Showing posts with label Hinduism. Show all posts
Showing posts with label Hinduism. Show all posts

Friday, September 19, 2014

দাফন নাকি দাহ?

জাকির দাবী করে যে অগ্নিতে আহুতি দেয়ার চেয়ে দাফনই উত্তম কেননা এতে খরচ কম এবং পরিবেশ এর দূষন কম! অথচ এ বিষয়ে পৃথিবীর শীর্ষ জরিপকারী সংস্থা ও এই বিষয়ক গবেষনামূলক বইগুলো বলছে তার ঠিক উল্টো কথা।এই বিষয়ে কয়েকটি রেফারেন্স দেখে নেয়া যাক

- দাফন এর ক্ষেত্রে মৃতদেহটি সংক্রামন এর মারাত্মক উত্‍স হিসেবে ভূমিকা পালন করে।বিশেষ করে ইনফেকশাস ডিসিসে মৃত্যুবরনকারীর ক্ষেত্রে দাফন খুব মারাত্মক মহামারী ড়েকে আনতে পারে।সেক্ষেত্রে এটি পানি,বাতাস ও মাটির দূষনকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করে(তথ্যসূত্র-Spongoberg,Alison L Becks,inorganic water,air and soil contamination,pg no. 117)

- জাপান,টোকিও সহ ইউরোপের বিভিন্নদেশে বর্তমানে ওইসবদেশের সরকার দাফনকে বাদ দিয়ে অগ্নিদাহকে উত্‍সাহিত করছে কেননা এতে জমির প্রচুর অপচয় হয়।(তথ্যসূত্র-Furse Raymond,An invitation in japan,pg.73)

(Source)

Thursday, September 18, 2014

মত প্রচার না ধর্ম প্রচার?

অনেক ধর্মের প্রচারক কিংবা ধর্মগ্রন্থ বলে থাকে "আমাদের ধর্মই একমাত্র ধর্ম, অন্য কোন ধর্ম ঈশ্বর কর্তৃক গৃহীত হবেনা"। তাদের কাছে তাদের মতটাই ধর্ম।

এবার বৈদিক প্রচারকের কি বলেন দেখে নিই:
"যে ন্যায়াচরণ সকলের হিতকর্ম করে তাকে ধর্ম এবং যে অন্যায়াচরণ সকলের অহিতকর্ম করে তাকে অধর্ম জানবে।" -স্বামী দয়ানন্দ স্বরস্বতী

মহাভারত বলছে:
"ন তৎ পরস্য সংদধ্যাৎ প্রতিকূলং যদাত্মানঃ।
এষ সংক্ষেপতো ধর্মঃ কামাদন্যঃ প্রবর্ততে।।"
-নিজের ক্ষেত্রে যেটি অনূকুল বলে মনে না হয়,তেমন অন্যের প্রতি কখনও করবেনা।সংক্ষেপে একেই ধর্ম বলে। একমাত্র কামনার দ্বারা তাড়িত হয়েই মানুষ অন্যের প্রতি প্রকিকূল আচরণ করে।
দেখা যাচ্ছে, একজন মত প্রচারে ব্যস্ত, আরেকজন ধর্ম প্রচারে ব্যস্ত।

(Courtesy - Mithun Devnath)

Tuesday, September 16, 2014

যুদ্ধপূর্ববর্তী রমনা কালী বাড়ি


আজ যে ছবিটি আপনাদের দেখাব সেটা বাংলাদেশের ঢাকা শহরের খুব বিখ্যাত একটি জায়গা। ১৯৭১ সালে জায়গাটির নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।ছবিতে দূরে যে মঠ সদৃশ মন্দিরটি দেখছেন ওটাই সেই বিখ্যাত রমান কালী বাড়ি।

রমনা কালী মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল। এটি রমনা কালীবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি প্রায় এক হাজার বছরেরও পুরাতন বলে বিশ্বাস করা হয় এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা পার্কের (যার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বহির্ভাগে অবস্থিত।এই মন্দিরটিরও একটা গল্প আছে। একবার নাকি নেপাল থেকে দেবী কালীর একজন ভক্ত এসেছিলেন। তিনিই তৈরি করেছিলেন এই কালী মন্দির। ঢাকা শহরের অন্যতম পুরোনো আর বনেদি এই কালী মন্দিরটি পরে ভাওয়ালের রানী বিলাসমণি দেবী সংস্কার করেন।মোঘল আমলের শেষ দিকে মোঘল সেনাপতি মান সিংহের সহযোগিতা ও বার ভূঁইয়ার অন্যতম কেদার রায় এর অর্থে শাহবাজ মসজিদের উত্তর দিকে হরিচরণ গিরি ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন কৃপা সিদ্ধির আখড়া যা পরবর্তীতে ভদ্রাকালী বাড়ী এবং পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয় রমনা কালী মন্দির হিসেবে।

ঊনিশশো একাত্তর সালের ছাব্বিশে মার্চ সকাল এগারোটার দিকে পাকিস্তানি সেনারা এই আশ্রমে প্রবেশ করে। পুরো আশ্রম ঘেরাও করে এরা লোকজনদের আটকে রাখে- বের হতে দেয় না কাউকে। সে সময় এই পিশাচদের সাথে ছিলো পুরোনো ঢাকা থেকে ১৯৭০ এর নির্বাচনে পরাজিত মুসলীম লীগ প্রার্থী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অন্যতম দোসর খাজা খায়েবউদ্দিন। প্রধানত এই হিংস্র জানোয়ারের তৎপরতায়ই ২৭ মার্চের গভীর রাতে রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়।

২৭ মার্চ গভীর রাতে সান্ধ্য আইন চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মন্দির ও আশ্রম ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সার্চ লাইটের আলোতে গোটা রমনা এলাকা আলোকিতো হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় গুলিবর্ষণ। রমনা কালীমন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমা গুঁড়িয়ে দেয় এই অসভ্য বর্বর সেনাবাহিনী।মন্দির তারপর গোলাবর্ষণ করে- মন্দির ও আশ্রম পরিণত হয় এক ধ্বংসাবশেষে।

সেখানেই তারা হত্যা করে রমনা কালী মন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী পরমানন্দ গিরিকে। ইতিহাস পাঠে জানা যায়- এই সাধক মৃত্যুর আগে আশ্রমের অন্যান্যদের উদ্দেশে বলে গিয়েছিলেন- আমি তোমাদের বাঁচাতে পারলাম না, কিন্তু আশীর্বাদ করি- দেশ স্বাধীন হবেই। সব শেষে বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দেয় পুরো মন্দির। (ছবিতে সাদাকালো অংশ ধ্বংস হবার আগের মন্দির) । রমনার কালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে একাত্তরের শহিদ হয় শতাধিক ভক্ত ।

পাক সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে ‘৭১’র রমনা কালি মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমটি দুটি ধ্বংস করেছিল। কিন্তু তা আজও নির্মাণ হয়নি। এই মন্দিরটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ২য় বৃহত্তর জাতীয় মন্দির। অবিলম্বে এই মন্দিরটির জায়গা ও মন্দিরটি পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাই। 


(সূত্র

Friday, September 12, 2014

এ খবর আমরা কয়জন রাখি?

গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশজুড়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির-ঘরবাড়িতে আগুন ধরানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বছর বিভিন্ন মন্দিরের ৪৯৫টি মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৭৮টি বাড়ি ও ২০৮টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও ১৮৮ জন আহত হয়েছে।

(প্রথম আলো, ১ আগস্ট ২০১৪)

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ হাজার বসতবাড়ি ও অর্ধশতাধিক মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মানুষের বসতবাড়ি ভাঙলে একটি বাড়িই ভাঙে, যা আবার নির্মাণ করা যায়। কিন্তু মন্দির বা উপাসনালয় কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, মানুষের হৃদয় ও পবিত্রতার প্রতীক। সেটি ভাঙা মানে তার হৃদয় ভাঙা। তাঁর ধর্ম ও গোটা সম্প্রদায়কে আহত করা।

(Source)

Thursday, September 11, 2014

গৌতম বুদ্ধ বনাম যীশুখৃষ্ট


পাশ্চাত্যে স্বামী বিবেকানন্দকে একজন বলেছিলেন যে, তিনি তথাগত বুদ্ধের জীবনী খুব ভালবাসেন, কিন্তু বুদ্ধের মৃত্যুটি তাঁর পছন্দ নয়। খৃস্টের সাথে তুলনা করে তিনি বলেন, 'আমাদের যীশুর মৃত্যুটি কেমন মহিমান্বিত! কত অত্যাচার সহ্য করে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন মানুষের মুক্তির জন্যে। তুলনায় বুদ্ধের মৃত্যুটি খুব সাদামাটা, ম্যাড়ম্যাড়ে।' স্বামীজি উত্তর দিলেন, 'এখানেই তোমাদের সাথে হিন্দুদের পার্থক্য। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে কেউ বিপরীত কিছু বললেই অমনি ঢাল তলোয়ার বেরিয়ে আসেনা। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে পূর্ণস্বাধীনতা বর্তমান।

প্রাচীনকালে চার্বাকরা মন্দিরের দ্বারদেশে এসে সনাতন ধর্ম ও বেদের নিন্দা করেছে কিন্তু কেউ জোর করে তাদের কণ্ঠরোধ করেনি। বুদ্ধদেব বেদকে অস্বীকার করে প্রায় অর্ধেক ভারতকে নিজের ধর্মে আনতে সমর্থ হয়েছিলেন কিন্তু তাকে খৃষ্টের মতো ক্রুশবিদ্ধ হতে হয়নি। যেখানে স্বাধীনতা নেই সেখানে অগ্রগতির পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ভারতে ধর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল বলেই ধর্মক্ষেত্রে ভারতের প্রভুত উন্নতি সম্ভব হয়েছে।'


(সংগৃহীত

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Monday, September 08, 2014

সেক্যুলারীজম কাহাকে বলে?

বাংলাদেশের ধার্মিক অধিকাংশ মুসলমান বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চাই, আর ভারতে চাই ধর্মনিরপেক্ষতা। গিরগিটি আর কাকে বলে!
আর বাংলার অনলাইন মুক্তমনাচনারা আরও ভয়ানক। একটি চরম ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক এবং প্রায় অন্ধকারে ডুবতে যাওয়া দেশে বসবাস করেও তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে ভারতে বিজেপির ক্ষমতায়নে। ফেইসবুকে দুই চারটা বেশি লাইক পাওয়ার জন্য দালাল সেজে ভাঁড়ামি করায় তুলনাহীন তারা। একটু ওয়েট করেন মহাজ্ঞানীরা। আপনার দেশের হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার কোপ খেয়ে মরেছেন। তসলিমা নাসরিন ভারতবাসী। কবি দাউদ হায়দার জার্মানিতে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন আসিফ মহিউদ্দিন। মৌলবাদীদের আক্রমণের স্বীকারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলও কেটেছেন চার পাঁচজন।সময় থাকতে লাইনে আসুন। লাইক ভিখারি স্ট্যাটাস দিয়ে জামাতের দালালি ছাড়েন।
যদি না পারেন তবে সামান্য অপেক্ষা করুন। আওয়ামিলীগ একবার স্লিপ খেলেই প্রথম বাঁশটা আপনাদের পাছায় ঢুকবে। আগে নিজের দেশ দিয়ে ভাবুন। নিজের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা দেখুন। অবশ্য সুবিধাবাদী দালালদের সময়ের প্রয়োজনে খতনা দেখিয়ে মহাধার্মিক সাজতে দেরি হওয়ার কথা নয়।

(সূত্র

Saturday, September 06, 2014

Some destroys...Some rebuilds

Recently the great Indian scholar Chanakya's Nalanda University opened up from the beginning of September 2014 after almost centuries of closure from destruction by Khiljis, Arab invaders etc. While the previous Congress government was interested in funding for the likes of Aligarh Muslim Universities from the governmental funding, outside international fund had to be raised to support rebuilding process for this ancient university of knowledge. But at least it has been opened finally. Already more than 1000 students from all over the world applied for admission including from the US, UK, Russia, Germany, Spain, Austria, Myanmar, Sri Lanka, & other southeast Asian countries.

But what baffles me is the fact that while more than thousands of books, infrastructure was burned over some time while mob attacked this ancient learning hub, the same type of people still exist in out current society who can possibly harm this rebuilt university once again, if opportunity arrives. Whenever invaders arrive in a foreign land, not only do they imprison the men, enslave children & women, destroy homes & loot properties, but also sabotage knowledge, antique items, other historically valuable things. Not only did the Spaniards or Europeans did this to the Native Americans in the New World, but also the Arab Muslims who invaded & eventually captured Indian subcontinent during the early part of history. Question is how long will this cycle continue? Will there ever be an end to it? Did Hindu emperors who captured other kingdoms around Indian subcontinent, ever do similar actions? Why is it usually with Muslims & Christians? How can we ensure our current civilization's history to be preserved over long time in history?

Sunday, August 31, 2014

লাভ জিহাদের গল্প


গ্রামের নাম মধুপুর, এ গায়েরই ছেলে পিন্টু সুত্রধর, বাবা-মার এক মাত্র ছেলে ।
তখন পিন্টু অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ত । খুব মেধাবী ছাত্র। এস এস সি এবং ইন্টারে বিজ্ঞান বিভাগে এ+ পেয়েছে । অনেক টা কষ্ট করেই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিল সে। আর এদিকে পাশের গ্রামের টুম্পার সাথে একটু একটু করে ভালবাসার সম্পর্ক গড়তে থাকে। টুম্পার পুরো নাম টুম্পা আচার্য। এক ভাই এক
োনের মধ্যে সেই ছোট। মা-বাবা আদর করে তাকে টুম্পা মনি বলে ডাকে। বাবা বিমল আচার্য একজন স্কুল শিক্ষক এবং পুরুহিত। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা অর্চনায় ওনিই থাকেন ঠাঁকুর মশাই হিসেবে। বলতে গেলে ওনার বেশ সুখ্যাতি আছে। টুম্পা তখন ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। দেখতে খুব গোল-গাল মিষ্টি একটা মেয়ে। বলতে গেলে গান বাজনা, আবৃত্তি, অভিনয় সব দিক হইতেই পটু।

Saturday, August 30, 2014

সৌদি আরবে মা সরস্বতীর প্রতিমা


সম্প্রতি সৌদি আরবের জেদ্দায় পাওয়া গেছে দেবী স্বরস্বতীর প্রায় পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন প্রতিমা, যা বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্মের বিস্তৃতিকেই নির্দেশ করে। সত্য সনাতন ধর্মের জয়। জয় মা সরস্বতী।

(সূত্র

Friday, August 29, 2014

হিন্দু-মুসলিমে পার্থক্য

হিন্দুরা আগে সতীদাহ প্রথা মানতো। জ্যান্ত একটা মানুষকে পুড়িয়ে মারা! কি বর্বর। রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। তিনি ইহা সহী সনাতন হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। এটাও বলেন নি আমি তো পোড়াচ্ছি না। যারা এটা করে তারা সহী হিন্দু নয়। তিনি লড়াই করেছেন। সমাজ এবং ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করায় উনার হুমায়ুন আজাদের মতো চাপাতির কোপ খেয়ে মরতে হয়নি।রাজীব হায়দারের(থাবা বাবা) মতো গলির মুখে লাশ হয়ে পড়ে থাকতে হয়নি।
হিন্দুদের মধ্যে বিধবা বিবাহ ছিল না।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলের কথা জানি না। আমার গ্রামে আমার জানামতে তিনজন বিধবার বিয়ে হয়েছে। বিদ্যাসাগর মশাই ইহা সহী হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। হিন্দু ধর্মে অনেক কুসংস্কার, জাতপ্রথা আরও ফালতু ব্যাপার আছে। তবে হিন্দুরা লাইনে আসছে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে।
শরৎচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, সুনীল এবং আরও অনেক হিন্দু ফ্যামিলিতে জন্ম নেওয়া লেখক হিন্দু ধর্মের এবং সমাজ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। কাউকে কোপ খেয়ে মরতে হয়নি বা, তসলিমা কিংবা দাউদ হায়দারের মতো দেশান্তরি হয়ে থাকতে হয়নি। পার্থক্য এই জায়গায়।
এক ধর্মাবলম্বীরা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে দায়িত্ব শেষ করে। আর যদি কেউ দাঁড়ায় প্রতিবাদ কররে তবে তবে তাঁর জন্য দা, ছুরি, চাপাতি আর কল্লা ফেলানোর ফতোয়া তো আছেই। আর অন্যরা? আমার কি? আমি কি হুমায়ুন আজাদকে কোপাইতে গিয়েছিলাম নাকি? ইহা সহী নয়!
বলতে পারেন, ইসলাম ধর্মে বিধবা বিবাহ আছে। সতীদাহ ছিল না। হ্যাঁ ছিল না। তবে ফেইসবুক ইউজ করায় পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ড, প্রেম করে বিয়ে করায় জনসমক্ষে গুলি করে হত্যা, হিল্লা বিয়ে, বৃষ্টিতে ভিজায় বোনকে ভাইয়ের গুলি করে হত্যা, ধর্ষিত হলে দুইজন ধর্ষনের স্বাক্ষী নিয়ে যাও, নাস্তিক হলে তার কল্লাটা আস্তে করে একটা কোপ দিয়ে আলাদা করে দাও, ধর্মান্তরিত হলে খুন করো এইসব আছে।
বলদ এবং ধর্মান্ধ সব ধর্মেই আছে। কিন্তু টয়লেট, কবরস্থান, জানাজার নামাজ, ঈদের নামাজ, পার্ক, শপিং মল, রেল স্টেশন, এখানে সেখানে বোমা মেরে নিজের ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরের প্রচেষ্ঠা এই যুগে এসে মুসলমানেরা ছাড়া আর কেউ করবে না এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন।
আর যারা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন, তাঁরা একটু ইরাক, আফগানিস্তান, সুদান, সিরিয়া এবং অন্য ইসলামিক দেশগুলোর দিকে তাকান। এটা এখানেও আসছে এবং খুব দ্রুত। সকালে দুই ট্যাং নিয়ে বাজারে গিয়ে যখন বোমার আঘাতে এক ট্যাং নিয়ে বাসায় ফিরবেন তখন বুঝবেন। হা হা। আমি পপকর্ন আর চিপস নিয়ে বসে আছি দেখার জন্য।

(সূত্র)

Monday, August 25, 2014

হিন্দুধর্মে যুগবিভাগ


হিন্দুধর্ম মতে যুগ ৪টি।
১. সত্য
২. ত্রেতা
৩. দ্বাপর
৪. কলি

Saturday, August 23, 2014

12 Years A Slave

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ:
আগেই বলে নিচ্ছি নিচের লেখাটি গত বছরের Oscar বিজয়ী 12 Years A Slave নিয়ে রচিত। কেউ যদি এটি না দেখে থাকেন এবং দেখার ইচ্ছা আছে ও ঘটনা আগে জেনে ফেলতে ইচ্ছুক নন, তারা বাকি আর পড়ার প্রয়োজন নেই। আর যদি মনে করেন, এটি দেখার কোনো ইচ্ছা নেই বা ঘটনা আগে জেনে ফেললে কোনো সমস্যা নেই, তারা পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

Wednesday, August 20, 2014

পশ্চিমবঙ্গে ঈদের প্রাধান্য দুর্গাপূজার চেয়ে


১৯৫১ সালের সেন্সাস অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।

Sunday, August 17, 2014

শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থাণে মসজিদ


পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব অপ্রাকৃত ধাম মথুরায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথীতে ৫২৩৮বছর পূর্বে। দিনটি ছিল বুধবার।

দ্বাপর যুগের সেই অপ্রাকৃত লীলাবিলাস এখনও দর্শনীয়। কংস যেস্থানে দেবকীকে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন সেই কারাগারটি এখনও দর্শন করা যায়। যে স্থানে কংস দেবকীর ছয় পুত্রকে হত্যা করেছিলেন সেই স্থানটিও দর্শন করা যায়। পৌরাণিক কাহিনী মতে এই স্থানে সর্বপ্রথম মন্দির নির্মাণ করেন শ্রীকৃষ্ণের প্রপৌত্র শ্রীবজ্রনাভ। পাথরে খোদিত ব্রাহ্মীলিপি থেকেও এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

বহুবছর এই মন্দির অবস্থিত থাকলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব বৃন্দাবন ও মথুরার বিভিন্ন মন্দিরের পাশাপাশি সেই জন্মস্থান মন্দির ধ্বংস করেন।

আলেকজান্ডারের শাসনামলে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে এসে বেদি মন্দিরটি সম্পূর্ণ না ভেঙ্গে প্রার্থণা হলটি ভেঙ্গে দেন। মন্দিরের বেদি তখন রক্ষা পেলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব গোবিন্দদেব মন্দিরটি ভেঙ্গে আর্বিভাব স্থান মন্দিরের এক অংশে ঈদগাহ্ মস্জিদ নির্মাণ করেন। সেই মন্দির ও মসজিদ এখনও পাশাপাশি দর্শনীয়।

এই স্থানে নির্মিত হওয়া প্রাচীন মন্দিরের বর্ণনা সমগ্র গ্রন্থ বা লিপি রয়েছে। যেমন - ১০১৭ সালে মুহম্মদ গজনবীর লিখিত রের্কড থেকে বহু তথ্য জানা যায়। তিনি লিখেছিলেন , "শহরের প্রান্তে অবস্থিত অভূতপূর্ব মন্দির নিশ্চয়ই কোন মানুষ নির্মাণ করেননি। এটি নিশ্চয় (দেবতারা বা ফেরেস্তারা) নির্মাণ করেছেন।"

বর্তমানে মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহটি ঠিক দেখতে মানুষের মত তথা ৬ফুট বিশিষ্ট এবং জগন্নাথ -বলদেব -সুভদ্রা বিগ্রহত্রয় পুরীধাম থেকে মথুরায় এই মন্দিরে অবস্থান করে অপ্রাকৃত সেবা গ্রহণ করছেন। এখনও মন্দিরে প্রবেশ করলেই অপ্রাকৃত আনন্দ, সুখ অনুভব হয় অর্থাত্ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে এখনও এই স্থানে লীলাবিলাস করেছেন তা শুদ্ধ ভক্তগণ অনুভব করতে পারবেন।

☛মন্দিরের অবস্থান - মথুরা বর্তমানে যমুনা নদীর তীরে, রাজধানী নয়াদিল্লী থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

☛ছবির বর্ননা - পাশাপাশি ঈদগাহ্ মসজিদ (বামে) ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান মন্দির।


(সূত্র

Saturday, August 16, 2014

Star Plus-এর "মহাভারত" সম্পর্কে স্বমূল্যায়ন


আজ প্রায় বছর ব্যাপী পরিচালিত Star Plus-এর "মহাভারত" সমাপ্ত হলো। সিদ্ধার্থ কুমারের পরিচালনায় যদিও এই আধুনিক "মহাভারত" একতা কাপুরের "কাহানি হামারী মহাভারত কি" থেকে বহুলাংশে ভালোভাবে বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনাসমূহ ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে, তবুও সর্বাঙ্গিকভাবে বললে বলদেব রাজ চোপড়া'র ৯০-এর দশকের "মহাভারত" অনেকটাই এগিয়ে থাকবে, আমার দৃষ্টিতে। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট চিন্তা করলে সিদ্ধার্থ কুমারের তৈরি এই "মহাভারত" তরুণ প্রজন্মকে অনেকাংশেই নাড়া দিয়েছে যা আমার ধারণা চোপড়া বাবুর "মহাভারত" ততটা করতে পারেনি।

আমি চোপড়ার "মহাভারত" ৩-৪বার পুরোটা দেখেছি। যতবারই দেখেছি ততবারই নতুন করে কোনো না কোনো ছোটখাট বিষয় হলেও নবীন ভাবে আবিষ্কার করেছি যা আগেরবার পারিনি। সেবারের "মহাভারতে" কথক ছিলেন 'সময়' যেটা প্রথম প্রথম কথাগুলো শুনতে ভালোই লাগতো, পরে একসময় fast forward করে মূল ঘটনায় চলে যেতাম। কিন্তু এবারের "মহাভারতে" শ্রীকৃষ্ণকে কথক বানিয়ে পরিচালক দারুণ একটা কাজ করেছেন বলতে হবে। বিশেষকরে প্রথম দিকের পর্বগুলোতে প্রায় প্রতিটি পর্বে শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষাগুলো সত্যিই শিহরিত করেছে। যদিও আমরা প্রায় প্রত্যেকেই এখনকার সময়ে শ্রীমদভগবদগীতা পাঠ করে থাকি, কিন্তু কৃষ্ণের শিক্ষাগুলো যেন নতুনভাবে আমার মতো হাজারও যুবকের প্রাণে স্পন্দন জাগিয়েছে - সেরকমই বোধ করেছি। গীতা পড়ে যতটা না বোঝা যায়, কৃষ্ণের সেই ছোট ছোট শিক্ষাগুলোতে বাস্তব জীবনের সাথে উদাহরণ এনে বোঝানোর বিষয়গুলো আমি নিশ্চিত আমার মতো আরো অনেককেই নাড়া দিয়েছে। তার সাথে সাথে নেপথ্যের সুরগুলো, গানগুলো আরো বিশেষ করে যেন হৃদয়ে লেগেছে। আমি নিশ্চিত আমার মতো অনেকেই হয়ত এগুলো থেকে কোনো না কোনো পছন্দেরটা নিজেদের ফোনের রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করছে ও করবে।

শ্রীকৃষ্ণের প্রসঙ্গক্রমে বলতে গেলে অবশ্যই মানতে হবে সৌরভ রাজ জৈন এই বিষ্ণু অবতারকে বেশ দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। যেমন আগেরবারের কৃষ্ণ চরিত্রে অভিনয় করা নীতিশ ভরদ্বাজ চোপড়ার করা "মহাভারত" ও "বিষ্ণুপুরাণে" অভিনয়ের পরে ধ্যানে বসলেই কৃষ্ণরূপে তার চেহারাটাই ভাসতো, আজকের সময়কার এই "মহাভারত" করার পরে, আমার মতন অনেকেই কৃষ্ণ কল্পনায় সৌরভ রাজ জৈনের চেহারাকেই ভাববেন। এটাই একজন অভিনেতার জীবনকালের সবচেয়ে সেরা প্রাপ্তি। এই দুই কৃষ্ণ/বিষ্ণু অবতারের ভূমিকায় অভিনয় করা ব্যক্তিরা ব্যক্তিগত জীবনে কতটা ধর্ম-কর্ম করেন বা করবেন জানিনা, তবে এদের চরিত্রায়নের ফলে ঈশ্বরকেই যেন কল্পনা করা হবে নানা ভক্তের দ্বারা - এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

অন্যান্য যেসব চরিত্রে অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন, কারোরই চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলাতে কমতি ছিলো না। বিশেষ করে কৌরবদের মামা শকুনির চরিত্রে প্রণীত ভট্টের অভিনয় কোনো অংশেই গুফী পাইন্টালের অভিনয়ের থেকে কম ছিলো না। আর তাছাড়া মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যেরকম করে ল্যাংড়া হয়ে চলাফেরা, এক চোখ বন্ধ রেখে কথা বলা - এসব বিষয়গুলো এতো স্বাভাবিক ভাবে করেছে, যেন মনেই হয়নি তিনি শকুনি নন।

অনেকেই বর্তমান এই মহাভারতে অর্জুনকে মূল মহাকাব্যের নায়কের ন্যায় ভূমিকায় ভূষিত করে দেখানোর জন্য সমালোচনা করেছেন। হ্যাঁ, এটা অবশ্যই ঠিক যে মহাভারতের কোনো মধ্যমণি বা নায়ক নেই। আর যদি কেউ থেকে থাকে, তা নিঃসন্দেহে শ্রীকৃষ্ণ নিজে। আমার দৃষ্টিতে শ্রীকৃষ্ণকেই সেরকমভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিদ্ধার আনন্দ কুমারের এই "মহাভারতে"।

পরবর্তী সুপারিশস্বরুপ এই "মহাভারতের" তৈরিকারকদের কাছে আমার মতো অনেক ভক্তই লেখালেখি করেছেন যেন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরেই যেন শেষ করে না দেওয়া হয় এটি। কিন্তু প্রথমে যেই ২০০ পর্বের বাজেটি মাথায় রেখে কাজ শুরু করেছিল এই সিদ্ধার্থ কুমার ও তার টিম, সেখানে ২৬৭টি পর্বতে শেষ করা কম কষ্টের বিষয় না। সেদিক থেকে চিন্তা করলে অবশ্যই এই তৈরিকারকদের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই হবে। হ্যাঁ, আরো পরবর্তী ঘটনাগুলো দেখালে আমার মতো নতুন প্রজন্মের অনেকেরই ভালো লাগতো, নতুন কিছু শেখা যেতো - কিন্তু সব ভালোর তো একটা শেষ আছে, যেমন সব খারাপের অন্ত আছে। একটা সময় তখন সেটারও আসতো যখন সেটি শেষ হতো। বরং নতুন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে, ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে সিংহাসনে বসিয়ে, ন্যায়ের শাসন পুনঃস্থাপনা করে, অধর্মকে ধ্বংস করে ধর্মের প্রতিষ্ঠা করে এই মহাকাব্যের ইতি টানা কোনো অংশেই বেমানান হয়নি। তাছাড়া, কালকে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪০তম জন্মবার্ষিকীতে (জন্মাষ্টমী) আমাদের মধ্যে কৃষ্ণের বাণী পরিস্ফুটিত হবে - সেই কামনা সিদ্ধার্থ কুমারের ছিলো কিনা জানিনা, কিন্তু তিনি যা করেন ভালোর জন্যই করেন, সেটাই আবার বুঝিয়ে দিলেন। মাঝে শুধু আমার মতো কিছু তরুণ-যুবকদের মাঝে যে নতুন করে সনাতন ধর্ম সম্পর্কে জানার স্পৃহা জাগিয়ে দিয়ে গেলো সেটার অভাব যে অনুভব করব, সে নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই। আমার মতো অনেকেরই হয়ত সারা দিনটা পার করে ক্লান্ত-শ্রান্ত দেহে ঘরে বসে রাতের বেলা এই মহাকাব্য দর্শনের সেই নিত্যকর্ম আর করা হবে না অন্য কোনো কিছু দিয়ে। তবুও বলব, ধন্যবাদ সকল কলাকুশলী, তৈরিকারকগণ, প্রযোজক, পরিচালক সকলকে। আপনারা নতুন প্রজন্মের সনাতনী সমাজকে আবার ধর্মচর্চায় উদ্বুদ্ধ করেছেন নিঃসন্দেহে। আপনাদের প্রাথমিক প্রচেষ্টায় এটি ছিলো কিনা জানি না, তবুও বলবো, 'তিনি যা করেন, ভালোর জন্যই করেন'।

Friday, August 08, 2014

Peaceful Hypocrisy?


প্রথমে আমি বলতে চাই আমি মানবতা বিরোধী কাজকে পছন্দ করি না হোক সে যে ধর্মের আর ইসরাইলকে প্রনাম করতে চাই কারন ৩ ইসরাইলিকে খুনের কারনে তারা হাজার ফিলিস্তানিকে খুন করে বদলা নিয়েছে । কিন্তু ইসরাইলের মোকাবেলার জন্য কোন মুসলিম দেশ এগিয়ে আসেনি এসেছে পুতিনের ধর্ম কিন্তু খ্রিস্টান। তাও আবার Orthodox Christian (গোঁড়া খ্রিস্টান)।গাজার "মুসলিমদের" বাঁচাতে আরবের কোন খোদার খাসি সহ কোন মুসলিম এগিয়ে আসেনি, এসেছে গোঁড়া খ্রিস্টান পুতিন । এখন দেখুন ইসলামী জুঙ্গিরা নাকি পুরা পৃথিবীতে মুসলিম রাজ্য প্রতিস্তাপন করবে । কিন্তু কি ভাবে তারা করেবে যারা নিজ মুসলিম উম্মাদের বাঁচাতে পারেনা কোথাই গেল পাকিস্তানী হারামির বাচ্চারা তারা নাকি ভারকে এক ঘণ্টায় শেষ করে দিতে পারবে কিন্তু কেমনে ভারত + রাশিয়া + ইসরাইল + আমেরিকা ======= তাহলে বুজেন পাকিস্তানী জারজদের কোন মার দিবে ভারত । কিন্তু আমরা হিন্দুরা বা ভারতীয়রা মানবতা বাদী , আর শান্তির বানী মেনে চলি আর সে কারনে হয়তো বার , বার ভারত মুসলিমদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । ভারতের ভিতর বসে ভারতের মুসলিমেরা বোমা বাজী করছে আর তাদেরকে সহযোগিতা সিকুলার হিন্দুরা অথচ বাংলাদেশের হিন্দুরা যদি এই রকম কাজ একটা করি তাহলে আমি নিশ্চিত একজন হিন্দু বাংলাদেশে বাস করতে পারবেনা কারন কোন অন্যায় ছাড়া প্রতিদিন হিন্দুদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছি । বাংলাদেশের মোল্লারা facebook এই খালি বাল চিরে কিন্তু বাস্তবে কিছু করতে পারে না । তারা জিহাদ করে নিজ ভাইদের খুন করে , তারা জিহাদ করে নিজ মুসলিম ভাইদের রক্ত রঙ্গিত করে । আমি সে কাঠ মোল্লাদের বলতে তোরা যদি বাল চিরতে পারিস তাহলে ইসরাইলকে করে দেখ তাহলে বুজবো তোরা সত্যিকারের জিহাদি ।কিন্তু কুকুরের মত নিজ ঘরের সামনে নিজ ভাইদেরকে মেরে তোরা শান্তি ফিরে আনতে পারবিনা । কোথায় আল কায়েদা,কোথায় তালেবানকোথায় হিযবুত তাওহীর,কোথায় আনসারুল্লাহ টিম কোথায় বোকো হারাম, কোথায় জামাত,ফেহাজতী ইসলাম। কোথায় গুলাবীর তিন নাম্বার বাচ্ছারা????কেউই নাই কারণ এরা আমেরিকারই ছুপা এজেন্ট এরা জিহাদের নামে নিজ দেশের মুসলিম হত্যা করতে পারে কিন্তু ইসরাইলকে কিছু বলতে পারে না।


Monday, August 04, 2014

এতে কি মানবতা জাগে?

দেখুন তো এই খবরটিতে মানবতা জাগে কি না!

লালমনিরহাটে অপহরণকৃত হিন্দু মেয়ে ধর্ষিত এবং জোড় করে ইসলামে রূপান্তরকরন। লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার থেকে একটি মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষন করা হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সজোরে ইসলামের রূপান্তরকরনের শিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ২ মে আদিতমারী থানায় বুলেট মিয়া, বাবলু মিয়া ও আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। অপহরণকৃত হিন্দু মেয়েটি জানায় বুলেট মিয়া এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা ২৯ এপ্রিল জোড়পূর্বক তাকে অপহরণ করে। দূর্বত্তরা তাকে অপহরন করার পর কাছের একটি গ্রামে নিয়ে গিয়ে জোড়(পূর্বক ধর্মান্তরকরন এবং ধর্ষণ করে। মেয়েটির পরিবার পুলিশের কাছে সাহায্যের দাবি করলে বরাবরের মত প্রশাসন নিরব ছিল। পরে সংবাদটি মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপহ্বত মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এদিকে বুলেট মিয়া ও তার সঙ্গীরা অপহরনকৃত মেয়ের পরিবারটিকে বিয়ে এবং ইসলামের রূপান্তরের বিষয়টি পুলিশের কাছৈ স্বীকার না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তদন্তাধীন(কর্মকর্তা জেলা উপ-পরিদর্শক জাফর ইকবাল বলেন অভিযুক্তরা এখনো পলাতক আছে কিন্তু তারা ধরাছোয়ার বাইরে নয় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে যথেষ্ট তত্পর এবং তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটির পরিবারে পক্ষ থেকে বলা হয় দুর্বত্তরা এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী তাই পুলিশ তাদের হাতের কাছে পেয়েও গ্রেফতার করেনি।

(সূত্র