Showing posts with label Jews. Show all posts
Showing posts with label Jews. Show all posts

Thursday, September 25, 2014

বিশ্বে মুসলিম বনাম ইহুদী অবদান

মুসলিমরা বলে বিজ্ঞানিরা তাদের কুরআন থেকেই অনেক কিছু পেয়েছে। ভাল কথা। তাহলে আজ মুসলিমরা কেন
জ্ঞান-বিজ্ঞানে এত পিছিয়ে ???বরং যে ইহুদিদেরকে মুসলিমরা প্রধান শত্রু হিসেবে জানে তারাই আজ জ্ঞান- বিজ্ঞানে অনেক অনেক এগিয়ে। তাদের আবিষ্কৃত অনেক কিছু আজ মুসলিমরা ব্যবহার করছে। এটা কি মুসলিমদের
জন্য একটা লজ্জার বিষয় না ? এটা কি হারাম না ?

Friday, September 05, 2014

Some statistics on Gaza (গাজা সম্পর্কে কিছু পরিসংখ্যান)


গাজা সংক্রান্ত একটি তথ্যবহুল পোস্ট ! এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ !
ইস্রায়েলে মুসলিমদের চিত্র :
১৯৪৮ সালে ১৫০,০০০ জন মুসলিম ছিল। আজ ১৬৪০,০০০ জন মুসলিম ইসরাইলে।
আরব দেশ সমূহে ইহুদির চিত্র :
আলজেরিয়া: ১৯৪৮ সালে ১৪০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ২৮ জন ইহুদি আছে !
ইরান : ১৯৪০ সালে ১৫০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
বাহরাইন : ১৯৪৮ সালে ৬০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৩৭ জন ইহুদি আছে !
লিবিয়া : ১৯৪৫ সালে ৩২,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
সিরিয়া : ১৯৪০ সালে ৩৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
টিউনিসিয়া : ১৯৪৮ সালে ১১০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৭০০ জন ইহুদি আছে !
ইয়েমেন : ১৯৪৮ সালে ৫৩,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১০০ জন ইহুদি আছে !
মরক্কো : ১৯৪৮ সালে ২৮৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৬৫০০ জন ইহুদি আছে !
মিশর : ১৯৪০ সালে ১০০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৫০ জন ইহুদি আছে !
সৌদি আরব : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
আরব আমিরাত : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
অদূর ভবিষতে উপমহাদেশে এই চিত্র আসতে আর বেশি দেরী নেই ! তাই হিন্দুরা আজই প্রস্তুতি নিন !
[তথ্যসূত্র : Google & Wiki]
 

Tuesday, September 02, 2014

Why don't I criticise Israel?

I was going to do a podcast on a series of questions, but I got so many questions on the same topic that I think I’m just going to do a single response here, and we’ll do the ‪#‎AskMeAnything‬ next time.

Wednesday, August 27, 2014

How many of us know this?


Thousands of Israelis gather in Tel Aviv to protest the Gaza war and commemorate Gazan victims.
I know for a fact that there are many Gazans who want to protest Hamas and its rocket attacks as well (but of course cannot legally do that). But this is encouraging nonetheless.
The thing with this conflict is, most Muslims around the world support Palestinians, and most Jews support Israel. This is natural, but it's also problematic.
It means that this is not about who's right or wrong as much as which tribe or nation you are loyal to. It means that Palestinian supporters would be just as ardently pro-Israel if they were born in Israeli or Jewish families, and vice versa. It means that the principles that guide most people's view of this conflict are largely accidents of birth - that however we intellectualize and analyze the components of the Middle East mess, it remains, at its core, a tribal conflict.
So gestures like this hint that the cycle may be breaking.

(Courtesy)
(News Source)

Thursday, August 14, 2014

নিজের মোরদ নাই, অথচ বর্জনের সাহস দেখাও

মুসলমানদের একটা সূচ বানানোর যোগ্যতা নেই। অথচ তারা ইহুদিদের পণ্য বর্জন করতে চায়। নিচের ফ্যাক্টগুলো একবার জেনে বর্জন করুন এবং ছাগুর খাতায় নাম লেখান !!!

এই পর্যন্ত প্রদত্ত ৮৫০ টি নোবেল পুরুস্কারের মধ্যে ১৯২ টি নোবেল পুরুস্কার গিয়েছে ইহুদীদের কাছে যা মোট নোবেল পুরুস্কারের প্রায় ৪ ভাগের একভাগ। যদিও এই ইহুদীরা পৃথিবীতে জনসংখ্যায় মাত্র ০.২ ভাগ কিন্তু জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তারা সমস্ত পৃথিবীর মধ্যে অন্যান্য জাতিদের চেয়ে এগিয়ে। নোবেল প্রাইজ দেবার পর থেকে এখন পর্যন্ত অর্থনীতিতে ৪১ ভাগ, চিকিৎসায় ২৮ ভাগ, পদার্থে ২৬ ভাগ, রসায়নে ১৯ ভাগ এবং সাহিত্যে ১৩ ভাগ দখল করে আছে ইহুদীরা। মাত্র ১৫ মিলিয়নের কম ইহুদীর মধ্যে আইনস্টাইনসহ ১৯২ জন পেয়েছেন নোবেল সম্মাননা অন্যদিকে ১৫০০ মিলিয়নের বেশী মুসলিমের মধ্যে আমাদের ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস সহ নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন মাত্র ১০ জন।
দেখুন লিস্ট অফ জিউস নোবেল লরিয়েট ইন উইকিপিডিয়া এবং লিস্ট অফ মুসলিম নোবেল লরিয়েট ইন উইকিপিডিয়া।
যে দেশের হাল ধরার মতো লিডার নেই, যে দেশের বিশ্বনেতাদের সাথে ভালো সম্পর্ক নেই, যে দেশে ভালো কোন
সাহিত্যিক নেই, নেই কোন ভালো খেলোয়াড়, ভালো বিজ্ঞানী থাকার তো প্রশ্নই আসে না নেই কোন কূটনীতিক বুদ্ধি
নেই সামরিক শক্তি আছে শুধু ইসলাম-ইসলাম-ইসলাম আর আছে হামাসের মতো জঙ্গি সংগঠনের উপর নির্ভরশীলতা।
সেই দেশ কিভাবে ইসরাইলকে ধ্বংস করার স্বপ্নমৈথুন করে? কিভাবে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ প্রযুক্তির একটি দেশের উপর হামলা করার সাহস করে? এখন দুনিয়া অনেক এগিয়েছে, ফেরেশতা এসে মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করে বিধর্মীদের ধ্বংস করবে এই গালগল্পে আজকাল বাস্তববাদী মুসলমানরাও বিশ্বাস করে না। আফসোস মারা যাওয়া সেই ১৫টা শিশু ফিলিস্তিনে জন্মগ্রহণ না করে আমাদের গুলিস্তানের রাস্তায় জন্মগ্রহণ করলেও সারভাইভেল ফর দ্যা ফিটেস্ট থিউরিতে টিকে যেতে পারতো। আর মারা যাওয়া এই শিশুদের ভবিষ্যৎ কি ছিলো? হামাসে যোগদান?
তাহলে মানবতাদণ্ডটা খুব একটা উত্থিত না করাই ভালো। একজন ফিলিস্তিনি শিশু বড় হলে বড়োজোর ভালো জিহাদি হতে পারবে, আর একের পর এক ইসরাইলী শিশু পৃথিবীকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এনে দিয়ে জয় করবে নোবেল পুরুস্কার। পৃথিবীর কাছে তাই একজন ফিলিস্তিনি শিশুর থেকে একজন ইসরাইলী শিশুর মূল্য অনেক বেশী হবে এটাই স্বাভাবিক।
ইসরাইল শুধু পৃথিবীর মানুষকে দিয়েই যাবে, ওদের অন্যদের কাছ থেকে কিছু নিতে হবে না, পৃথিবীর মানুষ ওদের আবিষ্কৃত জিনিষ ব্যবহার করে ওদের ঘৃণা করলেও ওদের কিছু আশা যায় না।

(সংগৃহীত)

Wednesday, August 13, 2014

বাহ! কী শান্তির নমুনা ......

ইসরাইলী ফুটবলারদের উপর ফিলিস্তিনিদের হামলা 

একেই বুঝি লোকে বলে শান্তির বারি বর্ষিত হওয়া? একেই বুঝি বলে sportsmanship?

[নিজেই পড়ে দেখুন]


অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf


Tuesday, August 12, 2014

দ্যা বাম মুমিনস এর সাথে কথোপকথন


-আপনি ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আক্রমণ নিয়ে লিখছেন না কেন?
-লিখেছি তো।
- কই লিঙ্ক দেন।
-খুঁজে পড়ুন, লিঙ্ক দিতে পারবো না। আমি কাউকে লিঙ্ক দেই না।
-আচ্ছা আপনি ফিলিস্তিন ইসরাইল সমস্যার কারণ কী মনে করেন? আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে ধর্মই এই সংঘাতের কারণ।
- হ্যাঁ ধর্ম তো বটেই, জাতীয়তাবাদও। জন লেনন বলেছেন, একদিন ধর্মমুক্ত রাষ্ট্রমুক্ত পৃথিবী হবে, সেদিন "nothing to kill or die for" এর সময় আসবে। কোন কিছু নিয়ে কাউকে আর খুন করতে হবে না। সমস্ত পৃথিবীই সব মানুষের হবে।
- কিন্তু ঐ ভূমি তো প্যালেস্টাইনের জনগণের।

Saturday, August 09, 2014

Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) tells the truth about Hamas




Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) reveals the truth about how Hamas Terror group aims to kill civilians and uses Palestinian Children as human shields. (CNN interview. July 24 2014)


(Source)

Friday, August 08, 2014

Peaceful Hypocrisy?


প্রথমে আমি বলতে চাই আমি মানবতা বিরোধী কাজকে পছন্দ করি না হোক সে যে ধর্মের আর ইসরাইলকে প্রনাম করতে চাই কারন ৩ ইসরাইলিকে খুনের কারনে তারা হাজার ফিলিস্তানিকে খুন করে বদলা নিয়েছে । কিন্তু ইসরাইলের মোকাবেলার জন্য কোন মুসলিম দেশ এগিয়ে আসেনি এসেছে পুতিনের ধর্ম কিন্তু খ্রিস্টান। তাও আবার Orthodox Christian (গোঁড়া খ্রিস্টান)।গাজার "মুসলিমদের" বাঁচাতে আরবের কোন খোদার খাসি সহ কোন মুসলিম এগিয়ে আসেনি, এসেছে গোঁড়া খ্রিস্টান পুতিন । এখন দেখুন ইসলামী জুঙ্গিরা নাকি পুরা পৃথিবীতে মুসলিম রাজ্য প্রতিস্তাপন করবে । কিন্তু কি ভাবে তারা করেবে যারা নিজ মুসলিম উম্মাদের বাঁচাতে পারেনা কোথাই গেল পাকিস্তানী হারামির বাচ্চারা তারা নাকি ভারকে এক ঘণ্টায় শেষ করে দিতে পারবে কিন্তু কেমনে ভারত + রাশিয়া + ইসরাইল + আমেরিকা ======= তাহলে বুজেন পাকিস্তানী জারজদের কোন মার দিবে ভারত । কিন্তু আমরা হিন্দুরা বা ভারতীয়রা মানবতা বাদী , আর শান্তির বানী মেনে চলি আর সে কারনে হয়তো বার , বার ভারত মুসলিমদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে । ভারতের ভিতর বসে ভারতের মুসলিমেরা বোমা বাজী করছে আর তাদেরকে সহযোগিতা সিকুলার হিন্দুরা অথচ বাংলাদেশের হিন্দুরা যদি এই রকম কাজ একটা করি তাহলে আমি নিশ্চিত একজন হিন্দু বাংলাদেশে বাস করতে পারবেনা কারন কোন অন্যায় ছাড়া প্রতিদিন হিন্দুদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছি । বাংলাদেশের মোল্লারা facebook এই খালি বাল চিরে কিন্তু বাস্তবে কিছু করতে পারে না । তারা জিহাদ করে নিজ ভাইদের খুন করে , তারা জিহাদ করে নিজ মুসলিম ভাইদের রক্ত রঙ্গিত করে । আমি সে কাঠ মোল্লাদের বলতে তোরা যদি বাল চিরতে পারিস তাহলে ইসরাইলকে করে দেখ তাহলে বুজবো তোরা সত্যিকারের জিহাদি ।কিন্তু কুকুরের মত নিজ ঘরের সামনে নিজ ভাইদেরকে মেরে তোরা শান্তি ফিরে আনতে পারবিনা । কোথায় আল কায়েদা,কোথায় তালেবানকোথায় হিযবুত তাওহীর,কোথায় আনসারুল্লাহ টিম কোথায় বোকো হারাম, কোথায় জামাত,ফেহাজতী ইসলাম। কোথায় গুলাবীর তিন নাম্বার বাচ্ছারা????কেউই নাই কারণ এরা আমেরিকারই ছুপা এজেন্ট এরা জিহাদের নামে নিজ দেশের মুসলিম হত্যা করতে পারে কিন্তু ইসরাইলকে কিছু বলতে পারে না।


Thursday, August 07, 2014

মানবতা ... হায় রে মানবতা!

ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব তোলপাড়। মুসলিম দেশগুলোর পাশাপাশি অমুসলিম দেশগুলোও ফিলিস্তিনীদের প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। শিবির কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসরাইল বিরোধী মিছিল করেছে। ফেসবুক,টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে ইসরায়েলী পণ্য বর্জনের আহবান জানাচ্ছে মুসলিমরা। সেইসঙ্গে তথাকথিত মানবতাবাদী বাস্তবে ভন্ড বাম হিন্দু নাস্তিকগুলোও শুইন্যা মুসলমানের মতো লাফাচ্ছে। ফিলিস্তিনের উপর হামলায় যেন তারায় বেশি ব্যাথিত!

Saturday, August 02, 2014

আরেকটি গাজার মতো ঘটনা রুখতে আজই এগিয়ে আসুন

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: সমালোচনা গ্রহণ করার মনোবৃত্তি নিয়ে যদি পড়ার সাহস থাকে তাহলেই শুধু পড়বেন, নতুবা উল্টা-পাল্টা গালিগালাজ করে নিজের এবং লেখকের সময় নষ্ট করবেন না]

George Orwell এর "1984" যখন ১৯৪৮ সালে লেখা হয়, তখন অনেকেই এটিকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলো। বলেছিলো এ সম্ভব নয়। লেখক অনেক সমালোচনারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু বেশীদিন লাগেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে শীতল যুদ্ধের সময়কালীন পর্যায়েই George Orwell এর কথাগুলো সত্য হতে থাকে। আর আজ ২০১৪ সালে তো এ বিষয় এমনই সত্য যে, এ ভিন্ন সমাজকে কল্পনা করাও প্রায় অসম্ভব। একেবারে যেন আমাদের আমাদের সামাজিক জীবনের অংশেই ঢুকে গেছে যে এ নিয়ে এখন আর আমাদের মাথা ব্যথাই আর নেই। যা হোক, পাঠক যদি এ বই না পড়ে থাকেন, নিজ দায়িত্বে পড়ে নেবেন আর তখনই বুঝবেন কোন ভবিষ্যতবাণীগুলো George Orwell করেছিলেন যা পরবর্তীতে সত্যরূপে ফলতে থাকে।

Thursday, July 24, 2014

Can all Jews be considered the same?

Look Bangladeshis what a fellow Muslim celebrity of Bangladesh is saying about Jews:

My biggest inspiration and favorite satirist through his "fake" news show once again tells the truth better than anyone else. By the way, John Stewart is Jewish. So for all those who are using the Gaza conflict to hate all Jews, this would be a good reason to reconsider your intolerant world view. 

(Source)

Tuesday, July 22, 2014

মুমিনীয় ভন্ডামী

খবরঃ ইসরাইলের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন ফিলিস্তিনী নিহত ও কমপক্ষে ৫০ জন আহত।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ ইয়া আল্লাহ! তুমি ইসরাইলকে ধ্বংস কর। ইহুদীদের উপ্রে তোমার গজব বোমা ফালাও। মানবধিকার সংস্থাগুলু কুতায়? জাতিসংঘ কুতায়? নিরীহ মুসলিম বাচ্চাদের লাশ দেকে কি আফনাদের ফ্রাণ কান্দে না?
খবরঃ হামাসের রকেট হামলায় ১০ জন ইসরায়েলী নিহত।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ আল্লাহ হুয়াকবর! আল্লাহ হুয়াকবর!! ইহুদী মাইরা পুইতা পালামু
খবরঃ আফগানস্থানের একটি মসজিদে নামাজরত অবস্থায় তালেবানের বোমা হামলায় মসজিদ উড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে মারা গেছে প্রায় তিনশো জন মুসল্লী।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ ..... ইয়ে মানে জরিনার মায়ের খুব ব্যাথা উঠছে! মনে অয় আরেকটা দিব। সবাই দুআ করেন আমার ১০ নাম্বার বাচ্চাটা যেন ১০ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামতে পারে!

(সূত্র

Sunday, July 20, 2014

শান্তির ধর্ম

সিরিয়ায় ১,৭০,০০০ জন নিহত হয়েছে গত ৩ বছরের যুদ্ধে। মুসলিমের হাতে মুসলিম মরলে কোন মুসলিম উম্মার ক্ষতি হয় না , যেমন বাঙ্গালী ৩০ লক্ষ মানুষের উপর গণহত্যা চালিয়ে ফাকিস্তান মোল্লাদের কাছে প্রিয় দেশ
আচ্ছা ইসলাম অর্থ কি?
আমি তো জানি 'শান্তি'!
এবার বল, পৃথিবীতে সবথেকে শান্তির দেশ কোনটা? অবশ্যই নরওয়ে! তাহলে ইসলামের দেশ কোনটা হবে?নরওয়েই তো হওয়ার কথা! অর্থাত্ বিশ্বে কোনো মুসলীম দেশকেই আমরা ইসলামের দেশ বলছি না !!! বিশ্বজুড়ে শান্তি !
প্রতিপক্ষ- মুসলিম বনাম নাস্তিক (বাংলাদেশ),
মুসলিম বনাম হিন্দু (কাশ্মীর),
মুসলিম বনাম ইহুদি (ফিলিস্তিন),
মুসলিম বনাম বৌদ্ধ (মায়ানমার),
মুসলিম বনাম খ্রিষ্টান (আফগানিস্তান),
মুসলিম বনাম কম্যুনিস্ট (চেচনিয়া)
স্বভোজী :-
মুসলিম বনাম মুসলিম (পাকিস্তান + মিশর + সিরিয়া), শিয়া বনাম সুন্নি (ইরাক),
মোহাম্মদিয়া বনাম আহমদিয়া (পাকিস্তান),
শরিয়ত বনাম ত্বরিকত (বাংলাদেশ), তারপরেও তুমি কীভাবে অস্বীকার করবে,ইসলামই একমাত্র শান্তির ধর্ম



(সূত্র

Wednesday, July 16, 2014

আজ গাজায় নিহত শিশুদের নিয়ে যেসব হিন্দু স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা কি ভারতে হিন্দু হওয়ার অপরাধে ভারতীয় মুসলিমদের হাতে নিহত এই শিশুদের কথা জানে?


প্রথমেই আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন করি, ২০০২ সালে গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দিরের শান্তির ধর্মের অনুসারীদের হামলার কথা আপনারা কজন জানেন? মনে হয়না খুব বেশি সংখ্যক মানুষ জানেন বা মনে রেখেছেন।এই আত্মবিস্মৃত হিন্দু জাতি ২০০২ সালের কথাই মনে রাখতে পারে না তারা কি করে শত শত বছর আগে ধ্বংস করা মন্দির গুলোর কথা মনে রাখবে??? দিনটা ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০২,ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধী নগরে অবস্থিত সুবিখ্যাত এবং অনিন্দ্য সুন্দর অক্ষরধাম মন্দিরে প্রতিদিনের মত হাজার হাজার পুন্যারথি আর দর্শনার্থী হাজির হয়েছেন। তখন বেলা ৩টা।মধ্যাহ্ন ভোজনের পর আবারও ধিরে ধিরে ভিড় জমে উঠছে মন্দিরে। মুর্তজা হাফিজ ইয়াসিন আর আশরাফ আলি মুহাম্মদ ফারুক নামে দুজন শান্তির ধর্মের অনুসারী অক্ষরধাম মন্দিরের ৩ নম্বর ফটক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করল।তাদের শরীরের কাপড়ের আড়ালে লুকান একে ৪৭ আর গ্রেনেড। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের কারনে তারা ঢুকতে পারল না গেট দিয়ে।এভাবে যখন আর সম্ভব হচ্ছিল না তখন মরিয়ে হয়ে দেয়াল টপকে ঢুকেই শুরু করল গুলি বর্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের বুক স্টলের কাছে লুটিয়ে পড়লেন একজন মহিলা দর্শনার্থী এবং একজন মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক।এরপরই এই মুসলিম জঙ্গিদ্বয় প্রধান মন্দির কমপ্লেক্সে ঢুকতে চেষ্টা করল।কিন্তু মন্দির রক্ষিগণ আটকে দিল প্রধান ফটক।ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিরা দৌড়ে ঢুকতে চেষ্টা করল মাল্টিমিডিয়া থিয়েটারে।কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হল। অবশেষে তারা ঢুকে পড়ল ১ নম্বর একজিবিশন রুমে।সেখানে তারা নিরবিচারে গুলি বর্ষণ করল। হতাহত হল প্রচুর।এরপর জঙ্গিরা উঠল মন্দিরের ছাদে। বিকাল ৫ টা নাগাদ সমস্ত এলাকা পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী ঘিরে ফেলে।কিন্তু তারা জঙ্গিদের ধরতে ব্যর্থ হয়।রাত ১১ টা নাগাদ ‘ব্লাক ক্যাট’ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরস এসে দায়িত্ব নেয়।এরপর শুরু হয় আসল অপারেশন যার নাম দেয়া হয় ‘বজ্রশক্তি’।সকাল ৬টা নাগাদ জঙ্গিদ্বয় গুলিতে নিহত হয়।কিন্তু এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে মারা গেছেন ৩০ জন সাধারন মানুষ আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।জঙ্গিরা নিষ্পাপ শিশুদেরও মারতে দ্বিধা বোধ করেনি।এই অপারেশনের সময় গুরুতর আহত হন সিকিউরিটি ফোরসের সদস্য সুরজান সিং ভাণ্ডারী। প্রায় দুই বছর কোমাতে থাকার পর ২০০৪ সালে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে গুজরাট রাজ্য সরকার, ভারত সরকার,ইন্টারপোল,সি আই এ এবং আরও কিছু দেশি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বের হয়ে আসে এই হামলা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই হামলার পরিকল্পনা করে জইশ ই মুহাম্মদ নামক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন। আশরাফ আলি আর মুর্তজা ইয়াসিনের সাথে আইয়ুব খান নামক জঙ্গি পাকিস্তানের লাহোর পিণ্ডি হতে খালী হাতে গুজরাটের আহমেদাবাদে হাজির হয়।সেখানে তাদের কে আশ্রয় দেয় সেলিম হানিফ শেখ ও আদম সুলেমান আজমেরি নামক ভারতীয় মুসলমান যারা ভারত মাতারই ক্রোড়ে লালিত হয়েছিল সারাটি জীবন। আজমেরি তার ভাইয়ের বাড়িতে থাকার জায়গা করে দেয় এবং আরও কিছু ভারতীয় মুসলিম জঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যারা পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আগেই এনে রেখেছিল। ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে আজমেরি, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মুহাম্মদ শেখ সহ ৬ জনকে আটক করে।সর্বশেষ ২০১০ সালে গুজরাট আদালত ৩ জনকে ফাসি এবং ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাগারে দণ্ডিত করে। এভাবেই ভারতের মাটিতে জন্ম নেয়া,ভারত মাতার ক্রোড়ে লালিত মুসলিম সন্তানদের সাহায্যে পাকিস্তানি ইসলামি জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসের বিষ দাঁত বসিয়েছে ঐতিহাসিক কাল থেকে।


(সংগৃহীত