Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

Sunday, November 22, 2015

Extremism: Short-term Solutions

With the recent Paris attack by ISIS, it is quite clear to everyone that radical or extremist Islam needs to be taken care of as soon as possible by the Free World. No matter which spectrum of the right vs. left wing you might be, you cannot deny that tougher actions need to be implemented at the earliest to prevent any near-future incidents like this to the Free World. Already some of the western nations along with France have gone ahead in crushing some key points of ISIS in Syria. But the action cannot stop there. While I have been reading & listening to various people give their takes on the solution to the overall issue, I myself thought about some steps for a full-stop on this growing problem, once and for all.

Firstly, as we have been seeing in the recent past, the Cold War superpowers were quite divided in how to handle ISIS. While one does not want to proceed with military actions, other has already struck at various locations of ISIS. No matter who is right or wrong, it just cannot make sense to a common folk that at a time when the existence of the western civilization is threatened, how can the two giants sit separately and continue diverging further. When at school, we teach our kids "sharing is caring". Buddha teaches us that "to give is to gain". The Bible tells us that "it is more blessed to give than receive". The point is when the enemy is common, set aside all your personal vendetta, set aside all your past animosity, set aside all your pesky little or big differences, set aside all your ego, and unite for this common purpose because "united we stand, divided we fall". When the enemy is ISIS which affects both of your (US and Russia) very western civilization, strike at the heart of the enemy with combined force. Let the world see that whenever fanatics rise, i.e. during WWII with Hitler, the world leaders know how to deal with it, rather than fighting against themselves on their own issues. I strongly believe that if the western, civilized countries come together under one roof to crush ISIS, it won't be long that we would say ISIS as a 'thing of the past'.



Wednesday, November 05, 2014

Believe it or not!


যারা হিন্দু নির্যাতনের কথা এলেই অন্য দেশের সংখ্যালঘুদের তুলনা এনে বলে বাংলাদেশের হিন্দুরা নাকি শান্তিতে থাকে তাদের মুখের উপর এই পোস্ট ছুড়ে দিন।

কয়েক প্রজন্ম পরে এই তথ্য গুলো "বিলিভ ইট ওর নট" হিসেবে বিবেচিত হবে সারা বিশ্বে

Tuesday, September 16, 2014

যুদ্ধপূর্ববর্তী রমনা কালী বাড়ি


আজ যে ছবিটি আপনাদের দেখাব সেটা বাংলাদেশের ঢাকা শহরের খুব বিখ্যাত একটি জায়গা। ১৯৭১ সালে জায়গাটির নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।ছবিতে দূরে যে মঠ সদৃশ মন্দিরটি দেখছেন ওটাই সেই বিখ্যাত রমান কালী বাড়ি।

রমনা কালী মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল। এটি রমনা কালীবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি প্রায় এক হাজার বছরেরও পুরাতন বলে বিশ্বাস করা হয় এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা পার্কের (যার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বহির্ভাগে অবস্থিত।এই মন্দিরটিরও একটা গল্প আছে। একবার নাকি নেপাল থেকে দেবী কালীর একজন ভক্ত এসেছিলেন। তিনিই তৈরি করেছিলেন এই কালী মন্দির। ঢাকা শহরের অন্যতম পুরোনো আর বনেদি এই কালী মন্দিরটি পরে ভাওয়ালের রানী বিলাসমণি দেবী সংস্কার করেন।মোঘল আমলের শেষ দিকে মোঘল সেনাপতি মান সিংহের সহযোগিতা ও বার ভূঁইয়ার অন্যতম কেদার রায় এর অর্থে শাহবাজ মসজিদের উত্তর দিকে হরিচরণ গিরি ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন কৃপা সিদ্ধির আখড়া যা পরবর্তীতে ভদ্রাকালী বাড়ী এবং পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয় রমনা কালী মন্দির হিসেবে।

ঊনিশশো একাত্তর সালের ছাব্বিশে মার্চ সকাল এগারোটার দিকে পাকিস্তানি সেনারা এই আশ্রমে প্রবেশ করে। পুরো আশ্রম ঘেরাও করে এরা লোকজনদের আটকে রাখে- বের হতে দেয় না কাউকে। সে সময় এই পিশাচদের সাথে ছিলো পুরোনো ঢাকা থেকে ১৯৭০ এর নির্বাচনে পরাজিত মুসলীম লীগ প্রার্থী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অন্যতম দোসর খাজা খায়েবউদ্দিন। প্রধানত এই হিংস্র জানোয়ারের তৎপরতায়ই ২৭ মার্চের গভীর রাতে রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়।

২৭ মার্চ গভীর রাতে সান্ধ্য আইন চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মন্দির ও আশ্রম ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সার্চ লাইটের আলোতে গোটা রমনা এলাকা আলোকিতো হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় গুলিবর্ষণ। রমনা কালীমন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমা গুঁড়িয়ে দেয় এই অসভ্য বর্বর সেনাবাহিনী।মন্দির তারপর গোলাবর্ষণ করে- মন্দির ও আশ্রম পরিণত হয় এক ধ্বংসাবশেষে।

সেখানেই তারা হত্যা করে রমনা কালী মন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী পরমানন্দ গিরিকে। ইতিহাস পাঠে জানা যায়- এই সাধক মৃত্যুর আগে আশ্রমের অন্যান্যদের উদ্দেশে বলে গিয়েছিলেন- আমি তোমাদের বাঁচাতে পারলাম না, কিন্তু আশীর্বাদ করি- দেশ স্বাধীন হবেই। সব শেষে বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দেয় পুরো মন্দির। (ছবিতে সাদাকালো অংশ ধ্বংস হবার আগের মন্দির) । রমনার কালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে একাত্তরের শহিদ হয় শতাধিক ভক্ত ।

পাক সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে ‘৭১’র রমনা কালি মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমটি দুটি ধ্বংস করেছিল। কিন্তু তা আজও নির্মাণ হয়নি। এই মন্দিরটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ২য় বৃহত্তর জাতীয় মন্দির। অবিলম্বে এই মন্দিরটির জায়গা ও মন্দিরটি পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাই। 


(সূত্র

Thursday, September 11, 2014

গৌতম বুদ্ধ বনাম যীশুখৃষ্ট


পাশ্চাত্যে স্বামী বিবেকানন্দকে একজন বলেছিলেন যে, তিনি তথাগত বুদ্ধের জীবনী খুব ভালবাসেন, কিন্তু বুদ্ধের মৃত্যুটি তাঁর পছন্দ নয়। খৃস্টের সাথে তুলনা করে তিনি বলেন, 'আমাদের যীশুর মৃত্যুটি কেমন মহিমান্বিত! কত অত্যাচার সহ্য করে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন মানুষের মুক্তির জন্যে। তুলনায় বুদ্ধের মৃত্যুটি খুব সাদামাটা, ম্যাড়ম্যাড়ে।' স্বামীজি উত্তর দিলেন, 'এখানেই তোমাদের সাথে হিন্দুদের পার্থক্য। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে কেউ বিপরীত কিছু বললেই অমনি ঢাল তলোয়ার বেরিয়ে আসেনা। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে পূর্ণস্বাধীনতা বর্তমান।

প্রাচীনকালে চার্বাকরা মন্দিরের দ্বারদেশে এসে সনাতন ধর্ম ও বেদের নিন্দা করেছে কিন্তু কেউ জোর করে তাদের কণ্ঠরোধ করেনি। বুদ্ধদেব বেদকে অস্বীকার করে প্রায় অর্ধেক ভারতকে নিজের ধর্মে আনতে সমর্থ হয়েছিলেন কিন্তু তাকে খৃষ্টের মতো ক্রুশবিদ্ধ হতে হয়নি। যেখানে স্বাধীনতা নেই সেখানে অগ্রগতির পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল বলেই ধর্মক্ষেত্রে ভারতের প্রভুত উন্নতি সম্ভব হয়েছে।'


(সংগৃহীত

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Saturday, August 30, 2014

সৌদি আরবে মা সরস্বতীর প্রতিমা


সম্প্রতি সৌদি আরবের জেদ্দায় পাওয়া গেছে দেবী স্বরস্বতীর প্রায় পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন প্রতিমা, যা বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্মের বিস্তৃতিকেই নির্দেশ করে। সত্য সনাতন ধর্মের জয়। জয় মা সরস্বতী।

(সূত্র

Monday, August 25, 2014

হিন্দুধর্মে যুগবিভাগ


হিন্দুধর্ম মতে যুগ ৪টি।
১. সত্য
২. ত্রেতা
৩. দ্বাপর
৪. কলি

Wednesday, August 20, 2014

পশ্চিমবঙ্গে ঈদের প্রাধান্য দুর্গাপূজার চেয়ে


১৯৫১ সালের সেন্সাস অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।

Sunday, August 17, 2014

শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থাণে মসজিদ


পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব অপ্রাকৃত ধাম মথুরায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথীতে ৫২৩৮বছর পূর্বে। দিনটি ছিল বুধবার।

দ্বাপর যুগের সেই অপ্রাকৃত লীলাবিলাস এখনও দর্শনীয়। কংস যেস্থানে দেবকীকে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন সেই কারাগারটি এখনও দর্শন করা যায়। যে স্থানে কংস দেবকীর ছয় পুত্রকে হত্যা করেছিলেন সেই স্থানটিও দর্শন করা যায়। পৌরাণিক কাহিনী মতে এই স্থানে সর্বপ্রথম মন্দির নির্মাণ করেন শ্রীকৃষ্ণের প্রপৌত্র শ্রীবজ্রনাভ। পাথরে খোদিত ব্রাহ্মীলিপি থেকেও এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

বহুবছর এই মন্দির অবস্থিত থাকলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব বৃন্দাবন ও মথুরার বিভিন্ন মন্দিরের পাশাপাশি সেই জন্মস্থান মন্দির ধ্বংস করেন।

আলেকজান্ডারের শাসনামলে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে এসে বেদি মন্দিরটি সম্পূর্ণ না ভেঙ্গে প্রার্থণা হলটি ভেঙ্গে দেন। মন্দিরের বেদি তখন রক্ষা পেলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব গোবিন্দদেব মন্দিরটি ভেঙ্গে আর্বিভাব স্থান মন্দিরের এক অংশে ঈদগাহ্ মস্জিদ নির্মাণ করেন। সেই মন্দির ও মসজিদ এখনও পাশাপাশি দর্শনীয়।

এই স্থানে নির্মিত হওয়া প্রাচীন মন্দিরের বর্ণনা সমগ্র গ্রন্থ বা লিপি রয়েছে। যেমন - ১০১৭ সালে মুহম্মদ গজনবীর লিখিত রের্কড থেকে বহু তথ্য জানা যায়। তিনি লিখেছিলেন , "শহরের প্রান্তে অবস্থিত অভূতপূর্ব মন্দির নিশ্চয়ই কোন মানুষ নির্মাণ করেননি। এটি নিশ্চয় (দেবতারা বা ফেরেস্তারা) নির্মাণ করেছেন।"

বর্তমানে মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহটি ঠিক দেখতে মানুষের মত তথা ৬ফুট বিশিষ্ট এবং জগন্নাথ -বলদেব -সুভদ্রা বিগ্রহত্রয় পুরীধাম থেকে মথুরায় এই মন্দিরে অবস্থান করে অপ্রাকৃত সেবা গ্রহণ করছেন। এখনও মন্দিরে প্রবেশ করলেই অপ্রাকৃত আনন্দ, সুখ অনুভব হয় অর্থাত্ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে এখনও এই স্থানে লীলাবিলাস করেছেন তা শুদ্ধ ভক্তগণ অনুভব করতে পারবেন।

☛মন্দিরের অবস্থান - মথুরা বর্তমানে যমুনা নদীর তীরে, রাজধানী নয়াদিল্লী থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

☛ছবির বর্ননা - পাশাপাশি ঈদগাহ্ মসজিদ (বামে) ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান মন্দির।


(সূত্র

Sunday, August 10, 2014

নারীদের প্রতি ইসলামি বর্বরতার আরেকটি নিদর্শন: নারীর খতনা


এ লেখাটি আমার প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্ত মনস্ক বন্ধুদের জন্য।আমার ফেসবুক আইডিতে কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক বন্ধু না থাকায় লেখাটি দিলাম আশা করি প্রাপ্ত বয়স্করা প্রাপ্ত মনস্কও হবেন।

Wednesday, August 06, 2014

শুধুমাত্র কিছু মানুষের উদ্দেশ্যে

সেদিনকার এক ব্লগের মন্তব্যে কিছু বাংলাদেশী অভিযোগ তুললো যে, বাংলাদেশে হিন্দুরা নাকি অনেক শান্তিতেই আছে। আর বাংলাদেশের মিডিয়া নাকি খুবই সচেতন এ বিষয়ে। তুলনামূলক নাকি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমরা নির্যাতিত হলে খবরে তেমন একটা আসে না।

কিছুদিন আগেকার কথা। রোজার মাস রমজানে এক শিবসেনার সংসদ সদস্য না জেনে এক মুসলিম রাঁধুককে খাবারের নিম্নমানের জন্য খাবার মুখে গুঁজে দেয়। ভারতের প্রধান প্রধান সকল চ্যানেল, পত্রিকা, মিডিয়াতেই এটি এসেছে। অথচ যখন সেইসব মানুষকে দেখালাম অমরনাথ তীর্থস্থাণে প্রায় একই সময়ে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের তাঁবুতে মুসলিম কিছু লোক হামলা চালায়, আগুন দেয় - সে খবর পাত্তা পায় না প্রধান গণমাধ্যমগুলোতে।

আর এবারে এক হিন্দু প্রাক্তন শিক্ষিকা গণধর্ষিত হন মাদ্রাসায় এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপের শিকার হন - সে খবর ক'টা মিডিয়াতে এসেছে? হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশীরা খুব সহজেই ভারতের ভুল-ত্রুটী ধরতে পছন্দ করি। আর সেক্যুলার নাম দিয়ে সাম্প্রদায়িক বলে অনেক দোষারোপ করি। এককথায় নিচের কার্টুনটিই বুঝিয়ে দিচ্ছে বর্তমান ভারতীয় গণমাধ্যম:

এই পোস্টটি শুধু তাদের জন্য। যারা কথায় কথায় বলেন ভারতে মুসলিমরা কোণঠাসা হয়ে বাস করে, সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জন্য শান্তিতে টিকতে পারে না। অথচ মনে মনে এমন আশা পুষে সেসব সংখ্যালঘুরা। একটি বারের জন্য শুধু কল্পনা করেন তো কী হতো, যদি বাংলাদেশী সংখ্যালঘু কোনো হিন্দুর দ্বারা মন্দিরে কোনো সংখ্যাগুরু মুসলিম মেয়ে গণধর্ষিত হতো, কেমন হতো মিডিয়া, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া। সে তুলনায় কেমনটা দেখছেন ভারতে? একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন।

Thursday, July 31, 2014

সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়ি পুনরুদ্ধার

৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf

৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf

শেষ পর্যন্ত মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৩৬ বছর পর মহানায়িকা সূচিত্রা সেনের পিতৃবাড়ির অবৈধভাবে দখল সড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। এখন তা সঠিকভাবে কার্যকর হলেই ভালো। 

(খবরের সূত্র)

দখলের ক্ষেত্রে কোনো হিন্দুই ছাড় পায় না - তো সে বিখ্যাত কোনো ব্যক্তিত্ত্বই হোন আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষই হোন।

(কৃতজ্ঞতা)

Wednesday, July 30, 2014

সকল হিন্দুদের পড়ার অনুরোধ

গ্রুপ স্টাডি এবং লাভ জিহাদ...

আমরা অনেকেই আছি যারা লাভ জিহাদের মানেই জানি না। আসলে এই বিষয়ে আমাদের উদাসিনতাই দ্বায়ী। মুক্তমনারা বলে প্রেম মানে না রীতিনীতি কিসের আবার জাত-কুল-ধর্ম। আমি বলি কি এসব ভন্ডামী বাদ দেন। লাভ জিহাদ কি তার উত্তর শেষে পাবেন। আমার মত করে ব্যাখা দিব। আমাদের এই সনাতন ধর্মে ছেলেদের থেকে মেয়েরাই এই পথে পা বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ধনি বাপের মেয়েরাই। যখন একটি মেয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হয় তখন সেই মেয়েটি স্বপ্নের ভুবনে উড়তে থাকে। তার কারন সে এখানে কারো প্রতি জবাবদিহি করতে হয় না। তার ভাবের হাল চাল তখন চার গুন বেড়ে যায়। সে যে ভাসিটিতে ভর্তি হয়েছে সেখানে তার ক্লাসমেট হিন্দু মাত্র দুই তিন জন। যাদের প্রতি তার মিশতে ইচ্ছে হয় না। তো কি আর করার এমনিতেই চলে যায় কিছুদিন। আর এদিকে ভিড়তে থাকে নতুন ভুবনে নতুন বন্ধু বান্ধব। সবাই হাই সোসাইটির বন্ধু মহল। শুরু হয় গ্রুপ স্টাডি।

Tuesday, July 29, 2014

মহাভারত সম্পর্কে মুসলিমদের ধারণা

মহাভারত পড়ছি ছোটবেলায়। আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ছিলাম। কিছুদিন আগে থেকে চোখ রাখতেছি স্টার প্লাসের টায়। সিরিয়াল বানাইছে, সব ঠিক আছে। সমস্যা একটাই, অর্জুন কিংবা কর্ন তীর মারতে মোটামুটি পনেরো থেকে বিশ মিনিট লাগতেছে। তীর ধনুকে সেট করতে সময় নিতেছে পাঁচ মিনিট। তারপর এইম করতে আরো সাত-আট মিনিট। আর তীর লক্ষ্য পৌছাইতে সেইরকম সময় নিতেছে। তীর লক্ষ্যে যাইতেছে, এর মাঝে মোটামুটি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের ময়দানের সবার মুখে তিন বার ক্যামেরা ফোকাস করতেছে।
তো নতুন প্রজন্ম তো ভুল মেসেজ পাইতেছে। অর্জুনের তীরের আগে রিকশা যদি আগে যায়, তাইলে কেমনে কি। সে মহাভারত অনুযায়ী অব্যর্থ এবং ক্ষিপ্র তীরন্দাজ। আর কর্ন সূর্যদেবের পুত্র। এই চরিত্রে যারা আছে, তারা শ্যুটিং এর আগে যেন অবশ্যই কয়েকটা রেডবুল খায়। একটু ক্ষিপ্র না হইলে হবে না, দেবতাদের পুত্রের চরিত্র, বাট অভিনেতা দের দেখলে মনে হয় ক্রাশ ডায়েটিং এ আছে। তীর জোরে হবে, ফার্মগেটের জ্যামে আটকালে হবে না।
এনিওয়েজ, বউ জামাই অভিমান শ্বাশুড়ির ক্যাচাল কিংবা ইস পেয়ার কো কিয়া দাম দু আর সাথ নিভানা সাথিয়া থিকা তাও মহাভারত ভালো। শুধু একটু তীরের স্পিড টা বাড়াইলে হবে। বাই দ্য ওয়ে, আমার মন টন খারাপ থাকলে স্টারপ্লাস দেখি, কারন তো আগেই বলছি, একবার বউয়ের বাচ্চা হবে দেখছি দু-তিন বছর আগে, এখনও হয় নাই। ডিসকভারি চ্যানেলের থেকে এই চ্যানেল বেটার, অবিশ্বাস্য ব্যাপার স্যাপার। ম্যামাল দের ভিতর হাতি ২২ মাসে বাচ্চা দেয়। আমার মনে হয় ডিসকভারির উচিত এই সিরিয়াল গুলা রে পর্যবেক্ষন করা। বলা যায় না, মানবজাতি কোন অজানা রহস্য উন্মোচিত হতেও তো পারে।
ফুটনোট: অর্জুন কর্ন রে কটাক্ষ করা হয় নাই, সিরিয়াল মেইকার তাগো ভূমিকায় অভিনয় করা পাবলিক গুলা নিয়া ফান ছিলো।

Saturday, July 19, 2014

রমজানের সংযম

কয়েকবছর আগে সিলেটে রমজান মাসে মাজারের পাশে দাঁড়িয়ে আছি, কয়েকজন চাপদাড়ি এবং সাদা পাঞ্জাবি পড়া তরুণ আমাকে ধর্মবিষয়ে নসিহত করতে এগিয়ে এলো। ছেলেগুলো শিবির সদস্য, তাদের রমজানের কার্যক্রম হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় ওয়াজ নসিহত করা। সাধারণত তাদের দেখলেই লোকজন কাজ আছে বলে কেটে পরে, কিন্তু আমি কেটে পরলাম না। আমার নাম জিজ্ঞেস করলো, নাম বললাম। তাতেই তারা নিশ্চিত হলো আমি মুসলমান। এরপরেই শুরু করলো বয়ান। আমার কলবে কী আল্লাহর ভয় নাই? আমার দিলে কি মুহাম্মদের জন্য ভালবাসা নাই? আমার কী ইসলামের জন্য জিহাদ করে জীবন দিতে ইচ্ছা করে না? আমি উদাস ভঙ্গিতে তাদের সামনেই একটা বিড়ি ধরিয়ে বললাম, নারে ভাই, আমার এত চুলকানি নাই।

Friday, July 18, 2014

ভারত মহান তাদের রুপ দেখে আমি হয়রান


বিদ্যা বালান একটি ছবির প্রমোট করতে গুজরাট গিয়েছিল আর মোদীর ভাবনাকে নকল করতে চেয়েছিল কিন্তু গুজরাটের মানুষ তাকে করতে দেয়নি আর সে কারনে হিন্দুদের উপর রাগ করে সে হায়দ্রাবাদের মাহিম দরগায় মুনাজাতে বিদ্যা বালান! এটা আজ ভারতের আসল রুপ। নিজের লাভের জন্য ধর্মকে পূঁজি করে।
কাল হিন্দুদের শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা গিয়েছে কিন্তু ভারতের শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান সহ অনেক ক্ষমতাশীল মুসলিমকে কি দেখেছেন হিন্দুদের অভিনন্দন জানাতে? না তারা কখনও তাদের ধর্ম অনুভূতিতে আগাত লাগে এমন কাজ করবে না।

Thursday, July 17, 2014

"সামান্য" ইফতারীর আয়োজন

রমজানের মাস সংযমের মাস। তাই সৌদী আরবে "সামান্য" ইফতারীর আয়োজন:

 



(সূত্র

Tuesday, July 15, 2014

'হিন্দু' শব্দের অর্থ

অনেকেই আপনাকে "হিন্দু" শব্দের অর্থ কি তা জানতে চায়। আপনি সঠিক অর্থ জানেন না বলে বলতে পারেন
না বা ভুল অর্থ জানেন। ভারতীয় মনিষীদের দ্বারা এটা প্রমানিত যে 'হিন্দু' শব্দটি চার হাজার বছরের পুরনো। আনুমানিক ২য় শতাব্দিতে রচিত শব্দ 'কল্পদ্রুম', তাতে মন্ত্র আছে "হীন্ দুষ্যতি ইতি হিন্দু জাতি বিশেষ" অর্থাৎ হীন কাজকে যে ত্যাগ করে, তাকেই 'হিন্দু' বলা হয়।

অন্যদিকে 'অদ্ভুত কোষে' মন্ত্র পাওয়া যায় "হিদূঁ: হিন্দুশ্চ প্রসিদ্ধ দুশতানাম চ বিঘর্ষণে" অর্থাৎ হিদূঁ আর হিন্দু দুটো শব্দই তাদের জন্য ব্যবহার হয়। যারা দুষ্টকে নাশ করে। ষষ্ঠ শতাব্দির 'বুদ্ধ স্মৃতিতে' মন্ত্র আছে "হিংসা দূয়তেয়শ্চ সদাচরণ তৎপরঃ"। বেদ "হিদূঁ মুখ শব্দ ভাক্।" অর্থাৎ যে সদাচারি বৈদিক ধর্মের পথে চলে, হিংসাকে দুঃখ বলে মনে করে, সে-ই হিন্দু।

বৃহস্পতি আগমে শ্লোকে আছে "হিমালয় সমারভ্যয়বাদ ইঁদূ সরোবঁ। তঁ দেব নির্বিতঁ দেশম হিন্দুস্থানম প্রচ্ক্ষেত।" অর্থাৎ হিমালয় পর্বত থেকে হিন্দু মহাসাগর পর্যন্ত দেব পুরুষ দ্বারা নির্মিত ক্ষেত্রকে হিন্দুস্থান বলা হয়। পার্সী সমাজের
একটি অতন্ত প্রাচীন গ্রন্থে লেখা "অক্নুম বিরহমনে ব্যাস নাম আজ হিন্দ আমদ বস দানা কি কাল চুনা নস্ত।" অর্থাৎ হিন্দ থেকে আসা ব্যাস নামক এক ব্রাহ্মনের সমকক্ষ বুদ্ধিমান কেউ ছিল না।

খ্রিস্টের জন্মের ১০০০বছরের আগে লবি বিন অখতাব তুর্ফা নামে আরবের এক কবির গ্রন্থে লেখা আছে "অয়া মুবার্কেল অরজ য়ু শোয়ে নোহা হিন্দে। ব অরাদাকল্লাহ মন্য়োঁজ্জেল জিকর্তুঁ।" অর্থাৎ হে হিন্দ পুণ্য ভুমি তুমি ধন্য, ঈশ্বর জ্ঞানের জন্য তোমায় বেছে নিয়েছেন।


(তথ্যসূত্র - হিন্দু একতা শক্তি)