Showing posts with label কৌতুক. Show all posts
Showing posts with label কৌতুক. Show all posts

Saturday, August 23, 2008

একটা বাজে দিন...অবশেষে!

একদা এক ব্যক্তি বারে ড্রিংক্স নিয়ে বসে আছে। এভাবে সে প্রায় ঘন্টাখানেক অতিবাহিত করে।
এরপর এক বড়সর সাইজের এক ট্রাক ড্রাইভার এসে তার পাশে বসে। বসেই লোকটি পাশেরজনের ড্রিংক্সটা পুরোটা শেষ করে ফেলে। বেচারা ড্রিংক্স নিয়ে খেয়ে ফেলেছে বলে কাঁদতে শুরু করে। ট্রাক ড্রাইভার বলে, "আরে মিয়া, আমি তো জোক করছিলাম। এই নেন, আমি আপনাকে আরেকটা কিনে দিচ্ছি। আমি একজন লোককে কাঁদাতে পারি না।"
"না, সেটা না। আজকের দিন আমার সবচেয়ে বাজে দিন। প্রথমে আমি ঘুম থেকে দেরীতে উঠি। অফিসে দেরী করে যাই। আমার বস আমার প্রতি রেগে আমাকে ছাটাই করে।"
"যখন আমি বিল্ডিং থেকে বেড়িয়ে গাড়ির কাছে যাই, দেখি সেটা চুরি গেছে। পুলিশকে জানালে তারা বলে তারা কিছুই করতে পারবে না। এবারে একটা ক্যাব নেই বাসায় যাব করে। ক্যাব থেকে নেমে দেখি আমার মানিব্যাগ আর ক্রেডিট কার্ড সব ক্যাবে ফেলে এসেছি। ততক্ষণে ক্যাব তো চলে গেছে।"
"বাসায় গিয়ে উঠি। গিয়ে দেখি আমার বৌ আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। আমি ঘর ছেড়ে এখানে এই বারে আসি। ঠিক যখন চিন্তা করছিলাম জীবনের এখানেই ইতি টানব, আপনি এসে পড়েন আর আমার বিষটা খেয়ে ফেলেন।"

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

Thursday, August 14, 2008

অনুকরণ প্রিয়

এটিও একটি শোনা কৌতুক...



দুই ক্যান্ডিডেট চাকরির জন্য অফিসের সামনে অপেক্ষা করছে। একজন বই-পুস্তক ঘেটে দেখছেন শেষবারের মত ডাক পড়বার আগ মূহুর্তে। আরেকজন টেনশনে হাঁটাহাঁটি করছে। যে লোকটি পড়ছিল তার কাছে গিয়ে আরেকজনে বলল-"ভাই, আপনি তো দেখছি অনেক পড়ছেন। আমি তো কিছুই পড়িনি। আপনি আমাকে আপনাকে যেসব প্রশ্ন করে, সেগুলো বইলেন বের হয়ে। তাহলে আমার একটু উপকার হয়।" অন্যজন তখন "ঠিক আছে" বলে কাটিয়ে দিল। এমন সময় ডাক পড়ল পড়ুয়া লোকটার।

ভেতরে গিয়ে তাকে এসব প্রশ্নগুলো করা হলো-
অফিসার: আপনি জানেন কি বাংলাদেশ কবে স্বাধীন হয়েছিল?
পরিক্ষার্থী: হবার কথা ছিল ১৯৪৭ কিন্তু হয়েছে ১৯৭১।
অফিসার: আপনি কি আমাদের দেশের ক'জন মুক্তিযোদ্ধার নাম বলতে পারবেন?
পরিক্ষার্থী: নাম তো অনেকই আছে। কোনটা রেখে কোনটা বলব?
অফিসার: আচ্ছা, বলুন তো বর্তমান শেয়ার বাজারে ধস নামার কারণ কি?
পরিক্ষার্থী: সেটা গবেষণার প্রয়োজন আছে।
অফিসার: আচ্ছা, আপনি এখন আসতে পারেন।

এরপর, বের হবার পর এইমাত্র পরিক্ষা দেয়া ব্যক্তিটি অপর জনকে হুবহু তার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে দিলেন, প্রশ্নগুলো না বলে।

এবার সেই ব্যক্তির ডাক পড়ল-

অফিসার: আপনার জন্মসাল?
২য় পরিক্ষার্থী: হবার কথা ছিল ১৯৪৭ কিন্তু হয়েছে ১৯৭১।
অফিসার: কি বলছেন, আপনার বাবার নাম?
২য় পরিক্ষার্থী: নাম তো অনেকই আছে। কোনটা রেখে কোনটা বলব?
অফিসার: আপনি পাগল নাকি?
২য় পরিক্ষার্থী: সেটা গবেষণার প্রয়োজন আছে।
অফিসার: বেরিয়ে যান। গেট আউট অফ মাই অফিস নাও।

লোকটা কিছু না বুঝে আস্তে চলে গেল।

Saturday, August 09, 2008

কেবলা জামাইয়ের কান্ড

এক বোকা জামাই ছিল। সে সহজে তার শ্বশুর বাড়িতে যেত না, কি জানি লজ্জায় কিংবা অন্য কারণে। কিন্তু কেউই জানত না কেন।
একবার তার শ্বশুরের অসুখ হলো। যেহেতু জামাই যেত না শ্বশুর বাড়ি, তখন জামাইয়ের মা ছেলেকে বলল শ্বশুরের অসুখের দিনেও শ্বশুরবাড়ি না গেলে লোকে কেমন মনে করবে। অনেক বুঝিয়ে ছেলেকে মা রাজি করাল। ছেলেও যাবে না যাবে না বললেও শেষমেষ চাপে পরে গেল।
গিয়ে পুকুরপাড়ের ধার দিয়ে যাবার সময় দেখল শ্বশুর পায়খানা করছে একটা কোণায় বসে। জামাই শ্বশুরের কাছে যেতে লাগল। শ্বশুর জামাইয়ের সামনে এই অবস্থায় কি করবে না ভেবে আরো চুপসে যেতে লাগল। জামাইও নাছোড়বান্দা। সেও শ্বশুরের একেবারে কাছে গিয়ে বলতে লাগল, "কি গো বাবা। আমার মার কাছে তো খালি নালিশ দেওয়া হয় আমি নাকি শ্বশুরবাড়ি আসি না। কই এলাম তো। আপনি এখন লুকাচ্ছেন কেন?" শ্বশুর ভীষণভাবে লজ্জা পেল।
এরপর জামাই শ্বশুরবাড়ির ঘরে ঢুকে কাউকে না দেখে রান্নাঘরের দিকে গেল। গিয়ে দেখে শ্বাশুড়ী পায়েস চেটে চেটে খাচ্ছে পাতিল থেকে। এই দেখে কিছু না বলেই জামাই রান্নাঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে রইল। হঠাৎ শ্বাশুড়ীর চোখ পড়ল দরজার দিকে। চেয়েই দেখে জামাই। লজ্জায় কি বলবে ভেবে না পেয়ে বলল "কি গো জামাই, কখন এলে?" জামাই উত্তর দিল, "আফনের পয়লা লেওনের সময়।" শ্বাশুড়ী তো আরো লজ্জায় নিমজ্জিত।
তারপর খাওয়া-দাওয়া সেরে জামাই আর শ্বশুর পুকুরঘাটে গিয়ে বসল। জামাই শ্বশুরকে প্রশ্ন করল, "আচ্ছা বাবা, আপনি যে এই পুকুরটা তৈরি করছেন সেটার মাটিগুলো কি করছেন?" শ্বশুর তো এমনিতেই পূর্বের ঘটনা থেকে রেগে আছে। সে আবার এই প্রশ্ন শুনে জবাব দিল, "এইটার মাটি, এইটার মাটি আমি আর তর বাপে মিল্লা খাইছি। উনি তরে জন্ম দিয়া খাইছেন অর্ধেক। আর আমি তর মত মূর্খের কাছে আমার মাইয়াটা বিয়া দিয়া খাইছি অর্ধেক।"

Friday, August 08, 2008

সরদারের কৌতুক

Interviewer: What is your birth date?
Sardar: 13th October
Interviewer: Which year?
Sardar: Oye ullu ke pathe _ _ _ EVERY YEAR

==============================================

Manager asked to Sardar at an interview:
Can you spell a word that has more than 100 letters in it?
Sardar: -P-O-S-T-B-O- X.

==============================================

Teacher to Sardar: Write your best friend's name in English.
Sardar wrote: 'Beautiful Red Underware'
Teacher: What?
Sardar: His name is Sundar Lal Chaddi

==============================================

After returning back from a foreign trip, Sardar asked his wife,
Do I look like a foreigner?
Wife: No! Why?
Sardar: In London a lady asked me 'Are you a foreigner'?

==============================================

One tourist from U.S.A. asked to Sardar: Any great man born in this village???
Sardar: no sir, only small Babies!!!

==============================================

Lecturer: write a note on Gandhi Jayanthi.
So Sardar writes, "Gandi was a great man, but I don't know who is Jayanthi.

==============================================

Sardar was doing experiment with cockroach, first he cut it's one leg and told WALK. WALK. Cockroach walked. Then he cut it's second leg and told the same. Cockroach walked. Then cut the third leg and did the same. At last he cut it's fourth leg and ordered it walk! But cockroach didn't walk. Suddenly Sardar said loudly, "I found it. If I cut cockroach's fourth leg, it becomes deaf.

==============================================

When Sardar was traveling with his wife in an auto, the driver adjusted mirror. Sardar shouted, "You are trying to see my wife? Sit back. I will drive.

==============================================

Sardar went in a hotel. To wash hands he went to the washbasin. There he started washing the basin. Seeing this, the manager asked what was he doing. Sardar pointed towards the board "WASH BASIN"

==============================================

Interviewer: just imagine your in 3rd floor, it caught fire and how will you escape?
Sardar: its simple. I will stop my imagination! !!

সূত্র: তড়িৎ বার্তা

চাপাবাজী

মাছ রান্না
গৃহকর্ত্রী: কি আশ্চর্য! তুমি মাছ না ধুয়েই রান্না করছ!
বাবুর্চি: ধোয়ার কী দরকার আছে মেম সাহেব, মাছ তো পানিতেই ছিল!

চলে গেছে
ডাক্তার আর রোগীর মধ্যে কথা হচ্ছে-
ডাক্তার: আমার কথামতো রাতের বেলায় ঘরের জানালা খুলে ঘুমিয়েছিলেন তো?
রোগী: জ্বি, ডাক্তার সাব!
ডাক্তার: তবে তো আপনার শ্বাসকষ্ট চলে গেছে।
রোগী: জ্বি না, ডাক্তার সাব! শ্বাসকষ্ট নয়, ঘরের সব মালামাল চলে গেছে!!

ঢাকা
এক রোগী ঢাকায় এসেছে ডাক্তার দেখাতে-
ডাক্তার: শুনুন, এখন থেকে আপনার খাবার সবসময় ঢাকা রাখবেন।
রোগী: বলেন কী, ডাক্তার সাব! আমি তো নোয়াখালী থাকি। খাবারটা ঢাকা না রেখে নোয়াখালী রাখলে হয় না?

চাকরি
১ম মহিলা: জানেন, এবার আমার স্বামী খুব ভালো একটা চাকরি পেয়েছেন। ওর নিচে এখন হাজার হাজার মানুষ আছে।
২য় মহিলা: বাব্বা! বিরাট চাকরি নিশ্চয়ই? তা কি সেটা?
১ম মহিলা: উনি গোরস্থানে ঘাস ছাঁটার চাকরি পেয়েছেন।

কতটাকা দিবে
ছেলে রাস্তায় খেলতে গিয়ে সাইকেলের নিচে পড়ে ব্যথা পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এল-
বাবা: এই নে এক টাকা। আর কাঁদবি না।
ছেলে: আচ্ছা বাবা, ট্রাকের নিচে পড়লে কত টাকা দেবে?

পরীক্ষার ফল
এক বাবা তার ছেলেকে খুব পেটাচ্ছেন দেখে প্রতিবেশী একজন জিজ্ঞেস করছেন-
প্রতিবেশী: কী ব্যাপার! আপনার ছেলেকে বেদম প্রহার করছেন কেন?
বাবা: আর বলবেন না, আগামীকাল ওর পরীক্ষার ফল বেরুবে। কিন্তু আমি অফিসের কাজে আজ বাইরে চলে যাব। আসতে কয়েকদিন দেরি হবে।



সূত্র: সাপ্তাহিক কাগজ (নিউ ইয়র্ক)

স্রেফ কৌতুক

ঘন অন্ধকার রাত। তবে নিকষ কালো নয়। জাহাজের ক্যাপ্টেন তাঁর সার্চলাইট যেখানেই ফেলছেন, সেখানেই দেখা যাচ্ছে সাদা কুয়াশা। এই রকম সময় জাহাজ চালানো কঠিন। এমন সময় ক্যাপ্টেন দেখলেন, সামনে আরেকটা বাতি। এদিকেই আসছে। তিনি তাঁর ওয়্যারলেস সেট হাতে নিলেন। বললেন "এটেনশন, এক্ষুনি সংঘর্ষ হবে মুখোমুখি হবে। তুমি তোমার গতিমুখ ১০ ডিগ্রি পুব দিকে ঘোরাও"। উত্তর এল "তুমি তোমার জাহাজের গতিমুখ ১০ ডিগ্রি পশ্চিমে ঘোরাও"। রেগে গিয়ে ক্যাপ্টেন বললেন "আমি একজন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন। তোমার জাহাজ ঘোরাও"। উত্তর এল "আমি একজন সমুদ্র নাবিক, সেকেন্ড ক্লাস, তুমি তোমার জাহাজ ঘোরাও"। "এত বড় সাহস একজন সেকেন্ড ক্লাস নাবিকের, আমাকে জাহাজ ঘোরাতে বলে! তুই ঘোরা বেটা"। "এক্সিডেন্ট হয়ে যাচ্ছে, তুমি তোমার জাহাজ ঘোরাও"। "তুই ঘোরা। আমারটা একটা যুদ্ধজাহাজ। আমি ঘোরাব না"। "আমারটা তো একটা লাইট হাউস"।

=============================================

এক চোরের বিচার হচ্ছে। বিচারক বললেন "তুমি ওই কাপড়ের দোকানে দেখা যাচ্ছে চারবার ঢুকেছ রাতের বেলা তালা ভেঙে।
"তালা ভেঙে না। আমার কাছে নকল চাবি আছে। সেটা দিয়ে খুলে"।
"এক রাতে তুমি চারবার ঢুকলে। কী কী চুরি করেছ?"
"একটা শাড়ি"।
"প্রত্যেকবার একটা শাড়ি?"
"না, সবমিলে একটাই শাড়ি।"
"একটাই শাড়ি! তাহলে চারবার ঢুকলে কেন?"
"প্রত্যেকটা নিয়ে যাই। বউ বলে রঙ পছন্দ হয় নাই। তো আবার আসতে হয়।"

=============================================

মা আর মেয়ে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছে। এই ট্রেনের নিয়ম হলো, ১০ বছরের কম বয়স হলে তার হাফ টিকিট। মা মেয়েকে বললেন "শোনো, তোমার বয়স ১০। বুঝলে?"
মেয়ে তো কম চালাক নয়। সে বলল "বলতে হবে না। হাফ টিকিট তো।"
টিকিট চেকার এলো। মেয়েকে জিজ্ঞেস করল "তোমার বয়স কত?"
মেয়ে চটপটে উত্তর দিল "দশ"।
"তাহলে বলো তো কবে তোমার বয়স এগারো হবে?"
"আমরা ট্রেন থেকে নামলেই"।

=============================================

এবার এক কিপ্টে লোকের গল্প। সে দুটো লটারীর টিকেট কিনল। প্রথম পুরস্কার ৩০ লক্ষ টাকা। সেটাই সে পেয়ে গেল। তার মন খারাপ। সবাই বলল "কী ব্যাপার? মন খারাপ কেন?" সে বলল "পুরো দশ টাক লস। একটা টিকিটে আমি ৩০ লাখ টাকা পেয়েছি। আরেকটা টিকিট কেনার দরকারই ছিল না।"

=============================================

৭০ বছর বয়স্ক একজন কোটিপতি অল্পবয়সী এক সুন্দর মেয়েকে বিয়ে করল। তাঁকে সবাই জিজ্ঞেস করল "এই রকম একটা অল্পবয়সী মেয়েকে পটালেন কিভাবে?"
বৃদ্ধ বললেন "আমি আমার বয়স বাড়িয়ে বলেছি ৯৫।"

=============================================

একটা রিয়েল এস্টেট কোম্পানীতে সেলসম্যান নেওয়া হয়েছে নতুন। তার ট্রেনিং চলছে।
শিক্ষানবিস সেলসম্যান তার প্রশিক্ষককে জিজ্ঞেস করল "ধরুন, আমি একটা প্লট বিক্রি করলয়াম। ক্রেতা কোটি টাকা দিয়ে সেটা কিনে নিল। তারপর দেখতে গেল। গিয়ে দেখল পুরো প্লটটাই আসলে পানির নিচে। সে এখন টাকা ফেরত চাচ্ছে। তাকে কি আমরা টাকা ফেরত দেব?"
"পাগল! মনে রাখবা তুমি একজন সেলসম্যান। তুমি ওখানে গিয়ে তার কাছে একটা নৌকা বিক্রি করবা।"

[সূত্র: সাপ্তাহিক বাঙালী (নিউইয়র্ক)]
[লেখক: আনিসুল হক]