Showing posts with label Issues. Show all posts
Showing posts with label Issues. Show all posts

Monday, September 01, 2014

ALS Ice Bucket Challenge

In the last few months, no other issues have dominated Americans' lives than ALS Ice Bucket Challenge. In fact, the trend has spread at such a rapid pace that ~$100 million have been raised in the past few weeks alone worldwide. While most people have been going with the trend in participating in this cause just because someone nominated them, or they thought it was cool to do, or they just felt it gave them a reason to show off their humanitarian side, I want to bring your attention to something else about it.

Recently, I read a friend's status of Facebook (keeping identity anonymous):
I normally don't do statuses or long posts but I feel like I need to in this case. With all the ALS/icebucket challenges appearing on all our newsfeeds, it got me thinking about humanity. While I am all for raising awareness for ALS, the harsh reality is that in a couple weeks most people won't remember ALS. We live in a society that's obsessed with the "cool thing" that's currently trending. While ALS is a very serious matter, it is not the only major incurable disease that needs our attention. HIV/Aids, meningitis, multiple sclerosis, diabetes, lupus, ebola are just some to name a few. We need to take these things seriously and not wait to act until we or our loved ones are personally affected. Always help when you can because you never know when you are gonna need help.
Personally, my younger sister was diagnosed with systemic lupus almost 7 years ago. Those who know me, know what that means to me. Lupus is one of the hardest diseases to diagnose because it mimics the symptoms of other incurable autoimmune diseases. While the disease can be managed, it puts limitations on lifestyle. It is most prevalent in women between ages 15-44. Now I'm not saying this to bring attention to myself or my sister. I'm saying this because the world needs proactive people who are willing to support these issues that need our attention. It is our human responsibility to try to make the world a better place for ourselves, our kids, grand-kids and future generations.
With that I said, I strongly urge people to find a cause that's either important to them or they are interested in. Educate yourself and support it fully. It doesn't have to be a disease. The world has many issues that need our attention: 35% of the world has no access to a toilet, 10% has no access to clean water, almost 50% of the world survives on less than $2.50 a day. All I'm trying to do is hopefully remind people how lucky and privileged we are to lead the lives we lead and as a result it is our duty to help others that are less fortunate.
To those who take the time to read this, I hereby challenge you to make a positive difference and help make the world a better place!
Not only this, but articles or news stories as these also made me wonder about it.

As much as I agree with the founding initiator of this trend, Peter Frates's initiation of this project to raise awareness & money for proper research about this neuro-disease, I felt different about reading the above pieces. I understand that people who have this disorder don't enjoy the same type of living as a normal person does. But the above stories really made me think differently about this cause.

When pure water is already in scarcity in certain parts of the world, wasting the water that is used for ice shower for this challenge, is sheer non-sense to me. Instead of solving or addressing one particular issue or cause, the extensive use of good water makes me wonder how those lesser privileged people would be thinking if they were seeing these videos. By wasting the amount of water that people have done or will be doing for this challenge issue, are we not raising another issue that will need to be addressed afterwards? Have we given this any thought? While the midwest & western part of America is facing the worst type of drought, forest fire in the last few years, how wise is it to waste the water for some challenge to raise awareness & find cure for the disease.

Don't get me wrong. I am willing to donate $10 or $100 for ALS foundation. But is it the only disorder that needs our attention? Is this the only issue to raise awareness for or raise fund to find cures for the disease? Plus, how much of the money actually reaches research facilities? Coming from a science background, I've seen how professors struggle to obtain funding for their respective research. How much different would it be for ALS foundation? Have you given this any thought?

Saturday, July 05, 2014

এ কেমন শান্তির নমুনা?

পাকিস্তানে হিন্দু বাস করে মাত্র ২ শতাংশ। জরিপে দেখা গেছে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার এই পাকিস্তানী হিন্দুরা। এবার সেই পাকিস্তান হিন্দুধর্মের উপর সরাসরি আঘাত করল। পাকিস্তানী একটি জুতা প্রস্তুতকারী কোম্পানী "OM" লেখা জুতা বাজারে ছেড়েছে। জুতা প্রস্তুতকারীদের দাবি, জুতাতে ওমঃ চিহ্ন থাকায় তাদের ব্যবসা ভাল হবে।

Wednesday, May 28, 2014

বর্বর দেশ সৌদি আরবে অমুসলিমদের দুরাবস্থা

উপরে যে ছবিটি দেখছেন তা হল সৌদি আরবে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করা হচ্ছে একজন অমুসলিমকে...

Sunday, May 18, 2014

!!ক্ষমা করো হজরত!! (কাজী নজরুল ইসলাম)

তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ, ক্ষমা করো হজরত্‌।
ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ
ক্ষমা করো হজরত্‌।।

Sunday, May 11, 2014

Difference between genuine refugees & illegal migrants in India

One group is grateful and goes about their work quietly and so is welcome in our Country.

Thursday, August 08, 2013

রমজান ও প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয়

ইসলাম ধর্মে রমজান মাস এক বহুল গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এই মাসে ধার্মিক মুসলমানগণ পুরো মাস যাবত রোজা রাখেন নিজেকে সংযমী করতে। সংযম - এ এক অপরিহার্য অঙ্গ মানব জীবনের। অন্যান্য সকল ধর্মের মতোই মুসলমানগণ ফজরের আযানের সময় প্রায় ভোর সকালে সূর্য উঠার পূর্বে ভোজন করেন। তারপর সারা দিনব্যাপী না খেয়ে রোজা রাখেন। বিকালে বা সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সময় যখন মাগরিবের আযান হয়, তখন ধার্মিক মুসলমানগণ রোজার সমাপ্তি করেন ইফতারীর মাধ্যমে।

এই হলো মৌলিক কিছু বিষয় যা মোটামুটি সকল মুসলিমগণ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও জানেন।

কিন্তু কতজন মুসলিম প্রকৃতভাবে রমজানের রোজা রাখেন? কতজন আসলেই সংযমী থাকেন? কতজন সিয়াম সাধনার এই মাসে খাবারসহ অন্য যেকোনো প্রকার আসক্তির প্রতি আসক্ততা ছাড়েন? কিছু উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

প্রযুক্তি (Facebook, Twitter, Google+)-এর কল্যাণে এখন আমরা একপ্রকার digital যুগে বাস করছি। সবকিছুই এখন দ্রুত, নিমিষেই জানা যাচ্ছে। আর সেকারণে আজকারকার ছেলেমেয়েরা এইসব মাধ্যমের উপরই তাদের খবরাদির সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানো যাওয়া পর্যন্ত অনেকটা সময়ই আজকাল Facebook এর মতো মাধ্যমে ব্যয় হয় ছেলেমেয়েদের। আর তাই এটা অস্বাভাবিক নয় যে তারা তাদের রোজার সময়াদিও Facebook এর মতো মাধ্যমের দ্বারাই জানতে পারে। কিন্তু কেমন চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ করছে আজকালকার ছেলেমেয়েরা? তারা কি আসলেই রোজার নিয়মাদি রক্ষা করে রোজা পালন করছে? নাকি বাধ্য হয়ে বাবা-দাদারা করে এসেছে, তাই সেও করছে - এমন ভাবধারা থেকে এটি পালন করছে?

কিছু কিছু post দেখলে মনে হয় এরা মাগরিবের আযানের জন্য মরিয়া হয়ে রয়েছে। যেখানে খাবারের প্রতি আসক্তি কমানোর জন্য রোজা পালন করা, আর ছেলেমেয়েরা অপেক্ষায় থাকে প্রিয়, সুস্বাদু ইফতারীর। পাশের ঘরেই হয়ত মা ইফতারীর আয়োজন করছেন। কেউ আবার রোজার মাসে স্বাস্থ্য শুকিয়ে কাহিল দশায় পড়ে। সময়ের সাথে যেন পাল্লা লাগে কখন ইফতারীর সময় হবে। ঘড়িকে যেন পারে না ঠেলে এগিয়ে দেবে। আর যেই মাত্র ইফতারীর সময় হয়, যেন একবারে সব খেয়ে ফেলবে। আর ইফতারী খেয়ে দেয়ে যেন ১০-১২ ঘন্টার না খাওয়ার তেষ্টা-ক্ষুদার যন্ত্রণা দূর করে। ফলে স্বভাবতঃই সংযমী হওয়ার মাসে স্বাস্থ্য না কমে কারো কারো বরং বেড়ে যায়। রমজানের মাসটা হয়ত পর্দা/হিজাব দিয়ে ঢেকে রাখার উত্তম সময়। কিন্তু তাই বলে কি শুধু রমজানের মাসেই এই সংযম থাকবে? নাকি সারা বছরই এমন সংযমী হবার কথাই বলা হয়েছে ইসলাম ধর্মে? ঈদের সময় যেন সব সংযমের প্রথাই লোপ পায় এইসব ultra-modern ছেলেমেয়েদের কাছে। এছাড়াও সাধারণ সময়ে যত পরিমাণ মানুষজন মসজিদে যায়, রমজানের মাসে যেন এই সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। তাছাড়া এবছর বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী ব্যয়বহুল, দামী পোশাকাদি বিক্রিতে শীর্ষে ছিলো মুম্বাইয়ের বলিউডের গতবছরের নবাগতা নায়িকা সানি লিওন যিনি চলচ্চিত্রে আসার পূর্বে পর্নোগ্রাফীর সাথে জড়িত ছিলেন। এমন ধরনের মহিলার নামে পোশাক বিক্রি ধার্মিক মুসলমান হিসেবে অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে ইসলাম সম্পর্কে কেমন লাগবে এটি কি কেউ ভেবে দেখেছে?

ধর্ম পালন করাটা সকলের কর্তব্য। আর যদি ব্যক্তি মনে করে সে ধর্ম পালন করবে না, তাহলে একেবারেই না পালন করাই ধেয়। নতুবা অল্প-স্বল্প এমন পালন করে নিজ ধর্মকে, ধর্মের প্রথা, নিয়ম-রীতিকে, ধর্মাবলম্বীদেরকে অসম্মান করাটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সংযমের মাসে সংযম করাটা স্বেচ্ছায় আসা উচিত প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে। বাধ্য হয়ে যদি পালন করা হয়, তাহলে সেই প্রথা পালন করে যেমন কোনো সোয়াব হয় না, তেমনি এতে সময় ব্যয় করাও বেমানান।

Saturday, August 03, 2013

HSC পরীক্ষার্থীদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

এবারের ২০১৩ সালের বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত HSC (Higher Secondary Certification) পরীক্ষায় তুলনামূলকভাবে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় ফলাফল সর্বোপরি খারাপ হয়েছে। গত বছর যেখানে ৭৮% ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছিলো সেখানে এবছর সেই পাসের হার ৭৪%। প্রায় তিন হাজার কম সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী GPA-5 পেয়েছে। 

প্রশ্ন হলো কেন এই ফল বিপর্যয়? কেন তুলনামূলক অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর ফলাফল খারাপ হলো ছাত্র-ছাত্রীদের? 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন যে, লাগাতার হরতাল-সহিংসতা ইত্যাদি থাকার ফলে ছেলে-মেয়েদের মনে স্বাভাবিকভাবেই একটা ভয় বিরাজ করেছে পুরো পরীক্ষার সময়। শুধুমাত্র প্রথম পরীক্ষাই কোনো রকম রাজনৈতিক কর্মসূচী বাদে পরিচালিত হয়েছে। পরবর্তীতে নয় দিন পরীক্ষা পিছিয়েছে। ফলে ছেলে-মেয়েদের মানসিক যে প্রস্তুতি সেটা বারংবার ব্যাহত হয়েছে। এর দায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজতে ইসলাম এড়াতে পারবে না। এমনকি কেউ কেউ বলছেন, যেই মহিলা নিজেই HSC পাস করতে পারেননি, তিনি কেন চাইবেন দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা তার চেয়ে বেশী শিক্ষিত হোক।

সে যাই হোক। একদিকে যেমন সরকারী পক্ষ বিরোধীদের দোষারোপ করছে। আবার বিরোধীরা দুষছে সরকারী পক্ষকে। বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, সরকারপক্ষ তাদের নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদের উপর দোষ চাপাচ্ছেন। সেটার সাথে আবার বিরোধী সমর্থকরা একমতই পোষণ করছে।

আমার আবেদনটা মূলত HSC পরীক্ষার্থী/শিক্ষার্থীদের কাছে। তারা (তোমরা) যে যেই ফলাফল করেছ না কেন বেশীরভাগেরই আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। সবাই চেয়েছিল Golden GPA-5 পেতে, কিন্তু ক'জনায় তা পেরেছে? দোষ দাও বিএনপিকে, জামায়াতকে, হেফাজতকে কিংবা আওয়ামী লীগকে, তারা কেউই কিন্তু প্রকৃতভাবে তোমাদের ফলাফলে কোনো মাথাব্যথা করছে না। আজ যদি সরকারীপক্ষ আওয়ামী লীগ না হয়ে বিএনপি হতো এবং এমন হরতাল-অবরোধ-সহিংসতা ঘটতো, তাহলে লোকজন বিরোধীদের দুষত। 

আমার পয়েন্ট হলো, আওয়ামী-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত এরা কেউই প্রকৃতভাবে দেশের আপামত জনসাধারণের ভালো চায় না। ফলে একটা ছেলের ভবিষ্যত যদি নষ্ট হয়ে যায় তাদের হরতাল-অবরোধের কারণে তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। হয়ত সেই পরিবারের লোকজনরা সেই ছেলেটির ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে ছিলো যেন ছেলে ভালো ফল করলে ভালো কাজে ঢুকতে পারবে, সংসারে টানা-পোড়েন থাকবে না। কিংবা হয়ত সেই মেয়েটি যে বাবা-মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো যে সে যদি পরীক্ষায় পাস করে তাহলে তাকে বিয়ে না দিয়ে আরো পড়াশোনা করাবে বাবা-মা। সেই মেয়েটির স্বপ্ন হয়ত স্বপ্নই রয়ে যাবে। এমন নানা ঘটনাই হয়ত আমাদের অজান্তেই থেকে যাবে। কই এনে দেবে কোনো চাকরী সেই ছেলেটার জন্য যে তার পরিবারের আশার আলো দেখানো স্বপ্ন নিয়ে Golden GPA-5 এর লক্ষ্যে পড়াশোনা করেছিলো? এনে দেবে কোনো সরকারী-বিরোধী কিংবা ইসলামী কোনো দল-গোষ্ঠী? বন্ধ করতে পারবে সেই মেয়েটির বিয়ে যে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ফলে বাবা-মার কাছে মুখ তুলে তাকাতে পারবে না? পারবে কোনো দল-পার্টি এই ক্ষেত্রে কিছু করতে? পারবে যদিওবা, কিন্তু করবে না। করছে না। আজ পর্যন্ত করেনি। ভবিষ্যতেও করবে কিনা সন্দেহ।

মনে যদি শান্তি না থাকে তাহলে দেহে শান্তি মেলে না। আর দেহ-মন দুটোই যদি খারাপ থাকে তাহলে পরীক্ষায় যতই পড়াশোনা, প্রস্তুতি থাকুক না কেন, ফলাফল সচরাচর ভালো হয় না। আমি নিশ্চিত সেটাই ঘটেছে বাংলাদেশে এবারের ২০১৩ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের বেশীরভাগের ক্ষেত্রে।

একটা ছেলের ভবিষ্যত ধ্বংস করতে একটা রাজনৈতিক দলই যথেষ্ট। একটা মেয়ের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ করতে একটা সরকারী-বিরোধী পার্টিই যথেষ্ট। কেউ সেই ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যত-স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করে না। কমপক্ষে বাংলাদেশ-ভারতের মতো দেশগুলোর রাজনৈতিক কোনো দল তো নয়ই। 

তাই আমার আহবান, যেসব পরীক্ষার্থীরা খারাপ করেছে, মন মতো ফলাফল করোনি, তারা সামনের নির্বাচন বর্জন করো। বয়কট করো। কি ফলাফল এনে দেবে যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যায়? কি সুফল বয়ে আনবে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে? কি লাভ হবে তোমাদের নিজেদের? বরং ক্ষতির পরিমাণটাই বেশী। হয়ত সামনের বার তোমার না হোক, তোমার কোনো ভাই-বোন, কিংবা আত্মীয়-স্বজনের এরকমভাবে ভবিষ্যত স্বপ্ন নষ্ট হবে। 

প্রশ্ন করবে কী হবে আমি একজন বয়কট করলে? তুমি একজনের দেখাদেখি আরেকজন করবে যে নিজেও হয়ত এমন ভুক্তভোগী। আর তাছাড়া, নিজের বিবেকের কাছে তো বলতে পারবে সামনের বার যখন এমন ফলাফল ঘটবে যে, না, আমি ওই স্বার্থান্বেষী মহলকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনিনি। কিংবা আমি ওই ক্ষমতালোভীদের বাক্যের জালে পড়িনি।

আমাকে হয়ত অনেকেই ভুল বলবেন। আমি বলাতে কে ভোট দিলো কি না দিলো তাতে কি যায় আসে। যে ক্ষমতায় যাবে, সে ঠিকই যাবে এই ক'জন ভোট দিক আর না দিক। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি নিশ্চিত সেইসব খারাপ ফলাফল করা ছেলে-মেয়েরা মনের দিক থেকে নিশ্চয়ই একটা শান্তি অনুভব করবে।

Thursday, May 16, 2013

পুলিশও মানুষ

ইনাদের আমরা সুযোগ পেলেই গালমন্দ করি; অভিশাপ দিই। অথচ একবারও চিন্তা করিনা এই মানুষগুলো না থাকলে চুরি-ছিনতাই কি হারে বেড়ে যাবে? মন্ত্রীরা এত প্রটোকল কিভাবে পাবে? ঈদের নামাজ কিংবা পহেলা বৈশাখ শান্তিপূর্ণভাবে কিভাবে উদযাপন করবো? সরকারী চাকুরীজীবীরা শুক্র-শনি ছুটি পেলেও এদের কোন ডে-অফ নেই। এদের কি সংসার নেই? তাদের সন্তানরা বাবাকে কতটা সময় কাছে পায়। অথচ পিতৃস্নেহ অধিকার থেকে নিজেদের সন্তানকে বঞ্চিত করে এরাই হাজারো সন্তানের জন্য রাতজেগে বন্দুক কাঁধে নিয়ে ডিউটি করেন আর নিরবে কান্না করেন। অথচ এদের কান্নার কোন দাম আছে?
পুলিশের মেসের খাবার কেউ একটু খেয়ে দেখবেন? অথচ এরা রাষ্ট্রের অত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে কিন্তু সরকার তাদের মূল্যায়ন করে না। সরকার টাকা দেয় সবুজ উর্দিওয়ালাদের। উর্ধ্বতন অফিসারদের কমিশনের সুবিধা দিতে ১৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনেন। প্রতিবছর চকচকে নতুন গাড়ি আসে; একটু পুরোনা হলেই গাড়ির চাক্কা বদলে যায়। আর লক্করঝক্করমার্কা গাড়ি নিয়ে ডিউটি করেন টোল্লা! পুলিশ।
এরা রক্ত ঝরায়; সর্বোচ্চ ধৈর্য্য দেখায়। সরকার প্যাদায়; পাতি নেদারা পেদায়। আর আমরা কত রাগ ঝারি। এতমোটা পোষাক পড়ে ঠাঠারোদে একটু ডিউটি করেন; দেখবেন চান্দি গরম হয়ে যাবে। অথচ কাগজ ছাড়া মোটরসাইকেল চালিয়ে বড়ভাইদের ফাপড় নিই। অথচ এই পোষাক পড়ে ডিউটি করুন না একটু।

একাত্তরে সবার আগে রক্ত দিয়েছে পুলিশ। ৮৫৬জন রাজারবাগে শহীদ হয়েছিল। অথচ একজন পুলিশও বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পায়নি। এরা মরে গেলে আমরা সাংবাদিকরা বলি পুলিশ! নিহত। এদের রক্তের দাম কি মূল্যহীন?

সব পেশাকে সম্মান করুন। মানুষের কর্মকে সম্মান করুন।


Wednesday, May 15, 2013

জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য: ককটেলের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা

জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য থেকে রেহাই পাননি হিন্দু স্কুল শিক্ষিকা প্রীতি চৌধুরীও। প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার পথে শিবির ক্যাডারদের ছুঁড়া ককটেলে ক্ষত-বিক্ষত দেহ নিয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার হরতাল চলাকালে আমানবাজার এলাকায় জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা যাত্রীবাহী রাইডার গাড়িতে ককটেল ছুঁড়ে মারে। এতে এসময় গাড়িতে থাকা প্রীতি চৌধুরী গুরুতর আহত হন। তিনি নগরী থেকে তার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এ হামলার শিকার হন।
প্রীতি চৌধুরী চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার আমানবাজার এলাকার ছিপাতলী বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।


Saturday, May 11, 2013

এতে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হবে না

এই ছবির ক্যাপশনে যা লেখা ছিলো:
নবীজী বলেছেন-ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।
কথাটা নিজ ধর্ম ও অন্যের ধর্ম উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ভাবতেই খারাপ লাগছে একজন মুসলিম এমন কাজ করতে পারে, "Muslim Brotherhood" শব্দটা উচ্চারণ করতেই এখন থেকে দ্বিধা বোধ হবে...এমন কাজ আমার ভাই করতে পারে না।

মুসলিম ভাইদের বলছি-দেখুন এটাই জামাত-শিবির-হেফাজতের আসল রুপ...তারা কতটা নিচু মনের মানুষ। একবার ভেবে দেখুন কোন হিন্দু যদি নবীজীকে নিয়ে কটুক্তি করতো,তার কোন কাল্পনিক ছবি একে কোন প্রোপাগান্ডা ছড়াতো,আপনি কি করতেন?? নিশ্চয় তাকে খুন করে ফেলতে চাইতেন,সেটাই স্বাভাবিক...নিজের ধর্মের অপমান কেউি সহ্য করতে পারেনা। এখন এই ছবি দেখে কোন হিন্দু যদি কিছু বলে আপনার উত্তর কি হবে?? কেউ যদি এটার প্রতিশোধ নিতে যায় তবে কি হবে???একবার ভেবে দেখুন তারা আমাদের ধর্মকে কিভাবে অন্যের চোখে ছোট করছে?! নবিজীকে নিয়ে বাজে ভিডিও বের হলে আমরা সবাই প্রতিবাদ করছিলাম,কিন্তু এর প্রতিবাদে কি আমরা শামিল হবো না?এটা কি আমাদের ধর্মের অপমান নয়???আর আপনি যদি আই ছবি দেখে মনে মনে বলেন "ভালোই হইছে/ঠিক আছে" তবে আপনি মুসলিম না। সময় এসেছে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর,মুসলিম রুপী এই ভন্ডদের হাত থেকে আমাদের ধর্মকে বাচাতেই হবে।

হিন্দু ভাইদের বলছি-প্রথমেই ক্ষমা করবেন এমন পোস্টের জন্য,আপনরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাতে পারেন,কিন্তু এতে কি লাভ হবে জানিনা,হয়তো সরকার উলটো আপনাকেই ধরবে...কিছুই করতে পারবেন না।আমরা দূর থেকে অনেক সান্তনা দিবো,অনেক কথা বল্বো,হয়তো কেউ কেউ প্রতিবাদও করবো কিন্তু কোন কাজ হবেনা এতে...কোনো ধার্মিক এমন কাজ করতে পারে না,দাঙ্গা বাধাতেই তাদের এই প্রচার,তারা চায় আপনারা ক্রুদ্ধ হয়ে কিছু করুন,তারপর তারা আবার আপনাদের উপর জুলুম চালানোর একটা ইস্যু পাক।

যারা এটা করছিস তাদের কিছু বলার নেই...তোদের জন্ম ডাস্টবিনে,তোদের মৃত্যুও সেখানে হবে,মরার পর তোদের স্থানও সেখানে হবে।

পুর্বে এমন অনেক ঘটনা দেখেছি,সামান্য কথা কাটাকাটিতেও গেঞ্জাম বেধে একে অন্যের বিরুদ্ধে পেজ/আইডি খুলে বাজে প্রচার চালাইছে। দয়া করে এসব থেকে বিরত থাকুন।অনেকে এসব পোস্ট দেখলেই ভারতের কথা টানেন,বলেন ভারতে ওরা আমাদের ধর্মকে গালি দেয় তাই আমরাও দিছি। আমি বলি-ভাই ভারত নিয়ে কেনো এতো মাথা ব্যাথা??নিজের দেশ নিয়ে ভাবুন,ওরা কুত্তা হলে আমরাও হবো??যে দেশগুলাতে ধর্মের টানাহিচড়া নেই সেগুলোর কথা তো কখনো বলেন না...আগে নিজে ভালো হন,তারপর অন্যের কথা ভাবুন।

আল্লাহ্‌ এদের ক্ষমা করো,এদের তুমি সঠিক পথ দেখাও।
এখন এ নিয়ে আমি নিজে একজন হিন্দু হয়ে কী আর বলব! শুধু এটুকুই জানি যে, যত কুরুচিপূর্ণ, কটাক্ষপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর, অশ্লীল ছবি, ভিডিওই হোক না কেন, তা যদি হিন্দুধর্মকে নিয়ে করে কমপক্ষে বাংলাদেশে এর জন্য কোনো প্রতিবাদ হবে না। প্রতিবাদ এই অর্থে বোঝাচ্ছি যে, আজ কোনো হিন্দুরা দল-বল, লাঠি-সাটা নিয়ে মুসলিমদের ঘর-বাড়ি জ্বালানো, পোড়ানো, ভাঙচুর করবে না। কোনো হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচী কেউ ঘোষণা করবে না। সেটা হিন্দু কোনো সংগঠন হোক, কিংবা হিন্দুদের পার্টি বলে আখ্যা দেয়া আওয়ামী লীগও করবে না। উল্টো হিন্দু ভোট পেতে বিএনপি বা জাতীয় পার্টিও কিছু করবে না। 

প্রশ্ন হলো, এমনটি তো করছে আমাদের চারপাশের লোকজনরাই। কই সচেতন মুসলিম হিসেবে, পরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক'জন মুসলিম এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামছে? ধর্মীয় অনুভূতি জিনিসটা কি শুধু বিশ্বে মুসলিমদেরই আছে? কিংবা খ্রীষ্টানদের? আজ নবীজীকে নিয়ে কার্টুন প্রচারের ফলে বাংলাদেশে ফেইসবুক, ইউটিউব বন্ধ করে দিতে পারে। অথচ এসব ছবির কারণে তো কখনো ফেইসবুক বন্ধ হয় না। এসব ছবি তো শুধু এই একটা না, আরো নানান ফেইসবুক পেইজ, গ্রুপে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু সেগুলোর জন্য কি কোনো জাতি-ধর্ম-বর্ণের কোনো দিক দিয়েও আঘাত লাগে না? নাকি তারা ধরেই নিয়েছে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি বলে কিছু নেই?

নবীজী তো একজন মানুষ ছিলেন। আর এখানে যাকে রূপায়ন করা হয়েছে তিনি তো একজন দেবী যার স্থাণ কোনো ধর্মীয় গুরু, যাজক, পন্ডিত বা ধর্মপ্রবক্তার চেয়ে বড়। তাহলে সেই স্থাণের কাউকে নিয়ে কটুক্তি বা এমন ছবি তৈরি করে ফেইসবুকে প্রচার সেটাতে বুঝি কারো কিছু লাগে না? 

আমি ধন্যবাদ দিতে চাই Voice of 71 - ৭১ এর কন্ঠ পেইজের সমন্বয়ককে। তিনি বা তারা কমপক্ষে বিষয়টি প্রচার করে মানুষের চিন্তা-চেতনা যে কতটা নীচ, কুৎসিত হতে পারে তার উদাহরণ স্বরূপ এটি প্রকাশ করেছেন। তারা বোঝাতে চেয়েছেন জামায়াত-এ-ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের মতো গ্রুপ কতখানি হীনমস্তিষ্কধারী হলে এমন ছবি প্রকাশ করে। আসলে এদের মতো সমন্বয়করা আছেন বলেই হয়ত ৯০ শতাংশেরও বেশী মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে হিন্দুরা কোনো মতে টিকে আছে।

Friday, May 10, 2013

১৭ দিন অন্ধকারে বসেছিলাম — প্রধানমন্ত্রীকে রেশমা

সাভারের এরিয়া কমান্ডার ও জিওসি মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বলেছেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মুঠোফোনে রেশমার সঙ্গে কথা বলেছেন। জিওসি আরও বলেন, এ সময় রেশমা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘আমি ১৭ দিন অন্ধকারে বসেছিলাম।’

জিওসি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রী রেশমাকে বলেন, ‘আমি তোমাকে দেখতে আসছি।’ এর পরই প্রধানমন্ত্রী সাভারে সিএমএইচের উদ্দেশে রওনা হন।

হাসান সারওয়ার্দী আরও বলেন, সকালের দিকে ধ্বংসস্তূপের ওই অংশে একটি ছিদ্র করা হয়। তখন ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আলো যায়। এ সময় রেশমা ভেতর থেকে চিত্কার করে ওঠেন। একজন মেজর প্রথম রেশমাকে দেখতে পান বলে জানান জিওসি। তিনি জানান, রেশমাকে ভবন ধসের ৪১৬ ঘণ্টা পরে উদ্ধার করা হলো।

জিওসি আরও জানান, রেশমা প্রথমে পানি খেতে চান। তাঁকে পানি ও খাবার দেওয়া হয়েছে।


Wednesday, May 08, 2013

চলে গেলেন উদ্ধারকর্মী বাবু

সাভার ট্র্যাজেডি'র সেই অসম সাহসী বীর উদ্ধারকর্মীটির কথা মনে আছে? একাই ৩০ জন মানুষকে উদ্ধার করেছিলেন যিনি? সেই বাবু, ওমর...ওরফে বাবু, তিনি আর নেই! উদ্ধারকার্য শেষ হবার পর পরই তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়! রাতে আতংকে ঘুমোতে পারতেন না, দুঃস্বপ্ন দেখতেন! মানবতার সেবার, অসম সাহসিকতার, সহমর্মিতার মানুষটার জন্য।
বিন্রম শ্রদ্ধা, এই অসমসাহসী বীরের জন্য।

গত ২৪ এপ্রিল, রানা প্লাজা ধসের দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাধারণ মানুষের স্বপ্রণোদিত অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। নিজের জীবন বিপন্ন করে তাঁরা বাঁচিয়ে দিয়েছে অনেক মানুষের প্রাণ। এদেরই একজন অসম সাহসী বীর উদ্ধার কর্মী ওমর ফারুক বাবু। নিজে উদ্ধার করেছেন অসংখ্য আহত নিহতদের। সাহসী এই উদ্ধারকর্মী ভবন ধসের প্রথম দিনে একাই ৩০ জনের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। অথচ তিনি নিজেই এখন নাম লেখালেন লাশের কাতারে।

সাভারের রাজাসনের বাসিন্দা বাবু একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি। ভবন ধসের নির্মমতা ছুঁয়ে যায় বাবুকে। বিভৎস লাশগুলো টেনে হিঁচরে বের করার পর মানসিক রোগে ভুগতে থাকেন তিনি। তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর থেকে বাবুর মধ্যে মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তিনি আতঙ্কে ঘুমাতে পারেন না, মাঝেমধ্যে ভয়ে শিউরে ওঠেন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পর গভীর রাতে ঘুমের মধ্যেই ‘বাঁচাও' বাঁচাও বলে আর্ত চিৎকার দিয়ে জেগে উঠতেন।
বাবুর স্ত্রী আরো জানায়, পুরোপুরিভাবে মানসিক ভারসাম্য হারানোর আগে তিনি চিৎকার করতেন 'আমি চলে আসছি আর সমস্যা নেই আপনাদের কিচ্ছু হবেনা'।

এভাবেই তার স্বামী ওমর ফারুক বাবু আতঙ্কিত হয়ে ক্রমেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে! এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। কিন্তু মানুষের জন্য মানবতার গান গাওয়া এই সাহসী বীর বাঁচতে পারলেন না। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহস্যজনকভাবেই মৃত্যু হয় তার।

বাবু এর আগেই সংবাদে এসেছিলেন, তবে তখন তিনি ছিলেন এক বীরযোদ্ধা, আর এখন তিনি সংবাদে আসলেন সাভার ট্র্যাজেডির বলি, আরো এক লাশ হয়ে।


Monday, May 06, 2013

Investigation of late Ruma Rani Das case by BDMW

Ms. Ruma Rani Das (15) was a student of standard six. Her father’s name is Purno Robi Das (45) and Mother’s name is Maloti Rani Das. She was the first daughter of her parents. They used to live in the village of Danga Bazar, Police Station- Polashpur, District- Norshingdi since many years. However, due to financial crisis they sold their land and shifted to the village of Volavo, Police Station- Rupganj, District- Narayanganj one and half years back. After coming here, Md. Dalim, son of Shiraj Compani started teasing victim Ms. Ruma Rani in indecent way. When victim’s mother Ms. Maloti came to know about the fact, she tried to coax her daughter but she failed to do so and Ms. Ruma rani did fall in love with perpetrator Dalim. After knowing their love affair, parents of Ms. Ruma Rani Das decided to shift the place and eventually they shifted to the village of Konabari, Gajipur District and asked to Ms. Shundari Rani Das (70), mother of Purno Robi Das to reside in their present house. On 30.09.11 at afternoon Ms. Ruma rani Das went to visit the abode of Abul kader, son of late Tukka Mishri who is her father’s friend at Volavo. After that the following day on 01.10.11 (Saturday) at afternoon she went to see her grandmother to their house at Volavo. At this time Perpetrator Md. Dalim and his Friends Md. Rafiqul Islam and Md. Shamim Mia silently entered into bedroom of Ms. Ruma Rani Das and raped her and hanged her to death. Soon after the incident took place the members of destitute families did not dare to file a case as they were threatened by perpetrators. After that on 03.10.11 Mr. Purno Robi Das lodged First Information Report (FIR) at Volavo Police Station being Case No. 06 dated 03.10.2011 under Section 9(1) of the Nari-O-Shisu Nirzatan Daman Ain, 2000 (as amended 2003) against the perpetrators on the direction of the police. Type of Violation: Violation against personal Integrity and right to life ; Date of occurrence: 1st of October, 2011 Date of investigation: 28th of October, 2011 Place of occurrence: Within the bedroom of the victim of Volavo of Rupganj P.S. Narayanganj District, Bangladesh. The incident of gang rape has been published in the Daily “Sangbad” and “Ittefaq” dated 3 October 2011. Name of the victim: Ms. Ruma Rani Das (15) Religion: Hindu Name of the Perpetrators: 1. Md. Dalim (22), son of late Shiraj Compani 2. Md. Rafiqul Islam (23), son of Shahajahan Mia 3. Md. Shamim Mia (25), son of Majnu Mia, all of village Volavo of Rupgonj Police station, Narayangonj District.
Ruma Rani Das's mother holding her daughter's photo in rememberance

A crying mother of Ruma Rani Das

Supporting documents:
Daily Ittefaq report


Thursday, May 02, 2013

বাংলাদেশে ‘শ্রম দাস’ প্রথার নিন্দায় পোপ

সাভারে গত সপ্তাহে রানা প্লাজা ধসে কয়েকশ’ মানুষ নিহতের ঘটনায় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ-পরিস্থিতিকে শ্রম দাস প্রথার সঙ্গে তুলনা করে এর নিন্দা জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।

রানা প্লাজার ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা ৪শ’ ছাড়িয়েছে।ওই প্লাজায় কয়েকটি পোশাক তৈরির কারখানা ছিল।

বুধবার মে দিবস পালনকালে ভ্যাটিকানের বাসভবনে সমবেত দর্শনার্থীদের পোপ বলেন, ঢাকার বহু শ্রমিকই মাসে মাত্র ৫০ মার্কিন ডলার বেতন পায় এমন শিরোনামের খবর দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত।

‘একেই শ্রম দাস প্রথা বলা যায়’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। পোপের উদ্ধৃতি দিয়ে ভ্যাটিকান বেতার এ খবর দিয়েছে।

“সৃষ্টিকর্তা আমাদের যে সৃজনশীলতা, কাজ করা এবং সম্মনিত হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে আজ এ ধরনের দাসত্ব চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে,” বলেন পোপ।

মে দিবসে বিশ্বজুড়ে বেকারত্ব আর কাজের সুষ্ঠু পরিবেশের অভাবের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে সাভারের ঘটনায় হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে পোপ বলেন, “কতজন ভাই-বোনকে এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে!

তিনি আরো বলেন, “সঠিকভাবে বেতন পরিশোধ হচ্ছে না, চাকরি জুটছে না। কারণ, আপনারা শুধু লাভের দিকটা দেখছেন।এ ধরনের কর্মকান্ড সৃষ্টিকর্তারই বিরুদ্ধাচরণ করা।”

লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে নির্বাচিত পোপ ফ্রান্সিস দরিদ্রদের পক্ষে এক সরব ও বলিষ্ঠ কণ্ঠ।তার দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় তিনি গরিবদের পক্ষেই সোচ্চার হয়েছিলেন।

মার্চে নতুন পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ফ্রান্সিস রোমান ক্যাথলিক চার্চকে গরিবদের পাশে দাঁড়ানোরই আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

মে দিবসে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের ভাষণে ৭৬ বছর বয়সী পোপ ফ্রান্সিস ‘স্বার্থপর লাভ’ এর পথ পরিহার করে বৃহত্তর সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানান।

“আমি শ্রম বাজার নতুন করে ঢেলে সাজানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাচ্ছি”, বলেন তিনি।


Wednesday, May 01, 2013

Why May Day?

Growing up in Bangladesh, I've learned that May 1st is dedicated for all labor workers around the globe who work tirelessly to make different products for us. But after coming to the US, I found out that May 1st which is known as 'May Day' to most of the outside world besides US isn't celebrated as that of a big deal. In fact, US has its own version to pay tribute to the labors. It's known as 'Labor Day'. That falls on September.

Even according to Department of Labor, there is no actual history of the so-called 'Labor Day'. But the bloody rebellion that occurred in the streets of Chicago in 1886 on this day was the actual "Labor Day" or "International Workers' Day". Even though 66 countries celebrate this day officially, the country where it all started does not care to recognize it for the strive for 8-hour work period. More about the history of this movement of 1886 can be found here.

Moreover, over the last century, US government has made to make the movement of 1886 into a socialist approach from the workers' end. On the contrary, it is those same government officials who are now enjoying 8-hour work-shift. Question is how long? How long will the generations be kept silent from hearing about the true struggle of labor workers? How long will the government keep on celebrating 'Labor Day' in September when it has nothing to do with any labor movement? When will "May Day" be celebrated as an official day to commemorate those who fought for a better workplace environment, legitimate work-shift period? When will the truth about US government's aggressive actions against innocent workers reach the ears of school children? When will it all happen?

Tuesday, April 30, 2013

ধ্বংসস্তুপ থেকে আর্তনাদ

’হ্যালো বাবা, হ্যালো মা, হ্যালো হ্যালো... কেউ আছেন? ভেতরে কেউ আছেন?’ সরু অন্ধকার সুরঙ্গের ভেতরে এভাবেই জীবিতদের খুজেছেন লিজা। ধ্বংস স্তপের ভেতর নিজেই আবার হারিয়ে না যান, সেই জন্য কোমড়ে দড়ি বেধে পৌছে গেছেন দুর্গম অনেক কক্ষে। তার মাথায় কখনও খসে পড়ছে পলেস্তারা, কখনও আহতদের ফোটা ফোটা রক্ত। কখনও ধ্বংস স্তুপের খাজে খাজে ঝুলে থাকা গলিত লাশ ঠেলে ভেতরে গেছেন, কখনও শাবল হাতে ভেঙ্গেছেন কংক্রিটের দেয়াল, সন্ধান করেছেন জীবিতদের। উদ্ধার করেছেন অন্তত অর্ধশত নারী পুরুষ।

‘দুর্ঘটনার পরের দিন নয় তলা’র সরু সুড়ঙ্গ পথে হামাগুড়ি দিয়ে পাঁচ তলা পর্যন্ত পৌছতে পেরেছিলাম। মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পেরে একটা রুম থেকে দেয়ালের ক্ষীন কন্ঠে এক নারী চিঁতকার করে বলতে থাকে, বাচান, আমারে একটু বাচান। আমি বকুল। বাড়ি বগুড়া। বাচান’। শাবল দিয়ে সেই রুমে একটু ছোট গর্ত করি। টর্চ মারতেই দেয়ালে ঝুলে থাকতে দেখি মুখের ভেতর রড ঢুকে থাকা এক নারীর লাশ। পাশে তাও দুটো মৃতদেহ। সেই ফুটো দিয়ে একজন নারী আমার হাত চেপে ধরে। তাকে বের না করলে সে কিছুতেই আমাকে ছাড়বেনা। কিন্তু তখন আমার আশপাশে আর কেউ ছিলোনা। আর দেয়ালটিও আমার একার পক্ষে ভাঙ্গা সম্ভব ছিলোনা। টানাটানি করায় হাতের টর্চটি পড়ে যায়। ভয় পেয়ে জোরে হাত টান দিলে, বকুলের হাতের চুড়িটি খুলে আসে আমার হাতে।” বলছিলেন লিজা। সেই সুড়ঙ্গ বেয়ে উপরে আসতে আসতে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

’বকুলের আর্তনাদ আমার কানে সারাক্ষন বাজছে। কিছুতেই ভুলতে পারছিনা, অজ্ঞান না হয়ে গেলে আমিই তাকে বের করতাম। পরে শুনছি সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে বকুল আছে কিনা তা আমি জানিনা,” বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে লিজা”।

”আরেকটি দৃশ্য মনে করলে হাউ মাউ করে কান্না আসে। একটি গর্ভবতী নারীর পেটের ওপর পিলার পরেছে, পেট ফেটে অনাগত শিশুটির মাথা বের হয়ে আছে।’ লিজা সত্যিই হেইমাউ করে কেদে ওঠে।

থিয়েটার কর্মী আসমা আখতার লিজা ২৫ এপ্রিল থেকে লিজা নিজ তাগিদে নেমেছিলেন উদ্ধার অভিযানে। ধ্বংস স্তপের যেসব দুর্গম কক্ষে পুরুষ উদ্ধারকর্মীরাও যেতে সাহস পায়নি, লিজা সেখানে পৌছে গেছেন অসীম সাহস নিয়ে। স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন সহযাত্রীদের প্রশংসা-’লিজা আপার সাহস আর শক্তি দশ জনের সমান। এমন সাহসী মেয়ে কখনও দেখি নাই,” বলছিলেন একজন সেনা সদস্য। তার কথায় সায় দেন আরও কয়েকজন সাধারন উদ্ধারকর্মি। অচেনা-অজানা এই উদ্ধারকর্মিদের কাছে লিজা এক অসিম সাহসের নাম।

’উদ্ধার করতে গিয়ে কখনও ভয় লাগেনি। মাঝে মাঝে বড় বেশি আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছি, সেই জন্যই আসলে নিজের নিরাপত্তার কথা ভুলে কাজ করতে পেরেছি। বাচার আকুতি কত মানুষ ধ্বংস স্তপের ভেতর অপেক্ষা করছে, তাদের বাচানোর চেষ্টা সাধ্য মতো করাই তো মানুষের কাজ। আমরা কেবল সেই টুকুই করার চেষ্টা করেছি, তবু অনেক মানুষকে বাঁচাতে পারিনি-কষ্ট হয়,’ বলছিলেন লিজা।


Monday, April 29, 2013

The blood stains of our clothes

Recently, in Bangladesh, an 8-story building collapsed, causing one of the worst disasters in the history of the country. The building, known as Rana Plaza, was located in Savar, just outside the capital Dhaka. With the death toll rising everyday, who knows how many will be the total deaths of this terrible calamity?

But my point is on something else. While we all know Bangladesh is now a forefront player in global manufacturing of clothing industry. The rising garments industry has enticed world-class clothing brands like GAP, Tommy Hilfiger, Disney & many more to produce their products from Bangladesh at one of the cheapest labor cost. Like Bangladesh, there are many more 3rd world countries that are producing these goods for these world-class brands at a very low pay.

What are these labors making? In Bangladeshi taka, these labors are demanding for 8000 tk. a month. That would equate to roughly $102 (USD). Mark my words. That is what they are demanding. So that means their actual pay is much less than that. Is that really sufficient? In this world of rising food, housing, living costs, is this salary enough to sustain a family of 4 members, let's say?

Yes. Critics will say that we need to look at the other side as well. As CEO, businesses have to look for profit & any means to cut costs. But would that mean suppressing your very workers who are building the empire you are residing on? Would that mean forcing the labors to enter into a building where the chief engineer inspected cracks the previous day, but the owner feels it's okay to continue the production? Does these business owners' greed ever end?

I leave with a image that caught my eyes few days ago. It's a manufacturing tag with a "Made in Bangladesh" written on it. In addition, there is a blood stain. The symbolism itself should be sufficient.

Sunday, April 28, 2013

শুভবুদ্ধির উদয় হোক

Jennyfer, Primark এর মত সস্তা ব্র্যান্ড থেকে শুরু করে..Vero Moda,Topshop, New Look,Next, H&M, mango, GAP, Marks & Spencer..যেইখাইনেই শপিং করতে যাই , মেড ইন বাংলাদেশ খুঁজি!!..আমার কালেকশনে আছে অনেক 'মেড ইন বাংলাদেশ' এর জামা... নতুন পোষাকের একটা সুন্দর গন্ধ আছে..কিন্তু আমাদের দেশে বানানো পোষাকের গন্ধটা যেন একেবারেই আলাদা.. যে গন্ধ বোধহয় বাঙ্গালী ছাড়া আর কেউ অনুভব করতে পারবে না... নতুনের গন্ধ ছাপিয়ে শ্যামলা কালো হাতের ছোঁয়া মাখা,সোদা মাটির গন্ধ জড়ানো চেনা গন্ধের একটু নাগাল যদি পাই..এই আশায় অনেক্ষন জামার ভেতর নাক ডুবিয়ে থাকি... আমার দেশে বানানো টি শার্ট, টপস, জিন্স গায়ে দিলে অন্য ধরনের আনন্দ হয়.. যে আনন্দ আমি একা একা অনুভব করি...এগুলো গায়ে জড়ালে মনে হয় দেশটাকেই যেন গায়ে মেখে আছি..!! সাত সমুদ্দুরের পাড়ে এই লাল নীল কাঁচের চুড়ির স্পর্শ আর সস্তা স্নো পাউডারের সাথে মাখামাখি হওয়া জামাগুলোর মত আর কোন কিছু আমাকে এত আবেগী করে না... আমি অনেকদিন বাংলাদেশে বানানো জিন্স এর শার্ট H&M এর হ্যাঙ্গারে ঝুলানো একটা ছবি প্রোফাইল পিকচার দিয়ে রাখসিলাম...
যেই অনুভুতির কথা বললাম.. এ শুধু আমার একার নয়.. এখানে থাকা হাজারো বাঙ্গালীর অনুভুতি কমবেশি একই রকম.!!.
গার্মেন্টসে কাজ করা ৯০ ভাগই হতদরিদ্র ঘরের মেয়ে.. কখনো কখনো সংসারের হাল ধরা একমাত্র উপর্জনক্ষম নারী! যে হাতগুলো শক্ত করে ধরে রেখেছে আমার মানচিত্র..সারা পৃথিবীর বুকে.. এক বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের গুণগাথাই পড়ানো হয় পশ্চিমা বিশ্বের পাঠ্য বইয়ে... আর ওরা জানে রয়াল বেঙ্গল টাইগারের কথা.. এছাড়া যা পড়ায়... দূষন, দারিদ্র্য, দুর্যোগ.. প্রাকৃতিক বিপর্যয়..জনসংখ্যা.. সবই নেতিবাচক!
সেই হাতগুলোকেই আজ অবহেলা আর অতি লোভের কারণে ভারী কংক্রিট নিচে দুমড়ে মুচড়ে আছে আমার সোনার বাংলাদেশের কিছু হায়েনা রূপী গার্মেন্টস মালিকদের জন্য। গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যা করে তোরা কি তোর নিজের পতাকাকেই মুচড়ে দিলি না? যেই হাত দিয়ে পায়ে দিত রুপালী নুপুর আর সেই হাত দিয়েই মেশিনের সুইয়ের গাথুনিতে তোদের তৈলাক্ত চামড়ার ভাঁজে আরো চর্বির আস্তরন লাগিয়ে পরম মমতায় সেলাই করে দিত... বিনিময়ে পেত শুকনো মরিচ আর পান্তা ভাত.. সেই শরীরগুলো আজ তোদের অবহেলার কারণে কবরের বাসিন্দা হতে যাচ্ছে ....
আমি এই মগের মুল্লুকে কারো কাছে বিচার চাই না .. চেয়ে কি হবে? কার কাছেই বা বিচার চাইব? সিংহাসন রাজার হাতি ঘোড়া সবই তো একই রকম . . বিরোধী শক্তিরও একই অবস্থা.. সবাই শুধু গরিব মানুষগুলো প্রাণের বিনিময়েই মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কামাতে চায় ! আমি শুধু এদেরকে অনুরোধ করব.. বাবারে, নিজের স্বার্থেই না হয় এই প্রান গুলারে বাঁচায় রাখ...!! সব শ্রমিক যদি তোরা হত্যা করে ফেলিস তাহলে বিদেশি ডলার কামাবি কী দিয়ে? তোদের স্বার্থের কারণেই তোদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক শুধু এই কামনাই করি..!!

(Written from France by: Sanjida Sultana