Showing posts with label Islam. Show all posts
Showing posts with label Islam. Show all posts

Wednesday, October 01, 2014

Selective Human Rights


 
ইরাকে তৃতীয় বার বিমান হানা চালাল আমেরিকা। সঙ্গে ফেলা হল ত্রাণসামগ্রীও। এ বার আমেরিকার সঙ্গে ত্রাণের কাজে যোগ দিল ব্রিটেনও। ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (র‍্যাফ) বিমান থেকে এ দিন ত্রাণ নামে। কিন্তু এতেও সিনজারে আটকে থাকা ৫৬ ‌জন ইয়াজিদি শিশুর প্রাণ রক্ষা হয়নি।

Tuesday, September 30, 2014

আপনি করলে দোষ না, পরে করলেই দোষ

ভারতের অযোধ্যায় বাবরী মসজিদের জায়গায় রামমন্দিরের শিলান্যাস ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে ইসলামিক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ২৯ অক্টোবর, ১৯৮৯ থেকে বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডবলীলা শুরু করে। এই শ্রেষ্ঠত্ববাদী গোষ্ঠী বহু জায়গার হিন্দু বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আক্রমণ করে পুড়িয়ে দেয়; বহু হিন্দু আহত হয়, কিছু সংখ্যক মারাও যায়। হিন্দু মন্দির এবং আশ্রমগুলোর ওপর ছিলো তাদের বিশেষ নজর। ৯ এবং ১০ নভেম্বর, ১৯৮৯ এই উন্মত্ততা চরম আকার ধারণ করে। অসংখ্য মন্দির ভেঙ্গে বা পুড়িয়ে দেয়া হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরো অনেক। দেব-দেবীর প্রতিমাতে ভাঙচুর চলে, সেগুলো ছুড়ে ফেলা হয় মন্দিরের বাইরে। পুরোহিতেরা মারধরের শিকার হন। পদক্ষেপহীন ২টি সপ্তাহ কাটাবার পর বাংলাদেশ সরকার অবশেষে এই হামলা বন্ধের তাগিদ অনুভব করে। বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের অসাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে সরকার এক ডজন মন্দিরের মেরামতেরও ঘোষণা দেয়। নিচের তালিকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, ৫৩ তেজতুরি বাজার, ঢাকা, বাংলাদেশের প্রকাশনার সাহায্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে লক্ষণীয় যে এটি একটি আংশিক তালিকা মাত্র।

Sunday, September 28, 2014

পশ্চিমবঙ্গে পূজো পেছালো ঈদের কারণে



এরপরেও ভারতের মুসলিমরা বলে তারা নাকি পূর্ণ স্বাধীনতা পান না ভারত রাষ্ট্রে। অথচ রমজানে রোজার মাসে মন্দিরগুলোতে পূজা-পার্বণ ঠিকমত করা যাবে না বাংলাদেশে - এমন হওয়ার পরেও বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র!

(সূত্র)

Saturday, September 27, 2014

লালমনিরহাটে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা



Land Dispute: Four of a Hindu family stabbed, house set afire at Shafirhat village in Patgram upazila in Lalmonirhat. The injured are Pushpa Rani Sen, 68, wife of late Debendra Nath Sen and her two sons Shyamol Chandra Sen, 45, and Kamol Chandra Sen, 38, and Shyamol's wife Dipali Rani Sen, 30 & Seriously injured Pushpa Rani was admitted to Rangpur Medical College Hospital.

(Through Adv. Rabindra Ghosh)
President of Bangladesh Minority Watch (BDMW)


[Source]

Friday, September 26, 2014

মানিকগঞ্জে হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ

Ms. Sagorika Haldar(16) Minority belonging to Hindu raped and murdered at Manikgonj:

The victim was poor but brilliant HINDU student of Class IX (Nine) studying in Joymantop High School near her village. Her registration No. 1210792720 (Session 2012). On the date of occurrence the victim was at her home, but uneducated and simple father and mother was out of their home for business purpose. One Gurupada informed police that the dead body of Ms.Sagorika Haldar was found in her room adjacent with a ceiling fan after a quarreling amongst the victim and perpetrator Abdur Razzak. Abdur Razzak – the notorious women monger, without having any previous consent & without any lawful authority entered into the room of Ms. Sagorika and started to assault her closing the door with shoes because the victim reused sexual intercourse and cried for rescue; resulting serious injuries and she died. Police came and saw the dead body laid down on the ground. Police also managed to carry the dead body for post mortem at the nearest Hospital. But police did not record the case under proper section of law.


(Through Bangladesh Minority Watch)

[Source]

Thursday, September 25, 2014

বিশ্বে মুসলিম বনাম ইহুদী অবদান

মুসলিমরা বলে বিজ্ঞানিরা তাদের কুরআন থেকেই অনেক কিছু পেয়েছে। ভাল কথা। তাহলে আজ মুসলিমরা কেন
জ্ঞান-বিজ্ঞানে এত পিছিয়ে ???বরং যে ইহুদিদেরকে মুসলিমরা প্রধান শত্রু হিসেবে জানে তারাই আজ জ্ঞান- বিজ্ঞানে অনেক অনেক এগিয়ে। তাদের আবিষ্কৃত অনেক কিছু আজ মুসলিমরা ব্যবহার করছে। এটা কি মুসলিমদের
জন্য একটা লজ্জার বিষয় না ? এটা কি হারাম না ?

Wednesday, September 24, 2014

ফেনী-ঝালকাঠিতে হিন্দুদের উপর হামলা

ফেনী ও ঝালকাঠিতে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে হামলা, আগুন। পত্রিকা বলে দুর্বৃত্ত। আমার প্রশ্ন দুর্বৃত্ত কি জিনিস???? সরাসরি বলতে লজ্জা কিসের?
১।
ফেনীতে হিন্দু বাড়িতে আগুন দিলো দুর্বৃত্তরাঃ
ফেনীর মোটবী ইউনিয়নের সুরেন্দ্র কুমার নাথের ঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
এসময় সুরেন্দ্র কুমারের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৩ টি গরু পুড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীর
া জানান, প্রথমে গোয়ালঘরে আগুন লাগলেও মুহুর্তেই তা পুরো বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হতে পারলেও প্রায় ৩ ঘণ্টার আগুনে সব
মালামালসহ ঘরটি পুড়ে যায়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুরেন্দ্র কুমারের পারিবারের। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২।
বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরঃ
ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার যদু বণিকের বাড়ির সর্বজনীন মনসা মন্দিরে হামলা চালিয়ে একটি মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফিরোজ আকন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মন্দিরের পাশের বাড়ির বাসিন্দা ফিরোজ আকনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল মন্দিরে ঢোকে। তারা মন্দিরে থাকা মনসা প্রতিমার সখীর মূর্তি এবং মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় মন্দিরের পরিচালক শিবেশ্বর দত্ত বণিক বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় গতকাল বুধবার মামলা করেছেন। ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শীলমণি চাকমা বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


(সূত্র

Tuesday, September 23, 2014

নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের কর্মকারবাড়ির বসতঘর ও মন্দিরে গত বুধবার একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি বেদখলের পরদিন গতকাল শুক্রবার পুলিশের সহায়তায় তা উদ্ধার হয়েছে। তবে ওই পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নোয়াখালী: ধন্যপুর গ্রামের ধনঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার দুপুরে স্থানীয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে তাঁদের বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার বাড়ির ছেলেদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তা মীমাংসাও করা হয়। কিন্তু বেলা একটার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁদের বসতঘর ও মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় বাধা দিলে নারীসহ অন্তত আটজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে রুপেক চন্দ্র কর্মকার (২৭) ও সঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার (২৩) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ধনঞ্জয় আরও বলেন, সিরাজের সঙ্গে জমি নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই এ হামলা হয়েছে। সিরাজ ও তাঁর ছেলে মানিকসহ অন্যদের এলাকায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
হামলা ও ভাঙচুরের সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সামাদ বলেন, এ ঘটনায় সিরাজসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বাউফল (পটুয়াখালী): পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের নকুল চন্দ্র কির্ত্তনীয়া (৭৫) প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে তাঁর পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একই গ্রামের কাজী মো. আলী হোসেনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িঘরের বেড়া ভাঙচুর করে এবং পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির জমি দখল করে নেয়। পরে এ ঘটনায় বাউফল থানায় অভিযোগ করলে গতকাল দুপুরে পুলিশ গিয়ে ওই জমি উদ্ধার করে তাঁদের বুঝিয়ে দেয়।
নকুল চন্দ্র অভিযোগ করেন, এখন তাঁর পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের জমি ওই পরিবারটি দখল করে রেখেছে। সেই জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে হামলা, ভাঙচুর এবং তাঁদের প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকির অভিযোগ মিথ্যা।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জমির কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


(সূত্র

Sunday, September 21, 2014

বিচারের আশা নিয়েই শুধু বাঁচি, বিচার কভু পাই না



শিল্পি রানি দাস (৩৫) একজন হিন্দু নারী সে কাদছে বিচারের আশায়, যার নাবালিকা মেয়েকে (১২) ধর্ষিত এবং খুন করেছে মুসলিম মৌলবাদীরা।

=> ঘটানাটি ঘটেছে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলা সদর, বুয়াবারিয়া থানা, ২৮,০৬,২০১৩ সালে। ঘটানার সাথে জরিত তিন মুসলিম যথা 1) মোহাম্মদ রুবেল শেখ, 2) মোহাম্মদ লাল চাঁদ শেখ এবং 3) মোহাম্মদ রমিজ শেখ। এই নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নাম্বার-১৪, তারিখ ২৮,০৬,২০১৩। কিন্ত পুলিশ চাচ্ছে ঘটানটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে। কতিপয় হিন্দুদেরকে জরিয়ে দিতে।


(সূত্র)  

Friday, September 19, 2014

দাফন নাকি দাহ?

জাকির দাবী করে যে অগ্নিতে আহুতি দেয়ার চেয়ে দাফনই উত্তম কেননা এতে খরচ কম এবং পরিবেশ এর দূষন কম! অথচ এ বিষয়ে পৃথিবীর শীর্ষ জরিপকারী সংস্থা ও এই বিষয়ক গবেষনামূলক বইগুলো বলছে তার ঠিক উল্টো কথা।এই বিষয়ে কয়েকটি রেফারেন্স দেখে নেয়া যাক

- দাফন এর ক্ষেত্রে মৃতদেহটি সংক্রামন এর মারাত্মক উত্‍স হিসেবে ভূমিকা পালন করে।বিশেষ করে ইনফেকশাস ডিসিসে মৃত্যুবরনকারীর ক্ষেত্রে দাফন খুব মারাত্মক মহামারী ড়েকে আনতে পারে।সেক্ষেত্রে এটি পানি,বাতাস ও মাটির দূষনকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করে(তথ্যসূত্র-Spongoberg,Alison L Becks,inorganic water,air and soil contamination,pg no. 117)

- জাপান,টোকিও সহ ইউরোপের বিভিন্নদেশে বর্তমানে ওইসবদেশের সরকার দাফনকে বাদ দিয়ে অগ্নিদাহকে উত্‍সাহিত করছে কেননা এতে জমির প্রচুর অপচয় হয়।(তথ্যসূত্র-Furse Raymond,An invitation in japan,pg.73)

(Source)

Thursday, September 18, 2014

মত প্রচার না ধর্ম প্রচার?

অনেক ধর্মের প্রচারক কিংবা ধর্মগ্রন্থ বলে থাকে "আমাদের ধর্মই একমাত্র ধর্ম, অন্য কোন ধর্ম ঈশ্বর কর্তৃক গৃহীত হবেনা"। তাদের কাছে তাদের মতটাই ধর্ম।

এবার বৈদিক প্রচারকের কি বলেন দেখে নিই:
"যে ন্যায়াচরণ সকলের হিতকর্ম করে তাকে ধর্ম এবং যে অন্যায়াচরণ সকলের অহিতকর্ম করে তাকে অধর্ম জানবে।" -স্বামী দয়ানন্দ স্বরস্বতী

মহাভারত বলছে:
"ন তৎ পরস্য সংদধ্যাৎ প্রতিকূলং যদাত্মানঃ।
এষ সংক্ষেপতো ধর্মঃ কামাদন্যঃ প্রবর্ততে।।"
-নিজের ক্ষেত্রে যেটি অনূকুল বলে মনে না হয়,তেমন অন্যের প্রতি কখনও করবেনা।সংক্ষেপে একেই ধর্ম বলে। একমাত্র কামনার দ্বারা তাড়িত হয়েই মানুষ অন্যের প্রতি প্রকিকূল আচরণ করে।
দেখা যাচ্ছে, একজন মত প্রচারে ব্যস্ত, আরেকজন ধর্ম প্রচারে ব্যস্ত।

(Courtesy - Mithun Devnath)

Wednesday, September 17, 2014

আবার একজন ‘শান্তির’ ধর্মের লোকের মুখোশ খুলে গেল

লাভ জেহাদের শিকার হিন্দু মেয়েদের মাদ্রাসায় একত্র করে গনধর্ষন এবং মৌলবিদের দ্বারা জবরদস্তি গোমাংস খাইয়ে ইসলাম গ্রহণ করনো হয়। তারপর বিক্রি করে দেওয়া হয় আরব দেশগুলোয়। কাল মীরাটে প্রকাশ্যে এলো এমনই খবর। আরো অনেক হিন্দু মেয়ে এখনো মুসলমানদের হাতে বন্দী। কাল আপনার বোন বা মেয়েও হতে পারে এর শিকার । পড়ুন, সাবধান হন, বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করে সাবধান করুন।

****মাদ্রাসায় গনধর্ষন এবং ইসলামে ধর্মান্তরকরনের অভিযোগে অশান্তি****

মীরাটের খরখোদা অঞ্চলে যুবতীকে গনধর্ষন এবং জবরদস্তি ইসলাম গ্রহণ করানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুন জ্বলে ওঠে পশ্চিম- উত্তরপ্রদেশে। ইতিমধ্যে সামনে এলো নতুন একটি ঘটনা। দশ দিন আগে অপহরণ করা এক যুবতী রবিবার পরিবারের সাথে বিপর্যস্ত অবস্থায় থানায় হাজির হয়ে মাদ্রাসায় গনধর্ষন এবং জবরদস্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহনের অভিযোগ করে। যুবতীটি বলে বিগত কয়েকদিন তাকে মাদ্রাসায় অপহরণ করে রাখা হয়। যুবতীর পেটে অপারেশনের চিহ্ন রয়েছে। তাই তার কিডনি নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন স্থানে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির কার্যকর্তারা পরিদর্শন করেন এবং পুলিশের সাথে তাদের কথা কাটাকাটিও হয়। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মীগন এসে S.O. দীনেশ কুমার কে শোকজ করা হয়। এবং মাদ্রাসার হাফিজ এবং গ্রাম প্রধান সমেত নয়জন মুসলিমের বিরুদ্ধে সিরিয়াস ধারায় কেস দেওয়া হয়।
পীড়িত যুবতী গ্র্যাজুয়েশন করার পর গ্রামেরই এক মাদ্রাসায় হিন্দি আর ইংরেজি পড়াতেন। যুবতির পিতার অভিযোগ, গত২৩ জুলাই মাদ্রাসায় হাফেজ সানাউল্লাহ এবং গ্রামপ্রধান নবাব সঙ্গীদের নিয়ে যুবতীটিকে অপহরণ করেন এবং হাপুড় স্থিত মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে গনধর্ষন করে এবং জবরদস্তি তার ধর্ম পরিবর্তন করে দেয়। তাকে মারধর করে এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
যুবতীটি বলে, গ্রামের প্রধান নবাব খাঁ , মাদ্রাসার মউলানা সানাউল্লাহ ,তার পত্নী এবং মেয়ে নিসরত ওরফে সানা প্রমুখ মিলে তাকে অপহরণ করেন। তারপর হাপুড়ের দোতাই মাদ্রাসায় ৩১শে জুলাই ধর্মান্তরন করে তার নাম বুশরা জন্নত রেখে দেয়। এবং তার গনধর্ষন ও করা হয়। তাকে হাপুড় ছাড়াও অপহরনের পর তাকে গড় মুক্তেশ্বর, মুজফফরনগর এবং দেওবন্দের মাদ্রাসাতেও রাখা হয়। তাকে অজ্ঞান হওয়ার ইঞ্জেকশন গিয়ে রাখা হত। এরপর মুজফফরনগরের মাদ্রাসা থেকে কোনরকমে তিনি পালিয়ে এসে বৈশালী বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে কোনও এক পথিকের কাছে মোবাইল ফোন নিয়ে পরিবারের সকলকে পুরো ঘটনা জানায়।
যুবতীর কথামত, মুজফফর নগররের মাদ্রাসায় প্রায় ২৪ জন যুবতি ছিল এবং তাদের অবস্থাও তার মতোই ছিল। যদিও পুলিশ রেইড করে কিছু পায় নি। সুত্রের খবর রেঈডের সময় মাদ্রাসায় ৪০ এর উপর মেয়ের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায় যাদের মধ্যে ১৬ জনের রমজান আর ঈদে বাড়ি যাওয়ার কথা বলা আছে। এর থেকে যুবতীর বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে। মীরাটের S.P. ক্যাপ্টেন এম এস বেগ বলেছেন যুবতীকে গনধর্ষন করা হয়েছে, তার প্রমাণ মিলেছে। তিনি বলেছেন ‘দোষীদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবাব এবং সানাউল্লাহ গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের পুরদমে খোঁজ চলছে।’
অন্যদিকে এলাকায় আক্রান্তের সমর্থনে মানুষের মধ্যে প্রবল আক্রোশ দানা বাঁধছে। রবিবার রাত্রি ১১টায় খরখোদার এক পাড়ায় যুবকদের ভিড় ইট লাঠি ইত্যাদি নিয়ে চড়াও হয়। পুলিশ সুচনা পাওয়ার আগেই আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়। তারপর থেকে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
https://www.facebook.com/amihindoo/posts/260921617365487
or
http://www.hindustantimes.com/.../article1-1247947.aspx

 

or
https://www.facebook.com/drsubramanianswamy/photos/a.118146701658320.18858.107229389416718/448248108648176/?type=1&theater



(Source)

Sunday, September 14, 2014

নারীদের প্রতি ইসলামের বর্বরতা

হিল্লা বিবাহ

আমরা দৃষ্টি দিব ইসলামের একটি বর্বর বিবাহ নিয়মের উপর। অনেকেই হয়ত এ ব্যাপারে কিছু না কিছু জেনে থাকবেন—কারণ গ্রাম বাংলায় এই নির্মম ইসলামী প্রথাটি এখনও এই একবিংশ শতাব্দীতেও বহাল তবিয়তে আছে এবং অনেক পরিবারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাপারটা হচ্ছে এই প্রকার:

Saturday, September 13, 2014

হ্যাঁ কোন মুসলমানকে ভালবাসতে হলে আপনাকেও মানুষ হওয়া থেকে শত হাত দূরে থাকতে হবে

একদিন আমি হিন্দু ছিলাম,
সেদিন সুফিয়া সুন্দরীকে প্রেমপত্র দিয়েছিলাম
সে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
অতঃপর বেশ ক'বছর পর আমি নাস্তিক হয়ে গেলাম
সেদিন আমি হিরন বেগমকে প্রেমপত্র দিলাম
সেও প্রত্যাখ্যান করেছে।
আমি হিন্দু ছিলাম বলে সুফিয়া সুন্দরী আমাকে
চিরজীবনের জন্যে ভালোবাসতে রাজি হয়নি।
আমি নাস্তিক ছিলাম বলে হিরন বেগমও আমাকে
চিরজীবনের জন্যে ভালোবাসতে রাজি হয়নি।
আজ আমি মানুষ হয়ে এসেছি
তবুও কোন মুসলমান মেয়ে আমাকে
ভালোবাসতে রাজি হয়না।
তারা চায় আমি মুসলমান হয়েই জন্মালে বোধয় ভালো হত,
নয়তো মুসলমান হয়ে তাদেরকে আমার
ভালোবাসতে হবে।
আসলে কি তারা আমাকে কখনো ভালোবেসেছিলো ?
নাকি তারা ধর্মকেই ভালোবেসেছিলো ?
তারা আসলে মানুষকে ভালোবাসতে চায়নি
মুসলমানকে ভালোবাসতে চেয়েছে...
- মানুষকে কেউ ভালোবাসে না, ভালোবাসে ধর্মকে
- চার্বাক শুভ্র : শুভ্রস্বর (শুদ্র মুখে রুদ্র বচন)

(Source)

Friday, September 12, 2014

এ খবর আমরা কয়জন রাখি?

গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশজুড়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির-ঘরবাড়িতে আগুন ধরানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বছর বিভিন্ন মন্দিরের ৪৯৫টি মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৭৮টি বাড়ি ও ২০৮টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও ১৮৮ জন আহত হয়েছে।

(প্রথম আলো, ১ আগস্ট ২০১৪)

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ হাজার বসতবাড়ি ও অর্ধশতাধিক মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মানুষের বসতবাড়ি ভাঙলে একটি বাড়িই ভাঙে, যা আবার নির্মাণ করা যায়। কিন্তু মন্দির বা উপাসনালয় কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, মানুষের হৃদয় ও পবিত্রতার প্রতীক। সেটি ভাঙা মানে তার হৃদয় ভাঙা। তাঁর ধর্ম ও গোটা সম্প্রদায়কে আহত করা।

(Source)

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Monday, September 08, 2014

সেক্যুলারীজম কাহাকে বলে?

বাংলাদেশের ধার্মিক অধিকাংশ মুসলমান বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চাই, আর ভারতে চাই ধর্মনিরপেক্ষতা। গিরগিটি আর কাকে বলে!
আর বাংলার অনলাইন মুক্তমনাচনারা আরও ভয়ানক। একটি চরম ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক এবং প্রায় অন্ধকারে ডুবতে যাওয়া দেশে বসবাস করেও তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে ভারতে বিজেপির ক্ষমতায়নে। ফেইসবুকে দুই চারটা বেশি লাইক পাওয়ার জন্য দালাল সেজে ভাঁড়ামি করায় তুলনাহীন তারা। একটু ওয়েট করেন মহাজ্ঞানীরা। আপনার দেশের হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার কোপ খেয়ে মরেছেন। তসলিমা নাসরিন ভারতবাসী। কবি দাউদ হায়দার জার্মানিতে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন আসিফ মহিউদ্দিন। মৌলবাদীদের আক্রমণের স্বীকারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলও কেটেছেন চার পাঁচজন।সময় থাকতে লাইনে আসুন। লাইক ভিখারি স্ট্যাটাস দিয়ে জামাতের দালালি ছাড়েন।
যদি না পারেন তবে সামান্য অপেক্ষা করুন। আওয়ামিলীগ একবার স্লিপ খেলেই প্রথম বাঁশটা আপনাদের পাছায় ঢুকবে। আগে নিজের দেশ দিয়ে ভাবুন। নিজের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা দেখুন। অবশ্য সুবিধাবাদী দালালদের সময়ের প্রয়োজনে খতনা দেখিয়ে মহাধার্মিক সাজতে দেরি হওয়ার কথা নয়।

(সূত্র

Saturday, September 06, 2014

Some destroys...Some rebuilds

Recently the great Indian scholar Chanakya's Nalanda University opened up from the beginning of September 2014 after almost centuries of closure from destruction by Khiljis, Arab invaders etc. While the previous Congress government was interested in funding for the likes of Aligarh Muslim Universities from the governmental funding, outside international fund had to be raised to support rebuilding process for this ancient university of knowledge. But at least it has been opened finally. Already more than 1000 students from all over the world applied for admission including from the US, UK, Russia, Germany, Spain, Austria, Myanmar, Sri Lanka, & other southeast Asian countries.

But what baffles me is the fact that while more than thousands of books, infrastructure was burned over some time while mob attacked this ancient learning hub, the same type of people still exist in out current society who can possibly harm this rebuilt university once again, if opportunity arrives. Whenever invaders arrive in a foreign land, not only do they imprison the men, enslave children & women, destroy homes & loot properties, but also sabotage knowledge, antique items, other historically valuable things. Not only did the Spaniards or Europeans did this to the Native Americans in the New World, but also the Arab Muslims who invaded & eventually captured Indian subcontinent during the early part of history. Question is how long will this cycle continue? Will there ever be an end to it? Did Hindu emperors who captured other kingdoms around Indian subcontinent, ever do similar actions? Why is it usually with Muslims & Christians? How can we ensure our current civilization's history to be preserved over long time in history?