Showing posts with label Muslim. Show all posts
Showing posts with label Muslim. Show all posts

Thursday, September 18, 2014

মত প্রচার না ধর্ম প্রচার?

অনেক ধর্মের প্রচারক কিংবা ধর্মগ্রন্থ বলে থাকে "আমাদের ধর্মই একমাত্র ধর্ম, অন্য কোন ধর্ম ঈশ্বর কর্তৃক গৃহীত হবেনা"। তাদের কাছে তাদের মতটাই ধর্ম।

এবার বৈদিক প্রচারকের কি বলেন দেখে নিই:
"যে ন্যায়াচরণ সকলের হিতকর্ম করে তাকে ধর্ম এবং যে অন্যায়াচরণ সকলের অহিতকর্ম করে তাকে অধর্ম জানবে।" -স্বামী দয়ানন্দ স্বরস্বতী

মহাভারত বলছে:
"ন তৎ পরস্য সংদধ্যাৎ প্রতিকূলং যদাত্মানঃ।
এষ সংক্ষেপতো ধর্মঃ কামাদন্যঃ প্রবর্ততে।।"
-নিজের ক্ষেত্রে যেটি অনূকুল বলে মনে না হয়,তেমন অন্যের প্রতি কখনও করবেনা।সংক্ষেপে একেই ধর্ম বলে। একমাত্র কামনার দ্বারা তাড়িত হয়েই মানুষ অন্যের প্রতি প্রকিকূল আচরণ করে।
দেখা যাচ্ছে, একজন মত প্রচারে ব্যস্ত, আরেকজন ধর্ম প্রচারে ব্যস্ত।

(Courtesy - Mithun Devnath)

Wednesday, September 17, 2014

আবার একজন ‘শান্তির’ ধর্মের লোকের মুখোশ খুলে গেল

লাভ জেহাদের শিকার হিন্দু মেয়েদের মাদ্রাসায় একত্র করে গনধর্ষন এবং মৌলবিদের দ্বারা জবরদস্তি গোমাংস খাইয়ে ইসলাম গ্রহণ করনো হয়। তারপর বিক্রি করে দেওয়া হয় আরব দেশগুলোয়। কাল মীরাটে প্রকাশ্যে এলো এমনই খবর। আরো অনেক হিন্দু মেয়ে এখনো মুসলমানদের হাতে বন্দী। কাল আপনার বোন বা মেয়েও হতে পারে এর শিকার । পড়ুন, সাবধান হন, বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করে সাবধান করুন।

****মাদ্রাসায় গনধর্ষন এবং ইসলামে ধর্মান্তরকরনের অভিযোগে অশান্তি****

মীরাটের খরখোদা অঞ্চলে যুবতীকে গনধর্ষন এবং জবরদস্তি ইসলাম গ্রহণ করানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুন জ্বলে ওঠে পশ্চিম- উত্তরপ্রদেশে। ইতিমধ্যে সামনে এলো নতুন একটি ঘটনা। দশ দিন আগে অপহরণ করা এক যুবতী রবিবার পরিবারের সাথে বিপর্যস্ত অবস্থায় থানায় হাজির হয়ে মাদ্রাসায় গনধর্ষন এবং জবরদস্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহনের অভিযোগ করে। যুবতীটি বলে বিগত কয়েকদিন তাকে মাদ্রাসায় অপহরণ করে রাখা হয়। যুবতীর পেটে অপারেশনের চিহ্ন রয়েছে। তাই তার কিডনি নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন স্থানে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির কার্যকর্তারা পরিদর্শন করেন এবং পুলিশের সাথে তাদের কথা কাটাকাটিও হয়। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মীগন এসে S.O. দীনেশ কুমার কে শোকজ করা হয়। এবং মাদ্রাসার হাফিজ এবং গ্রাম প্রধান সমেত নয়জন মুসলিমের বিরুদ্ধে সিরিয়াস ধারায় কেস দেওয়া হয়।
পীড়িত যুবতী গ্র্যাজুয়েশন করার পর গ্রামেরই এক মাদ্রাসায় হিন্দি আর ইংরেজি পড়াতেন। যুবতির পিতার অভিযোগ, গত২৩ জুলাই মাদ্রাসায় হাফেজ সানাউল্লাহ এবং গ্রামপ্রধান নবাব সঙ্গীদের নিয়ে যুবতীটিকে অপহরণ করেন এবং হাপুড় স্থিত মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে গনধর্ষন করে এবং জবরদস্তি তার ধর্ম পরিবর্তন করে দেয়। তাকে মারধর করে এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
যুবতীটি বলে, গ্রামের প্রধান নবাব খাঁ , মাদ্রাসার মউলানা সানাউল্লাহ ,তার পত্নী এবং মেয়ে নিসরত ওরফে সানা প্রমুখ মিলে তাকে অপহরণ করেন। তারপর হাপুড়ের দোতাই মাদ্রাসায় ৩১শে জুলাই ধর্মান্তরন করে তার নাম বুশরা জন্নত রেখে দেয়। এবং তার গনধর্ষন ও করা হয়। তাকে হাপুড় ছাড়াও অপহরনের পর তাকে গড় মুক্তেশ্বর, মুজফফরনগর এবং দেওবন্দের মাদ্রাসাতেও রাখা হয়। তাকে অজ্ঞান হওয়ার ইঞ্জেকশন গিয়ে রাখা হত। এরপর মুজফফরনগরের মাদ্রাসা থেকে কোনরকমে তিনি পালিয়ে এসে বৈশালী বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে কোনও এক পথিকের কাছে মোবাইল ফোন নিয়ে পরিবারের সকলকে পুরো ঘটনা জানায়।
যুবতীর কথামত, মুজফফর নগররের মাদ্রাসায় প্রায় ২৪ জন যুবতি ছিল এবং তাদের অবস্থাও তার মতোই ছিল। যদিও পুলিশ রেইড করে কিছু পায় নি। সুত্রের খবর রেঈডের সময় মাদ্রাসায় ৪০ এর উপর মেয়ের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায় যাদের মধ্যে ১৬ জনের রমজান আর ঈদে বাড়ি যাওয়ার কথা বলা আছে। এর থেকে যুবতীর বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে। মীরাটের S.P. ক্যাপ্টেন এম এস বেগ বলেছেন যুবতীকে গনধর্ষন করা হয়েছে, তার প্রমাণ মিলেছে। তিনি বলেছেন ‘দোষীদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবাব এবং সানাউল্লাহ গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের পুরদমে খোঁজ চলছে।’
অন্যদিকে এলাকায় আক্রান্তের সমর্থনে মানুষের মধ্যে প্রবল আক্রোশ দানা বাঁধছে। রবিবার রাত্রি ১১টায় খরখোদার এক পাড়ায় যুবকদের ভিড় ইট লাঠি ইত্যাদি নিয়ে চড়াও হয়। পুলিশ সুচনা পাওয়ার আগেই আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়। তারপর থেকে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
https://www.facebook.com/amihindoo/posts/260921617365487
or
http://www.hindustantimes.com/.../article1-1247947.aspx

 

or
https://www.facebook.com/drsubramanianswamy/photos/a.118146701658320.18858.107229389416718/448248108648176/?type=1&theater



(Source)

Sunday, September 14, 2014

নারীদের প্রতি ইসলামের বর্বরতা

হিল্লা বিবাহ

আমরা দৃষ্টি দিব ইসলামের একটি বর্বর বিবাহ নিয়মের উপর। অনেকেই হয়ত এ ব্যাপারে কিছু না কিছু জেনে থাকবেন—কারণ গ্রাম বাংলায় এই নির্মম ইসলামী প্রথাটি এখনও এই একবিংশ শতাব্দীতেও বহাল তবিয়তে আছে এবং অনেক পরিবারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাপারটা হচ্ছে এই প্রকার:

Saturday, September 13, 2014

হ্যাঁ কোন মুসলমানকে ভালবাসতে হলে আপনাকেও মানুষ হওয়া থেকে শত হাত দূরে থাকতে হবে

একদিন আমি হিন্দু ছিলাম,
সেদিন সুফিয়া সুন্দরীকে প্রেমপত্র দিয়েছিলাম
সে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
অতঃপর বেশ ক'বছর পর আমি নাস্তিক হয়ে গেলাম
সেদিন আমি হিরন বেগমকে প্রেমপত্র দিলাম
সেও প্রত্যাখ্যান করেছে।
আমি হিন্দু ছিলাম বলে সুফিয়া সুন্দরী আমাকে
চিরজীবনের জন্যে ভালোবাসতে রাজি হয়নি।
আমি নাস্তিক ছিলাম বলে হিরন বেগমও আমাকে
চিরজীবনের জন্যে ভালোবাসতে রাজি হয়নি।
আজ আমি মানুষ হয়ে এসেছি
তবুও কোন মুসলমান মেয়ে আমাকে
ভালোবাসতে রাজি হয়না।
তারা চায় আমি মুসলমান হয়েই জন্মালে বোধয় ভালো হত,
নয়তো মুসলমান হয়ে তাদেরকে আমার
ভালোবাসতে হবে।
আসলে কি তারা আমাকে কখনো ভালোবেসেছিলো ?
নাকি তারা ধর্মকেই ভালোবেসেছিলো ?
তারা আসলে মানুষকে ভালোবাসতে চায়নি
মুসলমানকে ভালোবাসতে চেয়েছে...
- মানুষকে কেউ ভালোবাসে না, ভালোবাসে ধর্মকে
- চার্বাক শুভ্র : শুভ্রস্বর (শুদ্র মুখে রুদ্র বচন)

(Source)

Friday, September 12, 2014

এ খবর আমরা কয়জন রাখি?

গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশজুড়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির-ঘরবাড়িতে আগুন ধরানোর পাশাপাশি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বছর বিভিন্ন মন্দিরের ৪৯৫টি মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৭৮টি বাড়ি ও ২০৮টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও ১৮৮ জন আহত হয়েছে।

(প্রথম আলো, ১ আগস্ট ২০১৪)

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ হাজার বসতবাড়ি ও অর্ধশতাধিক মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মানুষের বসতবাড়ি ভাঙলে একটি বাড়িই ভাঙে, যা আবার নির্মাণ করা যায়। কিন্তু মন্দির বা উপাসনালয় কেবল ইট-পাথরের স্থাপনা নয়, মানুষের হৃদয় ও পবিত্রতার প্রতীক। সেটি ভাঙা মানে তার হৃদয় ভাঙা। তাঁর ধর্ম ও গোটা সম্প্রদায়কে আহত করা।

(Source)

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Monday, September 08, 2014

সেক্যুলারীজম কাহাকে বলে?

বাংলাদেশের ধার্মিক অধিকাংশ মুসলমান বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চাই, আর ভারতে চাই ধর্মনিরপেক্ষতা। গিরগিটি আর কাকে বলে!
আর বাংলার অনলাইন মুক্তমনাচনারা আরও ভয়ানক। একটি চরম ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক এবং প্রায় অন্ধকারে ডুবতে যাওয়া দেশে বসবাস করেও তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে ভারতে বিজেপির ক্ষমতায়নে। ফেইসবুকে দুই চারটা বেশি লাইক পাওয়ার জন্য দালাল সেজে ভাঁড়ামি করায় তুলনাহীন তারা। একটু ওয়েট করেন মহাজ্ঞানীরা। আপনার দেশের হুমায়ুন আজাদ, রাজীব হায়দার কোপ খেয়ে মরেছেন। তসলিমা নাসরিন ভারতবাসী। কবি দাউদ হায়দার জার্মানিতে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন আসিফ মহিউদ্দিন। মৌলবাদীদের আক্রমণের স্বীকারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলও কেটেছেন চার পাঁচজন।সময় থাকতে লাইনে আসুন। লাইক ভিখারি স্ট্যাটাস দিয়ে জামাতের দালালি ছাড়েন।
যদি না পারেন তবে সামান্য অপেক্ষা করুন। আওয়ামিলীগ একবার স্লিপ খেলেই প্রথম বাঁশটা আপনাদের পাছায় ঢুকবে। আগে নিজের দেশ দিয়ে ভাবুন। নিজের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা দেখুন। অবশ্য সুবিধাবাদী দালালদের সময়ের প্রয়োজনে খতনা দেখিয়ে মহাধার্মিক সাজতে দেরি হওয়ার কথা নয়।

(সূত্র

Saturday, September 06, 2014

Some destroys...Some rebuilds

Recently the great Indian scholar Chanakya's Nalanda University opened up from the beginning of September 2014 after almost centuries of closure from destruction by Khiljis, Arab invaders etc. While the previous Congress government was interested in funding for the likes of Aligarh Muslim Universities from the governmental funding, outside international fund had to be raised to support rebuilding process for this ancient university of knowledge. But at least it has been opened finally. Already more than 1000 students from all over the world applied for admission including from the US, UK, Russia, Germany, Spain, Austria, Myanmar, Sri Lanka, & other southeast Asian countries.

But what baffles me is the fact that while more than thousands of books, infrastructure was burned over some time while mob attacked this ancient learning hub, the same type of people still exist in out current society who can possibly harm this rebuilt university once again, if opportunity arrives. Whenever invaders arrive in a foreign land, not only do they imprison the men, enslave children & women, destroy homes & loot properties, but also sabotage knowledge, antique items, other historically valuable things. Not only did the Spaniards or Europeans did this to the Native Americans in the New World, but also the Arab Muslims who invaded & eventually captured Indian subcontinent during the early part of history. Question is how long will this cycle continue? Will there ever be an end to it? Did Hindu emperors who captured other kingdoms around Indian subcontinent, ever do similar actions? Why is it usually with Muslims & Christians? How can we ensure our current civilization's history to be preserved over long time in history?

Friday, September 05, 2014

Some statistics on Gaza (গাজা সম্পর্কে কিছু পরিসংখ্যান)


গাজা সংক্রান্ত একটি তথ্যবহুল পোস্ট ! এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ !
ইস্রায়েলে মুসলিমদের চিত্র :
১৯৪৮ সালে ১৫০,০০০ জন মুসলিম ছিল। আজ ১৬৪০,০০০ জন মুসলিম ইসরাইলে।
আরব দেশ সমূহে ইহুদির চিত্র :
আলজেরিয়া: ১৯৪৮ সালে ১৪০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ২৮ জন ইহুদি আছে !
ইরান : ১৯৪০ সালে ১৫০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
বাহরাইন : ১৯৪৮ সালে ৬০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৩৭ জন ইহুদি আছে !
লিবিয়া : ১৯৪৫ সালে ৩২,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
সিরিয়া : ১৯৪০ সালে ৩৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
টিউনিসিয়া : ১৯৪৮ সালে ১১০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৭০০ জন ইহুদি আছে !
ইয়েমেন : ১৯৪৮ সালে ৫৩,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১০০ জন ইহুদি আছে !
মরক্কো : ১৯৪৮ সালে ২৮৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৬৫০০ জন ইহুদি আছে !
মিশর : ১৯৪০ সালে ১০০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৫০ জন ইহুদি আছে !
সৌদি আরব : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
আরব আমিরাত : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
অদূর ভবিষতে উপমহাদেশে এই চিত্র আসতে আর বেশি দেরী নেই ! তাই হিন্দুরা আজই প্রস্তুতি নিন !
[তথ্যসূত্র : Google & Wiki]
 

Thursday, September 04, 2014

History & Fraud


১৯৫১ সালের সেন্সান অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।

Wednesday, September 03, 2014

The Religion of Peace

Convert to Islam, pay religious tax or die: ISIS tells Christians in Iraq 

An ultimate issued by Islamic insurgents : "We offer them three choices: Islam; the dhimma contract - involving payment of jizya; if they refuse this, they will have nothing but the sword... "

[Source]

Tuesday, September 02, 2014

Why don't I criticise Israel?

I was going to do a podcast on a series of questions, but I got so many questions on the same topic that I think I’m just going to do a single response here, and we’ll do the ‪#‎AskMeAnything‬ next time.

Sunday, August 31, 2014

লাভ জিহাদের গল্প


গ্রামের নাম মধুপুর, এ গায়েরই ছেলে পিন্টু সুত্রধর, বাবা-মার এক মাত্র ছেলে ।
তখন পিন্টু অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ত । খুব মেধাবী ছাত্র। এস এস সি এবং ইন্টারে বিজ্ঞান বিভাগে এ+ পেয়েছে । অনেক টা কষ্ট করেই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিল সে। আর এদিকে পাশের গ্রামের টুম্পার সাথে একটু একটু করে ভালবাসার সম্পর্ক গড়তে থাকে। টুম্পার পুরো নাম টুম্পা আচার্য। এক ভাই এক
োনের মধ্যে সেই ছোট। মা-বাবা আদর করে তাকে টুম্পা মনি বলে ডাকে। বাবা বিমল আচার্য একজন স্কুল শিক্ষক এবং পুরুহিত। বিভিন্ন মন্দিরে পূজা অর্চনায় ওনিই থাকেন ঠাঁকুর মশাই হিসেবে। বলতে গেলে ওনার বেশ সুখ্যাতি আছে। টুম্পা তখন ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। দেখতে খুব গোল-গাল মিষ্টি একটা মেয়ে। বলতে গেলে গান বাজনা, আবৃত্তি, অভিনয় সব দিক হইতেই পটু।

Friday, August 29, 2014

হিন্দু-মুসলিমে পার্থক্য

হিন্দুরা আগে সতীদাহ প্রথা মানতো। জ্যান্ত একটা মানুষকে পুড়িয়ে মারা! কি বর্বর। রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। তিনি ইহা সহী সনাতন হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। এটাও বলেন নি আমি তো পোড়াচ্ছি না। যারা এটা করে তারা সহী হিন্দু নয়। তিনি লড়াই করেছেন। সমাজ এবং ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করায় উনার হুমায়ুন আজাদের মতো চাপাতির কোপ খেয়ে মরতে হয়নি।রাজীব হায়দারের(থাবা বাবা) মতো গলির মুখে লাশ হয়ে পড়ে থাকতে হয়নি।
হিন্দুদের মধ্যে বিধবা বিবাহ ছিল না।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন। সফলও হয়েছেন। বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলের কথা জানি না। আমার গ্রামে আমার জানামতে তিনজন বিধবার বিয়ে হয়েছে। বিদ্যাসাগর মশাই ইহা সহী হিন্দু ধর্ম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন নি। হিন্দু ধর্মে অনেক কুসংস্কার, জাতপ্রথা আরও ফালতু ব্যাপার আছে। তবে হিন্দুরা লাইনে আসছে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে।
শরৎচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, সুনীল এবং আরও অনেক হিন্দু ফ্যামিলিতে জন্ম নেওয়া লেখক হিন্দু ধর্মের এবং সমাজ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। কাউকে কোপ খেয়ে মরতে হয়নি বা, তসলিমা কিংবা দাউদ হায়দারের মতো দেশান্তরি হয়ে থাকতে হয়নি। পার্থক্য এই জায়গায়।
এক ধর্মাবলম্বীরা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে দায়িত্ব শেষ করে। আর যদি কেউ দাঁড়ায় প্রতিবাদ কররে তবে তবে তাঁর জন্য দা, ছুরি, চাপাতি আর কল্লা ফেলানোর ফতোয়া তো আছেই। আর অন্যরা? আমার কি? আমি কি হুমায়ুন আজাদকে কোপাইতে গিয়েছিলাম নাকি? ইহা সহী নয়!
বলতে পারেন, ইসলাম ধর্মে বিধবা বিবাহ আছে। সতীদাহ ছিল না। হ্যাঁ ছিল না। তবে ফেইসবুক ইউজ করায় পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ড, প্রেম করে বিয়ে করায় জনসমক্ষে গুলি করে হত্যা, হিল্লা বিয়ে, বৃষ্টিতে ভিজায় বোনকে ভাইয়ের গুলি করে হত্যা, ধর্ষিত হলে দুইজন ধর্ষনের স্বাক্ষী নিয়ে যাও, নাস্তিক হলে তার কল্লাটা আস্তে করে একটা কোপ দিয়ে আলাদা করে দাও, ধর্মান্তরিত হলে খুন করো এইসব আছে।
বলদ এবং ধর্মান্ধ সব ধর্মেই আছে। কিন্তু টয়লেট, কবরস্থান, জানাজার নামাজ, ঈদের নামাজ, পার্ক, শপিং মল, রেল স্টেশন, এখানে সেখানে বোমা মেরে নিজের ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরের প্রচেষ্ঠা এই যুগে এসে মুসলমানেরা ছাড়া আর কেউ করবে না এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন।
আর যারা ইহা সহী ইসলাম নয় বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করেন, তাঁরা একটু ইরাক, আফগানিস্তান, সুদান, সিরিয়া এবং অন্য ইসলামিক দেশগুলোর দিকে তাকান। এটা এখানেও আসছে এবং খুব দ্রুত। সকালে দুই ট্যাং নিয়ে বাজারে গিয়ে যখন বোমার আঘাতে এক ট্যাং নিয়ে বাসায় ফিরবেন তখন বুঝবেন। হা হা। আমি পপকর্ন আর চিপস নিয়ে বসে আছি দেখার জন্য।

(সূত্র)

Wednesday, August 27, 2014

How many of us know this?


Thousands of Israelis gather in Tel Aviv to protest the Gaza war and commemorate Gazan victims.
I know for a fact that there are many Gazans who want to protest Hamas and its rocket attacks as well (but of course cannot legally do that). But this is encouraging nonetheless.
The thing with this conflict is, most Muslims around the world support Palestinians, and most Jews support Israel. This is natural, but it's also problematic.
It means that this is not about who's right or wrong as much as which tribe or nation you are loyal to. It means that Palestinian supporters would be just as ardently pro-Israel if they were born in Israeli or Jewish families, and vice versa. It means that the principles that guide most people's view of this conflict are largely accidents of birth - that however we intellectualize and analyze the components of the Middle East mess, it remains, at its core, a tribal conflict.
So gestures like this hint that the cycle may be breaking.

(Courtesy)
(News Source)

Tuesday, August 26, 2014

ISIS এর অনুপ্রেরণায় এবার জামায়াত-হেফাজত

গত কয়েকদিনে শুধু জানতাম ISIS এর মতো জঙ্গী সংগঠন (যা নাকি আবার পশ্চিমাদের তৈরি) মাজারের মতো পবিত্র স্থাণ ধ্বংস করছে ইরাকের মতো অঞ্চলে। এরপরে শুনেছিলাম বাংলাদেশের ইসলামী সংগঠনগুলোও নাকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওদের সাথে সহমত পোষণ করছে। আর এবারে সরাসরি খোদ বাংলাদেশেই মাজার গুড়িয়ে দিলো হেফাজত-জামায়াতীরা

আর ISIS এর কীর্তিকান্ডের কথা নাই বা বললাম বিশদ যারা এবারে শুধু মাজারই নয় কোরআনকেও নতুন করে লিখতে চায়
BREAKING NEWS: #ISIS এর জেহাদিরা এবার নবী মোহাম্মদের নাতনির মাজার + মসজিদ গুড়ায়া দিসে মসুল এ ।

// Today, the ISIS terrorist gangs destroyed the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her), the grand daughter of the Prophet (saws) in the district of Sinjar, Nineveh province.

A security source said that "ISIS terrorists gangs, blew up the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her) in Sinjar, west of Mosul, Nineveh province."

The ISIS terrorist have blown up a number of shrines in the city of Mosul after it took control of the city on the 10th of the June. //


Sunday, August 24, 2014

Selective Humanity

ISIS এর জিহাদী ভাইরা সারা বিশ্বের মুসলমান ভাইদের দারুন এক ঈদ উপহার দিয়েছেন। বোমা মেরে উনারা গুড়িয়ে দিয়েছেন হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার। তো আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কবে দেখতে পাব ?? নাকি এইটা নিয়ে বললে লাইক আসবে না বলে কেউ কিছু বলবে না ...



(সূত্র

Wednesday, August 20, 2014

পশ্চিমবঙ্গে ঈদের প্রাধান্য দুর্গাপূজার চেয়ে


১৯৫১ সালের সেন্সাস অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।