা গালিগালাজ করে নিজের এবং লেখকের সময় নষ্ট করবেন না]

George Orwell এর "1984" যখন ১৯৪৮ সালে লেখা হয়, তখন অনেকেই এটিকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলো। বলেছিলো এ সম্ভব নয়। লেখক অনেক সমালোচনারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু বেশীদিন লাগেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে শীতল যুদ্ধের সময়কালীন পর্যায়েই George Orwell এর কথাগুলো সত্য হতে থাকে। আর আজ ২০১৪ সালে তো এ বিষয় এমনই সত্য যে, এ ভিন্ন সমাজকে কল্পনা করাও প্রায় অসম্ভব। একেবারে যেন আমাদের আমাদের সামাজিক জীবনের অংশেই ঢুকে গেছে যে এ নিয়ে এখন আর আমাদের মাথা ব্যথাই আর নেই। যা হোক, পাঠক যদি এ বই না পড়ে থাকেন, নিজ দায়িত্বে পড়ে নেবেন আর তখনই বুঝবেন কোন ভবিষ্যতবাণীগুলো George Orwell করেছিলেন যা পরবর্তীতে সত্যরূপে ফলতে থাকে।

এই ভূমিকা দেওয়ার এই কারণ যে, সামনে আমি যেসব কথাগুলো বলবো তা হয়ত সেই George Orwell এর ১৯৪৮ সালের পূর্বভবিষ্যবাণীর মতোই মনে হবে লোকের কাছে। তখন যেমন Orwell-কে লোকে তাচ্ছিল্য করে উড়িয়ে দিয়েছিলো, আমার কথাগুলোতেও অনেকেরই বোধহয় এমন মনে হবে। পড়ে যদি ইতিহাসে একথাগুলো কখনো সত্য হয়, তখন বুঝব "গরীবের বচন বাসি হলেই ফলে"।

সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল-প্যালেস্টাইন নিয়ে ঝড় চলছে দেশে-বিদেশে, মিডিয়া, সামাজিক মাধ্যম ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে। এ নিয়ে কিছু বলার আগে গত ক'দিনে এ বিষয়ে অনেক কিছুই পড়লাম, ভিডিও দেখলাম, জানলাম। যদিও নানা সূত্রের নানান ভাবে এই হানাহানির ব্যাখ্যা দেওয়া, তবে মোটামুটি বহু সূত্র পড়ে একটা সাধারণ ইতিহাসের ঘটনালিপি বুঝতে পারলাম। আর তা হলো, ইহুদী ধর্মাবলম্বীদের প্রাচীন পূর্বপুরুষ Jacob ও তার পরিবার-পরিজন হাজার বছর আগে ঈশ্বরের প্রদত্ত ভূমি বলে জেরুজালেম তথা উক্ত নিকটবর্তী অঞ্চল পায়। কিন্তু নানা সময়ের দুর্ভিক্ষ, আকালের শিকার হয়ে তাকে তার লোকজন নিয়ে মিশরে আশ্রয় নিতে হয়।

কিছু প্রজন্মের পর Moses নামক তারই এক বংশধর ফেরত আসার চিন্তা করেন তাদের ভূমিতে। আর ফেরতও আসেন পরাধীনতার শিকার হওয়া মিশর থেকে। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেখানে বাস করতে শুরু করে গ্রীক, রোমান, ব্যবীলনীয়রা। এরা সকলেই ইহুদীদের পুরোপুরি স্বাধীনভাবে নিজ পিতৃভূমিতে থাকতে দেয়নি। এমনকি রোমানরা ইহুদীদের পুরোনো মন্দিরগুলোও ধ্বংস করে ওদের সাম্রাজ্যবাদের শীর্ষ সময়ে। ফলে ইতিহাসের থেকে শিক্ষা নিয়ে ইহুদীরা ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের নানান অঞ্চলগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাস করতে শুরু করে।

পরবর্তীতে ইসলামের বিস্তৃতির ফলে সেই অঞ্চলে মুসলিমরাও বাস স্থাপণ করে। পারস্যের বাসিন্দা বলে গণ্য হতে শুরু করেন স্থাণীয়রা। ধারণা করা হয়, "Palestine" শব্দটি হিব্রু শব্দ "peleshet" থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ 'অভিবাসী'। যা হোক, এ আলোচনায় আর যাবো না।

এরও পরে Ottoman Empire এর আমলে ওই অঞ্চলে মুসলিম আবাস বেশ বিস্তৃতিই লাভ করে। বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে এসে যখন বৃটিশরা Ottoman-দেরকে পরাস্ত করে, তখন এক নতুন ইতিহাস তৈরি হয়। তৎকালীন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী Lord Balfour তার বিখ্যাত Balfour Declaration এর মাধ্যমে পুণ্যভূমি (holy land) এ সকল ইহুদীদের ফেরত আসার ধারা তৈরি করেন। অবশ্য এতে সেসময় Zionist-দের ভূমিকাও প্রবল ছিলো। Zionist-রা হলো এক প্রকার উগ্রপন্থী ইহুদী গোষ্ঠী যারা মনে করত বা করে যে জেরুজালেম বা অত্রস্থাণীয় অঞ্চল ঈশ্বর ইহুদীদেরকেই প্রদান করেছেন আর এতে বসবাসের অধিকার শুধুমাত্র ইহুদীদেরই। এখানে বলে রাখা ভালো, বৃটিশরা বা পশ্চিমা শক্তিধররা তখন প্যালেস্টাইনের বাসিন্দাদেরও সেখানে থাকার অধিকার আছে বলে শক্ত বিশ্বাস ধারণ করতেন।

ফলে আর কী! ভারত-পাকিস্তান যেমন ভাগ করে দিয়ে যায় ১৯৪৭ সাকে, তেমনি ইসরাইল-প্যালেস্টাইনকেও আলাদা করে দিয়ে যায় বৃটিশরা ১৯৪৮ সালে। ফলাফল - যেমন পাক-ভারত স্বাধীনতার পর আজও শান্তিতে থাকেনি একটি দিনও, ইসরাইল-প্যালেস্টাইনও থাকেনি শান্তিতে একদিনও। পরবর্তীতে ইসরাইল আরো আগ্রাসী হয়ে পুরো অঞ্চলটাই দখল করতে চেয়েছে ১৯৬৭ সালে এবং মোটামুটি সফলও হয়েছে।

কিন্তু আমার মূল উপপাদ্য বিষয় এটি না। এতক্ষণ যা বললাম, তার সাথে অনেকটা মিল রেখে আরেক অঞ্চলে সমান্তরাল ঘটনা ঘটে চলেছে আজ বছরের পর বছর ধরে। যেমনভাবে আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে আজ বৃটিশরা আমেরিকার পরম বন্ধু, তেমনি বেশীরভাগ বাংলাদেশীর কাছে পাকিস্তান বন্ধুসুলভই। ইতিহাস বার বার যে পুনরাবৃত্তি করে তার প্রমাণ অনেক আছে। এ শুধু একটা।

সিন্ধু নদের উপত্যকায় সনাতন ধর্মের বাস ইতিহাসবিদদের কাছে প্রায় ৫০০০ বছরেরও আগে (যদিও হিন্দুধর্ম মতে এই ধর্মের কোনো আদি-অন্ত নেই)। বিশ্বের চারটি প্রাচীন সভ্যতার (Mesopotamia, Egypt, Indus, China) মধ্যে সিন্ধু নদের সভ্যতা অন্যতম। ফলে একদম মূর্খ না হলে এই সত্য অস্বীকার করবে বর্তমান ২০১৪ সালের মানুষজন।

৫৭০ সালের পরে ধীরে ধীরে ইসলামের বিস্তার ঘটতে থাকে সারা বিশ্বে নবীজীর অনুসারীদের এক এক দিশায় যাবার ফলে। এর মধ্যে ৬৩৬ সালে খলিফা ওমরের শাসনামলে ভারতবর্ষে প্রথম মুসলিম আগ্রাসন শুরু হয়। পরের দিকে খলিফা ওসমান, আলী ও মুয়াবিয়ার আরো আক্রমণ, লুন্ঠন করে। হাজ্জাজ বিন ইউসুফের দুইটি ব্যাপক আগ্রাসনও যখন পরিপূর্ণভাবে ভারতবর্ষে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন হাজ্জাজের ভাতিজা মোহাম্মদ বিন কাসিম ৭১২ সালে সিন্ধুর দেবাল বন্দর জয়ের ফলে প্রথম ইসলামী ঘাঁটি গাড়তে সক্ষম হয় ভারতবর্ষে। এরপরে গত ১৩০০ বছরে ৮ কোটিরও বেশী হিন্দু নিধনের ফলে ইসলাম শক্ত অবস্থাণ ধারণ করে উপমহাদেশে। আর ইরানের নাদির শাহের ১৭৩৮এর দিকে, ১৮০০এর দিকে আফগান আহমাদ শাহ আবদালী কিংবা মুঘল সাম্রাজ্যের টিপু সুলতানের মতো সম্রাটরা হাজারে-হাজারে, লাখে-লাখে স্থাণীয় হিন্দু নিধন, সম্পদ লুন্ঠন, ক্রীতদাসত্বকরণসহ নানা নির্মমতা দেখিয়েছে।

এমনকি বহুল সমালোচিত হিন্দুদের সতীপ্রথার উৎপত্তিও এই সময়কালেরই। মোহাম্মদ বিন কাসিমের ক্রীতদাসত্বের থেকে রক্ষা করতে এবং নিজেদের পবিত্রতা (সতীত্ব) রক্ষা করতে তখনকার হিন্দু বিবাহিত নারীরা স্বামীর সাথেই আগুনে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যুকে বেছে নিতেন। পশ্চিমারা পরে এসে একে হিন্দু সমাজের অংশ হিসেবে বিশ্বে প্রচার করেছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ১৫৬৮ সালে চিত্তোরগড়ে ৮ হাজার হিন্দু নারী একসাথে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে স্বামীর সাথে দেহত্যাগ করেন। {এসব তথ্যাবলী এম. এ. খানের "জিহাদ: জবরদস্তিমূলক ধর্মান্তকরণ, সাম্রাজ্যবাদ ও ক্রীতদাসত্বের উত্তরাধিকার" বইটি থেকে সংগৃহীত}

এখন বর্তমান সময়ে আসি। জনসংখ্যার একটা রূপ দেখি। দেশভাগের পরে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনের পরে পাকিস্তানে ১৫% হিন্দু ছিলো যা আজ ২% এরও নিচে। বাংলাদেশে ১৯৫১ সালের হিসেবে ৩৩% থেকে আজ ৮-৯% এ নেমে এসেছে। আর স্বাধীনতার পরে বর্তমান ভারতে হিন্দু ৭৫-৮০% এ এসেছে প্রায় ৮৯% থেকে যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা ৯% থেকে আজ প্রায় ২০% এরও বেশী। {এসব পরিসংখ্যানগুলো wikipedia তথা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের থেকে সংগৃহীত}

'লাভ জিহাদ' এর মতো অভিনব পন্থা তো আজকাল প্রায় অনেক মুসলিম ছেলেরাই রপ্ত করেছে। হিন্দু মেয়েদের ভালোবাসার জালে ফেলে তাকে বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে পরে হয়ত আরেকটা বিয়ে পরে বাপ-মায়ের কথা রাখতে আর দাসীর মতো সারাটা জীবন কাটায় সেই ধর্মান্তরিত মেয়েটি কিংবা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তাছাড়া, হিন্দুদের জমি দখল, মেয়েদের ধর্ষণ, পুরুষদের হত্যা, সম্পদ লুন্ঠন, মন্দির ধ্বংস - এসব তো নিত্যদিনের বিষয় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মতো দেশে। আবার সাম্প্রতিক সময়ে যুক্ত হয়েছে ফেইসবুকে নবীজী কিংবা ইসলামকে অবমাননার দায় দিয়ে হিন্দু পল্লীতে আক্রমণ। ফলে সর্বদিক থেকে দেখলে হিন্দু জনসংখ্যা বাংলাদেশ-পাকিস্তান থেকে বিলুপ্ত হতে আর বেশী বছর নেই। আর ভারতেও secularism এর কথা শুনিয়ে বহু হিন্দু মেয়ে মুসলিম ছেলে বিয়ে করছে, কিংবা জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারের দিক দিয়ে মুসলিম প্রজনন হিন্দু প্রজননকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে দিন দিন। অর্থাৎ সেখানেও মুসলিম আধিপত্য হতে বেশীকাল সময় পার করতে হবে না।

ত্রেতাযুগে অযোধ্যায় শ্রীরামের পুণ্যভূমিতে মুঘল সাম্রাজ্যের শাসনামলে যেমন বাবর বাবরি মসজিদ বানিয়েছিলো, আর আজকের মুসলিমরা একে ধ্বংসের জন্য হিন্দুদের সাথে দাঙ্গায় লিপ্ত হয়, তেমনি হিন্দুদের বহু তীর্থস্থাণের ঠিক নিকটবর্তী এলাকাতেই আজকাল মসজিদ-মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে (কেদারনাথ, মথুরা, বৃন্দাবন ইত্যাদি)। যদি বলা হয়, কেন এসব স্থাণগুলোতেই? উত্তরে শুধু একটাই শব্দ - "সাম্প্রদায়িক"। তাছাড়া, মালদাহর কথা তো নাই বা বললাম। সেখানে সংখ্যাগুরু হিন্দুরা নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের মৃতদেহ দাহ করতে পারে না স্থাণীয় সংখ্যালঘু মুসলিমদের কারণে যা প্রশাসনের দ্বারা সমর্থিত ভোটব্যাংকের কারণে (যদিও এরপরেও প্রশাসন সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে কখন না সাম্প্রদায়িকতার কালিমা পড়ে)।

এবারে আমার ভবিষ্যতবাণী এই প্রবণতা দেখে এই যে, হয়ত অদূর ভবিষ্যতে ভারতবর্ষকে আমরা দেখব পুরো মুসলিম আধিপত্যে। হয়ত যদি কোনো হিন্দু থেকেও থাকে বাধ্য হবে গৃহ-সম্পদ ত্যাগ করে অন্যান্য দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে (যেমনটি ইতিমধ্যেই বর্তমানে হচ্ছে)। আর কালের বিবর্তনে যখন আবার কোনো বড় বিশ্বযুদ্ধের মতো কিছু ঘটবে, কিংবা হিটলারের মতো হিন্দু পুরোপুরি বিলুপ্তিতে কোনো শাসক মাথাচারা দিয়ে উঠবে, তখন পশ্চিমা বিশ্ব (বৃটিশ, আমেরিকার ওরা) হয়ত হিন্দুদেরকে Balfour Declaration এর মতো কোনো আইন বানিয়ে তাদের পূর্বপুরুষদের ভূমি ভারতবর্ষে ফেরত আসতে বলবে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে। তখন স্থাণীয় মুসলিমরা বলবে আমরাই তো এখানে আদিকাল থেকে বাস করছি। আর এই মানা-না মানার বিতর্কে বাধবে যুদ্ধ। হয়ত Zionist এর মতো হিন্দু উগ্রবাদী কিছু গোষ্ঠী তখন কোনো মতেই ছাড় দেবে না। ফলে চলবে অনির্দিষ্টকালীন যুদ্ধ। মরবে মানুষ। আর কাঁদবে বিশ্ব ভারতবর্ষের মুসলিম নিধনে যেমন আজ কাঁদছে প্যালেস্টাইনের মুসলিম মরণে। সবাই দোষারোপ করবে হিন্দুদের, যেমন ইহুদী ইসরাইলকে আজ করছে। মানবতার ডাক দিয়ে তখনকার ফেইসবুক, টুইটার ভরে যাবে #SaveIndianMuslims বলে।

অথচ আজকের হিন্দু নিধনে কারো কোনো চিন্তা নেই। কেউ উচ্চবাচ্য করছে না। কেউ #hashtag দিয়ে হিন্দুদের বাঁচানোর জন্য trending কিছু করছে না। কেউ অর্থ সাহায্য দিচ্ছে না। কেউ সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ভাবছে না। কেউ জাতিসংঘের সামনে মানববন্ধন করছে না। কেউ Human Rights Watch বা Amnesty International-কে প্রশ্ন করছে না। কেউ হিন্দু তীর্থযাত্রীর উপর আক্রমণে চোখের জল ফেলছে না। কেউ হিন্দু মন্দির-তীর্থভূমি দখল, ভেঙ্গে মসজিদ নির্মাণে কিছু বলছে না। কেউ মানবতার অজুহাত তুলছে না যখন বাবার সামনে মাকে ও মেয়েকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। কেউ আসল সমস্যা কোথায় তা ঘেটে দেখছে না। কেউ সেই সমস্যা জেনেও সে নিয়ে কিছু করছে না। কেউ সরকার-প্রশাসন ইত্যাদির ভয়ে প্রকৃত মানবতার জন্য লড়ছে না। কেউ প্রকৃত খবর জানার চেষ্টা করছে না, অথচ হুজুগে পড়ে বাড়ি-ঘর, মন্দির, সহায়-সম্পত্তি লুন্ঠন ঠিকই করছে। কেউ বলছে সেসব নারীদের কথা যারা শীতের দিনে মুসলিম শোষকদের হাত থেকে বাঁচার জন্য পুকুরে, নদীতে ডুব দিয়ে মরার অভিনয় করে বাঁচার চেষ্টা করে, কিন্তু কোনো বিচার পায় না।

তাই পাঠক, আমি শক্তভাবে মনে করি আরেকটি গাজা তৈরির পথে আছে। ইতিহাস বারবারই পুনরাবৃত্তি করে। সে পশ্চিমাদের ক্ষেত্রেই হোক আর প্রাচ্যের ক্ষেত্রেই হোক। এখনও সময় আছে যদি আরেকটি গাজা ঘটনা ইতিহাসে না হতে দিতে চান, তবে এখনই এগিয়ে আসুন। প্রকৃত মানবতার জন্য লড়ুন। ভন্ডামির secularism এর মুখোশ পড়ে আপনার পরবর্তী প্রজন্ম যেই নৃশংস, বর্তমান সময়ের চেয়েও ভয়ানক ভবিষ্যত পার করবে তা রুখতে আজই আপনার অংশটুকু আপনি করুন। মানুষকে সচেতন করুন। আপনি একজন এ নিয়ে বদলালে, আপনার দেখাদেখি আরো দশটা লোক বদলাবে। মানুষ হুজুগের পাগল - সেটা ভুলে গেলে চলবে না। আজকে আপনার ভূমিকা হয়ত ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে না, আপনি ও আপনার চারপাশের লোকের ভূমিকাই বদলে দেবে ভবিষ্যত। আর যদি আমার এই ভবিষ্যতবাণী না ফলে তাহলে বলবো, ঈশ্বর যা করেন, মঙ্গলের জন্যই করেন। কিন্তু যদি সত্যিতে রূপান্তরিত হয়, তখন এই অধমের লেখা যদি টিকে থাকে তবে ঠিকই পরবর্তী প্রজন্ম আপনাকে-আমাকে দুষবে যে, ওরা জেনেও কিছু করেনি কেন তখন। এই ভবিষ্যত বদলানোর ভূমিকায় আপনার অংশটুকু পালন করুন মানবতার স্বার্থে।

2 comments:

  1. I dont really see the parallelism. Are you suggesting that we all have the rights to claim our ancestors lands no matter how old it is ? Shouldn't we all then claim "Africa" and kick out the current residents since we all evolved out of there ? I hope you see the slippery slope..

    ReplyDelete
    Replies
    1. No. I am not saying that it is possible for everyone to return to their ancestor's lands. But with the current trend, what I am saying is that another Gaza-type event would repeat just as it is happening now. Question is whether we can avoid its forthcoming by taking some action now. To be honest, I do not know the way out myself either. Only thing that I can think of is by educating others about this parallelism & making sure that population percentage remain relatively same as now of different religions in the subcontinent. Otherwise, whenever a strong imbalance occurs, then by the nature of universe, there will be a balance which will cause bloodshed, deaths. I'm trying to warn the current generation of similar events & hopefully avoid a future occurrence like this.

      Delete