Showing posts with label কৌতুক. Show all posts
Showing posts with label কৌতুক. Show all posts

Saturday, January 14, 2012

চোরের ধার্মিক হওয়া

একবার এক চোরের বৌ তাকে অনেক বুঝিয়ে তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে রাজি করাল যে সে চুরি করা ছেড়ে দেবে। চোর এরপর বউকে বোঝাল সে সর্বশেষ একটা চুরি করবে রাজার বাড়িতে। এইটির পরে সে চুরি করা ছেড়ে দেবে।

রাজার বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে তিনটি হাঁড়ি। চোর চিন্তা করল হালকা-পাতলা যেই হাঁড়িটা সেটাই সে নিয়ে যাবে। তার ধারণা হাঁড়িগুলোর মধ্যে স্বর্ণ-মুদ্রা রয়েছে। হালকা-পাতলা হলে সেটা নিয়ে তার রাজ মহল থেকে বের হতে সহজ হবে - এই ভেবে সে হালকা-পাতলা হাঁড়িটি নিয়ে বাড়ি চলে গেল।

রাতে চুরি করে সে চুরির হাঁড়ি ঘরে এক কোণে রেখে দিল। সকালে বউ উঠে দেখে আগের রাতে তার স্বামী চুরি করে এনেছে এক হাঁড়ি। কৌতুহল বশে বউ হাঁড়ির মধ্যে কি আছে জানতে উদগ্রীব হল। হাঁড়ি ভেঙ্গে পেল একটি পাঞ্জাবী আর নামাজ পড়ার টুপি। বউ ভাবল আল্লাহ এবার তার স্বামীকে সৎ পথে আনতেই এই পাঞ্জাবী আর টুপি তার শেষ চুরিতে তাকে পাইয়ে দিয়েছেন। বউ চোর স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে দিয়ে গোসল করতে পাঠাল যাতে করে দুপুরে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে যেতে পারে।

লোকটি আগে কখনো নামাজ পড়তে যায়নি মসজিদে। জীবনে সবসময় কুকর্ম করেছে। এই কারণেই এতদিন আল্লাহর দরবার মসজিদে যেতে সাহস পায়নি লোকটি। এবারে চুরি ছেড়ে দিয়ে মসজিদে যেতে আর কোনো সমস্যা নাই। তাই বউয়ের কথায় মানা করল না লোকটি।

মসজিদে গেল সে শুধুমাত্র পাঞ্জাবী আর টুপিটি পড়ে। যেহেতু সে জীবনে আগে কখনো নামাজ পড়েনি, সে সবাই যেভাবে নামাজ পড়ছে সেভাবেই করতে লাগল। যখন হাঁটু গেড়ে বসে মাথা নিচু করে আছে সেসময় হঠাৎ তার পেছন থেকে তাকে লাথি মারা হলো তার অন্ডদেশে। লোকটা তো কিছুই বুঝে উঠতে পারল না। সে ধরে নিল এটা মনে হয় নামাজেরই অংশ। সে তখন তার সামনের লোকটিকে লাথি মারল একইভাবে। এরপর সে মসজিদে নামাজরত সকলকেই লাথি মারতে লাগল।

মসজিদে তো বিশৃঙ্খলা লেগে গেল। এরপর সবাই তাকে ধরল কেন সে এমন করছে। লোকটি তখন বোঝালো যে সে মনে করেছিল এটা নামাজেরই অংশ যখন তার পেছনের লোক তাকে লাথি মেরেছিল। তখন তার পেছনের লোক এসে সবার সামনে বলল, "আরে মিয়া, এইটা নামাজের অংশ হইতে যাইব কেন? তুমি মিয়া খালি পাঞ্জাবী আর টুপি পড়ে নামাজ করতে চলে আসছ। নিচে কিছুই যে পড়ো নাই।"

Monday, January 09, 2012

বোকার বেহেস্ত যাওয়া

একবার এক মূর্খ, বোকাসোকা লোক চিন্তা করল সে জীবনে আর যাই করুক একটা ব্যবস্থা করবে যাতে করে তার বেহেস্ত যাওয়া নিশ্চিত হয়। সে এক পীর বাবাজীকে ধরল। পীর বাবাকে সে জানাল, তাকে যেন এমন কিছু সুরা শেখানো হয় যাতে করে তার বেহেস্ত যাওয়া নিশ্চিত হয়। পীর বাবা তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করল যে যতই সুরা শিখুক না কেন কোনোভাবেই নিশ্চিত করে বলা যাবে না যে বেহেস্ত যাওয়া সম্ভব। কিন্তু লোকটি নাছোড়বান্দা। সে বাধ্য করল পীর বাবাকে যেন তাকে কিছু সুরা মুখস্থ করিয়ে দেন তিনি।

তারপর রাতে ঘুমিয়ে লোকটি স্বপ্নে নিমগ্ন হয়ে পড়ল। স্বপ্নে দেখল পৃথিবী শেষ হয়ে গেছে। সবাই দুই দিকের মধ্যে কোনো না কোনো দিকে যাচ্ছে। বেশীরভাগই দেখল একদিকে যাচ্ছে। লোকটি একটু এগিয়ে গিয়ে দেখল এই লাইনের লোকগুলি যাদের সে চেনে এরা পৃথিবীতে থাকতে তার সাথে মন্দ কাজ করেছে। এই দেখে লোকটি সিদ্ধান্তে আসল এই লাইনে গেলে দোযখ হয়ত দেখতে হবে। সে তখন অন্য লাইনটি নিল।

সেই লাইনে যেতে যেতে সে গিয়ে পৌঁছল একেবারে সামনে। যেই তার আগের লোকটি দরজা দিয়ে ঢুকে গেল, অমনি দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল। তার তো তখন মন খারাপ। এত কষ্ট করে সুরাগুলো শিখছিল, কিন্তু বেহেস্তের দরজা তার ঢোকার আগেই বন্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ তার চোখে পড়ল যে দরজার মধ্যেখানে একটা ফুঁটা আছে। সে মনে করল এইটা দিয়ে যদি দরজাটা খোলা যায় তাহলে তো সে বেহেস্তে ঢুকতে পারবে। যেই সে ওই ফুঁটা দিয়ে আঙুল ঢুকালো, অমনি তার ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে দেখে তার আঙুল তার পায়ুপথে ঢুকানো।

Wednesday, January 04, 2012

বোকা জামাই

একবার এক বোকা জামাই শ্বশুর বাড়ি যায় না বলে নিজের বাপের কাছে ধমকি খেল। শ্বশুর-শ্বাশুরীরা অনেক করে বলে শ্বশুর বাড়ি যাবার জন্য। কিন্তু তবুও জামাই যায় না। এবারে নিজের বাবার কাছে ধমকি খেয়ে সে সিদ্ধান্ত নিল এবারে সে যাবেই শ্বশুর বাড়ি।

শ্বশুর বাড়ির কাছাকাছি আসার পরপরই দেখল পুকুর পারের এক কোণে বসে শ্বশুর মশাই মলত্যাগ করছেন। জামাই এগিয়ে গেল শ্বশুরের সাথে কথা বলতে।
জামাই: কেমন আছেন বাবা?
শ্বশুর বিব্রত অবস্থায় পড়লেন। তিনি লজ্জায় মাথা নিচু করলেন। জামাই তাতেও থামে না। আরো এগিয়ে গিয়ে বলে "কেমন আছেন?" শ্বশুর আরোও একটু নিচু হন। এমন করে লজ্জায় নিচু হতে দেখে জামাই বলল, "কি? এহন ক্যান হুকটার তলে মাথাটা লুকান। আমার বাপের কাছে তো কন জামাই ক্যান শ্বশুর বাড়ি আইয়ে না। অহন তো আইলাম। অহন কুনো উত্তর দ্যান না ক্যান?"
শ্বশুর তো লজ্জায় মাথাকাটা যায়।


এরপর জামাই গিয়ে উঠল রান্নাঘরে সামনে। গিয়ে দরজার এককোণে দাঁড়িয়ে দেখে শ্বাশুরী খাবার শেষ করে ডেগচি থেকে পায়েস খাচ্ছে।
হঠাৎ করে জামাইকে দেখে শ্বাশুরী লজ্জায় ডেগচি লুকিয়ে বলে, "কি গো জামাই, কখন আইলা?"
জামাই উত্তর দেয়, "ঠিক আমনের পয়লা লেহনটার সময়।"
শ্বাশুরীরও লজ্জায় মাথাকাটা অবস্থা।

এরপর রাতে খাবারের সময় গরম তরকারী মুখে দিয়ে জামাইয়ের তো বারটা বাজছে। সে মুখ হা করে উপরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। জামাইয়ের এই বোকামীর মতো গরম তরকারী মুখে দিয়ে মুখের টাকরা পোড়ার অবস্থা দেখে শ্বশুর প্রশ্ন করল, "কি গো জামাই, উপরে কি দেখ?"
জামাইও চালাকি করে বলল, "দেখতাছি আমনেগো ঘরটা কি কাঠ দিয়া বানাইছেন।"
শ্বশুর উত্তরে বলল, "ঘরটা ... ঘরটা টাকরা পোড়া কাঠ দিয়া বানাইছি।"

পরদিন সকালে জামাই আর শ্বশুর পুকুরের ধারে বসে দাঁত মাজছে। জামাই শ্বশুরকে প্রশ্ন করল, "তা বাবা, আমনেরা এই পুকুরটা যে কাটছেন সেইখানে মাটিখান কি করছেন?"
জামাইয়ের অপদার্থ প্রশ্ন শুনে শ্বশুর উত্তর দিল, "মাটি ... মাটিগুলা অর্ধেকটা খাইছে তুমার বাপে তুমারে জন্ম দিয়া, আর অর্ধেকটা খাইছি আমি তুমার মতন একখান বোকা জামাইয়ের কাছে নিজের মাইয়াটা বিয়া দিয়া।"

Wednesday, August 12, 2009

এক বিখ্যাত লেখক

এক বালক ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখত বড় হয়ে সে একজন বিখ্যাত লেখক হবে। যখন তার কাছে জানতে চাওয়া হলো "বিখ্যাত" বলতে সে কি বোঝাতে চাচ্ছে, সে বলল, "আমি এমন জিনিস লেখতে চাই যা সারা বিশ্ব পড়বে যাতে তাদের সত্যিকারের অনুভূতিতে লাগবে এবং যা তাদের চিৎকার, চেঁচামেচি, এমনকি রাগে-দুঃখে পাগলপ্রায় অবস্থায় ফেলবে।"
আর সেই বালক বড় হয়ে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। সে আর কেউ না, মাইক্রোসফটের ভুল বার্তা লেখক(error message writer)।

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Tuesday, August 11, 2009

বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা

জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে একবার ইংল্যান্ডের রাণী এলিজাবেথের কাছ থেকে নিমন্ত্রণ পান ইংল্যান্ড ভ্রমণের। সেই ভ্রমণের সময় একদিন মি. মুগাবে জিজ্ঞেস করলেন রাণীকে তার রাজকীয় জীবনের সাফল্য সম্পর্কে। রাণী জানালেন তিনি তার নিয়োগপ্রাপ্ত লোকজনদের খুব বিশ্বাস করেন এবং তিনি নিশ্চিত তার সকল কর্মচারীই বুদ্ধিমান। তিনি তার কথা প্রমাণ করতে প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনকে ফোন করলেন।
রাণী মি. মুগাবেকে উদ্দেশ্য করে বললেন, "এবার দেখুন কি করে আমি আমার দেশের প্রধানমন্ত্রীর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পরীক্ষা করি।"
রাণী: "হ্যাঁ, মি. ব্রাউন, আমার আপনার কাছে একটা প্রশ্ন ছিল। আপনার মায়ের এক সন্তান আছে এবং আপনার বাবার একজন সন্তান আছে। কিন্তু এই সন্তান আপনার ভাই বা বোন কেউই নন। কে সে?"
ব্রাউন: "আর কে! আমি!"
রাণী: "ঠিক। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সময়ের জন্য।"
রাণী এবারে মি. মুগাবেকে বলছেন, "আপনি বুঝলেন তো?"
মি. মুগাবে বোঝার ভান করে চলে এলেন নিজ দেশে।

মি. মুগাবে প্রশ্নটি মাথায় নিয়ে দেশে এসে ভাবলেন তিনি তার অর্থমন্ত্রীকে এই প্রশ্নটি করবেন। এই ভেবে তিনি এক পার্টিতে অর্থমন্ত্রীকে সাইডে এনে একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলেন।
কিন্তু অর্থমন্ত্রী তো একেবারে থ! অর্থমন্ত্রী মি. মুগাবের কাছে দু'দিন সময় চেয়ে নিল এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য। দু'দিন সময়ের মধ্যে সে তার যত বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে জিজ্ঞেস করল প্রশ্নটি। কেউই এর উত্তর বলতে পারছিল না। এমতাবস্থায় অর্থমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিল তিনি প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্নটি করে এর উত্তর নিয়ে নিজ দেশের প্রেসিডেন্টের সামনে হাজির হবেন।
এই ভেবে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রশ্নটি করলেন ফোনে। উত্তরে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থমন্ত্রী তাকে জবাব দিল, "আরে বোকা জিম্বাবুয়েয়ান, এ তো সহজ কথা। এর উত্তর আমি!"
উত্তর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে জিম্বাবুয়ের অর্থমন্ত্রী ছুটে এলেন মি. মুগাবের অফিসে। এসে তাকে প্রশ্নের জবাবে বললেন, "স্যার, আমি প্রশ্নটির উত্তর সংগ্রহ করেছি। এর উত্তর হবে মি. গর্ধান (দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থমন্ত্রী)।"
এই শুনে মি. মুগাবে তো হাসিতে গড়াগড়ি খায়। উনি বললেন, "আরে মূর্খ, তোমার উত্তর ভুল। যাও তুমি আমার অফিস থেকে বের হও।"
অর্থমন্ত্রী উত্তরে বললেন, "কিন্তু স্যার, তাহলে সঠিক উত্তর কি? কে তাহলে সেই সন্তান?"
মি. মুগাবে এবারে বললেন, "উত্তর হচ্ছে গর্ডন ব্রাউন। বুঝলে?"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Sunday, August 09, 2009

উড়োজাহাজে...

এক বাঙালী ও এক আমেরিকান পাশাপাশি বসে উড়োজাহাজে করে নিউ ইয়র্ক থেকে লস এ্যাঞ্জেলসে যাচ্ছে। আমেরিকানটি বাঙালীকে উদ্দেশ্য করে অফার করল একটি মজার গেম খেলার জন্য। আমেরিকানটি অবিরত বলতেই লাগছে। যদিও বাঙালীটি ঘুমাতে চাচ্ছিল তবুও আমেরিকানটির ঘ্যানর-ঘ্যানর দেখে মনযোগ দিল শেষ পর্যন্ত আমেরিকানটির গেমের দিকে।
আমেরিকান বলছে, "ঠিক আছে। আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করব ও আপনি যদি উত্তর দিতে না পারেন, তাহলে আপনি আমাকে $৫ দিবেন এবং ভাইস ভার্সা।"
এবারে বাঙালী মুখ ঘুরিয়ে নিল। অফার মনে হলো যেন পছন্দ হয়নি। আর সাথে সাথে আবার ঘুমিয়ে গেল। কিন্তু আমেরিকানটি নাছোরবান্দা। উনি খেলবেনই। আর তাই এবারে অফারটি পরিবর্তন করে বলল, "আচ্ছা, তাহলে তুমি যদি উত্তর না জানো, তুমি আমাকে $৫ দিবে আর আমি যদি না জানি, তবে আমি তোমাকে $৫০০ দিব।"
এবারে বাঙালীর মনোযোগ এলো যেন। বোঝালো সে রাজি। তো খেলা শুরু হলো।
আমেরিকান প্রশ্ন করল বাঙালীকে, "বলুন তো, চাঁদ থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কতটুকু?"
কোনো উত্তর না দিয়ে বাঙালী পকেট থেকে $৫ বের করে আমেরিকানের হাতে তুলে দিল।
আমেরিকান জিততে পেরে বাঙালীকে বলল, "তো এবারে আপনার সুযোগ।"
বাঙালী প্রশ্ন করল, "পাহাড়ে উঠে তিন পায়ে কিন্তু নামে চার পায়ে, বলুন তো কি এমন জিনিস?"
আমেরিকান চিন্তা করতে লাগল। বুঝতে পারছে না কি উত্তর দিবে। ল্যাপটপ বের করে মোডেম যুক্ত করে ইন্টারনেটে গেল। বিভিন্ন রেফারেন্সের সাইট, লাইব্রেরী অফ কংগ্রেস খুঁজতে শুরু করল। এমনকি তার কিছু বন্ধু-বান্ধবকে ইমেইলও করল প্রশ্নটি নিয়ে। কিন্তু কিছুতেই কোনো উত্তর পাচ্ছে না। অবশেষে ক্লান্ত হয়ে পরাজয় স্বীকার করে পকেট থেকে $৫০০ বের করে বাঙালীকে দিয়ে দিল। কিন্তু তার জানার পিপাসা গেল না।
বাঙালীকে উদ্দেশ্য করে বলল, "তাহলে উত্তরটা কি ছিল?"
কোনো শব্দ উচ্চারণ না করে বাঙালী পকেট থেকে বের করে $৫ দিয়ে আবার ঘুমিয়ে গেল।

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Thursday, August 06, 2009

শোষকল (vacuum cleaner)

এক বাড়িতে এক বুড়ো মহিলা থাকত। একদিন হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দরজা খোলা মাত্রই এক ভদ্রলোক শোষকল হাতে দাঁড়িয়ে দেখা গেল।
"সুপ্রভাত। আমি কি আপনার কিছুটা সময় নিতে পারি? আমার এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির শোষকলটি আপনার সামনে প্রদর্শন করে দেখাব।" লোকটি বলল।
বুড়ো মহিলা বলল, "আরে বের হন। আমার কাছে পয়সা নেই এখন।" এই বলে মহিলা যখন দরজা বন্ধ করতে যাবে তখন লোকটি দরজা আটকে দিয়ে বলল, "আরে দাঁড়ান, ম্যাডাম। আগে তো আমাকে আমার ডেমোটুকু দেখাবার সুযোগ দেবেন।" এই বলে লোকটি তার সাথের এক বস্তা থেকে একগাদা গোবর বের করে কার্পেটে ঢেলে ফেলল।
এ করার সাথে সাথে লোকটি বলল, "আমার এই শোষকল যদি আপনার কার্পেটের এই গোবর পুরোপুরি চুষে নিতে না পারে তাহলে ম্যাডাম আমি নিজেই বাকিটুকু খেয়ে ফেলব।"
বুড়ো মহিলা একটু বিরক্তির স্বরে বলল, "তা আপনার ভালো মতো ক্ষুধা কিন্তু থাকা লাগবে, কারণ সকাল থেকে আমার ইলেক্ট্রিসিটি কাজ করছে না। তাহলে নেন শুরু করুন..."

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Monday, August 03, 2009

টেলিফোন

ফারুক বড় হয়েছে এক ছোট শহরে। তারপর পড়াশোনার জন্য বাইরে গিয়ে আইনজীবি হয়ে ফিরে আসে। তার স্বপ্ন ছিল ছোট শহরে সে বড় লাটসাহেবের মতো দিন কাটাতে পারবে। সে নিজ শহরেই একটি ল' অফিস খুলল কিন্তু প্রথমদিকে কর্মকান্ড খুব কম ছিল। ক্লায়েন্ট আসত না বললেই চলে।
একদিন সে দেখল এক লোক তার অফিসের সামনে দিয়ে যাচ্ছে। সেই লোকটার কাছে নিজেকে ইমপ্রেস করতে সে একটা বুদ্ধি আঁটল। যখন লোকটা দরজার সামনে ফারুক তখন তাকে ইশারা দিয়ে ভেতরে আসতে বলল আর ফোনটা হাতে তুলে নিল। ফোনে বলতে লাগল, "...না, না। একদম না। ঢাকার ওই সাহেবদের বলবেন আমি এই কেইস এক কোটি টাকার কমে করব না। হ্যাঁ, হ্যাঁ, আপিল কোর্ট কেইসটি শুনানীর জন্য সামনের সপ্তাহে তারিখ দিবে। আমি প্রাথমিক যুক্তিসমূহ তুলে ধরব আর আমাদের টিমের অন্যান্যরা আমাকে অন্যান্যভাবে সাহায্য করবে। ঠিক আছে? আর হ্যাঁ, DA-কে বলবেন আমি এ নিয়ে শীঘ্রই আলোচনা করব।"
এভাবে গেল প্রায় পাঁচ-দশ মিনিট। এই পুরো সময় ফারুক শুধু বলেই গেল আর লোকটা চুপচাপ বসে রইল।
অবশেষে, ফারুক ফোন রেখে লোকটিকে বলল, "দেরী হবার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আপনি তো দেখতেই পারছেন আমি কতটা ব্যস্ত। তা বলুন আপনার জন্য আমি কি করতে পারি?" লোকটা উত্তরে বলল, "আমি ফোন কোম্পানী থেকে এসেছি। আমাকে বলা হয়েছে আপনার ফোনখানা হুক-আপ করে ঠিক করে দেবার জন্য।"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Sunday, August 02, 2009

Love Letter from a Mathematician


My Dear Love,

Yesterday, I was passing by your rectangular house in trigonometric lane. There I saw you with your cute circular face, conical nose and spherical eyes, standing in your triangular garden. Before seeing you my heart was a null set, but when a vector of magnitude (likeness) from your eyes at a deviation of theta radians made a tangent to my heart, it differentiated.

My love for you is a quadratic equation with real roots, which only you can solve by making good binary relation with me. The cosine of my love for you extends to infinity. I promise that I should not resolve you into partial functions but if I do so, you can integrate me by applying the limits from zero to infinity. You are as essential to me as an element of a set. The geometry of my love revolves around your acute personality.

My love, if you do not meet me at a parabola restaurant on date 10 at sunset, when the sun is making an angle of 160 degrees, my heart would be like a solved polynomial of degree 10. With love from your higher order derivatives of maxima and minima, of an unknown function.

Yours ever loving,
Pythagoras



Source: e-mail

Saturday, August 01, 2009

ভুলেও টোকা দিবেন না

এক ট্যাক্সি প্যাসেঞ্জার ড্রাইভারের কাঁধে টোকা দিল তাকে কিছু জিজ্ঞেস করার উদ্দেশ্যে। ড্রাইভার হাউমাউ করে চিৎকার করে উঠল এবং গাড়ির কন্ট্রোল হারিয়ে প্রায় ধাক্কার পর্যায়ে গিয়ে ঠেকল একটা বাসের সম্মুখে।
কিছুক্ষণের জন্য একদম নিশ্চুপ ড্রাইভার ও প্যাসেঞ্জার। তারপর ড্রাইভার প্যাসেঞ্জারকে বলল, "আসলে ভাই, এমনটি আর করবেন না। আমি তো ভয়ে একেবারে কাচুমাচু!"
প্যাসেঞ্জার তখন উত্তর দিল, "আসলে আমিই বুঝিনি মাত্র একটুখানি টোকাতে আপনি এতটা ভীত হয়ে যাবেন।"
ড্রাইভার বলল, "আমারই দোষ রে ভাই। আজকে আমার প্রথম দিন ট্যাক্সি ড্রাইভার হিসেবে। এর আগে আমি মৃত মানুষের লাশের ভ্যান চালাতাম গত ২৫ বছর ধরে।"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Thursday, January 08, 2009

এক চালাক বালকের অপরাধ স্বীকার

ছোট্ট বালক মিঠু তার জন্মদিনে মা কি দিবে সেটা মনে করিয়ে দিতে রান্নাঘরে গেল। মাকে বলল, "মা, আমি আমার জন্মদিনে একটা সাইকেল চাই।" এমনিতেই মিঠু দুষ্ট প্রকৃতির বালক একে স্কুলে, আবার ঘরেও। মা ওকে বলল, "তোমার রুমে যাও মিঠু এবং চিন্তা করো তুমি কেমন আচরণ করেছ গত বছরে। তারপর ঈশ্বরের নিকট চিঠি লিখ এবং তাকে বলো কেন তুমি একটা উপহার চাও তোমার জন্মদিনে।"

এই শুনে সঙ্গে সঙ্গে মিঠু নিজ রুমে গিয়ে চিঠি লিখতে বসে গেল।

চিঠি-১
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি এই বছরটিতে খুব ভালো একটি ছেলে ছিলাম এবং আমার জন্মদিনে একটা লাল রঙের সাইকেল পেতে চাই।
তোমারই বন্ধু,
মিঠু

মিঠু জানত এ কথা সত্য নয়। ও সারা বছরে খুব ভালো ছেলের মতো আচরণ করেনি। এই ভেবে ও সঙ্গে সঙ্গে চিঠিখানা ছিঁড়ে ফেলল।

চিঠি-২
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি তোমার বন্ধু মিঠু। আমি সারা বছরে একটি ভালো ছেলে ছিলাম। আমি আমার এবারের জন্মদিনে একটা লাল সাইকেল চাই।
ধন্যবাদ।
তোমার বন্ধু
মিঠু

মিঠু জানত এও সত্য নয়। তাই এটিকেও ও ছিঁড়ে ফেলল।

চিঠি-৩
শ্রদ্ধেয় ঈশ্বর,
আমি এ বছর "ওকে" টাইপের ছেলে ছিলাম। আমি তাও একটি সাইকেল চাই আমার এবারের জন্মদিনে।
মিঠু

মিঠু এটিও সঠিক নয় ভেবে এটিকেও ছিঁড়ে ফেলল।

চিঠি-৪
ঈশ্বর,
আমি জানি গেল বছর আমি তেমন ভালো ছেলে ছিলাম না। আমি লজ্জিত। কিন্তু তুমি যদি আমাকে একটা সাইকেলের বন্দোবস্ত করো তাহলে আমি ভালো ছেলে হয়ে যাব। প্লিজ!
ধন্যবাদ
মিঠু

মিঠু জানত যদিও এই চিঠিখানা সত্যি হলেও হতে পারে, কিন্তু এমন চিঠি তাকে সাইকেল পেতে কোনোরকম সাহায্য করবে না। শীঘ্রই ও নিচে নেমে মাকে বলল ও এখন গীর্জায় যাবে। মা ভাবল ছেলে মনে হয় এবার সুপথে আসবে। মা শুধু বলল, "ঠিক আছে। কিন্তু দুপুরের খাবারের আগেই ঘরে ফিরবে।"

মিঠু গীর্জার বেদিতে গিয়ে উঠল। আশপাশে দেখে নিল কেউ আছে কিনা। কেউ নেই দেখে মিঠু মেরীর একটা মূর্তি নিয়ে ছুটল। হাতের ফাঁকে নিয়ে গীর্জা থেকে পালালো।
নিজ রুমে পৌঁছেই খাতা-কলম নিয়ে চিঠি লিখতে বসল।

চিঠি-৫
ঈশ্বর,
আমি তোমার মাকে কিডন্যাপ করেছি। তুমি যদি তাকে পেতে চাও, সাইকেল পাঠিয়ে দাও!!!

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Wednesday, January 07, 2009

দুই বয়স্ক মহিলা

দুইজন বয়স্ক মহিলা রিটায়ারমেন্ট সেন্টার বসে আছেন। একজন অপরজনকে বলছেন, "বুঝলেন আপা, আমার এখন ৮৩ বছর এবং আমি এখন প্রতিনিয়ত নানা ধরনের ব্যথা-বেদনার মধ্যে থাকি। আপনারও তো আমারই মতো বয়স। আপনার কেমন লাগে এই বয়সে?"
অপরজন উত্তরে বলল, "আমার একদম নতুন শিশুর মতো লাগে।"
"আসলেই?", অন্যজন অবাক হয়ে বলল।
তখন ওইজন বলল, "হ্যাঁ। দাঁত নেই, চুল নেই, এবং এই বোধহয় আমি ... করে দিয়েছি!"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Tuesday, January 06, 2009

বিল গেটস ও দৈত্য

বিল গেটস সমুদ্র সৈকতে বসে আছেন। হঠাৎ একটি বোতল পড়ে থাকতে দেখলেন। তিনি বোতলের কর্কটা খুলতেই একটা দৈত্য এসে হাজির হলো। দৈত্যটি বলল, "আমি এটার মধ্যে ১০০ বছর ধরে আটকা পড়ে ছিলাম। আমাকে ছাড়ানোর জন্য ধন্যবাদ স্বরূপ তোমাকে আমি তোমার একটা ইচ্ছা পূরণ করতে চাই"। বিল গেটস এটিকে নিজ হোটেলে নিয়ে গেলেন। তিনি তার কক্ষে ঢুকে একটা বিশ্ব মানচিত্র বের করলেন। সেটার মধ্য থেকে মধ্য প্রাচ্যের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন, "এই অঞ্চলে সব সময় হানাহানি, মারামারি, যুদ্ধ-বিগ্রহ লেগেই থাকে। আমি চাই এই অঞ্চলে শান্তি"। দৈত্যটি বলল, "আমি জানি না...আমি এটা করতে পারব কিনা। অন্য কোনো ইচ্ছা থাকলে বলো!" এবারের বিল গেটস বলল, "ঠিক আছে, তাহলে শোন: আমার মাইক্রোসফট সারা বিশ্বব্যাপী বাজার জুড়ে আছে কিন্তু তবুও উইন্ডোজ ক্র্যাশ করে। তুমি কি এমন করতে পারো যাতে মানুষ আমার এই প্রডাক্টটি খুশী মনে ব্যবহার করে!" দৈত্য তখন বলল, "থাক, থাক, তুমি কোথায় যেন শান্তি চাচ্ছিলে..."

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Monday, January 05, 2009

বড় মিথ্যা

দুই বালক নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছিল। হঠাৎ শিক্ষক কক্ষে প্রবেশ করলেন।
বালকদ্বয়ের মধ্যে ঝগড়া দেখে উনি জিজ্ঞেস করলেন, "কি ব্যাপার? তোমরা ঝগড়া করছ কেন?"
একজন বলল, "আমরা একটা দশ টাকার নোট পেয়েছি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা বলবে, সে পাবে দশ টাকা।"
শিক্ষক উত্তর দিলেন, "তোমাদের লজ্জা থাকা উচিত। আমি যখন তোমাদের মত বয়সের তখন আমি জানতামই না মিথ্যা কি জিনিস।"
বালকদ্বয় এই শুনে শিক্ষকের হাতে দশ টাকাটি তুলে দিল।

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Sunday, January 04, 2009

পঞ্চাশ পয়সা

এক লোক মদ্যপানের জন্য বারে গিয়ে উঠল। গিয়েই উঁচু গলায় বলতে লাগল, "বার্টেন্ডার, আমাকে এক্ষুণি হুইস্কি দাও।" বার্টেন্ডার লোকটির জন্য হুইস্কি তৈরি করে দিল। লোকটি গদগদ করে যত শীঘ্র পারে গিলল। বার্টেন্ডার বলল, "ওয়াও, আমি জীবনে কখনো কাউকে দেখিনি এত তাড়াতাড়ি হুইস্কি খেতে!" লোকটি তখন উত্তর দিল, "আপনিও আমার মতোই করতেন যদি আপনারও আমার মত জিনিস থাকত।" বার্টেন্ডার কৌতুহলভরে জিজ্ঞেস করল, "কি জিনিস থাকলে?" লোকটি বলল, "পঞ্চাশ পয়সা!"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Saturday, January 03, 2009

ফ্যাক্স আসছে

এক আমেরিকান, এক জাপানীজ ও এক নাইজেরিয়ান স্বেদস্নানে গেছে। হঠাৎ করে বীপ বীপ শব্দ শোনা গেল। আমেরিকানটি তার হাতের কব্জিতে টিপল আর শব্দ বন্ধ হয়ে গেল। অন্যরা যখন তার দিকে তাকিয়ে আছে দেখল, তখন সে বলল, "ও...ওটা ছিল আমার পেজার। আমার হাতের চামড়ার নিচে মাইক্রোচিপ আছে।" কিছুক্ষণ পরে ফোনের রিং বেজে উঠল। জাপানীজ হাতের তালুটিকে ফোনের মতো ব্যবহার করে ফোনের উত্তর দিল। সে অন্যদের বোঝাল, "ওটা আমার মোবাইল। আমার হাতের তালুতে মোবাইলের মাইক্রোচিপ সেট করা আছে।" নাইজেরিয়ানটি মনে মনে ভাবল, "ইস, এদের সকলের কেমন ভালো প্রযুক্তি আছে। আমারও তো কিছু দেখাতে হয়।" সে তখন টয়লেটে গেল। ফিরল তার পায়ুপথে টিস্যু লাগিয়ে। অন্য দু'জন অবাক হয়ে বলল, "আরে, ওটা কি?" নাইজেরিয়ানটি বলল, "ও...আমার ফ্যাক্স আসছে।"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Sunday, December 28, 2008

কিছু হাসি

ঈশ্বরের মজা
এক ব্যক্তি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছিল। ঈশ্বর তার সামনে এলো। লোকটি জিজ্ঞেস করল, "হে ঈশ্বর, আমি কি আপনাকে একটি প্রশ্ন করতে পারি?" ঈশ্বর বলল "বলো হে বৎস"। লোকটি বলল "ঈশ্বর, আমাদের এক মিলিয়ন বছর আপনার কাছে কত?" জবাবে ঈশ্বর বলল "মাত্র এক সেকেন্ড।" লোকটি অভিভূত হলো। সে বলল "তাহলে এক মিলিয়ন ডলার আপনার কাছে কত?" ঈশ্বর বলল "মাত্র এক পয়সা।" লোকটি তখন বলল "ঈশ্বর, আমি কি এক পয়সা পেতে পারি?" ঈশ্বর এবার বলল "অবশ্যই, এক সেকেন্ড..."

লাইফ ইন্স্যুরেন্স
জলি ইন্স্যুরেন্স পলিসি সম্পর্কে ইন্স্যুরেন্স এ্যাজেন্সীর এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলছিল। কথাবার্তার এক পর্যায়ে জলি জিজ্ঞেস করল "ধরুন, আমি আজ আমার স্বামীর জন্য এই জীবন বীমাটি নিলাম এবং আগামীকাল উনি মারা গেলেন। তখন আমি কি পাব?"
কর্মকর্তা হতভম্ব হয়ে জবাব দিল "সম্ভবত যাবতজীবন..."

চাকরী ইন্টারভিউ
এক ব্যবসায়ী চাকরী প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নিচ্ছিলেন একটি ডিভিশন্যাল ম্যানেজারের পদের জন্য। উনি একটি পরিকল্পনা নিলেন কি করে উত্তম প্রার্থীকে বেছে নেয়া যায়। তিনি প্রত্যেক প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন, "বলুন তো, দুইয়ে দুইয়ে কত হয়?"
একজন সাংবাদিক প্রার্থী উত্তর দিল "বাইশ"।
একজন ইঞ্জিনিয়ার প্রার্থী পকেট থেকে একটি ক্যালকুলেটর বের করে দেখাল উত্তরটি ৩.৯৯৯ থেকে ৪.০০১ এর মধ্যে হবে।
একজন আইনজীবি প্রার্থী বললেন, "Jenkins vs Smith কেইসটির মতে দুইয়ে দুইয়ে চার প্রমাণিত।"
সর্বশেষ প্রার্থী একজন এ্যাকাউন্টেন্ট। প্রশ্ন শুনেই লোকটি চেয়ার থেকে উঠে দরজার বন্ধ করে দিয়ে এসে বসলেন। ডেস্কের মধ্যে হেলান দিয়ে নিচু স্বরে বললেন "কত হতে চান দুইয়ে দুইয়ে?"
উনিই চাকরীটি পেয়ে গেলেন।

ইহুদী ছাত্র
আব্রাহাম লিওবিটস ছিল ক্লাশে একমাত্র ইহুদী ছাত্র। শিক্ষক একদিন প্রশ্ন করলেন "সবচেয়ে মহান ব্যক্তি কে এবং কেন?" আরো আকর্ষণীয় করতে শিক্ষক পকেট থেকে একটি $২০ এর নোট বের করে বললেন, "যে সঠিক উত্তর দিতে পারবে যুক্তি সহকারে সে এই $২০ এর নোটটি পাবে।" অনেকেই উত্তর দিল। কেউ বলল "জর্জ ওয়াশিংটন কারণ উনি ছিলেন আমেরিকার জাতির পিতা।" কেউবা বলল "আব্রাহাম লিংকন কারণ উনি দাসদের মুক্ত করেছিলেন।" এক মেয়ে বলল "জোয়ান অফ আর্ক কারণ উনি ফ্রান্সকে রক্ষা করেছিলেন।" আব্রাহাম তখন ধীরে ধীরে হাত তুলল এবং বলল "যীশু খ্রীষ্ট"। শিক্ষক তখন অবাক হয়ে বলল "যদিও আমি অবাক হচ্ছি কিন্তু তুমিই $২০টি পাচ্ছ।" এই বলে ছেলেটিকে $২০ এর নোটটি তুলে দিল। পরে ক্লাশ শেষে শিক্ষক জানতে চাইল কেন আব্রাহাম ওই উত্তর দিল। আব্রাহাম বলল "ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি মোসেস, কিন্তু বিজনেস হলো বিজনেস!"

ধর্মযাজক
এক বালক অপেক্ষা করছিল তার মায়ের গ্রোসারীর দোকান থেকে বের হবার জন্য। যখন অপেক্ষা করছিল তখন এক ধর্মযাজক বালকটির দিকে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল "হে বালক, তুমি কি আমায় বলতে পার এখান থেক পোস্ট অফিসটা কোথায়?"
বালকটি উত্তর দিল "অবশ্যই। এই পথ দিয়ে সোজা চলে যান। এরপর মোড়ের দিকে একটু ডানদিকেই পোস্ট অফিস।"
ধর্মযাজক তখন বালকটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নেবার সময় বলল "আমি এই এলাকায় নতুন ধর্মযাজক। আমি চাই তুমি প্রতি রবিবার গীর্জায় আসবে। আমি তোমায় স্বর্গে যাবার পথ বলে দেব।"
বালকটি হাস্যকরভাবে উত্তর দিল "কাম অন...আপনি পোস্ট অফিসের পথই জানেন না, আবার...।"

নান (nun)
এক ব্যক্তির হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলো। যখন তার জ্ঞান ফিরল তখন উনি এক ক্যাথলিক হাসপাতালে। ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে লাগলেন। এক নান তখন এলেন তার চিকিৎসা বাবদ খরচের ব্যাপারে কথা বলতে। নান জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কোনো স্বাস্থ্য বীমা (health insurance) আছে?"
লোকটি বললেন, "না।"
নান তখন জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কোনো টাকা-পয়সা ব্যাংকে আছে?"
লোকটি এতেও বললেন, "না।"
নান এবারে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কোনো আত্মীয়-স্বজন আছেন যিনি আপনার চিকিৎসার খরচ দিতে পারবেন?"
লোকটি তখন জবাব দিলেন, "আমার শুধু একটি চিরকুমারী ছোট বোন আছে যে একজন নান।"
নান এবারে ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বললেন, "দেখুন, নানরা চিরকুমারী নন, তারা ঈশ্বরের পত্নী।"
অসুস্থ লোকটিও উত্তরে বললেন, "তাহলে চিকিৎসার বিলটি আমার ভগ্নিপতির নিকট পাঠিয়ে দিন।"

মার্কেটিং
দুই ভিক্ষুক রোমের রাস্তায় বসে ভিক্ষা করছে। একজনের সামনে একটি যীশুর ক্রুশ আরেকজনের ডেভিডের স্টার। অনেক লোক হেঁটে যায় কিন্তু দুই ভিক্ষুককে দেখে শুধুমাত্র যীশুর ক্রুশ নিয়ে বসা ভিক্ষুককেই ভিক্ষা দেয়।
এক পুরোহিত ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। উনি বিষয়টি লক্ষ্য করলেন।
তিনি তখন ডেভিডের স্টার নিয়ে বসা ভিক্ষুককে গিয়ে বললেন, "আরে ভাই, আপনি কি বোঝেন না? এটা একটা ক্যাথলিক রাষ্ট্র। কোনো লোকই আপনাকে ভিক্ষা দিবে না যদি আপনি ডেভিডের স্টার নিয়ে বসেন, আরো যখন আপনার অপর পাশেই আরেকজন যীশুর ক্রুশ নিয়ে বসা। বরং লোকজন আপনাকে দেখে আরেকজনকেই বেশি করে ভিক্ষা দেবে।"
ওই ভিক্ষুক সব শুনল এবং আরেক ভিক্ষুককে উদ্দেশ্য করে বলল, "ওই মদনা, দেখ কে আমাদের গোল্ডস্টিন ভাইদের মার্কেটিং বিষয়ে জ্ঞান দেয়!"

[উল্লেখ্য, কাউকে আঘাত দেবার জন্য উপরোক্ত পোস্ট নয়। কেউ মাইন্ড কইরেন না।]

সূত্র: ইমেইল

Friday, December 26, 2008

ছাত্র-শিক্ষক কৌতুক

ইমেইলে পাওয়া কিছু শিক্ষক-ছাত্রের কৌতুক...

শিক্ষক: করিম, তুমি যোগ অংক মাটিতে করছো কেন?
করিম: স্যার, আপনিই তো আমাকে বলেছিলেন টেবিল ছাড়া করতে!

############################################

শিক্ষক: সোহেল, তোমার "আমার পোষা কুকুর" রচনাটি একদম তোমার ভাইয়েরটার মতো হয়ে গেছে। তুমি কি ওরটা কপি করেছ?
সোহেল: না স্যার। ওটা তো আমারও পোষা কুকুর।

############################################

শিক্ষক: জনি, বলো তো, একটি পুকুরে ১০টি হাতি সাঁতরাচ্ছে। একটি ছেলে সেই পুকুরে ঝাঁপ দিল এবং হাতিগুলোর নিচে চলে গেল এগুলোর পা গণনার জন্যে। সে গুণে ৩৬টা পা পেল। কিভাবে সম্ভব?
জনি: স্যার, একটা হাতি ব্যাকস্ট্রোক সাঁতরাচ্ছিল।

############################################

শিক্ষক: রনি, বলো তো তুমি কি খাবারের আগে প্রার্থনা করো?
রনি: না স্যার। আমার করতে হয় না। আমার মা ভালোই রাঁধে।

############################################

শিক্ষক: কি ধরনের আজব মোজা তুমি পরেছ, একটা সবুজ আরেকটা নীলের মাঝে লাল বৃত্ত?
ছাত্র: হ্যাঁ, আজব তো অবশ্যই। আমার আরেক জোড়া এমন আছে বাড়িতে।

############################################

শিক্ষক: "I killed a person" এটিকে ভবিষ্যত কালে রূপান্তরিত করো তো।
ছাত্র: ভবিষ্যত কালে হবে "You will go to jail"।

############################################

শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে-
রানা: আমি পাইলট হতে চাই।
সুমিত: আমি ডাক্তার হতে চাই।
দীপা: আমি একজন ভালো মা হতে চাই।
সুমন: আমি দীপাকে সাহায্য করতে চাই।

############################################

শিক্ষক: বলো তো, কোনটি আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সূর্য না চাঁদ?
ছাত্র: চাঁদ, স্যার।
শিক্ষক: কেন?
ছাত্র: চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।

############################################

শিক্ষক: মদন, তুমি তো বেশী কথা বলো।
মদন: স্যার, এটা বংশগত।
শিক্ষক: কি বলতে চাও?
মদন: আমার দাদু একজন রাস্তার হকার ছিলেন, আমার বাবা একজন শিক্ষক।
শিক্ষক: আর তোমার মা?
মদন: তিনি তো মহিলা।

############################################

শিক্ষক: সানি, বলো তো, জলের রসায়নিক ফর্মুলা কি?
সানি: H I J K L M N O
শিক্ষক: তুমি এ কি বলছো?
সানি: স্যার, আপনিই তো গতকাল বললেন, এটা হচ্ছে H 2(to) O!

############################################

শিক্ষক: কেউ কি আমাকে কাকতালীয়তার একটি উদাহরণ দিতে পারবে?
সালমান: স্যার, আমার বাবা ও মা একই দিনে একই সময়ে বিয়ে করেছিলেন।

############################################

শিক্ষক: মলি, বলো তো তাকে কি বলে যে ব্যক্তি শুধুই কথা বলতে থাকে যখন কেউই তার কথার দিকে মনোযোগ না দেয়?
মলি: শিক্ষক।

############################################

শিক্ষক: শুভ, যা মানচিত্রে গিয়ে উত্তর আমেরিকা বের কর।
শুভ: এই তো এখানে!
শিক্ষক: ঠিক আছে। আচ্ছা ক্লাস, বলো তো আমেরিকা কে আবিষ্কার করেছিলেন?
ক্লাস: শুভ, স্যার।

############################################

শিক্ষক: তুমি দেরী করে আসলে কেন?
আবুল: সাইনের কারণে স্যার।
শিক্ষক: কিসের সাইন?
আবুল: ওই যে লেখা ছিল, "সামনে স্কুল, আস্তে চলুন"।

Wednesday, November 26, 2008

চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে

কথায় যে বলে "চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে" এর একটা প্রমাণ মেলে নিচের কৌতুকটিতে:

এক লোকের বাড়িতে গত রাতে চুরি হয়েছে। সে পরদিন পুলিশ স্টেশনে এসে অফিসারের কাছে মামলা করছে।
অফিসার: চোর যখন ঘরে ঢুকে তখন আপনি কি করছিলেন?
লোক: স্যার, সে যখন ঘরে ঢুকে তখন আমি টের পাই।
অফিসার: (কৌতূহলভরে) আচ্ছা...
লোক: চোর যখন ঘরের জিনিসপত্র নিচ্ছিল, তখনও আমি টের পাচ্ছিলাম।
অফিসার: (কৌতূহলভরে) আচ্ছা...
লোক: চোর যখন আমার বালিশের নিচের থেকে আলমারির চাবিটা নিচ্ছে, তখনও আমি টের পাই।
অফিসার: (কৌতূহলভরে) আচ্ছা...
লোক: চোর যখন আলমারি থেকে সব টাকা-পয়সা, সোনা-দানা নিচ্ছে, তখনও আমি টের পাই।
অফিসার: (কৌতূহলভরে) আচ্ছা...
লোক: চোর যখন সব চুরি করে নিয়ে ছোট লোকের মতো চলে যাচ্ছে, তখনও আমি টের পাই।
অফিসার: তাহলে আর কি, আপনিও তাহলে বড় লোকের মতো চলে যান।

Sunday, August 24, 2008

সরদারজী কৌতুক

সরদার রেলগাড়ীর নিচে আত্মহত্যা করার জন্য গেল কিছু মুরগী আর মদ সাথে নিয়ে। সেখানে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছে, ট্রেন আসছে না। কাছে এক লোক জিজ্ঞেস করল "কিরে মিয়া, এইসব বাড়ির থে ক্যান নিয়া আইছ?" সরদার উত্তর দিল "এই যে ট্রেন দেরীতে আসছে, যদি খিদায় মইরা যাই।"
================================================================
সরদার তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর উদ্দেশ্যে এসএমএস পাঠাল। দুই সেকেন্ডের মধ্যে একটা রিপোর্ট পেল আর নাচতে শুরু করল। রিপোর্টে লেখা "Delivered"।
================================================================
সরদার ডাক্তারের কাছে গেছে।
সরদার: আমি প্রতি রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে ইঁদুরের ফুটবল খেলা দেখি।
ডাক্তার: এই ঔষধটা নিন। ঠিক হয়ে যাবে।
সরদার: কালকে নিতে পারি? আজ আবার ফাইনাল খেলা কিনা!
================================================================
সরদারের ইচ্ছা যে সে যখন মারা যাবে সে যেন তার দাদুর মতো শান্তিতে ঘুমিয়ে মরতে পারে, তার দাদুর বাসের যাত্রীদের মতো আর্তনাদ অবস্থায় না!
================================================================
একজন সরদার ATM মেশিন থেকে টাকা তুলছে। তার পেছনের সরদার দেখে বলে উঠল "হা হা, আমি তোমার পাসওয়ার্ড দেখে ফেলেছি। এটা চারটা তারার চিহ্ন।" প্রথম সরদার উত্তর দেয় "হা হা, তুমি ভুল। এটা হলো ১২৫৮।"
================================================================
প্রশ্ন: স্কুলে/কলেজে একজন সরদারকে কিভাবে চিনবে?
উত্তর: খুব সহজ। সেইসবগুলোই সরদার যারা শিক্ষকের ব্ল্যাকবোর্ড মোছার সাথে সাথে নিজেদের নোটবুকও মুছে ফেলে।
================================================================
নেপলিয়ন সরদারকে বলছে "আমার অভিধানে 'অসম্ভব' বলে কোনো শব্দ নেই"।
সরদার বলে "বারে, আপনার কেনার সময় সেটা দেখা উচিত ছিল। এখন বলে তো কোনো কাজ হবে না।"
================================================================
সরদার দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে গেছে।
সরদার: এই লোকগুলো কেন দৌড়াচ্ছে?
পাশের লোক: এটা একটা দৌড় প্রতিযোগিতা। যে বিজয়ী হবে, সে কাপ পাবে।
সরদার: যদি বিজয়ীই শুধু কাপ পাবে, তাহলে বাকিরা দৌড়াচ্ছে কেন?
================================================================
সরদার ডাক্তারের কাছে গেছে চিকিৎসার জন্য-
সরদার: ডাক্তার সাহেব, আমি শরীরের যেখানেই ধরি, সেখানেই ব্যথা অনুভব করি।
ডাক্তার সরদারের পুরো দেহ এক্স-রে করে এবং বের করে সরদারের আঙুল ভেঙ্গে গেছে।
================================================================
তিন সরদার বনভোজনে গেছে। বনভোজনের স্পটে গিয়ে দেখে তারা কোনো ড্রিংক্স আনেনি। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সরদারকে পাঠানো হলো বাড়ি থেকে ড্রিংক্স আনতে আর না আনা পর্যন্ত অন্যরা কিছুই মুখে দেবে না।
এক ঘন্টা গেল।
দু'ঘন্টা পার হলো।
পাঁচ ঘন্টা কেটে গেলো।
এখনো ড্রিংক্স না এসেছে দেখে অন্য দু'জনে সিদ্ধান্ত নিল তারা খাওয়া শুরু করে দেবে।
এমন সময় হঠাৎ করে পেছন থেকে সেই সরদার বেড়িয়ে এসে বলল "তোমরা যদি এখন খাও, তাহলে আমি কিন্তু যাব না। তোমরা কিন্তু কথা দিয়েছিলে।"
================================================================
দুই সরদার একটি গাড়িতে বোমা ঠিক করছিল।
১ম সরদার: কি করবে যদি এই বোমাটি এখন বিস্ফোরিত হয়ে যায়।
২য় সরদার: চিন্তা করিস না। আমার কাছে আরেকটা আছে।
================================================================
সরদার পিজা অর্ডার দিয়েছে এবং ক্লার্ক তাকে বলছে সে কি ছয় না বার টুকরা নেবে।
সরদারের উত্তর "না না। ছয় টুকরা। আমি বার টুকরা খেয়ে শেষ করতে পারব না।"
================================================================
"দেখ দেখ, একটা পাখি মরে গেছে।"
সরদার উপরের দিকে তাকিয়ে "কই, কোথায়?"
================================================================
সরদার ভারতীয় বিমানে কল করেছে "অমৃতসার যেতে কতক্ষণ লাগে?"
উত্তর আসল "এক সেকেন্ড..."
"ধন্যবাদ" সরদার এই বলে রেখে দিল।
================================================================
সান্তা দেখল তার বন্ধু রাম লাই খুব বিষন্ন।
"কি হয়েছে?" সান্তার প্রশ্ন।
"আরে, আমি গতকাল বাজি ধরে ৮০০ টাকা খুইয়েছি।"
"কি করে?"
"কি আর বলব। গতকালকের ভারত-ইংল্যান্ডের ম্যাচে সরাসরি সম্প্রচারের সময় ৫০০ টাকা বাজি ধরি।"
"সে তো গেল ৫০০, বাকিটা?"
"আরে আমি তো হাইলাইটসেও বাজি ধরেছিলাম।"