Showing posts with label Bangladesh. Show all posts
Showing posts with label Bangladesh. Show all posts

Sunday, November 16, 2014

লাভ জিহাদ বাদই দিলাম......এটা তবে কি?

সম্প্রতি প্রখ্যাত নজরুলগীতির শিল্পী ফিরোজা বেগম মারা গেছেন। উনার মৃত্যুতে কুলখানীর আমন্ত্রণপত্রে উনার বাবা-মা'র নাম ঠিকই উল্লেখ আছে, কিন্তু স্বামীর নাম একদমই নেই। স্বামী কি হিন্দু বলে? সাধারণত আমাদের বাঙালী সমাজের বিবাহিত মহিলারা বিয়ের পরে স্বামীর নাম নিয়েই চলেন। এক্ষেত্রে এমন ব্যতিক্রম করার কারণ কি? মুসলিম মহিলারা হিন্দু পতির প্রতি আকৃষ্ট হবেন তা থামানোর জন্যে? এমনকি বিয়ের পরও ইনি মুসলিম রীতি-নীতিই পালন করেছেন। সন্তানাদিরাও মুসলিম নামই ধরে রেখেছেন। পিতার পারিবারিক নাম কেউই বহন করেননি। তুলনা করুন একটা হিন্দু মেয়ে-মুসলিম ছেলের বিয়ের পরবর্তী অবস্থা!


Thursday, November 13, 2014

প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র বিক্রয়

যে দেশে এমনতর প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র বিক্রি করা হয় ঘোষণা দিয়ে, সে দেশে পড়াশোনার কীই বা উন্নতি হবে?


Wednesday, November 05, 2014

Believe it or not!


যারা হিন্দু নির্যাতনের কথা এলেই অন্য দেশের সংখ্যালঘুদের তুলনা এনে বলে বাংলাদেশের হিন্দুরা নাকি শান্তিতে থাকে তাদের মুখের উপর এই পোস্ট ছুড়ে দিন।

কয়েক প্রজন্ম পরে এই তথ্য গুলো "বিলিভ ইট ওর নট" হিসেবে বিবেচিত হবে সারা বিশ্বে

Thursday, October 16, 2014

সাঁথীয়া কাঁদছে


৭১-এও যেখানে পাক সেনারা আঘাত করেনি, ৪২ বছর পর সেখানে স্যেকুলার সরকারের আমলে আক্রমণ হলো। বয়স্ক এই বৈষ্ণব মহিলা আজও চাইছে তুলসীর তলা আলোময় করে রাখতে। ক'দিন আর পারবে?

Sunday, October 05, 2014

কোরবানীর ঈদ বলে কি কোনো দয়া-মায়া থাকবে না?

ঈদ-উল-আজহায় বাংলাদেশে কোরবানীর পরে এমনতর একটি বাছুর পাওয়া গেছে মাতা গরুর পেটের ভেতর থেকে। গর্ভবতী গোমাতাকে কোরবানী না করলেই কী হতো না?


Tuesday, September 30, 2014

আপনি করলে দোষ না, পরে করলেই দোষ

ভারতের অযোধ্যায় বাবরী মসজিদের জায়গায় রামমন্দিরের শিলান্যাস ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে ইসলামিক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ২৯ অক্টোবর, ১৯৮৯ থেকে বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডবলীলা শুরু করে। এই শ্রেষ্ঠত্ববাদী গোষ্ঠী বহু জায়গার হিন্দু বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আক্রমণ করে পুড়িয়ে দেয়; বহু হিন্দু আহত হয়, কিছু সংখ্যক মারাও যায়। হিন্দু মন্দির এবং আশ্রমগুলোর ওপর ছিলো তাদের বিশেষ নজর। ৯ এবং ১০ নভেম্বর, ১৯৮৯ এই উন্মত্ততা চরম আকার ধারণ করে। অসংখ্য মন্দির ভেঙ্গে বা পুড়িয়ে দেয়া হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরো অনেক। দেব-দেবীর প্রতিমাতে ভাঙচুর চলে, সেগুলো ছুড়ে ফেলা হয় মন্দিরের বাইরে। পুরোহিতেরা মারধরের শিকার হন। পদক্ষেপহীন ২টি সপ্তাহ কাটাবার পর বাংলাদেশ সরকার অবশেষে এই হামলা বন্ধের তাগিদ অনুভব করে। বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের অসাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে সরকার এক ডজন মন্দিরের মেরামতেরও ঘোষণা দেয়। নিচের তালিকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, ৫৩ তেজতুরি বাজার, ঢাকা, বাংলাদেশের প্রকাশনার সাহায্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে লক্ষণীয় যে এটি একটি আংশিক তালিকা মাত্র।

Saturday, September 27, 2014

লালমনিরহাটে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা



Land Dispute: Four of a Hindu family stabbed, house set afire at Shafirhat village in Patgram upazila in Lalmonirhat. The injured are Pushpa Rani Sen, 68, wife of late Debendra Nath Sen and her two sons Shyamol Chandra Sen, 45, and Kamol Chandra Sen, 38, and Shyamol's wife Dipali Rani Sen, 30 & Seriously injured Pushpa Rani was admitted to Rangpur Medical College Hospital.

(Through Adv. Rabindra Ghosh)
President of Bangladesh Minority Watch (BDMW)


[Source]

Friday, September 26, 2014

মানিকগঞ্জে হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ

Ms. Sagorika Haldar(16) Minority belonging to Hindu raped and murdered at Manikgonj:

The victim was poor but brilliant HINDU student of Class IX (Nine) studying in Joymantop High School near her village. Her registration No. 1210792720 (Session 2012). On the date of occurrence the victim was at her home, but uneducated and simple father and mother was out of their home for business purpose. One Gurupada informed police that the dead body of Ms.Sagorika Haldar was found in her room adjacent with a ceiling fan after a quarreling amongst the victim and perpetrator Abdur Razzak. Abdur Razzak – the notorious women monger, without having any previous consent & without any lawful authority entered into the room of Ms. Sagorika and started to assault her closing the door with shoes because the victim reused sexual intercourse and cried for rescue; resulting serious injuries and she died. Police came and saw the dead body laid down on the ground. Police also managed to carry the dead body for post mortem at the nearest Hospital. But police did not record the case under proper section of law.


(Through Bangladesh Minority Watch)

[Source]

Wednesday, September 24, 2014

ফেনী-ঝালকাঠিতে হিন্দুদের উপর হামলা

ফেনী ও ঝালকাঠিতে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে হামলা, আগুন। পত্রিকা বলে দুর্বৃত্ত। আমার প্রশ্ন দুর্বৃত্ত কি জিনিস???? সরাসরি বলতে লজ্জা কিসের?
১।
ফেনীতে হিন্দু বাড়িতে আগুন দিলো দুর্বৃত্তরাঃ
ফেনীর মোটবী ইউনিয়নের সুরেন্দ্র কুমার নাথের ঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
এসময় সুরেন্দ্র কুমারের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৩ টি গরু পুড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীর
া জানান, প্রথমে গোয়ালঘরে আগুন লাগলেও মুহুর্তেই তা পুরো বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হতে পারলেও প্রায় ৩ ঘণ্টার আগুনে সব
মালামালসহ ঘরটি পুড়ে যায়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুরেন্দ্র কুমারের পারিবারের। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২।
বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরঃ
ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার যদু বণিকের বাড়ির সর্বজনীন মনসা মন্দিরে হামলা চালিয়ে একটি মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফিরোজ আকন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মন্দিরের পাশের বাড়ির বাসিন্দা ফিরোজ আকনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল মন্দিরে ঢোকে। তারা মন্দিরে থাকা মনসা প্রতিমার সখীর মূর্তি এবং মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় মন্দিরের পরিচালক শিবেশ্বর দত্ত বণিক বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় গতকাল বুধবার মামলা করেছেন। ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শীলমণি চাকমা বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


(সূত্র

Tuesday, September 23, 2014

নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের কর্মকারবাড়ির বসতঘর ও মন্দিরে গত বুধবার একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি বেদখলের পরদিন গতকাল শুক্রবার পুলিশের সহায়তায় তা উদ্ধার হয়েছে। তবে ওই পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নোয়াখালী: ধন্যপুর গ্রামের ধনঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার দুপুরে স্থানীয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে তাঁদের বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার বাড়ির ছেলেদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তা মীমাংসাও করা হয়। কিন্তু বেলা একটার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁদের বসতঘর ও মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় বাধা দিলে নারীসহ অন্তত আটজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে রুপেক চন্দ্র কর্মকার (২৭) ও সঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার (২৩) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ধনঞ্জয় আরও বলেন, সিরাজের সঙ্গে জমি নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই এ হামলা হয়েছে। সিরাজ ও তাঁর ছেলে মানিকসহ অন্যদের এলাকায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
হামলা ও ভাঙচুরের সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সামাদ বলেন, এ ঘটনায় সিরাজসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বাউফল (পটুয়াখালী): পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের নকুল চন্দ্র কির্ত্তনীয়া (৭৫) প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে তাঁর পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একই গ্রামের কাজী মো. আলী হোসেনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িঘরের বেড়া ভাঙচুর করে এবং পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির জমি দখল করে নেয়। পরে এ ঘটনায় বাউফল থানায় অভিযোগ করলে গতকাল দুপুরে পুলিশ গিয়ে ওই জমি উদ্ধার করে তাঁদের বুঝিয়ে দেয়।
নকুল চন্দ্র অভিযোগ করেন, এখন তাঁর পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের জমি ওই পরিবারটি দখল করে রেখেছে। সেই জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে হামলা, ভাঙচুর এবং তাঁদের প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকির অভিযোগ মিথ্যা।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জমির কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


(সূত্র

Sunday, September 21, 2014

বিচারের আশা নিয়েই শুধু বাঁচি, বিচার কভু পাই না



শিল্পি রানি দাস (৩৫) একজন হিন্দু নারী সে কাদছে বিচারের আশায়, যার নাবালিকা মেয়েকে (১২) ধর্ষিত এবং খুন করেছে মুসলিম মৌলবাদীরা।

=> ঘটানাটি ঘটেছে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলা সদর, বুয়াবারিয়া থানা, ২৮,০৬,২০১৩ সালে। ঘটানার সাথে জরিত তিন মুসলিম যথা 1) মোহাম্মদ রুবেল শেখ, 2) মোহাম্মদ লাল চাঁদ শেখ এবং 3) মোহাম্মদ রমিজ শেখ। এই নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নাম্বার-১৪, তারিখ ২৮,০৬,২০১৩। কিন্ত পুলিশ চাচ্ছে ঘটানটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে। কতিপয় হিন্দুদেরকে জরিয়ে দিতে।


(সূত্র)  

Tuesday, September 16, 2014

যুদ্ধপূর্ববর্তী রমনা কালী বাড়ি


আজ যে ছবিটি আপনাদের দেখাব সেটা বাংলাদেশের ঢাকা শহরের খুব বিখ্যাত একটি জায়গা। ১৯৭১ সালে জায়গাটির নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।ছবিতে দূরে যে মঠ সদৃশ মন্দিরটি দেখছেন ওটাই সেই বিখ্যাত রমান কালী বাড়ি।

রমনা কালী মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল। এটি রমনা কালীবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি প্রায় এক হাজার বছরেরও পুরাতন বলে বিশ্বাস করা হয় এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা পার্কের (যার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বহির্ভাগে অবস্থিত।এই মন্দিরটিরও একটা গল্প আছে। একবার নাকি নেপাল থেকে দেবী কালীর একজন ভক্ত এসেছিলেন। তিনিই তৈরি করেছিলেন এই কালী মন্দির। ঢাকা শহরের অন্যতম পুরোনো আর বনেদি এই কালী মন্দিরটি পরে ভাওয়ালের রানী বিলাসমণি দেবী সংস্কার করেন।মোঘল আমলের শেষ দিকে মোঘল সেনাপতি মান সিংহের সহযোগিতা ও বার ভূঁইয়ার অন্যতম কেদার রায় এর অর্থে শাহবাজ মসজিদের উত্তর দিকে হরিচরণ গিরি ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন কৃপা সিদ্ধির আখড়া যা পরবর্তীতে ভদ্রাকালী বাড়ী এবং পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয় রমনা কালী মন্দির হিসেবে।

ঊনিশশো একাত্তর সালের ছাব্বিশে মার্চ সকাল এগারোটার দিকে পাকিস্তানি সেনারা এই আশ্রমে প্রবেশ করে। পুরো আশ্রম ঘেরাও করে এরা লোকজনদের আটকে রাখে- বের হতে দেয় না কাউকে। সে সময় এই পিশাচদের সাথে ছিলো পুরোনো ঢাকা থেকে ১৯৭০ এর নির্বাচনে পরাজিত মুসলীম লীগ প্রার্থী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অন্যতম দোসর খাজা খায়েবউদ্দিন। প্রধানত এই হিংস্র জানোয়ারের তৎপরতায়ই ২৭ মার্চের গভীর রাতে রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়।

২৭ মার্চ গভীর রাতে সান্ধ্য আইন চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মন্দির ও আশ্রম ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সার্চ লাইটের আলোতে গোটা রমনা এলাকা আলোকিতো হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় গুলিবর্ষণ। রমনা কালীমন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমা গুঁড়িয়ে দেয় এই অসভ্য বর্বর সেনাবাহিনী।মন্দির তারপর গোলাবর্ষণ করে- মন্দির ও আশ্রম পরিণত হয় এক ধ্বংসাবশেষে।

সেখানেই তারা হত্যা করে রমনা কালী মন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী পরমানন্দ গিরিকে। ইতিহাস পাঠে জানা যায়- এই সাধক মৃত্যুর আগে আশ্রমের অন্যান্যদের উদ্দেশে বলে গিয়েছিলেন- আমি তোমাদের বাঁচাতে পারলাম না, কিন্তু আশীর্বাদ করি- দেশ স্বাধীন হবেই। সব শেষে বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দেয় পুরো মন্দির। (ছবিতে সাদাকালো অংশ ধ্বংস হবার আগের মন্দির) । রমনার কালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে একাত্তরের শহিদ হয় শতাধিক ভক্ত ।

পাক সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে ‘৭১’র রমনা কালি মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমটি দুটি ধ্বংস করেছিল। কিন্তু তা আজও নির্মাণ হয়নি। এই মন্দিরটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ২য় বৃহত্তর জাতীয় মন্দির। অবিলম্বে এই মন্দিরটির জায়গা ও মন্দিরটি পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাই। 


(সূত্র

Friday, September 12, 2014

এ খবর আমরা কয়জন রাখি?

গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশজুড়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির-ঘরবাড়িতে আগুন ধরানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বছর বিভিন্ন মন্দিরের ৪৯৫টি মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৭৮টি বাড়ি ও ২০৮টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও ১৮৮ জন আহত হয়েছে।

(প্রথম আলো, ১ আগস্ট ২০১৪)

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ হাজার বসতবাড়ি ও অর্ধশতাধিক মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মানুষের বসতবাড়ি ভাঙলে একটি বাড়িই ভাঙে, যা আবার নির্মাণ করা যায়। কিন্তু মন্দির বা উপাসনালয় কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, মানুষের হৃদয় ও পবিত্রতার প্রতীক। সেটি ভাঙা মানে তার হৃদয় ভাঙা। তাঁর ধর্ম ও গোটা সম্প্রদায়কে আহত করা।

(Source)

Wednesday, September 10, 2014

অতঃপর বাঙালি জানল না টাকার অভাবে বিনা চিকিতসায় মারা গেলেন এক অভাগা মুক্তিযোদ্ধা, উক্য চিং!

হ্যাঁ, সেই উক্য চিং, যিনি ১৭৫জন বীরবিক্রমের মধ্যে একমাত্র আদিবাসী, সেই উক্য চিং যার অপারেশনের সাফল্যে মিত্র বাহিনীর প্রধান জগজিৎ সিং অরোরা পর্যন্ত ছুটে এসেছিলেন মুক্তাঞ্চলে তার সাথে দেখা করতে। মাত্র ১৩জন সৈন্য নিয়ে পাকসেনাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।
একবার তিনি সাত আটজন বাঙালি তরুণীর ধর্ষিত ক্ষতবিক্ষত লাশ খুঁজে পান। এর প্রতিশোধে তিনি এক কমান্ডার সহ সাত পাকসেনার লিঙ্গ কেটে রাস্তায় শুইয়ে রাখেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় এরকম প্রতিশোধ আর কেউ নিয়েছে বলে জানা নেই। এই কাজটি করে দেখিয়েছেন অগ্নিপুরুষ উক্য চিং!
তারপর কী হয়েছে? সেই উক্য চিংকে আমরা সম্মান জানিয়েছি বিজয় দিবসে বান্দরবানে ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড দিয়ে! তিনি পরে বলেছিলেন, "কেন এই প্রাইজ বন্ড দিয়ে আমাদের লজ্জা দেয়া?" [এই অংশের কৃতজ্ঞতা আলী মাহমেদ]
ব্রেইন স্ট্রোক করে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, দুলাখ টাকা হলে তিনি উন্নত চিকিৎসা পেতেন। কিন্ত হায়! বাঙালি তখন গাজা নিয়ে ব্যস্ত, অনন্ত জলিল ফটোসেশন করে গাজায় টাকা পাঠান, আমরা ফান্ড খুলি "ফিলিস্তিনের জন্য ক্ষতিকর" হামাসকে টাকা পাঠানোর জন্য, অথচ নিজের দেশের মুক্তিযোদ্ধাকে দেখার কেউ রইল না। আজ টাকার অভাবে বিনা চিকিতসায় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন!
অবশ্য তাতে কী? নিজের দেশের প্রতি সময় দেবার সময় আছে নাকি আমাদের? আমরা আজ বিশ্ব মানবতার ঝাণ্ডাধারী, দেশের এসব ছোট খাটো ব্যাপার, কোথাকার কোন মুক্তিযোদ্ধা বিনা চিকিতসায় মারা গেল তাতে আমার কী? আমার বিশ্ব মানবতা রক্ষা করতে হবে, হ্যাশট্যাগ দিয়ে ইজরায়লে এটাক থামাতে হবে। কিন্ত নিজ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করা যাবে না। হে সিজনাল মানবতাবাদী, আর কত হিপোক্রিসি?
আপনারা সারা বিশ্বের শান্তির জন্য লড়ে যান আমার কোনো আপত্তি নেই, আমিও আপনাদের দলে। কিন্ত প্লিজ, আগে নিজের দেশটার দিকে একটু তাকান।
যে মানুষগুলা নিজের জীবন বাজি রেখে আপনাকে একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন,আপনি তাদের বাঁচাতে কলম ধরতে পেরেছেন কি? সেই মানুষগুলোর দিকে আগে তাকান, একটু অন্তত জন্মযোদ্ধাদের কৃতজ্ঞতা দেখান, তাদের সহযোগিতা করুন, প্রাপ্য সম্মান দিন। প্রতিজ্ঞা করুন, আর একজন মুক্তিযোদ্ধাও যেন টাকার অভাবে মারা না যায়।

(Courtesy - Dipta Akash Roy

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Monday, September 08, 2014

সেক্যুলারীজম কাহাকে বলে?

বাংলাদেশের ধার্মিক অধিকাংশ মুসলমান বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চাই, আর ভারতে চাই ধর্মনিরপেক্ষতা। গিরগিটি আর কাকে বলে!
আর বাংলার অনলাইন মুক্তমনাচনারা আরও ভয়ানক। একটি চরম ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক এবং প্রায় অন্ধকারে ডুবতে যাওয়া দেশে বসবাস করেও তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে ভারতে বিজেপির ক্ষমতায়নে। ফেইসবুকে দুই চারটা বেশি লাইক পাওয়ার জন্য দালাল সেজে ভাঁড়ামি করায় তুলনাহীন তারা। একটু ওয়েট করেন মহাজ্ঞানীরা। আপনার দেশের হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার কোপ খেয়ে মরেছেন। তসলিমা নাসরিন ভারতবাসী। কবি দাউদ হায়দার জার্মানিতে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন আসিফ মহিউদ্দিন। মৌলবাদীদের আক্রমণের স্বীকারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলও কেটেছেন চার পাঁচজন।সময় থাকতে লাইনে আসুন। লাইক ভিখারি স্ট্যাটাস দিয়ে জামাতের দালালি ছাড়েন।
যদি না পারেন তবে সামান্য অপেক্ষা করুন। আওয়ামিলীগ একবার স্লিপ খেলেই প্রথম বাঁশটা আপনাদের পাছায় ঢুকবে। আগে নিজের দেশ দিয়ে ভাবুন। নিজের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা দেখুন। অবশ্য সুবিধাবাদী দালালদের সময়ের প্রয়োজনে খতনা দেখিয়ে মহাধার্মিক সাজতে দেরি হওয়ার কথা নয়।

(সূত্র

Thursday, September 04, 2014

History & Fraud


১৯৫১ সালের সেন্সান অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।

Sunday, August 31, 2014

লাভ জিহাদের গল্প


গ্রামের নাম মধুপুর, এ গায়েরই ছেলে পিন্টু সুত্রধর, বাবা-মার এক মাত্র ছেলে ।
তখন পিন্টু অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ত । খুব মেধাবী ছাত্র। এস এস সি এবং ইন্টারে বিজ্ঞান বিভাগে এ+ পেয়েছে । অনেক টা কষ্ট করেই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিল সে। আর এদিকে পাশের গ্রামের টুম্পার সাথে একটু একটু করে ভালবাসার সম্পর্ক গড়তে থাকে। টুম্পার পুরো নাম টুম্পা আচার্য। এক ভাই এক
োনের মধ্যে সেই ছোট। মা-বাবা আদর করে তাকে টুম্পা মনি বলে ডাকে। বাবা বিমল আচার্য একজন স্কুল শিক্ষক এবং পুরুহিত। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা অর্চনায় ওনিই থাকেন ঠাঁকুর মশাই হিসেবে। বলতে গেলে ওনার বেশ সুখ্যাতি আছে। টুম্পা তখন ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। দেখতে খুব গোল-গাল মিষ্টি একটা মেয়ে। বলতে গেলে গান বাজনা, আবৃত্তি, অভিনয় সব দিক হইতেই পটু।

Friday, August 29, 2014

হিন্দু-মুসলিমে পার্থক্য

হিন্দুরা আগে সতীদাহ প্রথা মানতো। জ্যান্ত একটা মানুষকে পুড়িয়ে মারা! কি বর্বর। রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। তিনি ইহা সহী সনাতন হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। এটাও বলেন নি আমি তো পোড়াচ্ছি না। যারা এটা করে তারা সহী হিন্দু নয়। তিনি লড়াই করেছেন। সমাজ এবং ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করায় উনার হুমায়ুন আজাদের মতো চাপাতির কোপ খেয়ে মরতে হয়নি।রাজীব হায়দারের(থাবা বাবা) মতো গলির মুখে লাশ হয়ে পড়ে থাকতে হয়নি।
হিন্দুদের মধ্যে বিধবা বিবাহ ছিল না।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলের কথা জানি না। আমার গ্রামে আমার জানামতে তিনজন বিধবার বিয়ে হয়েছে। বিদ্যাসাগর মশাই ইহা সহী হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। হিন্দু ধর্মে অনেক কুসংস্কার, জাতপ্রথা আরও ফালতু ব্যাপার আছে। তবে হিন্দুরা লাইনে আসছে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে।
শরৎচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, সুনীল এবং আরও অনেক হিন্দু ফ্যামিলিতে জন্ম নেওয়া লেখক হিন্দু ধর্মের এবং সমাজ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। কাউকে কোপ খেয়ে মরতে হয়নি বা, তসলিমা কিংবা দাউদ হায়দারের মতো দেশান্তরি হয়ে থাকতে হয়নি। পার্থক্য এই জায়গায়।
এক ধর্মাবলম্বীরা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে দায়িত্ব শেষ করে। আর যদি কেউ দাঁড়ায় প্রতিবাদ কররে তবে তবে তাঁর জন্য দা, ছুরি, চাপাতি আর কল্লা ফেলানোর ফতোয়া তো আছেই। আর অন্যরা? আমার কি? আমি কি হুমায়ুন আজাদকে কোপাইতে গিয়েছিলাম নাকি? ইহা সহী নয়!
বলতে পারেন, ইসলাম ধর্মে বিধবা বিবাহ আছে। সতীদাহ ছিল না। হ্যাঁ ছিল না। তবে ফেইসবুক ইউজ করায় পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ড, প্রেম করে বিয়ে করায় জনসমক্ষে গুলি করে হত্যা, হিল্লা বিয়ে, বৃষ্টিতে ভিজায় বোনকে ভাইয়ের গুলি করে হত্যা, ধর্ষিত হলে দুইজন ধর্ষনের স্বাক্ষী নিয়ে যাও, নাস্তিক হলে তার কল্লাটা আস্তে করে একটা কোপ দিয়ে আলাদা করে দাও, ধর্মান্তরিত হলে খুন করো এইসব আছে।
বলদ এবং ধর্মান্ধ সব ধর্মেই আছে। কিন্তু টয়লেট, কবরস্থান, জানাজার নামাজ, ঈদের নামাজ, পার্ক, শপিং মল, রেল স্টেশন, এখানে সেখানে বোমা মেরে নিজের ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরের প্রচেষ্ঠা এই যুগে এসে মুসলমানেরা ছাড়া আর কেউ করবে না এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন।
আর যারা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন, তাঁরা একটু ইরাক, আফগানিস্তান, সুদান, সিরিয়া এবং অন্য ইসলামিক দেশগুলোর দিকে তাকান। এটা এখানেও আসছে এবং খুব দ্রুত। সকালে দুই ট্যাং নিয়ে বাজারে গিয়ে যখন বোমার আঘাতে এক ট্যাং নিয়ে বাসায় ফিরবেন তখন বুঝবেন। হা হা। আমি পপকর্ন আর চিপস নিয়ে বসে আছি দেখার জন্য।

(সূত্র)

Tuesday, August 26, 2014

ISIS এর অনুপ্রেরণায় এবার জামায়াত-হেফাজত

গত কয়েকদিনে শুধু জানতাম ISIS এর মতো জঙ্গী সংগঠন (যা নাকি আবার পশ্চিমাদের তৈরি) মাজারের মতো পবিত্র স্থাণ ধ্বংস করছে ইরাকের মতো অঞ্চলে। এরপরে শুনেছিলাম বাংলাদেশের ইসলামী সংগঠনগুলোও নাকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওদের সাথে সহমত পোষণ করছে। আর এবারে সরাসরি খোদ বাংলাদেশেই মাজার গুড়িয়ে দিলো হেফাজত-জামায়াতীরা

আর ISIS এর কীর্তিকান্ডের কথা নাই বা বললাম বিশদ যারা এবারে শুধু মাজারই নয় কোরআনকেও নতুন করে লিখতে চায়
BREAKING NEWS: #ISIS এর জেহাদিরা এবার নবী মোহাম্মদের নাতনির মাজার + মসজিদ গুড়ায়া দিসে মসুল এ ।

// Today, the ISIS terrorist gangs destroyed the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her), the grand daughter of the Prophet (saws) in the district of Sinjar, Nineveh province.

A security source said that "ISIS terrorists gangs, blew up the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her) in Sinjar, west of Mosul, Nineveh province."

The ISIS terrorist have blown up a number of shrines in the city of Mosul after it took control of the city on the 10th of the June. //