Showing posts with label Bangladesh. Show all posts
Showing posts with label Bangladesh. Show all posts

Saturday, August 23, 2014

12 Years A Slave

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ:
আগেই বলে নিচ্ছি নিচের লেখাটি গত বছরের Oscar বিজয়ী 12 Years A Slave নিয়ে রচিত। কেউ যদি এটি না দেখে থাকেন এবং দেখার ইচ্ছা আছে ও ঘটনা আগে জেনে ফেলতে ইচ্ছুক নন, তারা বাকি আর পড়ার প্রয়োজন নেই। আর যদি মনে করেন, এটি দেখার কোনো ইচ্ছা নেই বা ঘটনা আগে জেনে ফেললে কোনো সমস্যা নেই, তারা পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

Friday, August 22, 2014

ভেবে দেখেছি কি?


গতকাল ফিলিস্তিন নিয়ে কথা হচ্ছিল। হঠাৎ মনে হল, আমাদের দেশের হিন্দুদের কথা। ওদের সাথে কত অত্যাচার করা হইছে, কত জমি দখল করা হইছে, কতজন বাধ্য হয়ে নিজের ভূখন্ড ছাড়ছে।

তারপর ভুলে গেছিলাম। আজকে ফেসবুকে কাকতালীয়ভাবে এক ভাইয়ার পোস্টে এই ছবিটা দেখে আবার মনে হল।

ইজরায়েল ভয়ানক অন্যায় করে আসছে ফিলিস্তিনিদের উপর। অনেক দিন ধরেই (যখন বেশ কিছু মানুষ মরে, তখন আলোচনায় আসে) চলছে। বাংলাদেশীরা ও তীব্রভাবে প্রতিবাদ করতেছে। এ সচেতনতা প্রয়োজন।

কিন্তু আমরা যেন সাথে ভুলে না যাই, যে আমাদের নিজের ভূখণ্ডে আমরা সংখ্যালঘুদের সাথে বছরের পর বছর কি করে আসতেছি। নিজেদের হাতে ক্ষমতা আসলে আমরা যদি ইজরায়েল হয়ে উঠি, তাহলে তাদের সমালোচনার মুখ কিন্তু থাকে না।

আশা করি, ইজরায়েলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ যেভাবে মতপ্রকাশ করতেছে, নিজের দেশের সাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধেও একইরকম দ্ব্যার্থহীনভাবে বলবে।

নিজদেশে পরবাসী বোধ করাটা কত কষ্টের তা ফিলিস্তিনিরা জানে। আমাদের দেশের মুসলিমরা এই বিষয়ে সবসময় উচ্চকন্ঠ হলেও আমার মনে হয় আসলে ফিলিস্তিনিদের কষ্টটা অনেক বেশি জানে আমাদের দেশের হিন্দুরা।

কিছুদিনের বিরতি দেয়া হয়। তারপর আবার কোন অজুহাতে ওদেরকে মারা শুরু হয়। এমনকি বিরতির সময়ও নানাভাবে মনে করিয়ে দেয়া হয়, এ দেশ আসলে তাদের না।

হ্যাঁ, আমি ফিলিস্তিনিদের কথা বলতেছি। কিন্তু তাদের জায়গায় বাংলাদেশি সংখ্যালঘু বিশেষত হিন্দু বসিয়ে দেয়া যায় অনায়াসে। কত মিল!

আমি আবার বলতেছি, যে ইজরায়েল একটা ভয়ঙ্কর অন্যায় দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। এর বিরুদ্ধে যারা কথা বলতেছেন, আমি তাদের সাথে একাত্ম। কিন্তু নিজের দেশে আমরা যদি মানুষকে দেশছাড়া করে অন্যদেশের আগ্রাসন আর ফিলিস্তিনিদের উদ্বাস্তু হওয়া নিয়ে সমবেদনা জানাই, সেটা নির্মম কৌতুক।

এ তুলনাটা আক্ষরিক না। আমি জানি, তুলনাটা অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য না। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের সরাসরি অনেক কিছু করার আছে, কারণ এটা আমাদের দেশ। আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িকতা আছে, ভালভাবেই আছে। নাহলে বছরের পর বছর এভাবে চলতে পারতো না।

আমরা যদি ফিলিস্তিনিদের দুঃখ আসলেই বুঝি, আমাদের উচিত হবে একই সাথে নিজেদের দেশের সাম্প্রদায়িক বৈষম্য আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হওয়া।


(সূত্র

Tuesday, August 12, 2014

দ্যা বাম মুমিনস এর সাথে কথোপকথন


-আপনি ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আক্রমণ নিয়ে লিখছেন না কেন?
-লিখেছি তো।
- কই লিঙ্ক দেন।
-খুঁজে পড়ুন, লিঙ্ক দিতে পারবো না। আমি কাউকে লিঙ্ক দেই না।
-আচ্ছা আপনি ফিলিস্তিন ইসরাইল সমস্যার কারণ কী মনে করেন? আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে ধর্মই এই সংঘাতের কারণ।
- হ্যাঁ ধর্ম তো বটেই, জাতীয়তাবাদও। জন লেনন বলেছেন, একদিন ধর্মমুক্ত রাষ্ট্রমুক্ত পৃথিবী হবে, সেদিন "nothing to kill or die for" এর সময় আসবে। কোন কিছু নিয়ে কাউকে আর খুন করতে হবে না। সমস্ত পৃথিবীই সব মানুষের হবে।
- কিন্তু ঐ ভূমি তো প্যালেস্টাইনের জনগণের।

Monday, August 11, 2014

এদের কি মা-বোন নেই?



লালমনিরহাটে জোর পূর্বক ধর্মান্তর, ধর্ষণ। এই নিউজ সম্পর্কে কিছু বলার ভাষা পাচ্ছি না যখন দেখলাম। আমার ব্যর্থতা আমি গালি দিতে পারি না, শুনতে পারি না, সহ্যও করতে পারি না। হিন্দু ছেলেরা মালাউন আর মেয়েরা গণিমতের মাল। এর চেয়ে বড় গালি বোধহয় আর হয় না। ফিলিস্তিনের জন্য মন কাঁদে কিন্তু সত্যি এখন বাংলাদেশের জন্য করুণাও হয় না। ছিঃ বাংলাদেশ ছিঃ। ছিঃ বাঙালি ছিঃ । ছিঃ শুয়রের দল ছিঃ তোরা নারী জাতিকে মা-বোন ভাবতে পারলি না, শুধু ভাবলি ভোগের বস্তু। ধিক!


(Source)

Friday, August 08, 2014

Peaceful Hypocrisy?


প্রথমে আমি বলতে চাই আমি মানবতা বিরোধী কাজকে পছন্দ করি না হোক সে যে ধর্মের আর ইসরাইলকে প্রনাম করতে চাই কারন ৩ ইসরাইলিকে খুনের কারনে তারা হাজার ফিলিস্তানিকে খুন করে বদলা নিয়েছে । কিন্তু ইসরাইলের মোকাবেলার জন্য কোন মুসলিম দেশ এগিয়ে আসেনি এসেছে পুতিনের ধর্ম কিন্তু খ্রিস্টান। তাও আবার Orthodox Christian (গোঁড়া খ্রিস্টান)।গাজার "মুসলিমদের" বাঁচাতে আরবের কোন খোদার খাসি সহ কোন মুসলিম এগিয়ে আসেনি, এসেছে গোঁড়া খ্রিস্টান পুতিন । এখন দেখুন ইসলামী জুঙ্গিরা নাকি পুরা পৃথিবীতে মুসলিম রাজ্য প্রতিস্তাপন করবে । কিন্তু কি ভাবে তারা করেবে যারা নিজ মুসলিম উম্মাদের বাঁচাতে পারেনা কোথাই গেল পাকিস্তানী হারামির বাচ্চারা তারা নাকি ভারকে এক ঘণ্টায় শেষ করে দিতে পারবে কিন্তু কেমনে ভারত + রাশিয়া + ইসরাইল + আমেরিকা ======= তাহলে বুজেন পাকিস্তানী জারজদের কোন মার দিবে ভারত । কিন্তু আমরা হিন্দুরা বা ভারতীয়রা মানবতা বাদী , আর শান্তির বানী মেনে চলি আর সে কারনে হয়তো বার , বার ভারত মুসলিমদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । ভারতের ভিতর বসে ভারতের মুসলিমেরা বোমা বাজী করছে আর তাদেরকে সহযোগিতা সিকুলার হিন্দুরা অথচ বাংলাদেশের হিন্দুরা যদি এই রকম কাজ একটা করি তাহলে আমি নিশ্চিত একজন হিন্দু বাংলাদেশে বাস করতে পারবেনা কারন কোন অন্যায় ছাড়া প্রতিদিন হিন্দুদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছি । বাংলাদেশের মোল্লারা facebook এই খালি বাল চিরে কিন্তু বাস্তবে কিছু করতে পারে না । তারা জিহাদ করে নিজ ভাইদের খুন করে , তারা জিহাদ করে নিজ মুসলিম ভাইদের রক্ত রঙ্গিত করে । আমি সে কাঠ মোল্লাদের বলতে তোরা যদি বাল চিরতে পারিস তাহলে ইসরাইলকে করে দেখ তাহলে বুজবো তোরা সত্যিকারের জিহাদি ।কিন্তু কুকুরের মত নিজ ঘরের সামনে নিজ ভাইদেরকে মেরে তোরা শান্তি ফিরে আনতে পারবিনা । কোথায় আল কায়েদা,কোথায় তালেবানকোথায় হিযবুত তাওহীর,কোথায় আনসারুল্লাহ টিম কোথায় বোকো হারাম, কোথায় জামাত,ফেহাজতী ইসলাম। কোথায় গুলাবীর তিন নাম্বার বাচ্ছারা????কেউই নাই কারণ এরা আমেরিকারই ছুপা এজেন্ট এরা জিহাদের নামে নিজ দেশের মুসলিম হত্যা করতে পারে কিন্তু ইসরাইলকে কিছু বলতে পারে না।


Thursday, August 07, 2014

মানবতা ... হায় রে মানবতা!

ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব তোলপাড়। মুসলিম দেশগুলোর পাশাপাশি অমুসলিম দেশগুলোও ফিলিস্তিনীদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। শিবির কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসরাইল বিরোধী মিছিল করেছে। ফেসবুক,টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে ইসরায়েলী পণ্য বর্জনের আহবান জানাচ্ছে মুসলিমরা। সেইসঙ্গে তথাকথিত মানবতাবাদী বাস্তবে ভন্ড বাম হিন্দু নাস্তিকগুলোও শুইন্যা মুসলমানের মতো লাফাচ্ছে। ফিলিস্তিনের উপর হামলায় যেন তারায় বেশি ব্যাথিত!

Wednesday, August 06, 2014

শুধুমাত্র কিছু মানুষের উদ্দেশ্যে

সেদিনকার এক ব্লগের মন্তব্যে কিছু বাংলাদেশী অভিযোগ তুললো যে, বাংলাদেশে হিন্দুরা নাকি অনেক শান্তিতেই আছে। আর বাংলাদেশের মিডিয়া নাকি খুবই সচেতন এ বিষয়ে। তুলনামূলক নাকি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমরা নির্যাতিত হলে খবরে তেমন একটা আসে না।

কিছুদিন আগেকার কথা। রোজার মাস রমজানে এক শিবসেনার সংসদ সদস্য না জেনে এক মুসলিম রাঁধুককে খাবারের নিম্নমানের জন্য খাবার মুখে গুঁজে দেয়। ভারতের প্রধান প্রধান সকল চ্যানেল, পত্রিকা, মিডিয়াতেই এটি এসেছে। অথচ যখন সেইসব মানুষকে দেখালাম অমরনাথ তীর্থস্থাণে প্রায় একই সময়ে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের তাঁবুতে মুসলিম কিছু লোক হামলা চালায়, আগুন দেয় - সে খবর পাত্তা পায় না প্রধান গণমাধ্যমগুলোতে।

আর এবারে এক হিন্দু প্রাক্তন শিক্ষিকা গণধর্ষিত হন মাদ্রাসায় এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপের শিকার হন - সে খবর ক'টা মিডিয়াতে এসেছে? হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশীরা খুব সহজেই ভারতের ভুল-ত্রুটী ধরতে পছন্দ করি। আর সেক্যুলার নাম দিয়ে সাম্প্রদায়িক বলে অনেক দোষারোপ করি। এককথায় নিচের কার্টুনটিই বুঝিয়ে দিচ্ছে বর্তমান ভারতীয় গণমাধ্যম:

এই পোস্টটি শুধু তাদের জন্য। যারা কথায় কথায় বলেন ভারতে মুসলিমরা কোণঠাসা হয়ে বাস করে, সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জন্য শান্তিতে টিকতে পারে না। অথচ মনে মনে এমন আশা পুষে সেসব সংখ্যালঘুরা। একটি বারের জন্য শুধু কল্পনা করেন তো কী হতো, যদি বাংলাদেশী সংখ্যালঘু কোনো হিন্দুর দ্বারা মন্দিরে কোনো সংখ্যাগুরু মুসলিম মেয়ে গণধর্ষিত হতো, কেমন হতো মিডিয়া, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া। সে তুলনায় কেমনটা দেখছেন ভারতে? একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন।

Monday, August 04, 2014

এতে কি মানবতা জাগে?

দেখুন তো এই খবরটিতে মানবতা জাগে কি না!

লালমনিরহাটে অপহরণকৃত হিন্দু মেয়ে ধর্ষিত এবং জোড় করে ইসলামে রূপান্তরকরন। লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার থেকে একটি মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষন করা হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সজোরে ইসলামের রূপান্তরকরনের শিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ২ মে আদিতমারী থানায় বুলেট মিয়া, বাবলু মিয়া ও আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। অপহরণকৃত হিন্দু মেয়েটি জানায় বুলেট মিয়া এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা ২৯ এপ্রিল জোড়পূর্বক তাকে অপহরণ করে। দূর্বত্তরা তাকে অপহরন করার পর কাছের একটি গ্রামে নিয়ে গিয়ে জোড়(পূর্বক ধর্মান্তরকরন এবং ধর্ষণ করে। মেয়েটির পরিবার পুলিশের কাছে সাহায্যের দাবি করলে বরাবরের মত প্রশাসন নিরব ছিল। পরে সংবাদটি মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপহ্বত মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এদিকে বুলেট মিয়া ও তার সঙ্গীরা অপহরনকৃত মেয়ের পরিবারটিকে বিয়ে এবং ইসলামের রূপান্তরের বিষয়টি পুলিশের কাছৈ স্বীকার না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তদন্তাধীন(কর্মকর্তা জেলা উপ-পরিদর্শক জাফর ইকবাল বলেন অভিযুক্তরা এখনো পলাতক আছে কিন্তু তারা ধরাছোয়ার বাইরে নয় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে যথেষ্ট তত্পর এবং তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটির পরিবারে পক্ষ থেকে বলা হয় দুর্বত্তরা এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী তাই পুলিশ তাদের হাতের কাছে পেয়েও গ্রেফতার করেনি।

(সূত্র

Saturday, August 02, 2014

আরেকটি গাজার মতো ঘটনা রুখতে আজই এগিয়ে আসুন

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: সমালোচনা গ্রহণ করার মনোবৃত্তি নিয়ে যদি পড়ার সাহস থাকে তাহলেই শুধু পড়বেন, নতুবা উল্টা-পাল্টা গালিগালাজ করে নিজের এবং লেখকের সময় নষ্ট করবেন না]

George Orwell এর "1984" যখন ১৯৪৮ সালে লেখা হয়, তখন অনেকেই এটিকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলো। বলেছিলো এ সম্ভব নয়। লেখক অনেক সমালোচনারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু বেশীদিন লাগেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে শীতল যুদ্ধের সময়কালীন পর্যায়েই George Orwell এর কথাগুলো সত্য হতে থাকে। আর আজ ২০১৪ সালে তো এ বিষয় এমনই সত্য যে, এ ভিন্ন সমাজকে কল্পনা করাও প্রায় অসম্ভব। একেবারে যেন আমাদের আমাদের সামাজিক জীবনের অংশেই ঢুকে গেছে যে এ নিয়ে এখন আর আমাদের মাথা ব্যথাই আর নেই। যা হোক, পাঠক যদি এ বই না পড়ে থাকেন, নিজ দায়িত্বে পড়ে নেবেন আর তখনই বুঝবেন কোন ভবিষ্যতবাণীগুলো George Orwell করেছিলেন যা পরবর্তীতে সত্যরূপে ফলতে থাকে।

Friday, August 01, 2014

Where does blasphemy end in Islam?

For the last few years, we have seen how Facebook posts (whether true or not) have caused so much chaos, rage, assault in minority communities in Bangladesh. The fact that if these posts are true or not have almost never been verified by the angry Muslim mobs when attacking minority Hindu families. It even did not occur to the media that in a country where very few villagers use Facebook, how can they be so sure as to whether the alleged Hindu person(s) have really insulted Islam or its prophet. If law & order were to be held true in a democratic nation like Bangladesh, how can police be bystanders when such events take place? How can the government never be able to punish those who instigated such attacks by either framing those alleged Hindu individual(s) or making the posts by themselves & then selling it to the mass illiterate villagers as performed by a Hindu person?

Thursday, July 31, 2014

সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়ি পুনরুদ্ধার

৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf
৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf

৩৬ বছর পর দখলমুক্ত হলো সুচিত্রা সেনের বাড়ি। বুধবার এ দখলমুক্ত করা হয়।


পাবনায় অবস্থিত এ বাড়িতে ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল জামায়াতের নেতারা। অবশেষে আজ বুধবার জেলা প্রশাসন বাড়িটি দখলমুক্ত করেছে।


গত বৃহস্পতিবার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করে অবিলম্বে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলমুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ওই নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের পর ভুল তথ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের বাড়ি দখলে রাখায় আপিলকারী ইমাম গাযযালি ট্রাস্ট্রের মহাসচিব আবিদ হাসান দুলাল ও তার আইনজীবী ইমরান সিদ্দিকীকে তিরস্কার করা হয়েছে।


জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৬ জুলাই ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউটের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখলমুক্ত করে 'সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা' স্থাপনে সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।


প্রসঙ্গত, জামায়াত পরিচালিত ইমাম গাযযালি ইনস্টিটিউিট সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িটি একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে রূপান্তর করে ট্রাস্টের নামে বহু বছর ধরে দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের ১২ জুন পাবনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইমাম গাজ্জালি ট্রাস্টকে উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। কিন্তু তারা দখল ছাড়েনি। আপিল বিভাগের রায় অনুসারে এখন  ইমাম গাজ্জালি ইনস্টিটিউিটকে উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।


গত ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি সুচিত্রা সেন। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা সদর উপজেলার গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর  লেনের ওই বাড়িতে।


 ১৯৫১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুচিত্রা সেনের বাবা পাবনা থেকে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান।
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2014/07/16/30950#sthash.pQCT6uXk.dpuf

শেষ পর্যন্ত মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৩৬ বছর পর মহানায়িকা সূচিত্রা সেনের পিতৃবাড়ির অবৈধভাবে দখল সড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। এখন তা সঠিকভাবে কার্যকর হলেই ভালো। 

(খবরের সূত্র)

দখলের ক্ষেত্রে কোনো হিন্দুই ছাড় পায় না - তো সে বিখ্যাত কোনো ব্যক্তিত্ত্বই হোন আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষই হোন।

(কৃতজ্ঞতা)

Wednesday, July 30, 2014

সকল হিন্দুদের পড়ার অনুরোধ

গ্রুপ স্টাডি এবং লাভ জিহাদ...

আমরা অনেকেই আছি যারা লাভ জিহাদের মানেই জানি না। আসলে এই বিষয়ে আমাদের উদাসিনতাই দ্বায়ী। মুক্তমনারা বলে প্রেম মানে না রীতিনীতি কিসের আবার জাত-কুল-ধর্ম। আমি বলি কি এসব ভন্ডামী বাদ দেন। লাভ জিহাদ কি তার উত্তর শেষে পাবেন। আমার মত করে ব্যাখা দিব। আমাদের এই সনাতন ধর্মে ছেলেদের থেকে মেয়েরাই এই পথে পা বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ধনি বাপের মেয়েরাই। যখন একটি মেয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হয় তখন সেই মেয়েটি স্বপ্নের ভুবনে উড়তে থাকে। তার কারন সে এখানে কারো প্রতি জবাবদিহি করতে হয় না। তার ভাবের হাল চাল তখন চার গুন বেড়ে যায়। সে যে ভাসিটিতে ভর্তি হয়েছে সেখানে তার ক্লাসমেট হিন্দু মাত্র দুই তিন জন। যাদের প্রতি তার মিশতে ইচ্ছে হয় না। তো কি আর করার এমনিতেই চলে যায় কিছুদিন। আর এদিকে ভিড়তে থাকে নতুন ভুবনে নতুন বন্ধু বান্ধব। সবাই হাই সোসাইটির বন্ধু মহল। শুরু হয় গ্রুপ স্টাডি।

Monday, July 28, 2014

সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

সম্প্রতি ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের নিকটবর্তী অমরনাথ তীর্থক্ষেত্রে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের উপর মুসলিমরা আক্রমণ করে। এতে শতাধিক তীর্থযাত্রীদের তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চল্লিশেরও অধিক ব্যক্তি আহত হন। একই সময়ের দিকে নয়াদিল্লীতে এক সাংসদ (যিনি শিব সেনার সদস্য) ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবারের জন্য ক্যাটারিংয়ের এক কর্মচারীর মুখে ছুড়ে মারেন খাবার। পরে জানা যায় সেই কর্মচারী একজন মুসলিম ছিলেন। পরবর্তীতে কংগ্রেস পার্টির সাংসদরা সংসদ নিকটস্থ এলাকায় হুলোস্থুল কান্ড করেন সাম্প্রদায়িকতার দোষ দিয়ে।

সংবাদ মাধ্যমগুলোতে যদি দেখি, সেটা বাংলাদেশ কিংবা ভারতের যেখানেরই হোক না কেন, দ্বিতীয় খবরটি বেশ ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে। এমনকি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর ইফতার নিমন্ত্রণে না আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বেশ সমালোচিত হয়েছেন, সেটিও বর্তমান মিডিয়া দুনিয়ায় ঠিকই ফলাও হয়ে প্রচারিত হয়েছে।

পাঠকের নিকট আমার প্রশ্ন, একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করে বলুন তো, কোন খবরটা প্রাধান্য পাওয়া উচিত ছিলো? বলুন তো কেন তীর্থযাত্রীদের উপর হামলার ঘটনা গোটা মিডিয়া বিশ্ব উপেক্ষা করে গেলো? বলুন তো সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে কোনটি আরো বড় গুরুতর?

তারপরেও আমরা জানি ভারত একটি সাম্প্রদায়িক দেশ, যে দেশে সংখ্যালঘুরা মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারে না। যে দেশে সংখ্যাগুরুরা সংখ্যালঘুদের হাতে হামলার শিকার হয়েও দেশটি সাম্প্রদায়িকতার কালিমা নিয়ে পরিচিত। যে দেশে সংখ্যালঘুদের হাতে সংখ্যাগুরুদের তীর্থস্থাণের নিকট হামলার ঘটনা সংবাদ মাধ্যম উপেক্ষা করলেও দেশটি সাম্প্রদায়িক হিসেবেই আখ্যায়িত হয়। যে দেশে একজন সংখ্যালঘু রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি হওয়া সত্ত্বেও দেশটি অসাম্প্রদায়িক। যে দেশের এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (পশ্চিমবঙ্গ) এবারে দুর্গাপূজা ও ঈদ একই সময়ের দিকে পড়ায়, প্রতিমা বিসর্জন পেছাতে আদেশ দিয়েছেন সংখ্যাগুরুদের যাতে করে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় রীতি-নীতি পালনে কোনো প্রকার অসুবিধা না হয়, তারপরেও সে দেশটি সাম্প্রদায়িক। যে দেশে স্বাধীনতা পরবর্তী ৬০ বছরেরও অধিক সময়ে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যদিও সংখ্যাগুরুদের ছাড়িয়ে যেতে পারেনি, কিন্তু সংখ্যার (%) দিক থেকে বেড়েছে।

আর এবারে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা বলি। যে দেশে স্বাধীনতা পরবর্তী ৪০ বছরেরও বেশী সময়ে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা ৩৩% থেকে ৯% এ এসে ঠেকেছে সর্বশেষ আদমশুমারী অনুযায়ী। যে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য, রায় ঘোষণা, ফাঁসীর বাস্তবায়নের সময় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়। যে দেশে সংখ্যাগুরুদের রোজার মাসে সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয় নামাজ-সংযম শেষ করে। যে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর ধর্ষণ, হত্যা, লুন্ঠনের খবর মূলধারার মিডিয়া প্রচারে অপারগ। যে দেশে সংখ্যালঘু কেউ পাশের দেশে চলে গেলে তার সম্পত্তি তার আত্মীয়-স্বজনের বদলে শত্রু সম্পত্তি হয়ে সরকারের ঘরে চলে যায়। কিন্তু তবুও সেই দেশ অসাম্প্রদায়িক।

তাহলে একটু বুঝিয়ে বলুন তো, আসলে সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার সংজ্ঞা কি একই আছে যা আমরা অভিধানে শিখেছিলাম? নাকি এদের অর্থ হঠাৎই বদলে গেছে?

আমি মানছি, সংখ্যালঘু যে দেশেই বাস করুক না কেন, সে ইউরোপ-আমেরিকাই হোক, কিংবা গরীব কোনো তৃতীয় বিশ্বের দেশই হোক না কেন, তার কপালে দুঃখ আছেই। কিন্তু বাংলাদেশে যে হারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে হিন্দুমুক্ত বাংলাদেশ হতে বেশী সময় লাগবে না। আর এতে লাভ তো সকল গ্রুপেরই - সে আওয়ামীই হোক, বিএনপিই হোক, জঙ্গীবাদী জামায়াতই হোক কিংবা সেক্যুলার সুশীল সমাজই হোক। কেননা প্রতিটা হিন্দু চলে গেলে তো তার জমি-জমা, বিষয়াদি এদের কেউ না কেউই দখলে নেবে। তখন জাদুঘরে গিয়ে ভবিষ্যত প্রজন্ম জানবে বাংলাদেশে এককালে হিন্দুগোষ্ঠী নামক এক জাতি বাস করত। আর তখন সাম্প্রদায়িকতা-অসাম্প্রদায়িকতার যে কী সংজ্ঞা হবে তা কেই বা জানে?

Sunday, July 27, 2014

"চাচা, আপন চরকায় তেল দে"

প্রাচীন বাঙালী প্রবাদগুলো বোধহয় সেকালের বয়োঃজ্যেষ্ঠরা সময়ের সাথে সাথে নানান অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জেনেই চিরন্তন বাক্যগুলো বলে গিয়েছিলেন। নইলে কয়জনায় আমরা নিজের ঘরে সদাইপত্র আছে নাকি না দেখে অন্যের ঘরের খবর নিব। আর শুধু খবরই নেব না, প্রয়োজনে নিজের সময়-অর্থ ব্যয় করে অন্যের সদাইপত্র এনে দেব। উদার মানসিকতার লক্ষণ হতে পারে এসব। কিন্তু নিজের ঘরের শিশুটা না খেয়ে কাঁদলেও আমার কান অব্দি তা আসবে না বা আসলেও আমি কোনো কিছুই করব না - এমনটাই বোধহয় বাঙালীদের চরিত্র।

প্রসঙ্গত, গত ক'দিন যাবত ফেইসবুক, টুইটার তথা অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ মিডিয়াগুলো ফলাও করে প্রচার করছে গাজাতে ইসরাইলী হামলার নানান দুর্বিষহ ছবি, ভিডিও। ফলে স্বভাবতঃই আমাদের বাঙালী হৃদয়ে ক্রন্দন চলে আসছে। আর ফলে কেউবা অনন্ত জলিলের মতো অর্থ পাঠাচ্ছেন। কেউবা হেফাজতে ইসলামীর মতো বাংলাদেশে ইসরাইলী দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচী করছে। আর যারা একেবারেই কোনোভাবে সাহায্য করতে পারছেন না, তারা নিজ নিজ ফেইসবুক, টুইটারগুলোতে hashtag - "#SupportGAZA" বা এমনতর কিছু দিয়ে সেইসব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন।

এবারে দেখি অন্য দৃশ্যটুকু। খোদ বাংলাদেশে গত ক'দিনে কী সব ঘটেছে, আমরা ক'জনায় জ্ঞাত আছি? ক'জনে আমরা জানি উপজাতীয় শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না গুলি খেয়ে মরে যাবে বলে? ক'জনায় জানি স্বাধীন দেশ বাংলাদেশে সেসব শিশুদের স্কুল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে? ক'জনায় জানি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফেইসবুকে ইসলাম অবমাননার দায় দিয়ে হিন্দু বাড়ি-ঘরগুলোতে হামলা হয়েছে? সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে ইদানীংকালে যে হারে হিন্দুপল্লীগুলোতে ফেইসবুকে ধর্ম অবমাননার অজুহাত তুলে দিয়ে কত নিরীহ মানুষজনের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে - তা ক'জনায় জানেন? কিংবা স্বাধীন দেশে মুক্তিযোদ্ধারা অর্থের অভাবে প্রাণ হারান, কিন্তু সাহায্যের জন্য আমাদের গাজায় ঠিকই অর্থ পাঠানোর সামর্থ্য থাকে, দেশের বীরসেনাদের জন্য না - সেখবরই বা ক'জনায় রাখেন?

আর যদি বলেন প্রকৃত মানবতার জন্যই আপনাদের এই সুশীল সমাজের লড়াই, তাহলে অন্যান্য যেসব দেশগুলোতে গাজার চেয়েও গুরুতর মানবতার হানি হচ্ছে, সেব্যাপারে কতটা সোচ্চার আছে আপনাদের কন্ঠস্বর? শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই সিরিয়াতে ১,৭০০-র অধিক মানুষ মারা গেছে, যার মধ্যে দু'দিনেই ৭০০-র বেশী। এ নিয়ে কেন নীরব মানবতা? নাইজেরিয়াতে বোকো হারামের গ্রুপ শতাধিক মানুষ (বিশেষ করে নারী) মারছে, তখন কোথায় আপনাদের মানবতা? কিংবা যখন ISIS নামক সংগঠন হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার ধ্বংস করে দেয়, তখন মুমিন মুসলমানরা কোথায় থাকে?

আমরা আজ সকলেই নিরীহ ফিলিস্তিনীদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের জন্য ইসরাইলকে দোষারোপ করছি। একবার নিজের দিকে দেখুন তো! ইসরাইল ১৯৪৮ সাল থেকে যে পরিমাণে আগ্রাসী হয়ে ফিলিস্তিনীদের জমি দখলে নিয়েছে, খোদ বাংলাদেশে ১৯৭১ এর পর থেকে ৩৩% থেকে ৮% এ নেমে আসা হিন্দু জনসংখ্যার জমিগুলো কাদের হাতে গেছে? পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের ভূমি থেকে বিতাড়িত করে তাদের জমি দখল করে নিয়েছে কারা? 

রক্তের বন্যা বইয়ে দেবার জন্য অন্যকে দোষারোপের আগে একবার নিজের হাতে দেখুন তো, নিজের হাতখানা রক্তময় কিনা? অন্যের দেশের আদিবাসীদের জন্য সহানুভূতি না দেখিয়ে নিজের দেশের আদিবাসীদের জন্য কি করেছেন, প্রশ্ন করুন তো নিজেকে? আপনি নিজে যা করতে পারছেন না, তা অন্যকে বলার আগে নিজে করে দেখুন তো পারেন কিনা? হযরত মোহাম্মদ সঃ একটা গল্প ছোটবেলায় ক্লাসে পড়েছিলাম এক শিশুকে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলার আগে নিজে নিজের মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস বদলে তারপর সেই শিশুর মায়ের সামনে সেই শিশুকে মিষ্টি খাওয়ায় বারণ করেছিলেন। প্রকৃত ধর্মপ্রাণ হোন আর তথাকথিত নাস্তিকবাদী, মানবতাবাদীই হোন না কেন - নিজেকে হাস্যকর কৌতুকের পাত্র বানাবেন না। যদি সেই সাহস থাকে তবে আগে নিজে করে দেখান পরে অন্যকে বলবেন। আর সুবিধাবাদী একপেশে খবরের উপর ভিত্তি না করে, চারদিকে কী ঘটছে না ঘটছে সেদিকটাতে একটু মনযোগী হবেন। এতে গাজার মতো সিরিয়ার কিংবা নাইজেরিয়ার হাজারো মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য নিজেকে অন্তত নিজের মন তৃপ্ত মনে হবে। 

Friday, July 25, 2014

মানবতা কি এখন জাগে না?


রবিবার সকালে পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া শফিরহাট এলাকায় এক হিন্দু পরিবারের দুই মহিলাসহ ৪জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করা ও তাদের বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে তাদের দুই বিঘা জমি বেদখল করে নিয়েছে দুর্র্বৃত্তরা। আহতদের সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ তবে এখনো দুর্র্বত্তদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। আহতরা হলেন বিধবা পুস্প রানী সেন, তার দুই ছেলে শ্যামল চন্দ্র সেন, কমল চন্দ্র সেন ও শ্যামল চন্দ্র সেনের স্ত্রী দীপালি রানী সেন। স্থানীয় প্রভাবশালী আবুল হোসেন ও তার লোকজন ওই হিন্দু পরিবারের আবাদি জমি দীর্ঘদিন থেকে জোড়পুর্বক ভোগদখল করে আসছিলেন।
হিন্দু পরিবারটি আদালতের আশ্রয় নিলে গত ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতের হিন্দু পরিবারটির পক্ষে রায় দেন। আবুল হোসেন ও তার লোকজন ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে আজ সকালে ওই পরিবারটির উপর হামলা বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে জমি আবারো বেদখল করে নেয়।



(Source)

Thursday, July 24, 2014

Can all Jews be considered the same?

Look Bangladeshis what a fellow Muslim celebrity of Bangladesh is saying about Jews:

My biggest inspiration and favorite satirist through his "fake" news show once again tells the truth better than anyone else. By the way, John Stewart is Jewish. So for all those who are using the Gaza conflict to hate all Jews, this would be a good reason to reconsider your intolerant world view. 

(Source)

Saturday, July 19, 2014

রমজানের সংযম

কয়েকবছর আগে সিলেটে রমজান মাসে মাজারের পাশে দাঁড়িয়ে আছি, কয়েকজন চাপদাড়ি এবং সাদা পাঞ্জাবি পড়া তরুণ আমাকে ধর্মবিষয়ে নসিহত করতে এগিয়ে এলো। ছেলেগুলো শিবির সদস্য, তাদের রমজানের কার্যক্রম হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় ওয়াজ নসিহত করা। সাধারণত তাদের দেখলেই লোকজন কাজ আছে বলে কেটে পরে, কিন্তু আমি কেটে পরলাম না। আমার নাম জিজ্ঞেস করলো, নাম বললাম। তাতেই তারা নিশ্চিত হলো আমি মুসলমান। এরপরেই শুরু করলো বয়ান। আমার কলবে কী আল্লাহর ভয় নাই? আমার দিলে কি মুহাম্মদের জন্য ভালবাসা নাই? আমার কী ইসলামের জন্য জিহাদ করে জীবন দিতে ইচ্ছা করে না? আমি উদাস ভঙ্গিতে তাদের সামনেই একটা বিড়ি ধরিয়ে বললাম, নারে ভাই, আমার এত চুলকানি নাই।

Wednesday, July 16, 2014

আজ গাজায় নিহত শিশুদের নিয়ে যেসব হিন্দু স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা কি ভারতে হিন্দু হওয়ার অপরাধে ভারতীয় মুসলিমদের হাতে নিহত এই শিশুদের কথা জানে?


প্রথমেই আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন করি, ২০০২ সালে গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দিরের শান্তির ধর্মের অনুসারীদের হামলার কথা আপনারা কজন জানেন? মনে হয়না খুব বেশি সংখ্যক মানুষ জানেন বা মনে রেখেছেন।এই আত্মবিস্মৃত হিন্দু জাতি ২০০২ সালের কথাই মনে রাখতে পারে না তারা কি করে শত শত বছর আগে ধ্বংস করা মন্দির গুলোর কথা মনে রাখবে??? দিনটা ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০২,ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধী নগরে অবস্থিত সুবিখ্যাত এবং অনিন্দ্য সুন্দর অক্ষরধাম মন্দিরে প্রতিদিনের মত হাজার হাজার পুন্যারথি আর দর্শনার্থী হাজির হয়েছেন। তখন বেলা ৩টা।মধ্যাহ্ন ভোজনের পর আবারও ধিরে ধিরে ভিড় জমে উঠছে মন্দিরে। মুর্তজা হাফিজ ইয়াসিন আর আশরাফ আলি মুহাম্মদ ফারুক নামে দুজন শান্তির ধর্মের অনুসারী অক্ষরধাম মন্দিরের ৩ নম্বর ফটক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করল।তাদের শরীরের কাপড়ের আড়ালে লুকান একে ৪৭ আর গ্রেনেড। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের কারনে তারা ঢুকতে পারল না গেট দিয়ে।এভাবে যখন আর সম্ভব হচ্ছিল না তখন মরিয়ে হয়ে দেয়াল টপকে ঢুকেই শুরু করল গুলি বর্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের বুক স্টলের কাছে লুটিয়ে পড়লেন একজন মহিলা দর্শনার্থী এবং একজন মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক।এরপরই এই মুসলিম জঙ্গিদ্বয় প্রধান মন্দির কমপ্লেক্সে ঢুকতে চেষ্টা করল।কিন্তু মন্দির রক্ষিগণ আটকে দিল প্রধান ফটক।ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিরা দৌড়ে ঢুকতে চেষ্টা করল মাল্টিমিডিয়া থিয়েটারে।কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হল। অবশেষে তারা ঢুকে পড়ল ১ নম্বর একজিবিশন রুমে।সেখানে তারা নিরবিচারে গুলি বর্ষণ করল। হতাহত হল প্রচুর।এরপর জঙ্গিরা উঠল মন্দিরের ছাদে। বিকাল ৫ টা নাগাদ সমস্ত এলাকা পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী ঘিরে ফেলে।কিন্তু তারা জঙ্গিদের ধরতে ব্যর্থ হয়।রাত ১১ টা নাগাদ ‘ব্লাক ক্যাট’ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরস এসে দায়িত্ব নেয়।এরপর শুরু হয় আসল অপারেশন যার নাম দেয়া হয় ‘বজ্রশক্তি’।সকাল ৬টা নাগাদ জঙ্গিদ্বয় গুলিতে নিহত হয়।কিন্তু এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে মারা গেছেন ৩০ জন সাধারন মানুষ আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।জঙ্গিরা নিষ্পাপ শিশুদেরও মারতে দ্বিধা বোধ করেনি।এই অপারেশনের সময় গুরুতর আহত হন সিকিউরিটি ফোরসের সদস্য সুরজান সিং ভাণ্ডারী। প্রায় দুই বছর কোমাতে থাকার পর ২০০৪ সালে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে গুজরাট রাজ্য সরকার, ভারত সরকার,ইন্টারপোল,সি আই এ এবং আরও কিছু দেশি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বের হয়ে আসে এই হামলা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই হামলার পরিকল্পনা করে জইশ ই মুহাম্মদ নামক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন। আশরাফ আলি আর মুর্তজা ইয়াসিনের সাথে আইয়ুব খান নামক জঙ্গি পাকিস্তানের লাহোর পিণ্ডি হতে খালী হাতে গুজরাটের আহমেদাবাদে হাজির হয়।সেখানে তাদের কে আশ্রয় দেয় সেলিম হানিফ শেখ ও আদম সুলেমান আজমেরি নামক ভারতীয় মুসলমান যারা ভারত মাতারই ক্রোড়ে লালিত হয়েছিল সারাটি জীবন। আজমেরি তার ভাইয়ের বাড়িতে থাকার জায়গা করে দেয় এবং আরও কিছু ভারতীয় মুসলিম জঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যারা পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আগেই এনে রেখেছিল। ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে আজমেরি, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মুহাম্মদ শেখ সহ ৬ জনকে আটক করে।সর্বশেষ ২০১০ সালে গুজরাট আদালত ৩ জনকে ফাসি এবং ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাগারে দণ্ডিত করে। এভাবেই ভারতের মাটিতে জন্ম নেয়া,ভারত মাতার ক্রোড়ে লালিত মুসলিম সন্তানদের সাহায্যে পাকিস্তানি ইসলামি জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসের বিষ দাঁত বসিয়েছে ঐতিহাসিক কাল থেকে।


(সংগৃহীত