Showing posts with label Bangladesh. Show all posts
Showing posts with label Bangladesh. Show all posts

Thursday, July 10, 2014

ভারতের নারীদের করা হয় ধর্ষণ আর বাংলাদেশের নারীদের করা হয় আদর

বাংলাদেশে গত দু'দিনে ধর্ষণের খবর

  • বাগেরহাটে শিক্ষক ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক,ছাত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্তা
  • সিরাজগঞ্জে দুই বোনের গোসলের ভিডিও চিত্র ইন্টারনেট তোলপাড়
  • গাজীপুরে "খারাপ ছবি দেখা সুন্নত; লাগলে আইন্যা দিমু"-ছাত্রীদের বলল শিক্ষক
  • টুঙ্গিপাড়ায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ,গ্রেফতার 3
  • ঢাকায় ধর্ষণের পর কিশোরী মেয়েকে খুন করলো এক পাষন্ড বাবা
  • আনোয়ারা'য় নববিবাহিতা ভাবিকে ধর্ষণ করলো দেবর
  • বাবুগঞ্জে নিজে ভোগ করে বন্ধুদের হাতে তুলে দিল প্রেমিকাকে
  • পার্বতীপুরে ধর্ষণের পর এসিড দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা এক নারীকে
  • ঢাকায় ছাত্রীর শ্লীলতাহানি,আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক চাকরিচ্যুত
  • মিরপুরে বাসায় ঢুকে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ,নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
  • দূর্গাপুরে পোল্ট্রি ফার্মে ডেকে এনে ছাত্রলীগ নেতার প্রেমিকাকে ধর্ষণ
  • তালায় বাবাকে বেঁধে রেখে মা-মেয়েকে ধর্ষণ
  • নওগাঁ'য় গণধর্ষণের পর উলঙ্গ স্ত্রীকে গোটা গ্রাম ঘোরাল স্বামী
  • রাজশাহীতে কলেজ ছাত্রীদের দিয়ে নির্মিত হচ্ছে পর্ণ সিনেমা
  • গৌরিপুরে স্বামীকে ছাড়াতে থানায় এসে ধর্ষণের শিকার স্ত্রী
ভারতের গন্ধ না খুঁজে,নিজেদের গন্ধের সমালোচনা করি............উপসংহার: বাংলাদেশে 'জনসংখ্যা হারে' ভারতের চাইতে বেশী 'ধর্ষণ' হয়!!!
পরিশেষে: আমরা কোনো দেশেই 'ধর্ষণ' হোক চাই না.................


(তথ্যসূত্র

Wednesday, July 09, 2014

দিনাজপুরে হিন্দু শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জেলার বিরল উপজেলার কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের (লাইব্রেরিয়ান) বিরুদ্ধে এক শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পরও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান পদে সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক শমসের আলী ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ক শিক্ষিকাকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাবসহ তাকে যৌনহয়রানি করে আসছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক অভিযোগ পেয়ে শমসের আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

Tuesday, July 08, 2014

সহপাঠীদের দ্বারা ধর্ষিত


চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার একটি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির এক হিন্দু ছাত্রীকে দুই সহপাঠী ও তাদের তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ করে। এরপর নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে এলাকায় ছড়িয়ে দেয়। ঘটনার পরদিন অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীকে কলেজে আসতে নিষেধ করেন। এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে পাঁচজনকে আসামি করে বাঁশখালী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ এক আসামি ও ধর্ষণের ভিডিও রাখার অভিযোগে আরেকজনকে আটক করেছে। গতকাল রবিবার পুলিশ মেয়েটির জবানবন্দি নিয়েছে।

Sunday, July 06, 2014

বাংলাদেশ ও ভারতের সংখ্যালঘু পার্থক্য

ভারতের মুসলমানরা এদেশে (বাংলাদেশে) আসতে চায় না, পাকিস্তানে তো যাবেই না। ভারতের মুসলমানরা অবশ্য এদেশে আসতে চায় না। মার খেলেও ওখানে পড়ে থাকতেই তারা সচেষ্ট। পাকিস্তানে তো যাবেই না। ওটা আর কোনো দেশ নয় এখন। পাকিস্তান হল নিজেরা খুনোখুনি করে নিঃশেষ হওয়ার একটা জায়গা। তাহলে বাংলাদেশের
হিন্দু কেন মার খেয়ে ভারতে যাবে? সম্পদশালী, সুশিক্ষিত ও উচ্চ পেশাজীবী হিন্দুরা অনেক আগেই ভারতে চলে গিয়েছিল। দেশবিভাগের সময় যারা যায়নি, পাকিস্তান পর্বে বিভিন্ন অপঘটনায় তাদেরও একাংশ সেখানে চলে যায়। তুলনামূলক পছন্দের ব্যাপার ছিল বৈকি। নিরাপত্তাবোধের বিষয়ও ছিল।

Wednesday, July 02, 2014

এই কি সংযমের নমুনা?


 
গতকাল সোমবার রাতে স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরে দেড় শতাধিক মুসল্লি হামলা করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হিন্দুবার্তার নিজস্ব প্রতিনিধি জানায়, রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। তারাবীর নামাজ শেষ করে মুসল্লিরা মন্দিরে দলবদ্ধভাবে হামলা করে। হামলার পরপরই মন্দিরের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। শতাধিক মুসল্লি মন্দিরের প্রাচীরের বাইরে থেকে ভেতরে ইট-পাথর ছুড়ে মারে। এতে মন্দিরের জলের ট্যাংকসহ বেশকিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা মন্দিরের গেইটে লাথির পর লাথি মারে আর অশ্রাব্য ও জিহাদী ভাষায় হিন্দুদের ও মন্দিরের নামে গালিগালাজ করে।

Tuesday, July 01, 2014

হিন্দু ছেলে মুসলিম মেয়ের প্রেমের ঘটনায় ১২০ হিন্দু পরিবার ঘর ছাড়া

শেরপুর সদর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী বেতমারী গ্রামে হিন্দু ছেলের সঙ্গে মুসলিম মেয়ের প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের ১২০ হিন্দু পরিবার এখন বাড়ী-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ২০ জুন শুক্রবার হামলার শিকার ৫ পরিবারের লোকজন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে।

জানা গেছে, বেতমারী উত্তরপাড়ার পুনি রবিদাসের ছেলে রতন রবিদাসের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত রশিদ মিয়ার এইচ এস সি পড়ুয়া মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিগত ১০ জুন গার্মেন্টস কর্মী রতন ওই মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

১৬ জুন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ছেলে-মেয়েকে উদ্ধার করে এক সালিসী সভা করেন। সেই সভায় মেয়েটি নিজের ইচ্ছায় ছেলের সাথে বেড়িয়ে গেছে বলে স্বীকার করে। ছেলেটি ধর্মান্তরিত হয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে রাজী হয়। তবে মেয়ের মামা শহিদুল মেম্বারসহ স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোক এতে রাজী না হয়ে ওই ছেলের শাস্তি দাবী করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে চেয়ারম্যান ছেলে-মেয়ে দু’জনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শতাধিক লোকজন ১৭ তারিখ রাতে ওই এলাকার রবিদাস সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে হামলা চালিয়ে নারী-পুরুষসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এসময় গোয়ালের গরু-টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

এতে আতঙ্কিত নারী-পুরুষসহ প্রায় শতাধিক পরিবার শেরপুর ও জামালপুর জেলা শহরে আত্মীয়-স্বজনের কাছে এবং কিছু পরিবার বর্তমানে শেরপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। ১০-১৫টি পরিবারকে তাদের বাড়ীতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশের একটি দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করতে বেতমারী গেলে তাদের সামনেই দুই হিন্দু পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশ চলে এলে দুটি বাড়ীতে হামলা করে ভাঙ্চুর করা হয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

এব্যাপারে স্থানীয় তুফানু রবিদাসের স্ত্রী শান্তি রানী বলেন, “আমগরে কি অপরাধ জানিনা। প্রেম করছে রতন-সীমা। অত্যাচার চলতাছে আমগরে উপরে। দেশ ছাইর‌্যা যাবার জন্য হুমকি দিতাছে। আমগরে বাঁচান।”

একই গ্রামের দুলালী বলেন, “পুলাপান নিয়া তিন দিন ধইর‌্যা এলাকা ছাড়া। আমার স্বামী সেলুনে কাজ করে। সেলুন বন্ধ। পুলাপান না খাইয়্যা আছে।”

এলাকার ধানু চকিদার বলেন, “আমারে ধইর‌্যা মারছে। ভয়ে বাড়ীতে যাবার পাইতাছিনা।”

বেতমারী- ঘুঘরাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ছেলে-মেয়ে দুজন দুজনকে ভালবাসে। ছেলে মুসলমান হতে চায়। তবে এলাকার কিছু দালাল বাটপার এতে বাধা দিচ্ছে। তারা এ ঘটনাকে অন্যরকম রং দিয়ে সুবিধা নিতে চায়। তিনি বলেন অ্যাকশানে না গেলে হিন্দুরা এলাকায় থাকতে পারবে না।

সদর থানার ওসি মাযহারুল করিম বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর। আমরা ৫৪ ধারায় ছেলে মেয়েকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছি। মেয়েটি ছেলেটিকে ছাড়া বাঁচবেনা বলে হুমকি দিয়েছে। ছেলে মেয়ের আত্মীয় স্বজন কেউ সমাধানের জন্য আসছে না।

এদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও জেলা মানাবাধিকার সংস্থা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেছেন।



(তথ্যসূত্র

Friday, June 27, 2014

প্রসঙ্গ: মালাউন

মালাউন শব্দটা বিশেষ প্রচলিত এ সমাজে ।এমন কথা বলতে বুক বিঁধে ,অথচ না বললে স্পষ্ট হয় না আমাদের এই ধর্ম্মসমাজ ধর্মের লেবাসে কতোটা তৃতীয় শ্রেণীর মানসিকতায় পড়ে আছে ।স্কুলবেলার বন্ধু মাসুম স্কুলে আমাদের দস্যিপনা থেকে বিরত রাখত ,ইমাম হুজুরের ছেলে বলে নানা নীতি নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা করতো আমরা দস্যিতার জেরে তা ওকান দিয়ে ঢুকিয়ে ঐকান দিয়ে বিদায় করে দিতাম ।মা কে যখন ঘরে এসে বলতাম যে মাসুম ওমন বলে তখন তিনি বোঝাতেন এসব খুবই ভালো কথা ,মাসুম ঠিকই বলে ।তারপর মাসুম কে ভালো চোখেই দেখা শুরু করলাম ।তার সাথে দূরত্ব এখন অনেক ।সেই স্কুলবেলা ছেড়ে আজ আমি কতোই না বড় ।কাল তার সাথে দেখা হতেই সে আমায় "মালাউন,,শব্দ দিয়ে সম্বোধন করলো ।জানতে পারলাম ও এখন বিশ্ব জাকের পার্টির সদস্য ।এক মানুষ হিসেবে আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী ফরিদপুর বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের ঐ পীরের ছবি দেখে মনে যারপরনাই শ্রদ্ধা জন্মে ।কিন্তু মাসুমের কালের এহেন ব্যাবহার আমায় ইঙ্গিঁত দেয় তার বোধহয় মনুষ্যত্বেরহানী ঘটতে লাগলো ।সে প্রসঙ্গঁ ছাড়ছি ।মালাউন বহুল প্রচলিত শব্দ অথচ আমি অর্থ জানিনা ।তবে এটা জানি যে ,উন শব্দের অর্থ গলা আর মালার ঐ এক অর্থ যার কোনো প্রতিশব্দ ছাড়া অন্য কোনো বিশেষ অর্থ হয় না ।তাই ধারণা করতাম হয়তো গলায় মালা থাকে বলেই উনারা এমন উচ্চারণ করেন ।কাল রাতেই বাংলা একাডেমী কতৃক প্রকাশিত ব্যাবহারিক বাংলা অভিধানের পরিমার্জিত সংস্করণে তা খোঁজলাম ।এতে দেখা যায় মালাউন শব্দের তিনটি অর্থ ।যথা: ১.লনতপ্রাপ্ত, অভিশপ্ত, বিতাড়িত, কাফের
২.শয়তান
৩.মুসলমান কতৃক ভিন্ন ধর্মানূসারীদের দৃত গালি বিশেষ ।অর্থাত্‍ তারা এই শব্দটি গালি হিসেবে এতোই উত্তমরুপে ব্যাবহার করেছেন যা অভিধানে ঠাঁই নিয়েছে ।লনত অর্থ বোঝিনি বলে চিন্তায় ছিলাম ।ঐ বইয়ের ১০৫৪নং পৃষ্ঠায় দেখা গেলো তারও তিনটে অর্থ যথাঃ ১.অভিশাপ ২.অপমান ,ভর্ত্‍ সনা ,লাঞ্ছনা ৩.শাস্তি ।আর কাফের শব্দ নিয়ে জানা গেলো এটি আরবী কুফর শব্দ থেকে উত্‍পন্ন ।যার অর্থ মহাসত্য ,কঠিন সত্য গোপন করা ।আর ইসলামিক পরিভাষায় বলা যায় ইসলামের সত্য কে গোপন রাখা বা যে রাখে ,বা অমুসলিম ।অবশ্য জাকির নায়েকের বক্তৃতায় শুনেছিলাম এই শব্দটি কখোনো গালিরুপে ব্যাবহার হয় না ।তা যাই হউক ।শব্দগুচ্ছর অর্থের কোনো দিক থেকেই আমরা এ গালির যোগ্য নই বলে প্রমাণ হয় অবশ্য একটিতে কেবল তারাই জোরপূর্বক আমাদের যোগ্যতা দিয়েছে ।আমায় মালাউন বলায় যে আমি অভিশপ্ত কাফের বা লনতপ্রাপ্ত হয়েছি তা কিন্তু সত্য নয় ।যারা এটি ব্যাবহার করে এটি তাদেরই পরিবার বা পরিবেশের অজ্ঞতা ,অন্ধতা ,মূর্খ্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় ।এখানে ধর্ম যে কবেই ধর্ষিত হয়েছে এ জানা নেই ।জ্ঞানহীন ব্যাক্তি ধর্মের ধারকও নয় বাহকও নয় ।বরঞ্চ স্বধর্মের কলঙ্ক ।কিছু অজ্ঞান ব্যাক্তি মালাউন বা তত্‍বর্গীয় কাজ দ্বারা ইসলামকে কতোটা কুলষিত করে এটাই তার প্রমাণ ।দার্শনিক একটি উক্তি আছে যে ,জ্ঞান যেথা সীমিত বুদ্ধি সেথা আড়ষ্ট ,আর মুক্তি সেখানে অসম্ভব ।বলা বাহুল্য যে এই মুক্তি জেল ,পর্দা ,কিম্বা প্রদত্ত অর্থের মুক্তি নয় আত্ম বা জীবমুক্তি যা প্রতিটি ধর্মে বেশ প্রসারিত ।সুতরাং সে অর্থে আমি ঐ সমাজের মুক্তি দেখি না ,ধর্ম যেথা মানুষকে উর্দ্ধে তোলে সেথা তারা জ্ঞানের অভাব এবং কূপমণ্ডুকতার কারণে ধর্ম জড়িয়ে দিন থেকে দিনে অধঃদিকে পতীত হচ্ছে এসবই তার প্রমাণ ।ধর্ম দলবৃত্তি ,পেশীবৃত্তি ,আর বেহেশত্ জান্নাত নয় একটি ভালো মানুষ গড়ার হাতিয়ার ।আমি ঈশ্বরকে তাই বলি ওদের জ্ঞান দাও ওরা বোঝতে শিখুক ,সঠিক ধর্ম পথে এসে ভালো মানুষ হউক ,একটি অবিচ্ছেদ্য ভ্রাতৃত্ব প্রেমের সভ্যতা গড়ে উঠুক এই আমি চাই ।কিন্তু জ্ঞান-আলো প্রবেশ করেনি যেখানে সেখানে উন্নত মানসিকতা সৃষ্টি হয়ে ভালো মানুষ হয়ে উঠা যে অসম্ভব তা আমি এখন বোঝি ।অজান্তেই বলি ঈশ্বর এদের মুক্তি দাও ।

(লেখক - মানস চক্রবর্ত্তী

Tuesday, June 24, 2014

সনাতন ধর্মের আচরণ এবং প্রেম দুটোর কারনেই ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন পুজা দাশ



‘আমাকে কেউ অপহরণ করেনি, আমি স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্ম গ্রহণ করে হিন্দু হয়েছি এবং স্বামীর সাথে সংসার করছি”।

গত রবিবার সন্ধ্যায় একটি জাতীয় দৈনিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই কথাগুলো জানান পুজা দাশ। তিনি বলেন, আমি ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছিলাম। বাবার নাম এনামুল ইসলাম, মাতা নাম আমিনা খাতুন, গ্রাম খুলশী, থানাঃপাহাড়তলী, জেলাঃ চট্টগ্রাম। দীর্ঘদিন যাবত সনাতন ধর্মের আচার আচারণ ও নিয়মন কানুন দেখে ও বই পুস্তক পড়ে এই ধর্ম ভালো লাগতে শুরু করে। যার কারনে গত বছরের ১৫ মার্চ নোটারীর মাধ্যমে সনাতন ধর্ম গ্রহণ করি।



(তথ্যসূত্র

Sunday, June 22, 2014

লাভ জিহাদের শিকার



আপনাদের মনে আছে ডাঃ নন্দিতা সিনহার কথা ।বাংলাদেশের সব গুলো প্রধান পত্রিকা যাকে নিয়ে সংবাদ দিয়েছিল।লাভ জিহাদের শিকার এই মহিলা নন্দিতা সিনহা থেকে হলেন নন্দিতা আহ্মেদ।তাতে লাভ কি হল??কি পেলেন তিনি?? পাঁচ বছর তার স্বামী জুলফিকার নামক নরপশু ঘরে বন্দি করে রেখেছিল। দুটি সন্তান থাকা স্বত্বেও বিয়ে করে আবার বাড়ির কাজের মেয়েকে। ঔশুধ খায়িয়ে নন্দিতাকে পাগল বানানোর চেষ্টা করে তার স্বামী।

প্রেম থেকে পরিণয়। তার পর ২০ বছরের দীর্ঘ সংসার জীবন এই চিকিৎসক দম্পতির। দুটি সন্তানও বড় হয়েছে; কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে ইনজেকশন পুশ করে মানসিক রোগী বানিয়ে দিনের পর দিন ঘরের চার দেয়ালে বন্দি করে রাখেন স্বামী। একাধিক প্রহরী বসিয়ে স্ত্রীকে বন্দিদশায় রেখে এক মাস আগে স্বামী যান হজ পালন করতে সৌদি আরবে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ নগরীর মিরের ময়দান কেওয়াপাড়ার (পড়শী-২০১) বন্দিদশা থেকে এই চিকিৎসক মহিলাকে উদ্ধার করেন। তার স্বামী সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জুলফিকার আহমেদ জামী। ডা. নন্দিতা কয়েক বছর আগে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে। অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। ডা. নন্দিতাকে দিনের পর দিন বন্দি রেখে ইনজেকশন পুশ করা হতো। ওই বাড়িতে গিয়ে পুলিশ একাধিক প্রহরীবেষ্টিত গেট তালাবদ্ধ অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে তার ভাইদের কাছে তুলে দিয়েছে।
জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের তিলপাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক নন্দিতা সিনহা ১৯৮৬ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেন নগরীর কেওয়াপাড়ার বাসিন্দা ডা. জুলফিকার আহমদ জামীকে। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তার নাম হয় নন্দিতা আহমেদ। নন্দিতার ভাই বিজিত সিনহা সিলেট কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, তার বোনকে নিজ বাড়িতেই বন্দি করে রেখে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় তিনি মারা যেতে পারেন।
এ অভিযোগ পেয়ে গত শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সিলেট কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ কেওয়াপাড়ার ওই বাসায় যায়। তারা পাহারাদার সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে ভাইদের হাতে তুলে দেয়। রাতে নন্দিতা জানান, ৫ বছর ধরে তাকে বাসায় তালাবদ্ধ করে রাখতেন ডা. জুলফিকার। তার ওপর চালানো হতো নির্যাতন। ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে রাখা হতো তাকে। তসলিমা নামের এক গৃহকর্মীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন তার স্বামী। ৭ বছর আগে ওই মেয়েটিকে বিয়ে করেন। ওই দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে ডা. জুলফিকার আহমেদ জামীর দুই সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ডা. জুলফিকার সিলেট হরিপুরের ফতেহপুর গ্রামে নিয়ে রেখেছেন বলে জানান ডা. নন্দিতা সিনহা। তিনি বলেন, তার ২০ বছরের ববি নামে এক ছেলে রয়েছে। আর মেয়ের বয়স ৭ বছর। ছেলে ববি নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের ২০ বছরের ছেলেকেও তার স্বামী মাদকাসক্ত আখ্যা দিয়ে নগরীর শাহজালাল উপশহরস্থ মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্র 'প্রতিশ্রুতি'তে ভর্তি করে দেন। তবে তার ছেলে মাদকাসক্ত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ধর্মান্তরিত হউয়া সব হিন্দু মেয়ের কপালে এমন ভাগ্যই লেখা থাকে ।বরং আরও খারাপ ও হতে পারে। অনেক মেয়েই আছে পরবর্তী তে যাদের স্থান হয়েছে পতিতা পল্লিতে।ধরমান্তরিত হিন্দু মেয়েরা বাবা মা কে কষ্ট দিয়ে সুখি হবে না একথা ১০০ ভাগ প্রমানিত। এ সকল উদাহরন দেখে কি মেয়েরা শিক্ষা নেবে।

নন্দিতার মতই অনেক মেয়েই আজকাল লাভ জিহাদের কবলে পড়ে এমন দুর্দশায় পড়ছে। বয়সন্ধিক্ষনের রঙ্গিন সময়ে মেয়েরা এই ফাঁদে পড়ে এবং সারা জীবন এই প্রতারণার কষ্ট বয়ে বেড়াতে হয়।একটা কথা মনে রাখতে হবে। লাভ জিহাদের পরে কে লাভবান হয়। অবশ্যই মুসলিম ছেলেরা। একটা মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে যে পুণ্য সে তার পরিবার আর আশেপাশের মানুষেরা পায় তাতেই তাদের স্বর্গ নিশ্চিত হয়ে যায়।একপাশে স্বর্গ লাভ অন্যপাশে সুন্দরী নারী; এমন সহজ আর লোভাতুর সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায়?অন্যদিকে মেয়ের কি লাভ হয়? তার পরিবার, বাবা মা স্বজন সবাইকে ছাড়তে হয়। কিছুদিন যেতে না যেতেই ঐ সব মেয়েদের রঙ্গিন চশমা নামতে শুরু করে। পরিবারে তার অবস্থান শুধু শয্যাসঙ্গিনী, রাঁধুনি আর সন্তান উৎপাদনের মেশিন। মানে থ্রি ইন ওয়ান।তাদের জন্য বলাই আছে মেয়েরা শস্যক্ষেত্রের মত বা যেখানে একাধিক স্ত্রী রাখা বৈধ,তার সাথে অসংখ্য যৌনদাসী বৈধ,যখন তখন তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায়। যে সমাজে মেয়েদের কে নুন্যতম সম্মান প্রদর্শন করা হয় না সেই নরকে তার বাস করতে হয়। অনেক মেয়ে মুখ বুজে সহ্য করে মেনে নেয় অনেকে মানতে না পেরে পালিয়ে আসে। পালিয়ে আসার পর যদি তার পিতামাতা তাকে আশ্রয় না দেয় তাহলে তাদের স্থান হয় আস্তাকুড়ে, পতিতালয়ে যেখানে সারা জীবন ছিরে ছিরে খায় তাদেরকে নরপশুরা।
লাভ জিহাদ প্রতিরোধ করবেন কি করেঃ

লাভ জ্বিহাদের কালো থাবায় পিষ্ট হচ্ছে মেয়েরা, কিন্তু এই দায় কি শুধু মেয়েদের একার?

মেয়েরা ধর্মান্তরিত হচ্ছে এই দায় শুধু মেয়েদের একার নয়। কেন নয়?

উত্তরঃ
১- ভাই হয়ে কি আমরা বোনের বন্ধু হতে পেরেছি?

২- বাবা, দাদা বা কাকারা কি বন্ধুর মত আচরণ করে আমাদের ঘড়ের মেয়েদের সাথে?

৩- মেয়েরা যদি সাপোর্ট পেত তবে এই সমস্যা মহামারী আকারে দেখা যেত না। ছেলেরা ফেইসবুক ব্যবহার করছে গন হারে, কিন্তু মেয়েরা কি পারছে ব্যবহার করতে? তাহলে তাঁরা সচেতন হবে কি করে?

৪- ছেলেরা বাইরে অবাধ বিচরণ করে বলে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে বন্ধু বা বড় ভাইদের সাথে কিন্তু মেয়েরা কি পারছে সেটা করতে? গৃহ বন্ধি হয়ে কি জ্ঞান অর্জন করা যায়?

৫- পারিবারিক ধর্ম শিক্ষার অভাব আছে এটাও কিন্তু মেয়েদের দোষ নয়, পরিবারের কর্তা নিধারণ করে দিলে পারিবারিক ধর্ম চর্চা সবাই করবে এটাই সাভাবিক। তাই এই দায় ও ছেলেদের।

৬- এখানে কিছু ব্যতিক্রম থাকে যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন বোধ করছি না। এই ব্যতিক্রমের মুল উপাদান হলো লোভ। এই ব্যতিক্রমের হার খুব বেশি নয়। এরা বিপথে যাবে বলে জন্ম নিয়েছে তাই তাঁদের কথা ভেবে লাভ নেয়।
৭-কোন মেয়ে লাভ জিহাদের পাল্লায় পড়লে সাথে সাথে তার বাবা মা আত্মীয় স্বজন কে জানান(দরকার হলে নিজের পরিচয় গোপন করে হলেও)
সর্বপরি এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সচেতনতা তৈরি করতে হবে হিন্দু মেয়েদের মাঝে।এ বিষয়ে জীবনের শুরুতেই (অর্থাৎ বয়সন্ধি কালের শুরুতেই,বাড়ি থেকে যখন বের হয়ে গেল অর্থাৎ স্কুল, কলেজ ভার্সিটির জন্য বাইরের সাথে যোগাযোগ হল) তখনই ভাই হিসেবে বঙ্কে,বাবা হিসেবে মেয়েকে,বন্ধু হিসেবে বন্ধুকে খোলাখুলি বলুন, আলোচনা করুণ।
সমস্যার উৎস গুলি কে চিহ্নিত করা হয়েছে ঠিক আছে, যে সব স্থানে আমরা মানে ছেলেরা সচেতন হলে মেয়েরা ঐ কালো থাবা থেকে বেঁচে যেত সেগুলিকে আগে ঠিক করে পরে অন্য কিছু ভাবা দরকার। প্রায় দেখি পোষ্ট এ ঢালাও ভাবে মেয়েদের দোষী করা হয়, হয়তো অনেক ক্ষেত্রে দোষ দেওয়া যুক্তি যুক্ত। ধরে নিলাম দোষ আছে মেয়েদের তবুও কি সব দোষ সব সময় সবার সামনে উল্লেখ করতে হবে? মেয়ে সম্প্রদায়কে যদি ঢালাও ভাবে দোষ দেওয়া হয় এটা হবে চরম অন্যায়।

এই লাভ জ্বিহাদ ঠেকাতে হলে মেয়েদের কি করতে হবে তার চাইতে ছেলেদের সচেতন হতে হবে বেশি করে। ছেলেদেরকে মেয়দের বন্ধু হতে হবে,ভাইকে বোনের বন্ধু হতে হবে, বোনকে জানাতে হবে, পিতা হয়ে নিজের মেয়েকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে, বোন কে তথ্য দিতে হবে, আপনি বোনদের সাথে শেয়ার করতে লজ্জা পেলে আপনার বোন জানবে কি করে এই বিষয়ে? 


[আরো বিস্তারিত

(সূত্র

Thursday, June 19, 2014

এবার মাওলানা বললেন জাকির নায়েকের বয়ান না শোনার


জাকির নায়েক মুসলামানদের ধোকা দিচ্ছেন দাবি করে পিস টিভিতে তার বক্তৃতা না শোনার পরামর্শ দিয়েছেন মাওলানা মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোগড়া মধ্যপাড়া ঈদগাহ মাঠে শুক্রবার ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে বয়ানে মাওলানা যুক্তিবাদী এই পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, “জাকির নায়েক কোনো আলেম নন। ইসলাম ধর্মীয় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তার কোনো সার্টিফিকেটও নেই। তিনি পিস টিভির মাধ্যমে মুসলমানেদের নানাভাবে ধোঁকা দিচ্ছেন, বিভ্রান্ত করছেন।”
ভারতের মহারাষ্ট্রে জন্ম নেয়া জাকির নায়েক পিস টিভির কল্যাণে বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ। চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারী জাকির আবদুল করিম নায়েক ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে ইসলাম নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে আসছেন।
৪৭ বছর বয়সি জাকির নায়েক নিজের প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট। এই ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন পিস টিভিতে জাকির নায়েকের বক্তৃতা প্রচার করা হয়। ইসলাম নিয়ে তার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মাওলানা যুক্তিবাদী বলেন, জাকির নায়েক ঈদের নামাজ ও জামাত নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন।
“জাকির নায়েক ঈদের নামাজের ৫ বা ৭ তাকবিরের যে তথ্য প্রচার করছেন, তা কোনো গোত্র বা দলের হতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশের শতকরা ৯০ভাগ মুসলমানই হানাফি মাজহাবের। তারা বছর বছর ধরে ৬ তাকরিরের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।”
“জাকির নায়েক বলেছেন, ঈদের খুৎবা শোনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঈদের খুৎবা শোনা সুন্নত।”
জাকির নায়েক তার টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবসায়িক স্বার্থে বিভ্রান্তিকর মাসলা-মাসায়েল দিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেন মাওলানা যুক্তিবাদী।
যুক্তিবাদীর এই বয়ানের সময় সাবেক বাসন ইউপি’র চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন চৌধুরী, গাজীপুর সিটির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফয়সল আহমেদ সরকার, আতাউর রহমান, মমতাজ উদ্দিন ঈদের মাঠে ছিলেন। তারাসহ কয়েক হাজার মুসল্লি ওই ঈদ জামাতে শরিক হন। 


[বিস্তারিত]

(সূত্র

Saturday, June 14, 2014

ঈশ্বরের অংশ আমরা সবাই

সকাল নয়টা, রুম থেকে বের হয়ে যাব প্রাইভেটের উদ্দেশে, জুতো পরছি। তখনি পাশের বাসার দু'জন মহিলার কন্ঠ ভেসে এলো কানে। দু'জনই হিন্দু নন, তাদের কাছ থেকে এটা আশা করিনি। একজন আরেকজনকে বলছে, "আপা কাল মহাভারত দেখেছেন?" ওপাশ থেকে উত্তর এলো সম্মতিসূচক। তারা দু'জনই সাম্প্রতিক পর্বগুলো নিয়ে আলোচনা করতে লাগলো। একরাশ আনন্দ-অনুভূতি নিয়ে পা বাড়ালাম প্রাইভেটের দিকে। বাংলাদেশের প্রতিটা ঘরেই চলছে স্টার প্লাস, মহাভারত। সারাটাদিনই ভাবলাম, এটা হয়তো প্রতিটা সিরিয়ালের মতোই মনে করে দেখছে, আবার ভাবলাম স্টার জলসা, জিটিভি রেখে স্টার প্লাসে মহাভারত দেখাটা ব্যতিক্রম।

পরিশেষে আমার মন্তব্য: কৃষ্ণ শুধু ১০০ কোটি মানুষের ভগবান নয়, ৭০০ কোটি মানুষেরই ভগবান… যারা ভুলপথে আছেন তারা এতোগুলো শরীর নিয়ে কোন না কোন জন্মে কৃষ্ণের শরণাগত হয়, তখনই এদের উপর কৃষ্ণের কৃপা বর্ষিত হয়।

হরে কৃষ্ণ।

(লেখক - শুভ্র দেব)

Friday, June 13, 2014

পূর্ণিমা শীলের ধর্ষকগণ


এই সেই পরপশুগণ যারা ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে অনিল শীলের কন্যা পূর্ণিমা শীলকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে তার মায়ের চোখের সামনে ... এরা আল্লাহর নাম নিয়ে ধর্ষণ করেছিলো। তাদের ভাষায় গণিমতের মাল বিসমিল্লাহ বলে সহবত করার গুণাহ নেই।


(সূত্র

Thursday, June 12, 2014

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনায় ভরে গেলো বাংলাদেশ

বিজয় দিবস কিংবা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে যত না লাল সবুজের পতাকা বিক্রি করতে পারে আবদুল, বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশী বিদেশী পতকা সে বিক্রি করছে। অনেকে বলে থাকেন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেললে সবাই বাংলাদেশের পতাকা কিনতো। আবদুল এটার সাথে একমত না। ক্রিকেটের সময় কত ছেলে পেলে দেশের পতাকা রেখে বাইরের দেশের টা কেনে। বিদেশপ্রীতি ইংরেজ রা আমাদের রক্তে ঢুকিয়ে গেছে।

ডাক্তার ভালো। কেন? কারন বিদেশের ডিগ্রি আছে। ইঞ্জিনিয়ার টা ভালো। কেন? বিদেশে অনেক বাড়ির ডিজাইন করছে। বাইরের দেশের হাসপাতাল ভালো। কেন? কারন ঐ টা বিদেশে। কুকুর টা সুন্দর। কেন? কারন বিদেশী। পাত্র খুবই ভালো। কেন? কারন বিদেশে থাকে। মেয়ে টা খুবই সুন্দর। কেন? বিদেশী সাদা চামড়ার মত। সিগারেট টা স্মুদ। কেন? বড়ভাই এক কার্টন বিদেশ থেকে পাঠাইছে। অমুক প্রেসিডেন্ট খুব দয়ালু। কেন? বিদেশী প্রেসিডেন্ট তাই। ছেলে একেবারে অন্যরকম। কেন? পুরা ইংরেজ দের মত টকটকে লাল। বিশ্বকাপের পতাকা গুলাও সুন্দর। কেন? কারন দেশী পতাকা না।

পতাকা বিক্রেতা আবদুল বিদেশী পতাকা গুলো সাথে কিছু লাল সবুজের পতাকাও নিয়ে বের হয়। গত স্বাধীনতা দিবসে অনেক গুলা বিক্রি হয় নি। কয়েকটা লাল সবুজের পতাকা কিনে উড়ানো যাক। তার নীচে নাহয় থাকুক পছন্দের দলের পতকা টি। দরিদ্র হোক, খেলাধুলায় চৌকস না হোক, আমাদের দেশ তো। উপরেই নাহয় থাকুক। আবদুল রা আশে পাশেই আছে।


(সূত্র

Tuesday, June 10, 2014

ব্রাজিলকে হারিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ... সত্যি সত্যি ...

ঘটনা আমি টের পেয়েছিলাম কনফেডারেশন কাপের সময়েই। আমরা ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের ছবি আপ করছি, ব্রাজিলের বিজয় কামনা করছি। ব্রাজিল থেকে আমার বন্ধু ক্যামেলো Antonio Camelo বলছে, কী তোমরা ফুটবল ফুটবল করছ, আমরা তো সবাই ব্যস্ত সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে। ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারা ব্রাজিল এখন বিক্ষোভ করছে।
দুদিন বাদে বিশ্বকাপ, ব্রাজিলে এখনও ধর্মঘট চলছে। মেট্রো রেলের কর্মচারীরা ধর্মঘট করছে। এমন কি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনিও ধর্মঘট করেছে। বিক্ষোভ করেছেন আদিবাসীরা। যার যা দাবি আছে তা পূরণ করে নেওয়ার এটাই সবচেয়ে মোক্ষম সময়।
ব্রাজিলে পৌঁছানো বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা অবাক। কোথাও ফুটবলের চিহ্নমাত্র নেই।
এখানেই বাংলাদেশ জিতে গেছে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে। একেবারে ৫-০ বিজয়। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় দেখি, কারওয়ানবাজারের পিঠার দোকান, চায়ের দোকানগুলো নেই। একজন দোকানিকে পেলাম, বললাম, আপনার দোকান কই? বললেন, বিশ্বকাপের সময়টা ফুটপাত পরিষ্কার করতে বলেছে, আমরা করেছি। তার মনে বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই। এইটা নিয়ে গল্প লিখেছিলাম জামাল ও তার পিঠাবিক্রেতা মায়ের কিরকেট। জামালদের পিঠার দোকান বন্ধ, ওরা গ্রামে ফিরে গেছে, মাকে বলছে জামাল, মা তোমার সবুজ শাড়িটা দাও, খলিফা চাচা লাল কাপড় দিয়েছেন, সবুজ শাড়িটার একটা হাত পেলেই আমার লাল সবুজ পতাকা হবে মা। সাকিব আগামীকাল ভালো খেলবে মা।
স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশ সত্যিই দুবারই খুব ভালো করেছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় ক্রিকইনফো লিখেছিল, বাংলাদেশ বিশ্বকাপকে তার প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় তখন মানুষ। কোনো কারণ নেই, ঢাকাবাসী স্টেডিয়ামের সামনে রাতের বেলা দাঁড়িয়েছিল, তারা বিশ্বকাপের আলোকসজ্জা দেখছে। সর্বত্র ক্রিকেট আর ক্রিকেট। বাংলাদেশ যখন ইংল্যান্ডকে হারাল, পুরো দেশ মাতোয়ারা হয়ে পড়েছিল। টিটুয়েন্টিতে ২য় পর্বে আমরা একটা ম্যাচেও জিতিনি বটে, কিন্তু স্বাগতিক হিসেবে আমাদের উৎসাহ আর আনন্দের সীমা ছিল না। সিলেটে মেয়েদের বিশ্বকাপেও গ্যালারি ভর্তি থাকত।
বাংলাদেশের মানুষ আসলেও মেজবান হিসেবে খুবই ভালো, তাদের আন্তরিকতার কোনো তুলনা হয় না। বিদেশিরা নাক-মুখ কুচকে এদেশে আসে, যাবার সময় চোখ মুছতে মুছতে যায়, যদি জিগ্যেস করা হয়, এই দেশের কী তোমাদের সবচেয়ে ভালো লেগেছিল, তারা বলে, এই দেশের সবচেয়ে ভালো হলো মানুষ। মানুষের আন্তরিকতা!
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

(লেখক - আনিসুল হক

Thursday, June 05, 2014

লাভ জেহাদ

লাভ জেহাদের মূল লক্ষ্য হল কোনও অমুসলিম দেশে ধর্মীয় জনসংখ্যার বিন্যাসে দ্রুতহারে পরিবর্তন আনা। অর্থাৎ ইসলামধর্মীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করে সেখানে মুসলিমদের একাধিপত্য স্থাপন করে, দেশটিকে দার-উল-ইসলাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা। এই পদ্ধতি প্রয়োগের উদ্দেশ্য বহুমুখী ­­­­­­­­­­­­­­­­­:-
  • প্রথমত, একটি অমুসলিম মেয়েকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করলে মুসলিমদের সংখ্যা একজন বাড়ানো যায় এবং একজন অমুসলিমের সংখ্যা কমে। অর্থাৎ অমুসলিমদের ক্ষতি হয় দুইদিক থেকে।
  • দ্বিতীয়ত, অমুসলিম মহিলাদেরও মুসলিম উৎপাদনের যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে তার দ্বারা উৎপাদিত একাধিক সন্তান দ্বারা মুসলিমের সংখ্যা বাড়ানো যায়।
  • তৃতীয়ত, ইসলাম ধর্মে এক একজন পুরুষের চারটি করে স্ত্রী গ্রহণের অধিকার আছে। সেই চাহিদা অনুযায়ী জোগান কিন্তু নেই । কেবল অন্য ধর্ম সম্প্রদায়গুলি থেকে নারী গ্রহণের মাধ্যমে সেই চাহিদা পূরণ করা যায়।
  • চতুর্থত, এর ফলে অমুসলিম জনসংখ্যায় পুরুষ এবং স্ত্রী-র অনুপাতে ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এবং যার ফলে ভবিষ্যতে অমুসলিম পুরুষও মুসলিম নারী বিয়ে করতে বাধ্য হবে। এবং তখন বিধর্মী পুরুষদেরও সহজেই ইসলামে ধর্মান্তরিত করার পথ সুগম হবে।
  • পঞ্চমত, ক্ষেত্র বিশেষে অমুসলিম মহিলাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করে তাকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সন্ত্রাসীতে পরিণত করে অমুসলিমদের বিরুদ্ধেই তাকে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
  • সর্বোপরি, একজন মুসলিমের কাছে জেহাদের উদ্দেশ্য হল জান্নাতে যাওয়ার পথকে সুগম করা। এখানে তো দ্বিগুন সুগম হয় জান্নাতের পথ। কেননা একদিকে একজন ইসলামে অবিশ্বাসী কাফির কে ‘ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে’ আনার বিশাল পুণ্য, অন্যদিকে আল্লাহ-র পথে জেহাদের সর্বাধিক পুণ্য । অর্থাৎ জান্নাতে যাওয়া ‘ডাবল’ নিশ্চিত!

Wednesday, May 21, 2014

বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িকতা বনাম ভারতের সাম্প্রদায়িকতা



ভারতে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুবাদী বিজিপি ক্ষমতায় গেলেও কোন মুসলিম, খৃষ্টান, জৈন, সিং দার কোপ খেয়েছে বলে শুনা যায় নি। দেখা গেছে বিজয়ের সাথে সাথে বিগত সরকার বিজিপি কে অভিনন্দন জানিয়েছে। এবং নিজেদের ভুল বুঝে সবাইকে যোগ্য সরকার নির্বাচিত করায় ধন্যবাদ জানিয়েছে। একেই বলে হিন্দু। হিন্দুবাদী রাজনৈতিক দল। একেই বলে রামরাজ্য।

বাঙলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ..... দল প্রতিবার নির্বাচন কে কেন্দ্র করে হিন্দু কে কচু কাঁটা করেছে। শতশত মা-বোন কে ধর্ষণ করেছে। ২০০১সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে জামাত কুকুরের বাচ্চা কে নিয়ে পায়ের অাঙ্গুল দিয়ে হিন্দু মহিলার সিদূঁর মুছে ধর্মান্তর করে। উপাসনালয় পুড়ে মসজিদ বানিয়েছে। রাতের আধাঁরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে নিরবে দেশ থেকে পালিয়েছে কত জন? আর গত ভোটের কথা কি বলবো?

Sunday, May 18, 2014

!!ক্ষমা করো হজরত!! (কাজী নজরুল ইসলাম)


তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ, ক্ষমা করো হজরত্‌।
ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ
ক্ষমা করো হজরত্‌।।

Saturday, April 26, 2014

যারা বলে ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন হয় না (লেখাটি সকলে সংগ্রহে রাখবেন)

চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Saturday, March 29, 2014

হিন্দুরা নাপাক, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না

আমি চট্টগ্রামের একটি মসজিদে নিয়মিত জুমার নামাজ পড়তাম। কিন্তু গত ৩ জানুয়ারী থেকে আর পড়ি না। এর মূল কারণ ঐ মসজিদের ইমাম সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এখন মূল ঘটনাই আসি।
“গত ৩ জানুয়ারি প্রতি শুক্রবারের মত আমি ঐ মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে গেলাম। মোল্লা তার বয়ান শুরু করলেন। প্রথমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা দিলেন। তার সব রাগ গিয়ে পড়ল শেখ হাসিনার উপর কারণ তিনি একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও আরেকজন নারী আইনজীবীর নিরাপত্তা দিতে পারেন নাই। এরপর তিনি নারীর আধিকার এবং ইসলাম ধর্মে নারীর সম্পত্তির হক নিয়ে কথা বললেন। তারপর হিন্দু আর মুসলিমদের বিয়ের রীতি নিয়া বিভিন্ন কথা বললেন। মুসলিমদের বিয়ের বিভিন্ন বিষয় এবং দেনমোহর নিয়ে কিছু হাদিসের কথা উল্লেখ করলেন যা ছিল খুব যৌক্তিক। শেষের দিকে তিনি এমন কিছু বললেন যা আমার কানে বোমার শব্দের মত শোনালো। তিনি প্রতিবেশী ভারত এবং হিন্দুদের নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। তিনি বললেন   “হিন্দুরা নাপাক, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না”।
অথচ ঐ মসজিদের আশেপাশে অনেক হিন্দুদের জমি এবং কিছু দোকানপাট রয়েছে যা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয়। তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখলে আমাদের বিপদে পড়তে হবে। আমার কোন ক্ষমতা নাই ঐ মোল্লার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার।
তবে আমি ঐ দিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যতদিন ঐ মোল্লা  নামাজ পড়াবে ততদিন ঐ মসজিদে নামাজ পড়বো না। আর আমাদের ধর্মেও রয়েছে যারা ইসলামের ভুল বর্ণনা করবে তাদের পিছনে নামাজ পড়া অনুচিত।
(লেখক - ডার্ক ম্যান