Showing posts with label হিন্দুধর্ম. Show all posts
Showing posts with label হিন্দুধর্ম. Show all posts

Saturday, May 31, 2014

বৃন্দাবনে সর্বোচ্চ উঁচু মন্দির


পৃথিবীর উচ্চতম মসজিদকে হারিয়ে সবচেয়ে উঁচু মন্দির নির্মানাধীন বৃন্দাবনে !
 

The world's tallest religious building/temple in Vrindavan, India.

Sunday, May 25, 2014

Debunking Dr. Zakir Naik - “THE DOCTOR OF HIS OWN INTERPRETATED MAD PHILOSOPHY”



This post is nothing but a “SLAP ON THE FACE OF RELIGIOUS ZEALOTS WHO GIVE FORCE TWISTED INTERPRETATIONS TO SUIT THEIR SELFISH PROPAGANDA”

Below are some verses which are repeatedly used by many fanatics(under the guidance of fools like Zakir Naik) to prove that Hindus are following wrong path, which is not as per Veda, but to my surprise they failed to quote the VERSES FULLY and taking partial hymns in Vedas they want to prove that the entire faith is fake.

As Hindus are less versed in their scriptures they are easy prey to these faiths. As a Hindu it is our duty to defend our faith by knowing our scriptures & answer these fanatics.
Because - “DHARMO RAKSHATI RAKSHITAH” - In the protection of Dharma is our protection.

So my dear brothers & sisters I hereby request you to pls spread this article in all possible ways

Starting with his definition of term “HINDU”.

Zakir Naik:- ‘Hindu’ is actually a Persian word that stands for the inhabitants of the region beyond the Indus Valley & nowhere in the Hindu scriptures there is mention of word “Hindu”

The Truth: The word Hindu is derived from the Sanskrit word Sindhu, first mentioned in the Rig Veda, was the historic local appellation for the Indus River in the northwestern part of the Indian subcontinent.

Saturday, April 12, 2014

একজন সনাতন ধর্মাবলম্বীর দৈনিক কার্যাবলী

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে পূর্বমুখী হয়ে মাটি স্পর্শ করে বলুন: ওঁ প্রিয়দত্তায়ৈ ভূম্যৈ নম:
২.ঘরের দরজা খুলে পূর্বমুখী হয়ে সূর্য প্রণাম মন্ত্র: ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ
৩. স্নান করার সময় বলুন: ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেহস্মিন সন্নিধিং কুরু পরে কৃতাঞ্জলি হয়ে:
ওঁ কুরুক্ষেত্র গয় গঙ্গা প্রভাস পুষ্করিণী চ।

তীর্থান্যেতানি পুণ্যানি স্নানকালে ভবন্ত্বিহ।
৪. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র: ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নমঃ
৫. খাবার আগে: ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নমঃ
৬. ঘুমাবার আগে: ওঁ শ্রী পদ্মনাভায় নমঃ
৭. বিপদে: ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নমঃ
৮.মলমূত্র ত্যাগের আগে: আজ্ঞা কুরু বসুন্ধরা
৯. মৃত্যু সংবাদ শুনলে: দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু
১০. জন্ম সংবাদ শুনলে: আয়ুষ্মান ভব
সনাতন ধর্মাবলম্বীকে তাঁর সকল কাজ শুরুর আগে ''ওঁ তৎ সৎ'' উচ্চারণ করে শুরু করা উচিত। আর আপনারা চাইলে ''হরে কৃষ্ণ'' বলে কিংবা নিজ ইষ্টদেবতার নাম স্মরণ করে ও এই কাজগুলো করতে পারেন।


(সংগ্রহণকারী - সদেব ভৌমিক) 

(সূত্র)

Saturday, March 29, 2014

হিন্দুরা নাপাক, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না

আমি চট্টগ্রামের একটি মসজিদে নিয়মিত জুমার নামাজ পড়তাম। কিন্তু গত ৩ জানুয়ারী থেকে আর পড়ি না। এর মূল কারণ ঐ মসজিদের ইমাম সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এখন মূল ঘটনাই আসি।
“গত ৩ জানুয়ারি প্রতি শুক্রবারের মত আমি ঐ মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে গেলাম। মোল্লা তার বয়ান শুরু করলেন। প্রথমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা দিলেন। তার সব রাগ গিয়ে পড়ল শেখ হাসিনার উপর কারণ তিনি একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও আরেকজন নারী আইনজীবীর নিরাপত্তা দিতে পারেন নাই। এরপর তিনি নারীর আধিকার এবং ইসলাম ধর্মে নারীর সম্পত্তির হক নিয়ে কথা বললেন। তারপর হিন্দু আর মুসলিমদের বিয়ের রীতি নিয়া বিভিন্ন কথা বললেন। মুসলিমদের বিয়ের বিভিন্ন বিষয় এবং দেনমোহর নিয়ে কিছু হাদিসের কথা উল্লেখ করলেন যা ছিল খুব যৌক্তিক। শেষের দিকে তিনি এমন কিছু বললেন যা আমার কানে বোমার শব্দের মত শোনালো। তিনি প্রতিবেশী ভারত এবং হিন্দুদের নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। তিনি বললেন   “হিন্দুরা নাপাক, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না”।
অথচ ঐ মসজিদের আশেপাশে অনেক হিন্দুদের জমি এবং কিছু দোকানপাট রয়েছে যা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয়। তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখলে আমাদের বিপদে পড়তে হবে। আমার কোন ক্ষমতা নাই ঐ মোল্লার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার।
তবে আমি ঐ দিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতদিন ঐ মোল্লা  নামাজ পড়াবে ততদিন ঐ মসজিদে নামাজ পড়বো না। আর আমাদের ধর্মেও রয়েছে যারা ইসলামের ভুল বর্ণনা করবে তাদের পিছনে নামাজ পড়া অনুচিত।
(লেখক - ডার্ক ম্যান

Friday, February 28, 2014

মহাদেবের ১০৮ নাম (কাব্যরীতি)

মহাদেবের ১০৮ নাম (সুমেরু পর্বতে মহাকাল শিব দেবী পার্বতী কে নিয়ে ভ্রমণে গেছিলেন । সেখানে তিনি নারদ মুনি ও অনান্য ঋষি মুনি দের কাছে নিজের ১০৮ নাম বর্ণিত করেন)

Sunday, February 09, 2014

ভগবান শিবের বিচরণ ভূমিসমূহ



দেবাদিদেব যেই আটষট্টি স্থানে যে রুপে সাক্ষাৎ দেন তা বর্ণনা করা হইল:

Tuesday, February 04, 2014

Wednesday, October 09, 2013

Laha Bari history

The Laha family of Bidhan Sarani came to Kolkata from Burdwan around 250 years ago.

It is said that the Laha Bari Durga Puja, one of the famous Pujas of Kolkata started some 170 years ago.

Monday, August 12, 2013

সনাতন ধর্ম কি শুধু ভারতবর্ষেই সীমাবদ্ধ?

নাস্তিকদের একটি অতি সস্তা অপপ্রচার হল সনাতন ধর্ম নাকি আঞ্চলিক, ভারতবর্ষেই সীমাবদ্ধ। আজকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব সনাতন ধর্মের বেশ কিছু হারিয়ে যাওয়া সুত্র- যা এতদিন লোক চক্ষুর অন্তরালে ই ছিল- কিন্তু অনুসন্ধিৎসু মানুষ ধীরে ধীরে উন্মোচন করছে সেই সুত্র গুলো। আসুন দেখে নেই ধীরে ধীরে। প্রথম ছবির এই শিবলিঙ্গটি ভ্যাটিকান সিটির এট্রুস্কান যাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা মতে 'এট্রুরিয়া' এবং 'এট্রুস্কান' হল খ্রীষ্টপূর্ব ২য় থেকে ৮ম শতক এর সময়।উত্তর ইটালিকে একসময় এট্রুশিয়া বলে ডাকা হত। ভ্যাটিকানের প্রাসাদের দেয়াল খুড়ে এই শিবলিন্গ পাওয়া গেছে । মূলত ভ্যাটিকান শব্দটা এসেছে সংস্কৃত ভাটিকা থেকে বা আশ্রম ভাটিকা থেকে।তাই এটা হয়তোবা বলা যায় যে খ্রীষ্টান ধর্মের তীর্থ হবার আগে এই ভ্যাটিকানেই এক সময় হয়ত হিন্দু ধর্ম ছিলো প্রধান ধর্ম। দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যাচ্ছে রাম -লক্ষন আর সীতা হেটে বনবাসে যাচ্ছেন-যা রামায়নের একটি ঘটনা-কিন্তু এই ছবিটা পাওয়া গেছে ইটালির প্রাচীন আর্কিওলজিকাল খোঁড়াখুড়ির সময়।ইতালিয়ান আর্কিওলজিষ্টরা এই ছবি দেখেই ধারনা করেন একসময় ইউরোপের অনেক গুলো দেশে হিন্দু তথা সনাতন ধর্ম প্রচলিত ছিলো। তৃতীয় ছবিতে একজন অষ্ট্রেলিয়ান বুশম্যানের ছবি এটা-যাতে দেখা যায় এই বুশম্যানের কপালে তিলক আঁকা-এটা একসময় হিন্দুধর্মের পালনের ইঙ্গিত ই বহন করে। চতুর্থ ছবিতে "আ্য পেস্টোরাল সিন" নামে এই মোজাইকে আঁকা ছবিতে দেখা যায় একটি মানুষ বাঁশি বাজাচ্ছে সাথে কিছু গাভী চড়ে বেড়াচ্ছে মাঠে। মোজাইক টি পাওয়া যায় গ্রিসের এথেন্সের ৬০কিমি দুরে কোন এক খনন কাজের সময়। এটি প্রার ১৮০০ বছরের পুরোনো-এবং নিঃসন্দেহে এটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শিশু সময়কার একটি চিত্রপট।এটা প্রাপ্তির স্থান থেকে এটা বলা যায় যে প্রাচীন গ্রীসে এক সময় হিন্দু ধর্ম প্রচলিত ছিলো-ধীরে ধীরে যা বিকৃত হয়ে এখনকার বিলুপ্তপ্রায় অবস্থায় এসে পৌছেছে। পঞ্চম ছবিতে একজন রোমান কনসুলেট ধুতি পড়ে আছেন।উনার হাতে ও কপালে তিলক আঁকা আছে-যা প্রমান করে রোমান দের মাঝেও হিন্দুত্বের প্রচলন ছিলো সারা ইউরোপে। ছবিটা প্রাচীন রোমান কন্সিউলেট পম্পেই এর-এতে দেখা যায় উনি যে পোশাক টা পরে আছেন তা অনেকটা আজকের হিন্দুদের এক পাড়ের ধুতির প্রাচীন সংস্করন। উনার কপালে তিলক কাটা আছে -সেটা এখন ও বৈষ্ণবরা হাতে ও মাথায় পরিধান করে। সেকালে রোমান দের মাঝে নামের শেষে "দেব" লাগানোর একটা প্রথা ছিলো যা এখন ও সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবার গুলোতে ব্যাবহৃত হয়।তাই বলা যায় এক সময় রোমানদের মাঝে হিন্দু তথা সনাতন ধর্ম প্রচলিত ছিলো-যা আজ বিলুপ্তপ্রায় শেষ ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রাচীন ঈজিপ্টের একজন রাজা যিনি হাতে বুকে ও মাথায় তিলক এঁকে বসে আছেন সিংহাসনে-হাতে একটা পাত্র। হিন্দু ধর্ম-আর্য মতবাদ এবং বৈদিক সংস্কার যে পুরো পৃথিবীতে ছড়ি্যে ছিলো এটা তার ই প্রমান। যেহেতু এখন আমরা দেখি যে হিন্দু ধর্ম মতালম্বীদের অনেকে তিলক ধারণ করেন। ছবিগুলো ডাউনলোড করে নিন। প্রত্যেকটি ছবির নিচে এগুলোর সম্পর্কিত তথ্য দেয়া আছে:


(সূত্র)

Tuesday, July 30, 2013

Tonoscope-এ ওঁ


একুশ শতকের উদ্ভাবন টোনোস্কোপ (Tonoscope) এ তৈরী হল হাজার বছরের পুরনো বৈদিক সংকেত "ওঁ"!!!

ছবিটি দেখে চিনতে পারছেন তো? একটি বৃত্তের ভেতর কয়েকটি ক্রিসেনট্রিক আকারের গঠন সম্বলিত রেখাসমষ্টি হিন্দুধর্মে যন্ত্র মন্ডল বা শ্রীচক্র নামে খ্যত। এ চিহ্নটি সকলের কাছেই পবিত্র বলে গৃহীত। বৈষ্ণবরা একে শ্রীগোবিন্দের বৈকুন্ঠের আকৃতি হিসেবেও বিশ্বাস করে!

কিন্তু আসলে কি তাই?

সুইস বিজ্ঞানী Dr. Hans Jenny, যিনি আকার গঠন বিদ্যা (Cymatics) জগতের একজন পথিকৃত হিসেবে স্বীকৃত, তিনি আজীবন শব্দসমূহের প্রতিচ্ছবি নিয়ে গবেষনা করেছেন। তিনি টোনোস্কোপ (Tonoscope) নামক এক যন্ত্র আবিস্কার করেন যার মধ্য দিয়ে শব্দ প্রবেশ করালে তার একটি ছবি তৈরী হয়।

তিনি টোনোস্কোপ এর ভেতর দিয়ে শুদ্ধ উচ্চারন এ ওঁ ধ্বনি প্রবেশ করান এবং যে ছবিটি পান তা হল যন্ত্র মন্ডল বা শ্রীচক্র এর ছবি!

অলৌকিক ক্ষমতাবলেই বৈদিক ঋষিগন ওঁ ধ্বনির প্রতিচ্ছবি আঁকতে সক্ষম হয়েছিলেন যা আধুনিক বিজ্ঞানের কৃপায় আমরা আজ জানতে সক্ষম হয়েছি।

ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি

(By-Niloy Arya)

Monday, July 15, 2013

সনাতন হিন্দুধর্মের উৎপত্তি


হিন্দুধর্ম প্রায় ২০,০০,০০০ বৎসর প্রাচীন একটি ধর্ম। তিন প্রধান দৈবপুরুষ, পৃথিবীতে ঈশ্বরের বাণীর প্রবক্তা ছিলেন। এরা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর। ব্রহ্মার জন্ম মধ্যভারতে, বিষ্ণু (যাঁর অপর নাম নারায়ন বা ভগবান বেঙ্কটেশ্বর বা ভগবান বালাজী) ছিলেন দক্ষিণ ভারতের অধিবাসী এবং মহেশ্বর (যাঁর অপন নাম শিব/রুদ্র/শংকর) কাশ্মীর অর্থাৎ উত্তর ভারত থেকে এসেছিলেন।
এই ত্রয়ীর দৈব-প্রবচন এত শক্তিশালী এবং তাঁদের দান এত বিশাল যে তাঁদের ঐশ্বরিক বাণীসমূহ সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অন্যান্য বহু দেশকেও প্রভাবিত করেছিল। সেই প্রাচীন যুগেও যখন যে-কোনও প্রকারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল অতি অনুন্নত, তাঁদের ঐশ্বরিক ঘোষণা দিকে দিকে বিস্তৃত হয়ে সনাতন ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠালাভ করে।

এই তিন ঈশ্বর পুরুষ আদি দেবতা নামে হাজার হাজার বছর ধরে শ্রদ্ধা পেয়ে আসছেন। এরাই এই সনাতন ধর্মের প্রবর্তক। পরবর্তীকালে এই ধর্মের নাম হয় হিন্দুধর্ম। এই তিন আদি দেবতার মাধ্যমে বেদ প্রকাশ হয়।
হিন্দুধর্মে কোনও একটি গ্রন্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় এবং কোনও একটি মানুষকে এর প্রবর্তক বলে গণ্য করা হয় না। হিন্দুরা বেদকে বলেন অপৌরুষেয়ম্। পুরুষ অর্থাৎ মানুষের রচিত নয়, বেদ ঈশ্বরপ্রেরিত মনুষ্য জীবনযাপনের মূলমন্ত্র।
সিন্ধু নদেও পূর্ব তীরের সভ্যতাকে মধ্য এশিয়ার আক্রমনকারীরা হিন্দু বলত। তারা 'স-' এর উচ্চারণ করত 'হ' এবং সিন্ধু নদের পূর্ব তীরের অধিবাসীদের তারা বলত 'হিন্দু'।
প্রকৃতপক্ষে হিন্দুধর্মের আদি নাম ছিল সনাতন ধর্ম এবং তার প্রধান দর্শন বৈদিক ধর্ম অর্থাৎ বেদ প্রদত্ত ধর্ম। আক্রমণকারী এবং শাসক হিসাবে যারা ভারতে আসে তারা কালক্রমে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে মিশে যায় এবং হিন্দু দর্শনের মূলতত্ত্বসমূহ গ্রহণ করে। তাদের বিদেশী পরিচয় লুপ্ত হয়ে যায়।
হিন্দুদের আরাধ্য দেবতার নাম ঈশ্বর। ঈশ্বর এক পরম পুরুষ, সর্বব্যাপী, অনাদি-অনন্ত। তিনি নিরাকার, বর্ণহীন। তিনি সৃষ্টিকর্তা, সকল কারণের আদি কারণ। তিনি সর্বশক্তিমান, তাই তাঁর ইচ্ছাপালনের জন্য কোন অধীনস্থ সহায়কের প্রয়োজন নেই।
ঈশ্বর তাঁর মহত্ত্বের প্রতিফলন স্বরূপ দৈবপুরুষ অথবা দেবতাদের পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মানুষ রূপে প্রেরণ করেন। এঁদের কোনও কোনও ভারতীয় ভাষায় দেবতা বলা হয়।
ভক্তেরা ঈশ্বরের উপসনা করেন এবং মন্দিরে দেবতাদের জীবন, কীর্তি ও উপদেশাদি স্মরণ করে উৎসব পালন করেন। দেবতা অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ। তবে তাঁরা কীভাবে প্রকাশিত হবেন সেটা নির্ভর করে দেশ-কাল ও সামাজিক পটভূমিকার ওপর।
সাধারণ মানুষেরা মন্দিরে দেবতাদের মূর্তির কাছে যান। মূর্তি শুধুমাত্র ভক্তের পূজার পাত্র নয়, ঈশ্বরের ধ্যানের জন্য মূর্তি অখন্ড মনঃসংযোগের কেন্দ্রে পরিণত হন।
যিনি বেদ অধ্যয়ন করেছেন এবং অন্তরে তাকে সত্যরূপে উপলব্দি করেছেন, অর্থাঃ ধর্ম-দর্শনের গূঢ় তাৎপর্য যিনি অবগত হয়েছেন, মূর্তিপূজা তাঁর কাছে অনাবশ্যক। যিনি ঈশ্বরের প্রকৃত তত্ত্ব জ্ঞাত হয়েছেন।
মনে রাখতে হবে একমাত্র ঈশ্বরের উপাস্য। ঈশ্বর সর্বত্র বিরাজমান, সর্বশক্তিমান এবং পৃথিবী ও সৌরলোকের সীমার অতীত। তাঁর অস্তিত্বের উপর বিশ্বাস করে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের সকল মানুষ আসেন পূজার্চনা নিয়ে। যে নামেই পূজা হোক বা যে ভাবেই অর্চনা করা হোক, ঈশ্বর তা গ্রহণ করেন।
সনাতন ধর্মের ইতিহাসের আদিপর্বে হিন্দুরা একেশ্ববাদী ছিলেন, এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন। তাঁরা মূর্তিপূজা শেখেন হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারের চাকচিক্যময় নাগরিক সভ্যতা থেকে। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পার অধিবাসীরা সূর্যদেবতার, ভগবান শিবলিঙ্গের, মাতৃমূর্তির এবং কয়েকটি পশুপ্রতীকের পূজা করতেন।
মূর্তিপূজা মেসোপটেমিয় (মিশর) এবং সুমেরুরীয় (পারস্য) সভ্যতার প্রভাবের ফল। সে যুগে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে 'কিউনিফর্ম' লিপি ব্যবহার করা হত। কিউনিফর্মে অনেক মূর্তি চিহ্ন ব্যবহার হত। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর সভ্যতার চরম উন্নতি ঘটৈছিল খ্রীষ্টপূর্ব ১৪৭৫ এর পূর্বে। হিন্দু পূরাণের বর্ণনা অনুযায়ী ১৪৭৫ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে সমূদ্রতলে এক প্রচন্ড ভূমিকম্প হয়। তার ফলে বিপুল জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়, যার দ্বারা সিন্ধুর তটভাগ প্লাবিত হয়। হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো প্রভৃতি স্থান কর্দমে আবৃত হয়।প্রায় নিমেষের মধ্যে মানুষ, জীবজন্তু, বৃক্ষলতাদি বিনষ্ট হয়ে যায় এবং জল অপসৃত হওয়ার পরে এই সব সভ্যতা কর্দমের স্থূল আস্তরণের নিচে সমাধিস্থ হয়ে যায়।
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারের নাগরিক সভ্যতায় গৃহ ও আসবাবপত্র নির্মাণের জন্যে প্রচুর কাঠের ব্যবহার হত। তার ফলে অরণ্যগুলি প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। অরণ্যের ধ্বংস প্রকৃতির অভিশাপ স্বরূপ হয়ে, হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর বিলোপ ত্বরান্বিত করেছিল।
মূর্তিপূজা প্রকৃতপক্ষে দেবতার পূজা অর্থাৎ বীরপূজা। দেবতারা প্রকৃতপক্ষে মানুষ এবং সেই কারণে, এক অঞ্চলের দেবতা কখনও কখনও অন্য অঞ্চলে পূজিত হন না। তবে, যেভাবেই হোক এবং যে নামেই হোক, যে মাধ্যমেই শ্রদ্ধা নিবেদিত হোক, ঈশ্বর সে পূজা গ্রহণ করেন।
বেদের যুগে বর্ণভেদ ব্যবস্থা,শিশু বিবাহ কিংবা সতীদাহ প্রচলন ছিল না, যদিও শ্রমবিভাগ প্রচলিত ছিল। একই পরিবারের অর্ন্তভূক্ত বিভিন্ন সদস্য কেউ গুরু, কেউ শিক্ষক, কেউ যোদ্ধা অথবা কেউ কারিগর বৃত্তি অবলম্বন করতে পারতেন। বিভিন্ন বৃত্তির এবং পেশার মানুষেরা মধ্যে বিবাহ এবং এক বৃত্তি থেকে আরেক বৃত্তিতে প্রবেশ সাধারণ ঘটনা ছিল।
নারীও পুরুষের সঙ্গে সমানভাবে বেদচর্চা করতেন। অপালা, ঘোষা, বিশ্ববরা, লোপমুদ্রা, বিশাখা প্রভৃতি নারীরা বৈদিকযুগের আদি পর্বে বৈদিক শাস্ত্রে বিদূষী হিসাবে খ্যাতিলাভ করেছিলেন। বিবাহের ক্ষেত্রে নারীর স্বামী নির্বাচনের এবং মতামত প্রকাশের অধিকার ছিল। শস্ত্র বিদ্যাতেও নারীরা পারদর্শীতা লাভ করতেন, যুদ্ধেও যোগদান করতেন। উদাহরণস্বরূপ, বৈদিক কালের এক যুদ্ধে একজন খ্যাতনাম্নী নারী সেনাপ্রধান ছিলেন মুদ্গলনি। নারীরা জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাঁদের স্বামীর সঙ্গিনী হতেন।
মূলতঃ হিন্দুরা একেশ্বরবাদী এবং এক সর্বশক্তিমান ঈশ্বরে বিশ্বাসী। দক্ষিণ ভারতে ঈশ্বর দেবতে/ দেবাড়ু/ঈশ্বরণ/কাডাভু/ইরাইবন, এইসব নামেও অভিহিত। দেবতাদের অলৌকিক ক্ষমতাবিশিষ্ট মানবকুলকে বীর ও বীরাঙ্গণ হিসাবে শ্রদ্ধা করা হয় এবং হিন্দু বিশ্বাস করেন যে তাঁরা ঈশ্বরপ্রদত্ত বিশিষ্ট কোনও কোনও গুণের অধিকারী।



(লেখক: পলাশ নাথ)

Wednesday, May 15, 2013

জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য: ককটেলের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা


জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য থেকে রেহাই পাননি হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা প্রীতি চৌধুরীও। প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার পথে শিবির ক্যাডারদের ছুঁড়া ককটেলে ক্ষত-বিক্ষত দেহ নিয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার হরতাল চলাকালে আমানবাজার এলাকায় জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা যাত্রীবাহী রাইডার গাড়িতে ককটেল ছুঁড়ে মারে। এতে এসময় গাড়িতে থাকা প্রীতি চৌধুরী গুরুতর আহত হন। তিনি নগরী থেকে তার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এ হামলার শিকার হন।
প্রীতি চৌধুরী চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার আমানবাজার এলাকার ছিপাতলী বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।


(সূত্র

Tuesday, May 14, 2013

নিউটনের গতির সূত্র সনাতন ধর্মের বেদে



ইউরোপিয়ান বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৬৬ সালে গতি সুত্র আবিষ্কার করেন । কিন্তু আমাদের সনাতন ধর্মের বেদজ্ঞ ঋষি , তথা বিখ্যাত দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক তাঁর বই "শেশিক"-এ লিখে গেছেন । বিশেষিকা হল প্রাচীন ভারতবর্ষর একটা হিন্দু স্কুল যেখানে বেদ থেকে শিক্ষা দান করা হত ।

তিনি লিখেছেন -

১। বেগ: নিমিত্তবিশেষাৎ কর্মণো জায়তে ।

মানে: একমাত্র বল প্রয়োগ করেই বেগের পরিবর্তন করা যায় ।


২। বেগ: নিমিত্তপেক্ষাৎ কর্মণো জায়তে নিয়তদিক ক্রিয়াপ্রবন্ধহেতু ।

বেগের পরিবর্তন প্রয়োগ করা বলের পরিবর্তনের সাথে সমানুপাতিক । এবং বল প্রয়োগ হয় যে দিকে বেগের পরিবর্তনও হয় সে দিকে ।


৩। বেগ: সংযোগবিশেষবিরোধী ।

ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া সমান কিন্তু বিপরীত ।

(সূত্র: মিমি আর্য)

Saturday, May 11, 2013

এতে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হবে না

এই ছবির ক্যাপশনে যা লেখা ছিলো:
নবীজী বলেছেন-ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।
কথাটা নিজ ধর্ম ও অন্যের ধর্ম উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ভাবতেই খারাপ লাগছে একজন মুসলিম এমন কাজ করতে পারে, "Muslim Brotherhood" শব্দটা উচ্চারণ করতেই এখন থেকে দ্বিধা বোধ হবে...এমন কাজ আমার ভাই করতে পারে না।

মুসলিম ভাইদের বলছি-দেখুন এটাই জামাত-শিবির-হেফাজতের আসল রুপ...তারা কতটা নিচু মনের মানুষ। একবার ভেবে দেখুন কোন হিন্দু যদি নবীজীকে নিয়ে কটুক্তি করতো,তার কোন কাল্পনিক ছবি একে কোন প্রোপাগান্ডা ছড়াতো,আপনি কি করতেন?? নিশ্চয় তাকে খুন করে ফেলতে চাইতেন,সেটাই স্বাভাবিক...নিজের ধর্মের অপমান কেউি সহ্য করতে পারেনা। এখন এই ছবি দেখে কোন হিন্দু যদি কিছু বলে আপনার উত্তর কি হবে?? কেউ যদি এটার প্রতিশোধ নিতে যায় তবে কি হবে???একবার ভেবে দেখুন তারা আমাদের ধর্মকে কিভাবে অন্যের চোখে ছোট করছে?! নবিজীকে নিয়ে বাজে ভিডিও বের হলে আমরা সবাই প্রতিবাদ করছিলাম,কিন্তু এর প্রতিবাদে কি আমরা শামিল হবো না?এটা কি আমাদের ধর্মের অপমান নয়???আর আপনি যদি আই ছবি দেখে মনে মনে বলেন "ভালোই হইছে/ঠিক আছে" তবে আপনি মুসলিম না। সময় এসেছে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর,মুসলিম রুপী এই ভন্ডদের হাত থেকে আমাদের ধর্মকে বাচাতেই হবে।

হিন্দু ভাইদের বলছি-প্রথমেই ক্ষমা করবেন এমন পোস্টের জন্য,আপনরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাতে পারেন,কিন্তু এতে কি লাভ হবে জানিনা,হয়তো সরকার উলটো আপনাকেই ধরবে...কিছুই করতে পারবেন না।আমরা দূর থেকে অনেক সান্তনা দিবো,অনেক কথা বল্বো,হয়তো কেউ কেউ প্রতিবাদও করবো কিন্তু কোন কাজ হবেনা এতে...কোনো ধার্মিক এমন কাজ করতে পারে না,দাঙ্গা বাধাতেই তাদের এই প্রচার,তারা চায় আপনারা ক্রুদ্ধ হয়ে কিছু করুন,তারপর তারা আবার আপনাদের উপর জুলুম চালানোর একটা ইস্যু পাক।

যারা এটা করছিস তাদের কিছু বলার নেই...তোদের জন্ম ডাস্টবিনে,তোদের মৃত্যুও সেখানে হবে,মরার পর তোদের স্থানও সেখানে হবে।

পুর্বে এমন অনেক ঘটনা দেখেছি,সামান্য কথা কাটাকাটিতেও গেঞ্জাম বেধে একে অন্যের বিরুদ্ধে পেজ/আইডি খুলে বাজে প্রচার চালাইছে। দয়া করে এসব থেকে বিরত থাকুন।অনেকে এসব পোস্ট দেখলেই ভারতের কথা টানেন,বলেন ভারতে ওরা আমাদের ধর্মকে গালি দেয় তাই আমরাও দিছি। আমি বলি-ভাই ভারত নিয়ে কেনো এতো মাথা ব্যাথা??নিজের দেশ নিয়ে ভাবুন,ওরা কুত্তা হলে আমরাও হবো??যে দেশগুলাতে ধর্মের টানাহিচড়া নেই সেগুলোর কথা তো কখনো বলেন না...আগে নিজে ভালো হন,তারপর অন্যের কথা ভাবুন।

আল্লাহ্‌ এদের ক্ষমা করো,এদের তুমি সঠিক পথ দেখাও।
এখন এ নিয়ে আমি নিজে একজন হিন্দু হয়ে কী আর বলব! শুধু এটুকুই জানি যে, যত কুরুচিপূর্ণ, কটাক্ষপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর, অশ্লীল ছবি, ভিডিওই হোক না কেন, তা যদি হিন্দুধর্মকে নিয়ে করে কমপক্ষে বাংলাদেশে এর জন্য কোনো প্রতিবাদ হবে না। প্রতিবাদ এই অর্থে বোঝাচ্ছি যে, আজ কোনো হিন্দুরা দল-বল, লাঠি-সাটা নিয়ে মুসলিমদের ঘর-বাড়ি জ্বালানো, পোড়ানো, ভাঙচুর করবে না। কোনো হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচী কেউ ঘোষণা করবে না। সেটা হিন্দু কোনো সংগঠন হোক, কিংবা হিন্দুদের পার্টি বলে আখ্যা দেয়া আওয়ামী লীগও করবে না। উল্টো হিন্দু ভোট পেতে বিএনপি বা জাতীয় পার্টিও কিছু করবে না। 

প্রশ্ন হলো, এমনটি তো করছে আমাদের চারপাশের লোকজনরাই। কই সচেতন মুসলিম হিসেবে, পরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক'জন মুসলিম এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামছে? ধর্মীয় অনুভূতি জিনিসটা কি শুধু বিশ্বে মুসলিমদেরই আছে? কিংবা খ্রীষ্টানদের? আজ নবীজীকে নিয়ে কার্টুন প্রচারের ফলে বাংলাদেশে ফেইসবুক, ইউটিউব বন্ধ করে দিতে পারে। অথচ এসব ছবির কারণে তো কখনো ফেইসবুক বন্ধ হয় না। এসব ছবি তো শুধু এই একটা না, আরো নানান ফেইসবুক পেইজ, গ্রুপে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু সেগুলোর জন্য কি কোনো জাতি-ধর্ম-বর্ণের কোনো দিক দিয়েও আঘাত লাগে না? নাকি তারা ধরেই নিয়েছে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি বলে কিছু নেই?

নবীজী তো একজন মানুষ ছিলেন। আর এখানে যাকে রূপায়ন করা হয়েছে তিনি তো একজন দেবী যার স্থাণ কোনো ধর্মীয় গুরু, যাজক, পন্ডিত বা ধর্মপ্রবক্তার চেয়ে বড়। তাহলে সেই স্থাণের কাউকে নিয়ে কটুক্তি বা এমন ছবি তৈরি করে ফেইসবুকে প্রচার সেটাতে বুঝি কারো কিছু লাগে না? 

আমি ধন্যবাদ দিতে চাই Voice of 71 - ৭১ এর কন্ঠ পেইজের সমন্বয়ককে। তিনি বা তারা কমপক্ষে বিষয়টি প্রচার করে মানুষের চিন্তা-চেতনা যে কতটা নীচ, কুৎসিত হতে পারে তার উদাহরণ স্বরূপ এটি প্রকাশ করেছেন। তারা বোঝাতে চেয়েছেন জামায়াত-এ-ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের মতো গ্রুপ কতখানি হীনমস্তিষ্কধারী হলে এমন ছবি প্রকাশ করে। আসলে এদের মতো সমন্বয়করা আছেন বলেই হয়ত ৯০ শতাংশেরও বেশী মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে হিন্দুরা কোনো মতে টিকে আছে।

Monday, May 06, 2013

Investigation of late Ruma Rani Das case by BDMW


Ms. Ruma Rani Das (15) was a student of standard six. Her father’s name is Purno Robi Das (45) and Mother’s name is Maloti Rani Das. She was the first daughter of her parents. They used to live in the village of Danga Bazar, Police Station- Polashpur, District- Norshingdi since many years. However, due to financial crisis they sold their land and shifted to the village of Volavo, Police Station- Rupganj, District- Narayanganj one and half years back. After coming here, Md. Dalim, son of Shiraj Compani started teasing victim Ms. Ruma Rani in indecent way. When victim’s mother Ms. Maloti came to know about the fact, she tried to coax her daughter but she failed to do so and Ms. Ruma rani did fall in love with perpetrator Dalim. After knowing their love affair, parents of Ms. Ruma Rani Das decided to shift the place and eventually they shifted to the village of Konabari, Gajipur District and asked to Ms. Shundari Rani Das (70), mother of Purno Robi Das to reside in their present house. On 30.09.11 at afternoon Ms. Ruma rani Das went to visit the abode of Abul kader, son of late Tukka Mishri who is her father’s friend at Volavo. After that the following day on 01.10.11 (Saturday) at afternoon she went to see her grandmother to their house at Volavo. At this time Perpetrator Md. Dalim and his Friends Md. Rafiqul Islam and Md. Shamim Mia silently entered into bedroom of Ms. Ruma Rani Das and raped her and hanged her to death. Soon after the incident took place the members of destitute families did not dare to file a case as they were threatened by perpetrators. After that on 03.10.11 Mr. Purno Robi Das lodged First Information Report (FIR) at Volavo Police Station being Case No. 06 dated 03.10.2011 under Section 9(1) of the Nari-O-Shisu Nirzatan Daman Ain, 2000 (as amended 2003) against the perpetrators on the direction of the police. Type of Violation: Violation against personal Integrity and right to life ; Date of occurrence: 1st of October, 2011 Date of investigation: 28th of October, 2011 Place of occurrence: Within the bedroom of the victim of Volavo of Rupganj P.S. Narayanganj District, Bangladesh. The incident of gang rape has been published in the Daily “Sangbad” and “Ittefaq” dated 3 October 2011. Name of the victim: Ms. Ruma Rani Das (15) Religion: Hindu Name of the Perpetrators: 1. Md. Dalim (22), son of late Shiraj Compani 2. Md. Rafiqul Islam (23), son of Shahajahan Mia 3. Md. Shamim Mia (25), son of Majnu Mia, all of village Volavo of Rupgonj Police station, Narayangonj District.
Ruma Rani Das's mother holding her daughter's photo in rememberance

A crying mother of Ruma Rani Das


Supporting documents:
FIR 1
FIR 2
FIR 3
Daily Ittefaq report


(Source)

Sunday, April 14, 2013

মাগো আনন্দময়ী, নিরানন্দ কোরোনা

রাত পৌনে চারটা। মণ্ডল বাড়ির নেড়ি কুকুরটা টর্চের নিভু নিভু আলো দেখে দুই বার কুই কুই করে ডেকে উঠে সুড়সুড় করে বারান্দায় ঢুকে পড়ল। ছোটবেলা থেকে দেখে দেখে ওরও বাড়ির বাসিন্দা দের মতো অভ্যাস হয়ে গেছে। বোঝে কখন কি করতে হয়!

কলিম সবার আগে। টর্চের মুখে কাপড় দেয়া, খুব বেশী আলো যাতে না হয়। পা টিপে টিপে মন্দিরের বারান্দায় উঠে ইশারায় বাকিদের ডাকল। পুরনো দিনের মরচে পড়া তালা। সাথে করে আনা গজা লোহা দিয়ে একটু চাপ দিতেই খুলে গেল।
নিঃশব্দে করতে হবে কাজটা। গতকালের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজকে রাতেই করতে হবে কাজটা। চেয়ারম্যান বলছে এই সময় যাই করো হুজুরদের নাম পরবে। সফি মোল্লার বড় বাড় বেড়েছে। আবার নাকি ইলেকশনে দাঁড়াইতে চায়। প্রতি জুম্মার দিন হেফাজত না কি এইসব বয়ান মেরে মেরে সবার ব্রেইন ওয়াস করে ফেলেছে। মোল্লারে সিস্টেম না করতে পারলে সামনের ইলেকশনে... সো এক ঢিলে দুই পাখি মারতে হবে।

ইদ্রিস কে মূর্তির মাথার দিকে আলো ধরতে বলে কলিম আস্তে করে নিচের শোয়া পুরুষ মূর্তির পেটের উপর দাঁড়ালো। ফিক করে হাসল একটু। মাটির মূর্তি আর হিন্দুরা কিনা কি ভাবে! খিক খিক! ডান হাত মূর্তির গলা ধরে এক ঝটকায় ভেঙ্গে নিয়ে আসবে। তারপর ফেরার পথে খালের মধ্যে মাথাটা ফেলে দিলেই বাকি ২০০০।

সকালে যতিন মণ্ডল বিচার দিবে। মণ্ডল কে নিয়ে থানায় গিয়ে মোল্লার নামে কেস। খেলা শেষ।
ভাবতে ভাবতেই মনটা ভরে গেল কলিমের। খেয়ালই করলো না কখন যেন ওর পাটা ডুবে গেছে নিচের মূর্তির পেটে; আর একটা মোটা সাপ পা বেয়ে বেয়ে ওর বুকের কাছে এসে ফেনা ধরে আছে! হটাৎ সাপের ঠাণ্ডা স্পর্শে কুঁকড়ে উঠে ইদ্রিসের দিকে তাকালো ও। ইদ্রিস পাথর হয়ে আছে, পলকহীন চোখে মূর্তির দিকে চেয়ে আছে। ইদ্রিসের দৃষ্টি অনুসরন করে কলিম তাকালো মূর্তির দিকে।

একি! এ যে জীবন্ত! হিন্দুরা যেন কি বলে? কালী মনেহয়... মনে হচ্ছে কালীর দু চোখ দিয়ে আগুন বের হচ্ছে। দিকবিদিক হয়ে প্রানপন চেষ্টা করলো পা ছুটাবার। একটু নড়াতেও পারলো না। হটাৎ মাটির মূর্তির হাত নড়ে উঠলো। পর পর দুবার।
খোলা দরজা দিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরিয়ে ভিজিয়ে দিলো বাইরের তিন জনকে। মুহূর্তের মধ্যে দৌরে পালিয়ে গেল ওরা তিন জন, যে যেভাবে পারে...

সকালবেলা যতিনের বউ মন্দির এ এসে দেখে মায়ের গলায় দুইটা মুণ্ডু বেশী।

কোন কারন ছাড়াই ঐ গ্রামের তিন যুবক পাগল হয়ে গেল এক রাতের মধ্যে...

[পরিশিষ্টঃ মাকে আমি এভাবেই দেখতে ভালবাসি।
ধন্যবাদ আলফ্রেডকে। আজকে ওর একটা পোস্ট দেখে গল্পটার থিম আসলো মাথায়।
প্রতিদিন মায়ের মূর্তি ভাঙছে ওরা। মা কিছুই বলছেন না। যখন আর সহ্য করতে পারবেন না কোন একদিন মা নিশ্চয়ই জেগে উঠবেন । আর সেইদিন আমার গল্পটা সত্য হবে।]
(লেখক - আশীষ দে)  

Thursday, February 07, 2013

সৃষ্টির রহস্য

সৃষ্টির রহস্য ভেদ করতে গিয়ে আমাদের আজো বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের মতবাদ এর উপর নির্ভর করতে হয়। উনার মতামতের সমালোচনা ছিল অনেক কিন্তু এই ধারণা টি মিথ্যা এমন কে প্রমা করতে পারেনি।

সৃষ্টির রহস্য কে আমরা ২ টি ভাগে ভাগ করতে পারি। ১/- জীব সৃষ্টি ২/- মহাবিশ্ব সৃষ্টি (মহাশূন্য সহ সমস্ত গ্রহ ও নক্ষত্র)

বিজ্ঞানের মতে কেমিকেল রিয়েকশন (chemical reaction) এর ফলেই প্রাণের উৎপত্তি। আবার বিজ্ঞান এও বলছে যে, সূর্যের প্রচণ্ড বিস্ফোরণের ফলে নয়টি গ্রহ ও উপগ্রহ গুলি সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত জ্বলন্ত একটা পিণ্ড। ধীরে ধীরে এটি ঠাণ্ডা হতে থাকে এবং এর ফলে জলের উৎপত্তি। জল থেকে প্রথম প্রাণ হিসাবে এমিবা (amoeba)) নামক এক কোষী প্রানী, এর পর এলো শ্যাওলা, মাছ সহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী। ধারণা করা হয় হিমালয় হলো প্রথম মৃত্তিকা। বিভিন্ন প্রাণীর জিবাস্ম থেকেই হিমালয়ের উৎপত্তি।

আবার আরেকটি ধারণা থেকে পাওয়া যায়; পৃথিবী সূর্য থেকে বিচ্যুত হয়ে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হতে থাকে এবং এর ফলে বরফ এর সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গ্রহাণু, ধূমকেতু, উল্কার আঘাতে পৃথিবীর বরফ গুলি গলতে থাকে এবং জলের সৃষ্টি হয় এবং এ জল থেকেই প্রাণের উৎপত্তি।

বেদ মতে নিরাকার মহাশক্তি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিলেন এবং তিনি ঘুমন্ত ছিলেন। হঠা তিনি জাগ্রত হয়ে নিজের বিকাশের জন্যে ঊর্ধ্ব মুখি উঠার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। যেহেতু তিনি মহাশক্তি সেহেতু ইচ্ছা মাত্রই তিনি গতি প্রাপ্ত হলেন। হঠা গতি প্রাপ্ত হওয়াতে বিস্ফোরণের সৃষ্টি হলো এবং এই বিস্ফোরণের থেকে সৃষ্ট আগুন, শব্দ ও আলোকে স্থা দেবার জন্যে মহাশূণ্যের সৃষ্টি হলো। এই বিস্ফোরণের শক্তি সীমা ছেড়ে অসীমের দিকে ধাবিত হতে থাকে; এ কারণে মহাশূণ্যের কোন সীমা নেয়। বেদ মতে মহাশক্তি প্রতিনিয়ত তাঁর শক্তির সাহায্যে মহাশূন্য সৃষ্টি করে যাচ্ছেন যার কূল কিনারা পাওয়া সম্ভব নয় কোনোদিন।

বিজ্ঞান বলছে আদি প্রা হলো ডাইনোসার (dinosaur) এবং গ্রহাণুর আঘাতের ফলে তারা মারা যায় এবং পরবর্তীতে আবার নতুন করে প্রাণের বিকাশ ঘটে। কিন্তু বিশ্লেষণে দেখা যায় গ্রহাণুগুলি এশিয়াতে আঘাত করেনি, আঘাত করেছিল আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের দিকে। তার প্রমা হলো আমাদের এশিয়ার মাটি বালি যুক্ত কিন্তু আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের মাটি পাথুরে। গ্রহাণুর আঘাতে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের মাটি জ্বলে পাথরে পরিণত হয়েছিল সেই সময়ে। এশিয়াতে তখন খুব বেশি ডাইনোসার এর বিচর ছিল না। যত গুলি ডাইনোসার এর ফসিল (fossil) পাওয়া গেছে এই পর্যন্ত বেশির ভাগই এশিয়ার বাইরে।

বেদ, পুরা, রামায়ণ এবং মহাভারতে ও আমরা এই ডাইনোসার এর উপস্থিতি লক্ষ্য করি; উদাহরণ হিসাবে: 
  1. বাল্মিকি মুনি তাঁর শিষ্য রাম ও লক্ষণকে নিয়ে মুনির আশ্রমে যাবার পথে কিছু উন্ত রাক্ষস এর কবলে পড়ে; ভগবান রাম বীরত্বের সাথে সেই রাক্ষসগুলিকে নিধন করেন। এই উন্ত রাক্ষসগুলি ছিল ডাইনোসার। 
  2. রামায়ণের জটায়ু পক্ষীর যে বর্ণনা পাওয়া যায় তা প্রকৃত পক্ষে এক জাতের ডাইনোসার। 
  3. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কালীয় নাগ দমন; এই কালীয় নাগ ছিল ডাইনোসার। 
  4. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পঞ্চনাগও এক প্রকারের ডাইনোসার। 
  5. ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্বারা বকাসুর নিধন হয়; এই বকাসুর ছিল এক জাতের ডাইনোসার। 
  6. পৌরানিক যুগে এক উড়ন্ত রাক্ষসকে ভগবান ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর মিলে নিধন করেছিলেন; সেই উড়ন্ত রাক্ষসটি ছিল এক জাতের ডাইনোসার (সম্ভবত ঈগল প্রজাতির ডাইনোসার)। 
  7. ভগবান বিষ্ণু সাগরে যে সাপ এর উপর ভেসে আছেন এবং যোগ নিদ্রায় শায়িত আছেন তাও এক প্রকার ডাইনোসার।
গ্রহানুর আক্রমণে যখন ডাইনোসাররা মারা যায় তখন কিছু সামুদ্রিক ও উড়ন্ত ডাইনোসার আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ হতে এশিয়াতে প্রা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল। যা আমাদের বেদ, পুরা, রামায়ণ এবং মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে প্রমা পাওয়া যায়।
আমি আমার সীমিত জ্ঞান দ্বারা বর্ণনা করার চেষ্টা করলাম নিরাকার মহাশক্তি, সৃষ্টি, পৃথিবীর উৎপত্তি ও ডাইনোসার নিয়ে যা দ্বারা বিজ্ঞানের সাথে আমাদের সনাতনের মিল খুঁজে পয়া যায়। বিজ্ঞান হলো প্রমাণিত সত্যি তা আমরা বিজ্ঞানকেও “সনাতন” বলি।

যে সব সনাতনি বন্ধুরা সনাতনের সত্যতা খুঁজেন এবং দ্বিধা বিভক্ত তাঁরা দয়া করে এই লেখাটা পড়ুন এবং খোঁজার চেষ্টা করুন পৃথিবীতে কোন ধর্মে সৃষ্টি ও স্রষ্টার এত সুন্দর ও প্রমাণিত সত্যতার বর্ণনা রয়েছে।
আমি যতটুকু জানি তা এক সমুদ্রের মধ্যে এক বিন্দু জল এর চেয়েও কম। সুতরাং বলার অপেক্ষা রাখে না সনাতন কতো বিশাল কতো বেশি তথ্য সমৃদ্ধ। কেন এত জ্ঞান ছেড়ে অন্য স্থাণে খুঁজে ফিরবেন নিজের ঠিকানা?
 
(লেখক: লিংকন চক্রবর্তী)

Wednesday, February 06, 2013

Science in Vedas




The core foundation of Hindu belief is that Vedas contain source of all knowledge – physical or metaphysical. However, in last 100 odd years, this belief has come under scrutiny due to the advances that modern science claims to make. An entire group of Vedic 'experts' have stood up to prove that Vedas contain early man theories and are not compatible with modern discoveries. These include communist historians propelled by commentaries on Vedas by western indologists like Max Muller, Griffith et al and a new breed of intellectuals who initiate all research with assumption that 'old means defective'. However, in modern era of religious marketing, another group has come up which would go to any length to discover scientific errors in Vedas. This is the group which would want 800 million Hindus to lose faith in Vedas and their religion and embrace what they believe is the final message of God. Yes I am referring to Islamic and Christian evangelists.

While both these groups of evangelists are propelled by vision of making everyone in world a follower of their respective Holy Books, the situation is even more desperate for Quran zealots. This is because a bulk of Islamic evangelists believe that Jesus will come again towards end of the world after which they would reach Paradise forever. And an important sign of Jesus' coming is conquest of India. I do not know the original source of this superstition, but this remains a primary motivator for most Islamic evangelists today.

Thus every now and then, we would see references to 'Scientific Errors in Vedas'. The typical pattern would be English translation of some mantra followed by a Veda Mantra reference. For example
“Earth is flat” – Yajur Ved 32.8
Often the reference and English translation are both pointing to sources best known to authors of these works. But for layman, these create a lot of confusion and doubt over relevance of Vedas. While I would shy away from thrusting my personal faith on Vedas, I would like to provide some excerpts from Vedas that provide clues to deep scientific concepts hidden within them.

Unfortunately, due to thousand years of slavery, burning of our universities and libraries by barbarians and then demands for tackling issues of survival first, there remains a lot of work to be done to rediscover the Vedic sciences. However, sufficient clues exist to justify why this rediscovery would be worthwhile. In this article, I shall provide some brief snippets of such clues.

A point of note: Vedas not being dogmatic in nature and containing eternal truths, do not try to spoon-feed us. Thus Vedas would contain seeds for all forms of knowledge and would urge humans to explore further. Because in the Vedic framework, its our efforts that can provide us bliss.

You can refer to original mantras here.


MOTION OF EARTH

Rig Veda 10.22.14
“This earth is devoid of hands and legs, yet it moves ahead. All the objects over the earth also move with it. It moves around the sun.

In this mantra,
Kshaa = Earth (refer Nigantu 1.1)
Ahastaa = without hands
Apadee = without legs
Vardhat = moves ahead
Shushnam Pari = Around the sun
Pradakshinit = revolves


Rig Veda 10.149.1
“The sun has tied Earth and other planets through attraction and moves them around itself as if a trainer moves newly trained horses around itself holding their reins.”

In this mantra,
Savita = Sun
Yantraih = through reins
Prithiveem = Earth
Aramnaat = Ties
Dyaam Andahat = Other planets in sky as well
Atoorte = Unbreakable
Baddham = Holds
Ashwam Iv Adhukshat = Like horses


GRAVITATIONAL FORCE
Rig Veda 8.12.28
"O Indra! by putting forth your mighty rays, which possess the qualities of gravitation and attraction-illumination and motion – keep up the netire universe in order through the Power of your attraction."
Rig Veda 1.6.5, Rig Veda 8.12.30
"O God, You have created this Sun. You possess infinite power. You are upholding the sun and other spheres and render them steadfast by your power of attraction."
Yajur Veda 33.43
"The sun moves in its own orbit in space taking along with itself the mortal bodies like earth through force of attraction."
Rig Veda 1.35.9
"The sun moves in its own orbit but holding earth and other heavenly bodies in a manner that they do not collide with each other through force of attraction." 
Rig Veda 1.164.13
"Sun moves in its orbit which itself is moving. Earth and other bodies move around sun due to force of attraction, because sun is heavier than them."
Atharva Veda 4.11.1
"The sun has held the earth and other planets."

LIGHT OF MOON
Rig Veda 1.84.15
"The moving moon always receives a ray of light from sun."
Rig Veda 10.85.9
"Moon decided to marry. Day and Night attended its wedding. And sun gifted his daughter “Sun ray” to Moon."
ECLIPSE
Rig Veda 5.40.5
"O Sun! When you are blocked by the one whom you gifted your own light (moon), then earth gets scared by sudden darkness."

SCIENCE OF BUILDING SHIPS AND AIRPLANES

Swami Dayanand has detailed Mantras regarding these in his Vedic commentary and Introduction to Vedas (1876). The scientists of IISc. concluded that the mechanism of airplane as suggested by Dayanand is feasible. The first manned plane was built 20 years after death of Swami Dayanand.
The verses are difficult to translate in English here, but readers are advised to review Introduction to Vedas by Swami Dayanand or interpretations of following mantras: Rig Veda 1.116.3, 1.116.4, 10.62.1, 1.116.5, 1.116.6, 1.34.2, 1.34.7, 1.48.8 etc.

SCIENCE OF TELEGRAPHY
Rig Veda 1.119.10
"With the help of bipolar forces (Asvins), you should employ telegraphic apparatus made of good conductor of electricity. It is necessary for efficient military operations but should be used with caution."


I hope this would be sufficient to at least drive the need for further exploration of our scientific heritage originating from Vedas.


(collected)

Tuesday, February 05, 2013

US may become a Hindu nation by 2100 AD




The agenda for this century has been set up in the very beginning itself by the BIN LADEN. There is no doubt that this century is going to witness the biggest tussle between the Religion (shell) and the Spiritualism (Core). Many religions will be exposed in this process and shall be proved a Shell only with dried core. Islam has least spiritualism, therefore it will be the first casualty and the process is already on. Many liberal Muslims and Pseudo-Secularists are concerned of this inevitability and trying hard to defend ISLAM through various manipulated versions & theories, but it is virtually impossible for anyone to insert a ‘Spiritual Core’ in Islam. Islam is not a philosophy but a doctrine only akin to Communism. It has already outlived more than it was due. Doctrines are doctrines only, therefore have limited lifespan. Islam has many outdated & ill -concepts, some of which are very violent and cruel also. Islam is not fair with FAIR sex also.

Christianity is already facing a rebellion or revolt from within since last few decades particularly in the US. One can see many new Religious CULTS have sprung up throughout US in the last few years. The failure of Christianity has mainly resulted due to its failure in resolving the problems of women and family. Although Christianity is not intolerant like Islam is, but in recent years, the scandals of the Churches has brought a very bad name to it. Many Americans are now seeking refuge in new Cultic Religions, some of which are inspired by Buddhism also. But Christianity will have a different fate than Islam since Jesus will always be honored and recognized by the Hindus as a great person (like an incarnation). Thus, Christianity may get submerged into Hinduism in next 3-4 centuries from where Jesus seems to have been inspired also.

Recent researches on religion’s evolution are indicating that the original pious thought of Love, Compassion & Sacrifice, on which major religions have also been based, has its origin in the philosophy of Hinduism only. Hinduism means Spiritualism and not the Hindu Religion as represented by the amalgamation with peculiar Hindu Caste System of India.

Hinduism means basic & pure spiritual thought & philosophy only. Natural calamities and wars isolated the populations and thus many religions have also sprung up, which are comprised of both spiritual and cultural elements in varying proportions. In India, Hinduism developed into two distinct system or religions, one was the Hindu caste system (or religion), while the other was the caste-less Buddhism. In both these religious systems, the basic concept of Hinduism, i.e. Spirituality were retained to the maximum in comparison to other religions. Islam has minimum spiritual element as per the T-S scale, while Hinduism has maximum element of Spiritualism on this scale. Christianity lies in between Terrorism (T) & Spiritualism (S).

All this happened due to isolation of population. Now the age of integration of spiritual thought has arrived courtesy of Internet/cable. After passage of some more time, one will see more influence of Spiritualism (Hinduism) on all the religions including the Hindu caste 60 system (religion). The Religion of most of the Hindus in India presently is the Hindu Caste System only and not the pure Hinduism i.e. Spiritualism.

Unfortunately, India never offered opportunities for growth of Hinduism in the last 2000 years since it was/is badly trapped in the anomalies created by the Hindu Caste system. India is facing all kinds of dilemma/contradictions/problems since the original 'Varna System' started degenerating into this present ‘Rigid Caste System’ nearly 2000 years ago.

Divisive & rigid Caste System also ensured the unparallel humiliation of the Hindu Society for nearly one millennium in the hands of Islamists & Evangelists. The version offered by 'Sangh Parivar' is more inspired by the Islamic/Talibani thoughts than by the real and noble thoughts of Hindu Philosophy.

Hindu Philosophy is not a property or asset of Hindus/India alone. Similarly, US will not belong to Christianity always since it is also not a property/asset, but a Nation. Everything is evolving. US has evolved itself more on Hindu philosophy of KARMA and DHARMA, or Justice, Action, Truth and Democracy. US is dynamic and so is the Hindu Philosophy.

Both are complimentary to each other in this hour of maturity and spiritual crisis. Therefore it will not be an expansion of Hinduism but rather a convergence of Hinduism with the great democracy of the world, which will be witnessed by the humanity in this century.

India denied an opportunity to Hinduism, which shall be provided by the US in the coming years so that journey of mankind is not halted for want of spirituality. Spiritualism has to play a key role in not only in the development of humanity but also in the further growth of Basic Sciences, which require doses of spirituality to understand and resolve the more complex Scientific & Technological concepts of today’s universe.

In this spiritual revolution, India may not play the key role rather it will be the US only which will take the lead. Of course, the Hindu Society of US will provide the required impetus and inspiration for such a movement which shall be very much intensified after 50 years, when US will have a Hindu population of 20% through migrations and through self-motivated conversions of persons mainly belonging to Christian faiths at present.

Everything can't be left to the Religious persons/Institutions only. Every Indian Hindu can play a big role in the transformation and future destiny of US. If one will look at the exponential growth rate of American Hindus in numbers and resources then it can be easily concluded that a Hindu population of 50% is not an impossible target for year 2100 AD in the USA. Caste system has proved itself an anti-thesis of Hinduism in India but in US it will not pose any threat. It will be the CASTELESS HINDU SOCIETY of US, which will emerge as the biggest spiritual force and movement of this century ultimately.


(collected)