Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

Saturday, July 12, 2014

শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সম্পর্কে

রথযাত্রার ইতিহাস:

পুরাণ থেকে রথ যাত্রার কথা জানা যায়। স্কন্দ পুরাণে আমরা পাই যে ইন্দ্রদ্যুম্ন নামে এক রাজা ছিলেন উত্কল রাজ্যে, (বর্তমান উড়িষ্যা) তিনি ছিলেন পরম ভক্ত। তিনি একদিন স্বপ্নাদিষ্ট হন একটি মন্দির নির্মাণের জন্যে। পরে দেবর্ষী নারদ এসে জানান স্বয়ং ব্রহ্মারও তাই ইচ্ছা, তিনি নিজে সেটা উদ্বোধন করবেন। নারদ রাজাকে বললেন
আপনি বহ্মাকে নিমন্ত্রন করুন। সেই উপদেশ মাথায় রেখে রাজা ব্রহ্মলোকে গেলেন এবং বহ্মাকে নিমন্ত্রণ করলেন। কিন্তু ব্রহ্মলোকের সময় এর সাথে তো পৃথিবীর মিল নেইৱ, আর পৃথিবীতে তত দিনে তাই কয়েক শতবছর পার  হয়ে গেছে। ফিরে এসে রাজা দেখলেন তাকে কেউ চেনে না। যা হোক তিনি আবার সব কিছু নতুন করে করলেন। দৈবভাবে রাজা জানতে পারলেন সমুদ্র সৈকতে একটি নিম কাঠ ভেসে আসবে, সেটা দিয়েই তৈরি হবে দেব বিগ্রহ।
একজন কারিগর এলেন বিগ্রহ তৈরি করতে, কিন্তু নির্মাতা শর্ত দিলেন তিনি নিভৃতে কাজ করবেন। আর বিগ্রহ তৈরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিরক্ত করা যাবে না এবং মন্দিরে যাওয়াও যাবে না। এদিকে মূর্তি তৈরি শুরুর কিছু দিন পর রাজা কৌতূহল সংবরণ করতে না পেরে মন্দিরে প্রবেশ করে দেখেন কেউ নেই সেখানে। আর আমরা যে রূপে এখন জগন্নাথ দেবকে দেখি, সেই মূর্তিটি শুধু রয়েছে। পরে ঐ ভাবেই স্থাপিত হয় মূর্তি। ইন্দ্রদ্যুম্ন রাজা জগন্নাথ দেবের মূর্তিতেই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীকালে শ্রীকৃষ্ণ এবং জগন্নাথ দেব একই সত্ত্বা চিন্তা করে একই আদলে তার পাশে ভাই বলরাম এবং আদরের বোন সুভদ্রার মূর্তি স্থাপন করা হয়। পুরীতে তিন রথের যাত্রা হয়,  প্রথমে বলরাম তার পর সুভদ্রা এবং শেষে জগন্নাথ। ১১৯৯ খ্রিস্টাব্দে রাজা অনঙ্গভীমদেব তিনরথের রথ যাত্রা প্রচলন করেন।

Wednesday, July 09, 2014

দিনাজপুরে হিন্দু শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জেলার বিরল উপজেলার কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের (লাইব্রেরিয়ান) বিরুদ্ধে এক শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পরও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান পদে সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক শমসের আলী ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ক শিক্ষিকাকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাবসহ তাকে যৌনহয়রানি করে আসছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক অভিযোগ পেয়ে শমসের আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

Sunday, July 06, 2014

বাংলাদেশ ও ভারতের সংখ্যালঘু পার্থক্য

ভারতের মুসলমানরা এদেশে (বাংলাদেশে) আসতে চায় না, পাকিস্তানে তো যাবেই না। ভারতের মুসলমানরা অবশ্য এদেশে আসতে চায় না। মার খেলেও ওখানে পড়ে থাকতেই তারা সচেষ্ট। পাকিস্তানে তো যাবেই না। ওটা আর কোনো দেশ নয় এখন। পাকিস্তান হল নিজেরা খুনোখুনি করে নিঃশেষ হওয়ার একটা জায়গা। তাহলে বাংলাদেশের
হিন্দু কেন মার খেয়ে ভারতে যাবে? সম্পদশালী, সুশিক্ষিত ও উচ্চ পেশাজীবী হিন্দুরা অনেক আগেই ভারতে চলে গিয়েছিল। দেশবিভাগের সময় যারা যায়নি, পাকিস্তান পর্বে বিভিন্ন অপঘটনায় তাদেরও একাংশ সেখানে চলে যায়। তুলনামূলক পছন্দের ব্যাপার ছিল বৈকি। নিরাপত্তাবোধের বিষয়ও ছিল।

Saturday, July 05, 2014

এ কেমন শান্তির নমুনা?


পাকিস্তানে হিন্দু বাস করে মাত্র ২ শতাংশ। জরিপে দেখা গেছে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার এই পাকিস্তানী হিন্দুরা। এবার সেই পাকিস্তান হিন্দুধর্মের উপর সরাসরি আঘাত করল। পাকিস্তানী একটি জুতা প্রস্তুতকারী কোম্পানী "OM" লেখা জুতা বাজারে ছেড়েছে। জুতা প্রস্তুতকারীদের দাবি, জুতাতে ওমঃ চিহ্ন থাকায় তাদের ব্যবসা ভাল হবে।

Friday, July 04, 2014

প্রসঙ্গ: হিন্দুধর্মে গোমাংস

এক ভন্ড মূর্খ পন্ডিত দাবি করেছেন, শ্রীরামচন্দ্র নাকি মধু দিয়ে তৈরী মদ এবং গোমাংস আহার করতেন! এর ভিত্তিতে তিনি দাবী করছেন যে হিন্দুধর্মে গোমাংস ভক্ষন নিষিদ্ধ নয়! যদিও এই নব্য শাস্ত্রপন্ডিত রামায়ন থেকে কোনো রেফারেন্স দেখাতে পারেননি।
শ্রীরামচন্দ্র আসলে খাদ্য হিসেবে কি গ্রহন করতেন?
বাল্মীকি রামায়নের সুন্দরকান্ড, স্কন্দ ৩৬ এর ৪১ নং শ্লোকে শ্রীরামচন্দ্রেরখাদ্যবিধি বর্ননা করা হয়েছে এভাবে-
ন মাংসম রাঘব ভুংক্তে।
ন চৈব মধু সেবতে। বন্যম সুবিহিতম নিত্যম ভক্তমস্নতি পঞ্চমম।।
অনুবাদ-"শ্রীরামকোনপ্রকার মাংস ও মধু খেতেন না।তিনি প্রতিদিন ফল এবং স্বিদ্ধ ভাত খেতেন যা একজন ব্রহ্মচারীর জন্য অনুমোদিত।"
কিষ্কিন্ধ্যা কান্ডের প্রথম অধ্যয়ে শ্রীরামের বনবাস যাত্রাকালে পথিমধ্যে রাজা কবন্ধের সাথে দেখা হলে কোনদিকে গেলে তিনি তার জীবনধারনের জন্য তিনি যে নিরামিষ আহার করেন তা পাওয়া সুবিধাজনক হবে জানতে চাইলে কবন্ধ তাঁকে বলেন-
"হে রাম,তুমি এখান থেকে পশ্চিমদিকে যাও,সেখানে তুমি তোমার প্রয়োজনীয় ফল আম,কাঠাল,কলাসহ অন্যান্য ফলগুলো এবং নাগ,ধন্ব,তিলক,নক্তমালাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সবজিগুলো পাবে।"
বনবাসের জন্য অযোধ্যা ত্যগকালে মাতা কৌশল্যার প্রতি শ্রীরামচন্দ্রের প্রতিশ্রুতি-
ফলমুলাসন নিত্যম ভবিষ্যামি নসংশয়।
ন তু দুখং কৈশ্যামি নিবসন্তি ত্বয় সদা।।
(অযোধ্যা কান্ড ২.২৭.১৬)
অনুবাদ-"মা তোমাকে আমি কথা দিচ্ছি আমি ফলমূলাদি ছাড়া কখনো মাংসাদি গ্রহন করবনা।তোমাকে ছেড়ে থাকলেও আমি কখনো এরুপ বিপথগামী হবনা।"
অথচ এই জ্ঞানপাপী কূপমুন্ডকরা শ্রীরামচন্দ্রের নামে কি অপপ্রচারটাই না চালাচ্ছে! এইসব কুচক্রীদের থেকে সতর্ক থাকুন।


(সংগৃহীত

Thursday, July 03, 2014

আর্জেন্টিনায় হস্তিনাপুর নগরী


প্রাচীন ভারতের কেীরবদের রাজধানী হস্তিনাপুর নয়, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে গড়ে উঠেছে নতুন এই হস্তিনাপুর নগরী। ১২ একর ব্যাপী বিশাল এই এলাকায় আছে বেশ কয়েকটি সুন্দর মন্দির, মহাদেব সহ অনেক দেবদেবী ভাস্কর্য।

[বিস্তারিত]

(সূত্র)

Wednesday, July 02, 2014

এই কি সংযমের নমুনা?


 
গতকাল সোমবার রাতে স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরে দেড় শতাধিক মুসল্লি হামলা করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হিন্দুবার্তার নিজস্ব প্রতিনিধি জানায়, রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। তারাবীর নামাজ শেষ করে মুসল্লিরা মন্দিরে দলবদ্ধভাবে হামলা করে। হামলার পরপরই মন্দিরের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। শতাধিক মুসল্লি মন্দিরের প্রাচীরের বাইরে থেকে ভেতরে ইট-পাথর ছুড়ে মারে। এতে মন্দিরের জলের ট্যাংকসহ বেশকিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা মন্দিরের গেইটে লাথির পর লাথি মারে আর অশ্রাব্য ও জিহাদী ভাষায় হিন্দুদের ও মন্দিরের নামে গালিগালাজ করে।

Saturday, June 28, 2014

The creation of Shree Krishna's Divine Flute

Story from the Puran of Gopeshwar Mahadeva:

Gopeshwar Mahadev is a state of Shiva when Shiva Himself wanted Krishna as a gopi (can still be seen in Vrindavana).


Thursday, June 26, 2014

ইসলামিক ‘হালাল’ বেশ্যালয়

মুসলিম খদ্দেরদের জন্য ধর্মীয় অনুশাসনের সীমার মধ্যে থেকে পতিতালয় চালু হয়েছে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে, মালিকপক্ষ যাকে ‘হালাল’ বেশ্যালয় বলে দাবি করছেন।
দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে যৌনবৃত্তি চরিতার্থ করার উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক।
পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকার পতিতাদেরকে মাদক সেবনে বাধ্য করা হবে না। ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খদ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলামসম্মত ভাবেই যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের যৌন সংসর্গ ইসলাম সম্মত হবে কিভাবে? ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন।
ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মাঝে প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত আছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ। হোটেলে যৌনসঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।
‘মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে। তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন। হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল বেশ্যাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা যৌনসংসর্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের।

[এ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যেই কেমন প্রতিক্রিয়া হচ্ছে তা দেখুন সূত্রের মন্তব্যকেন্দ্রে]

(সূত্র - bdnew24.com)

Tuesday, June 24, 2014

সনাতন ধর্মের আচরণ এবং প্রেম দুটোর কারনেই ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন পুজা দাশ



‘আমাকে কেউ অপহরণ করেনি, আমি স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্ম গ্রহণ করে হিন্দু হয়েছি এবং স্বামীর সাথে সংসার করছি”।

গত রবিবার সন্ধ্যায় একটি জাতীয় দৈনিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই কথাগুলো জানান পুজা দাশ। তিনি বলেন, আমি ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছিলাম। বাবার নাম এনামুল ইসলাম, মাতা নাম আমিনা খাতুন, গ্রাম খুলশী, থানাঃপাহাড়তলী, জেলাঃ চট্টগ্রাম। দীর্ঘদিন যাবত সনাতন ধর্মের আচার আচারণ ও নিয়মন কানুন দেখে ও বই পুস্তক পড়ে এই ধর্ম ভালো লাগতে শুরু করে। যার কারনে গত বছরের ১৫ মার্চ নোটারীর মাধ্যমে সনাতন ধর্ম গ্রহণ করি।



(তথ্যসূত্র

Sunday, June 22, 2014

লাভ জিহাদের শিকার



আপনাদের মনে আছে ডাঃ নন্দিতা সিনহার কথা ।বাংলাদেশের সব গুলো প্রধান পত্রিকা যাকে নিয়ে সংবাদ দিয়েছিল।লাভ জিহাদের শিকার এই মহিলা নন্দিতা সিনহা থেকে হলেন নন্দিতা আহ্মেদ।তাতে লাভ কি হল??কি পেলেন তিনি?? পাঁচ বছর তার স্বামী জুলফিকার নামক নরপশু ঘরে বন্দি করে রেখেছিল। দুটি সন্তান থাকা স্বত্বেও বিয়ে করে আবার বাড়ির কাজের মেয়েকে। ঔশুধ খায়িয়ে নন্দিতাকে পাগল বানানোর চেষ্টা করে তার স্বামী।

প্রেম থেকে পরিণয়। তার পর ২০ বছরের দীর্ঘ সংসার জীবন এই চিকিৎসক দম্পতির। দুটি সন্তানও বড় হয়েছে; কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে ইনজেকশন পুশ করে মানসিক রোগী বানিয়ে দিনের পর দিন ঘরের চার দেয়ালে বন্দি করে রাখেন স্বামী। একাধিক প্রহরী বসিয়ে স্ত্রীকে বন্দিদশায় রেখে এক মাস আগে স্বামী যান হজ পালন করতে সৌদি আরবে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ নগরীর মিরের ময়দান কেওয়াপাড়ার (পড়শী-২০১) বন্দিদশা থেকে এই চিকিৎসক মহিলাকে উদ্ধার করেন। তার স্বামী সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জুলফিকার আহমেদ জামী। ডা. নন্দিতা কয়েক বছর আগে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে। অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। ডা. নন্দিতাকে দিনের পর দিন বন্দি রেখে ইনজেকশন পুশ করা হতো। ওই বাড়িতে গিয়ে পুলিশ একাধিক প্রহরীবেষ্টিত গেট তালাবদ্ধ অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে তার ভাইদের কাছে তুলে দিয়েছে।
জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের তিলপাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক নন্দিতা সিনহা ১৯৮৬ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেন নগরীর কেওয়াপাড়ার বাসিন্দা ডা. জুলফিকার আহমদ জামীকে। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তার নাম হয় নন্দিতা আহমেদ। নন্দিতার ভাই বিজিত সিনহা সিলেট কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, তার বোনকে নিজ বাড়িতেই বন্দি করে রেখে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় তিনি মারা যেতে পারেন।
এ অভিযোগ পেয়ে গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিলেট কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ কেওয়াপাড়ার ওই বাসায় যায়। তারা পাহারাদার সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে ভাইদের হাতে তুলে দেয়। রাতে নন্দিতা জানান, ৫ বছর ধরে তাকে বাসায় তালাবদ্ধ করে রাখতেন ডা. জুলফিকার। তার ওপর চালানো হতো নির্যাতন। ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে রাখা হতো তাকে। তসলিমা নামের এক গৃহকর্মীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন তার স্বামী। ৭ বছর আগে ওই মেয়েটিকে বিয়ে করেন। ওই দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে ডা. জুলফিকার আহমেদ জামীর দুই সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ডা. জুলফিকার সিলেট হরিপুরের ফতেহপুর গ্রামে নিয়ে রেখেছেন বলে জানান ডা. নন্দিতা সিনহা। তিনি বলেন, তার ২০ বছরের ববি নামে এক ছেলে রয়েছে। আর মেয়ের বয়স ৭ বছর। ছেলে ববি নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের ২০ বছরের ছেলেকেও তার স্বামী মাদকাসক্ত আখ্যা দিয়ে নগরীর শাহজালাল উপশহরস্থ মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র 'প্রতিশ্রুতি'তে ভর্তি করে দেন। তবে তার ছেলে মাদকাসক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ধর্মান্তরিত হউয়া সব হিন্দু মেয়ের কপালে এমন ভাগ্যই লেখা থাকে ।বরং আরও খারাপ ও হতে পারে। অনেক মেয়েই আছে পরবর্তী তে যাদের স্থান হয়েছে পতিতা পল্লিতে।ধরমান্তরিত হিন্দু মেয়েরা বাবা মা কে কষ্ট দিয়ে সুখি হবে না একথা ১০০ ভাগ প্রমানিত। এ সকল উদাহরন দেখে কি মেয়েরা শিক্ষা নেবে।

নন্দিতার মতই অনেক মেয়েই আজকাল লাভ জিহাদের কবলে পড়ে এমন দুর্দশায় পড়ছে। বয়সন্ধিক্ষনের রঙ্গিন সময়ে মেয়েরা এই ফাঁদে পড়ে এবং সারা জীবন এই প্রতারণার কষ্ট বয়ে বেড়াতে হয়।একটা কথা মনে রাখতে হবে। লাভ জিহাদের পরে কে লাভবান হয়। অবশ্যই মুসলিম ছেলেরা। একটা মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে যে পুণ্য সে তার পরিবার আর আশেপাশের মানুষেরা পায় তাতেই তাদের স্বর্গ নিশ্চিত হয়ে যায়।একপাশে স্বর্গ লাভ অন্যপাশে সুন্দরী নারী; এমন সহজ আর লোভাতুর সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায়?অন্যদিকে মেয়ের কি লাভ হয়? তার পরিবার, বাবা মা স্বজন সবাইকে ছাড়তে হয়। কিছুদিন যেতে না যেতেই ঐ সব মেয়েদের রঙ্গিন চশমা নামতে শুরু করে। পরিবারে তার অবস্থান শুধু শয্যাসঙ্গিনী, রাঁধুনি আর সন্তান উৎপাদনের মেশিন। মানে থ্রি ইন ওয়ান।তাদের জন্য বলাই আছে মেয়েরা শস্যক্ষেত্রের মত বা যেখানে একাধিক স্ত্রী রাখা বৈধ,তার সাথে অসংখ্য যৌনদাসী বৈধ,যখন তখন তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায়। যে সমাজে মেয়েদের কে নুন্যতম সম্মান প্রদর্শন করা হয় না সেই নরকে তার বাস করতে হয়। অনেক মেয়ে মুখ বুজে সহ্য করে মেনে নেয় অনেকে মানতে না পেরে পালিয়ে আসে। পালিয়ে আসার পর যদি তার পিতামাতা তাকে আশ্রয় না দেয় তাহলে তাদের স্থান হয় আস্তাকুড়ে, পতিতালয়ে যেখানে সারা জীবন ছিরে ছিরে খায় তাদেরকে নরপশুরা।
লাভ জিহাদ প্রতিরোধ করবেন কি করেঃ

লাভ জ্বিহাদের কালো থাবায় পিষ্ট হচ্ছে মেয়েরা, কিন্তু এই দায় কি শুধু মেয়েদের একার?

মেয়েরা ধর্মান্তরিত হচ্ছে এই দায় শুধু মেয়েদের একার নয়। কেন নয়?

উত্তরঃ
১- ভাই হয়ে কি আমরা বোনের বন্ধু হতে পেরেছি?

২- বাবা, দাদা বা কাকারা কি বন্ধুর মত আচরণ করে আমাদের ঘড়ের মেয়েদের সাথে?

৩- মেয়েরা যদি সাপোর্ট পেত তবে এই সমস্যা মহামারী আকারে দেখা যেত না। ছেলেরা ফেইসবুক ব্যবহার করছে গন হারে, কিন্তু মেয়েরা কি পারছে ব্যবহার করতে? তাহলে তাঁরা সচেতন হবে কি করে?

৪- ছেলেরা বাইরে অবাধ বিচরণ করে বলে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে বন্ধু বা বড় ভাইদের সাথে কিন্তু মেয়েরা কি পারছে সেটা করতে? গৃহ বন্ধি হয়ে কি জ্ঞান অর্জন করা যায়?

৫- পারিবারিক ধর্ম শিক্ষার অভাব আছে এটাও কিন্তু মেয়েদের দোষ নয়, পরিবারের কর্তা নিধারণ করে দিলে পারিবারিক ধর্ম চর্চা সবাই করবে এটাই সাভাবিক। তাই এই দায় ও ছেলেদের।

৬- এখানে কিছু ব্যতিক্রম থাকে যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন বোধ করছি না। এই ব্যতিক্রমের মুল উপাদান হলো লোভ। এই ব্যতিক্রমের হার খুব বেশি নয়। এরা বিপথে যাবে বলে জন্ম নিয়েছে তাই তাঁদের কথা ভেবে লাভ নেয়।
৭-কোন মেয়ে লাভ জিহাদের পাল্লায় পড়লে সাথে সাথে তার বাবা মা আত্মীয় স্বজন কে জানান(দরকার হলে নিজের পরিচয় গোপন করে হলেও)
সর্বপরি এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সচেতনতা তৈরি করতে হবে হিন্দু মেয়েদের মাঝে।এ বিষয়ে জীবনের শুরুতেই (অর্থাৎ বয়সন্ধি কালের শুরুতেই,বাড়ি থেকে যখন বের হয়ে গেল অর্থাৎ স্কুল, কলেজ ভার্সিটির জন্য বাইরের সাথে যোগাযোগ হল) তখনই ভাই হিসেবে বঙ্কে,বাবা হিসেবে মেয়েকে,বন্ধু হিসেবে বন্ধুকে খোলাখুলি বলুন, আলোচনা করুণ।
সমস্যার উৎস গুলি কে চিহ্নিত করা হয়েছে ঠিক আছে, যে সব স্থানে আমরা মানে ছেলেরা সচেতন হলে মেয়েরা ঐ কালো থাবা থেকে বেঁচে যেত সেগুলিকে আগে ঠিক করে পরে অন্য কিছু ভাবা দরকার। প্রায় দেখি পোষ্ট এ ঢালাও ভাবে মেয়েদের দোষী করা হয়, হয়তো অনেক ক্ষেত্রে দোষ দেওয়া যুক্তি যুক্ত। ধরে নিলাম দোষ আছে মেয়েদের তবুও কি সব দোষ সব সময় সবার সামনে উল্লেখ করতে হবে? মেয়ে সম্প্রদায়কে যদি ঢালাও ভাবে দোষ দেওয়া হয় এটা হবে চরম অন্যায়।

এই লাভ জ্বিহাদ ঠেকাতে হলে মেয়েদের কি করতে হবে তার চাইতে ছেলেদের সচেতন হতে হবে বেশি করে। ছেলেদেরকে মেয়দের বন্ধু হতে হবে,ভাইকে বোনের বন্ধু হতে হবে, বোনকে জানাতে হবে, পিতা হয়ে নিজের মেয়েকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে, বোন কে তথ্য দিতে হবে, আপনি বোনদের সাথে শেয়ার করতে লজ্জা পেলে আপনার বোন জানবে কি করে এই বিষয়ে? 


[আরো বিস্তারিত

(সূত্র

Saturday, June 21, 2014

অনিরুদ্ধ জ্ঞান শিখা



উপরে যার ছবিটি দেখছেন তাঁর নাম ছিল মুহাম্মদ আনোয়ার শেইখ।তিনি একজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভুদ ব্রিটিশ লেখক।তিনি ওয়েলসের কার্ডিফে বসবাস করতেন।
১৯২৮ সালের ১লা জানুয়ারি আনোয়ার শেইখ পাঞ্জাবের এক ধর্মপ্রাণ এবং মৌলবাদী সুন্নি মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের সময়কার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে আনোয়ার এবং তাঁর পিতা একদিনে দুই জন শিখকে হত্যা করেন।পরবর্তীতে আনোয়ার আরও একজন শিখকে হত্যা করে।তার শৈশব এবং যৌবন এভাবেই জঙ্গিবাদী মুসলিম চরিত্রই প্রকটভাবে ফুটে ওঠে তার বাবা এবং পরিবারের কারনে।
কিন্তু যখন তিনি ২৫ বছর বয়স অতিক্রম করেন এই বিদ্বেষপূর্ণ মতবাদ ইসলাম সম্পর্কে তাঁর অনাস্থা জেগে ওঠে এবং মানসিক ভাবে অশান্তিতে ভুগতে থাকেন।তাঁর পূর্বের করা অপরাধ তাঁর ভিতর তীব্র অনুশচনা সৃষ্টি করে। জিহাদের নামে এভাবে মানুষ হত্যা তাঁকে ইসলাম নিয়ে ঘৃণার অনুভুতি জাগিয়ে তোলে এবং ইসলামের অসারতা সম্পর্কে বুঝতে শুরু করেন।তিনি জীবনের উদ্দ্যেশ্য এবং সত্য ধর্ম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এরই মাঝে তিনি যুক্তরাজ্যে অভিবাসী হিসেবে বসবাস শুরু করেন। তিনি ওয়েলসের একজন মহিলাকে বিয়ে করেন এবং সেখানে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।সাথে সাথে চলতে থাকে তাঁর সৎ অনুসন্ধান।এভাবে একক প্রচেষ্টায়, নিজের ইচ্ছায় তিনি সনাতন বৈদিক ধর্ম নিয়ে পড়তে শুরু করেন।এরপর চর্চা শুরু করেন এবং সেখানেই তিনি সত্য খুজে পান। তিনি বৈদিক ধর্ম গ্রহন করেন তাঁর নতুন নাম হয় অনিরুদ্ধ জ্ঞান শিখা।
কিন্তু হিন্দু ধর্ম গ্রহণ এবং ইসলামের অসারতা নিয়ে কথা বলা ও বই লেখার কারনে তাঁর নিজ জন্মস্থান পাকিস্তানে তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হয় এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া মাথায় নিয়ে ২৫ নভেম্বর, ২০০৬ সালে তিনি ওয়েলসে মৃত্যু বরন করেন।

• তাঁর বিখ্যাত বই 'The Clash of Fundamentalisms' to his views and the reaction they provoked’ যার মুখবন্ধ লেখেন আরেক পাকিস্তানি বিখ্যাত চলচিত্রকার ও লেখক তারিক আলী। তাঁর অন্যান্য বই গুলো হলঃ Vedic Civilization,Islam: The Arab National Movement,Islam: Sex and Violence,Islam and Human Rights ,This is Jihad,Islam: The Arab Imperialism ,Eternity,Faith and Deception,Taxation and Liberty

• তাঁর সম্পর্কিত উইকি লিঙ্ক
• তাঁর একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও দেখুন এখানে:






(কৃতজ্ঞতা - আর্য ক্ষত্রিয়)

Friday, June 20, 2014

শ্রী রাম চন্দ্র গল্প নয়, এক ঐতিহাসিক সত্য


মহর্ষী বাল্মীকি ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে নৈতিকতা এবং ন্যায় এর পথ অনুসরণ করতে পারে সেজন্য ঐতিহাসিক মহাকাব্য রামায়ণ লিখেন।
এতে তিনি রঘু বংশের শ্রেষ্ঠ প্রতীক শ্রী রামচন্দ্রের জীবনী এবং তার পূর্বপুরুষ দের পরিচয় তুলে ধরেন।
পরবর্তীতে মহাকবি কালিদাস রঘুবংশম লেখেন যাতে পুরো রঘু বংশের পরিক্রমা বর্ণিত ছিল, যারা শ্রীরাম এর পরে রাজত্ব করেছিলেন। এখন যুক্তি হল যদি রাম একটি পৌরাণিক চরিত্র ই হয়ে থাকে, তাহলে কিভাবে বাল্মীকি শ্রীরাম এর forefathers ইতিহাস প্রদান করলেন?আর কিভাবেই বা কালিদাস শ্রীরাম এর পরবর্তী প্রজন্মের অনুক্রম বললেন?

Thursday, June 19, 2014

এবার মাওলানা বললেন জাকির নায়েকের বয়ান না শোনার


জাকির নায়েক মুসলামানদের ধোকা দিচ্ছেন দাবি করে পিস টিভিতে তার বক্তৃতা না শোনার পরামর্শ দিয়েছেন মাওলানা মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোগড়া মধ্যপাড়া ঈদগাহ মাঠে শুক্রবার ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে বয়ানে মাওলানা যুক্তিবাদী এই পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, “জাকির নায়েক কোনো আলেম নন। ইসলাম ধর্মীয় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তার কোনো সার্টিফিকেটও নেই। তিনি পিস টিভির মাধ্যমে মুসলমানেদের নানাভাবে ধোঁকা দিচ্ছেন, বিভ্রান্ত করছেন।”
ভারতের মহারাষ্ট্রে জন্ম নেয়া জাকির নায়েক পিস টিভির কল্যাণে বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ। চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারী জাকির আবদুল করিম নায়েক ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে ইসলাম নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে আসছেন।
৪৭ বছর বয়সি জাকির নায়েক নিজের প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট। এই ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন পিস টিভিতে জাকির নায়েকের বক্তৃতা প্রচার করা হয়। ইসলাম নিয়ে তার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মাওলানা যুক্তিবাদী বলেন, জাকির নায়েক ঈদের নামাজ ও জামাত নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন।
“জাকির নায়েক ঈদের নামাজের ৫ বা ৭ তাকবিরের যে তথ্য প্রচার করছেন, তা কোনো গোত্র বা দলের হতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশের শতকরা ৯০ভাগ মুসলমানই হানাফি মাজহাবের। তারা বছর বছর ধরে ৬ তাকরিরের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।”
“জাকির নায়েক বলেছেন, ঈদের খুৎবা শোনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঈদের খুৎবা শোনা সুন্নত।”
জাকির নায়েক তার টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবসায়িক স্বার্থে বিভ্রান্তিকর মাসলা-মাসায়েল দিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেন মাওলানা যুক্তিবাদী।
যুক্তিবাদীর এই বয়ানের সময় সাবেক বাসন ইউপি’র চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন চৌধুরী, গাজীপুর সিটির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফয়সল আহমেদ সরকার, আতাউর রহমান, মমতাজ উদ্দিন ঈদের মাঠে ছিলেন। তারাসহ কয়েক হাজার মুসল্লি ওই ঈদ জামাতে শরিক হন। 


[বিস্তারিত]

(সূত্র

Wednesday, June 18, 2014

DO YOU BELIEVE IN CASTE?


A friend in Germany, Heidi Ryan, asked: "India still has the evil caste system. Do you believe in Caste, Uday?"
"Yes, Indian caste system is definitely evil in current form..."I agreed with her.
"But I saw few pics of you performing some funny rituals. Why do educated people like you follow ancient ridiculous evil caste system? Do you practice the inhuman untouchability too?"
"I follow my culture, tradition and rituals in special occasions of family...But those rituals are not ridiculous. We do not practice untouchabilty. And I am not aware of any caste system that was prevailing in ancient India..."
"You mean to say there was no caste system in ancient India?" she laughed! "I know Indian history too..."
"The Indian history books, curriculum and research papers were prepared by die-hard fans of invaders, missionaries and communists. Similar to today's market-media, they have successfully planted a false theory that caste system was prevailing in ancient India...But, our social system was not like that of your western way of dividing society..."
"How can you compare your barbaric system with modern scientific western system of division?" she got bit angry.
"You divided the society based on race and hate...Indian caste system, even in present rude form, pales when compare to South African apartheid and the feudal system that was in force in Europe. We never had a slavery system based on class or caste as you still can see in the Middle East..."
"But you also had caste system based on Aryan and Dravidian races..."
"You got it all wrong... For example, my community (I don't call it a caste) is Gawd Saraswat Brahmins (GSB) - There are blacks, whites and brownish people in our community - from all races. There is Uttar Chitpavana ethnic groups (Mongolic), Ratnagiri ethnic group (Indo-European race) or Aryan and Dravidian races. You can even find Chinese faces in our community. That shows Indian community (caste) system has nothing to do with race..."
"Hmmm...So I was misinformed..." she appeared confused..."But what about caste based violence in India?"
"There was not even a single violence related to caste or community in India till Muslim and British rule. In recent times, yes. But if you investigate, the real was not caste. It's not like the Nazi holocaust of 10 million and burning of innocent females in the name of race...."
"But there were wars between religions in India..."
"It was not war. It is one-sided attack and persecution by non-Indian origin religions...According to an estimate, more than 100 millions Hindus were persecuted by invaders starting from Mahmud Ghazni. It was not war - it was holocaust of the Hindus. Hindus never kill or fight for faith...India never had religious war like that when 50 million Africans killed in slave boats during 200+ years of slavery with Church justification of Africans having no soul or decimation of Native Americans...Europe and Middle East were raging Holy Cross War or Jihad against Infidels...But India never had such wars..."
"I know Hindus always stood for peace and universal love beyond religions. But all your scriptures have promoted caste system..."
"Please show me any Vedic scripture that promotes or even mention about caste. There was NO caste system in India. We had a “varna vyavastha” based on the karma (job) people do. Caste is not intrinsic to Hinduism. Jaati, Kula and Varna are cornerstones of the society that followed Sanatan Dharma (Hindus). When the Portuguese colonized parts of India, they mistakenly translated “varna vyavasthaa” as “caste system” and the mistake has stayed since then. So "Caste" is not an Indian term to describe the complex mix of factors that made up a part of the ancient social system in India. It is an inaccurate Portuguese term grouping and mixing the separate ideas of jati and varna, and the equally separate issue of ethnicity all into one. "
"Everybody knows India had a caste system, you are in denial mode, Uday"
" Till about 400-600 A.D. Guna (character) and Karma defined the Varna system in India. But, after the invasions by foreigners everything had changed. Europeans and Arabians came to India as invaders, conquerors, missionaries and for inquisition. They created untouchable lower class in the Hindu society too and distorted the varna-system and used it politically for their selfish purposes. For, in the West and Middle East, you had slavery system and treated so-called "lower class" people like animals."
"Hmmm...But I follow Christianity that doesn't believe in any caste system..."
"That makes me laugh...There are approximately 41,000 denominations in Christianity. This also can be called caste, if Varna = caste. And most of these denominations fight each other for increasing market share, converting each other... Such inter-caste conversion or fight for market share never ever happens among Hindu castes."
"Hmmm...So, Islam is the only religion that doesn't differentiate people based on caste..."
"No single day passes without report of violence between Shia and Sunni castes in Islam. There are many sects in Islam - Ahmadiyya, Shi'a, Sufism and Sunni. There are religious orientation within the sect (Isnashari, Ismaili, Ahmedi, etc.) and ethnic affiliation (e.g. Sindhi, Baloch, Punjabi, etc.). They don't even marry each other..."
"So, all people in the earth follow caste system..."
"Mahatma Gandhi said that varnashrama (caste system) is "inherent in human nature, and Hinduism has simply made a science of it. Thus unlike racism as well as culturalism elsewhere, India has 'merely' ethnicism. Swami Vivekananda says: Caste is the plan we want to follow. What caste really is, not one in a million understands..."
"So you support caste system..."
"Yes - but not in the current form. A caste system dominated by superstitions, wrong rituals and discrimination is not acceptable. Today, the entire society manipulated by greed and corruption. Hindu "varna" system was one of the greatest social institutions. I can perform one duty in social life, and you another; you can govern a country, and I can stitch a dress, but that is no reason why you are greater than I, for can you stitch my dress? Can I govern the country? The seers of the early Vedic period knew nothing of caste. The four-fold Varna (mistaken as caste) is merely a theoretical division of society to which tribes, clans and family groups are affiliated. It is a sociological fiction. The earliest available literature gives instances of Brahmins carrying on the professions of medicine, arms and administration..."
"But karma based caste system has later turned into birth right..." she said.
"Yes - even in democracy, you can see birth-based leaders. So the social deterioration is not confined to caste. It exists in every sphere of life - especially more in political ideologies than in castes. Can you find any single leader in Communist Marxist Party who does everyday physical labour, though its ideology was based on upliftment of working class and labourers? Indian National Congress that was founded upon the ideology of Swaraj, ended up as a closely held proprietary company that promotes Western domination in life style in India. The corruption and manipulation have crept in everywhere. So, why blame only on manipulated caste system? Blame it on manipulation and corruption in the society."
"So, birth-based caste system is totally wrong..."
"Again, I have a different view here. There are good and bad in birth based privilege too. A carpenter’s son starts the profession from the childhood. There is lot of common sense, special skills and wisdom that developed from the rich experience of generation. It imbibes in hid genes. So, a carpenter’s son can do a better carpentry work than me or you. There can be exceptions...."
"Why do you follow Brahminism, is it because you born to Brahmin parents or going by karma?"
"Brahmanism is an invitation to live a virtuous, humble and noble life in accordance with the nature. It is not a caste. A Brahmin follows path of non-violence, vegetarianism and prays for the happiness of entire universe (not just for believers or caste). For, a Brahmin sees the divine presence in everything - that's the gist of Brahmajnan. Every human being in this world should thrive to be a Brahmin. A person born to a Brahmin parents have more access to these concepts, sacred scriptures and Sanskrit, than born in other castes...But whether they follow such noble tradition is a different question."
"So we in the West have lot of misconceptions about Hindu caste system..."
"Hinduism believes in "Vasudhaiva Kutumbakam" (the world is one family). So how can we follow a rigid caste system? The caste system was never a tenet of the Sanatan Dharma faith." I told her.

(collected)

Sunday, June 15, 2014

লাভ জিহাদ


(কাল্পনিক নাম ব্যবহার করা হয়েছে, বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে লেখা, লাভ জিহাদীদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে হিন্দু মেয়ে পটানো)

Wednesday, June 11, 2014

মুখ্যমণ্ত্রীর ইচ্ছায় কলকাতায় নতুন কসাইখানা, দৈনিক কাটা হবে ১২৫০ গরু


ট্যাংরায় অবস্থিত কলকাতার বৃহত্তম কসাইখানার পরিবেশ তেমন ভাল নয়। রীতিমত অস্বাস্থ্যকর বলা চলে। মুখ্যমণ্ত্রী তাই চেয়েছিলেন এক আধুনিক কসাইখানা। মুখ্যমণ্ত্রীর ইচ্ছাকে বাস্তাবায়িত করতে কলকাতা পৌরসভা মাত্র দু’বছরের মধ্যে গড়ে তুলল এক আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক কসাইখানা। ১.৮ একর জমির উপর ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরসভা ট্যাংরাতেই গড়ে তুলেছে নতুন কসাইখানাটি। এখন শুধু মুখ্যমণ্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

ট্যাংরার বর্তমান কসাইখানায় কাটা হয় দৈনিক ৪৫০ গরু। আর নতুন কসাইখানায় কাটা হবে দৈনিক ১,২৫০ গরু। অর্থাৎ কলকাতা পৌরসভার উদ্যোগে এখন থেকে দৈনিক ১,৭০০ গোহত্যা হবে। তার মানে গোমাংসের চাহিদা কি হঠাৎ চার গুণ হয়ে গেল? পৌরসভার বক্তব্য যত্রতত্র কাটা পশুর মাংস খেয়ে অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তারা যাতে আধুনিক উপায়ে কাটা গোমাংস খেয়ে সুস্থ থাকতে পারেন সেদিকেই লক্ষ্য পৌরসভার।


এরপরেও ভারতীয় মুসলিমরা বলে তারা নাকি পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পায় না সংখ্যালঘু হিসেবে। আপনারাই বিচার করুন! 

(সূত্র)

Monday, June 09, 2014

জাকির নায়েক ও শ্রী রবিশঙ্কর এর বিতর্ক

আসল ঘটনার অন্তরালে:
বিভিন্ন সময় যখন হিন্দুদের পেইজসমূহে হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলো সম্পর্কে দেয়া জাকির নায়েকের মিথ্যা রেফারেন্সগুলো পরিস্কারভাবে খন্ডন করা হয় তখন নিরুপায় ও পরাজিত জাকির শিষ্যরা সেখানে এসে চিৎকার শুরু করে এবং কিছু খোঁড়া যুক্তি দেখায়। দেখে নেই তাদের সেসকল যুক্তিসমূহের সার্থকতা কতটুকু: