Showing posts with label Muslim. Show all posts
Showing posts with label Muslim. Show all posts

Wednesday, April 15, 2015

পহেলা বৈশাখ প্রসঙ্গ

সেদিন এক ভাইয়ের শেয়ার করা লিংক থেকে পড়ে বিস্তারিত জানলাম আজকের পহেলা বৈশাখের অসংগতির বিষয়ে। মুঘল সম্রাট আকবর কর আদায় করার সুবিধার্থে হিন্দু প্রজাগণের সাথে তাল মিলিয়ে পন্ডিতের পরামর্শে ইসলামিক পঞ্জিকার সাথে মিলিয়ে হিন্দু পঞ্জিকা একত্র করেই বর্তমান বাংলা পঞ্জিকার এখনকার রূপ দেন। মজার বিষয় হলো এটি যদিও আকবর সেসময় চেয়েছিলেন হিন্দু-মুসলিম সকল বাঙালীই পালন করবে, কিন্তু পরবর্তীকালে, বিশেষকরে বর্তমান সময়ে হিন্দুদেরই প্রধান পঞ্জিকা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পূজা-পার্বণ থেকে শুরু করে বিয়ে-অন্নপ্রাশন, সৎকারাদি সকল কিছুতেই হিন্দু সমাজ আজকের ১৪২২ সনেও বাংলা পঞ্জিকাই ব্যবহার করে। কিন্তু বাঙালী মুসলিমরা তাদের ঈদ, শব-এ-বরাত ইত্যাদি অনুষ্ঠানাদি ঠিক আরবি পঞ্জিকা অনুসারেই করে। এ থেকে কি বোঝা যায় না আকবর নিজে যদিও চেয়েছিলেন বাঙালী হিন্দু-মুসলিমরা একত্রে বাস করুক, একই ধরণের ক্রমানুসারে, কিন্তু আজকালকার মুসলিমরা (বিশেষকরে বাংলাদেশের একসংখ্যক মুসলিমরা) তা একেবারেই চায় না। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখে ছেলে-মেয়ে, পুরুষ-নারীরা যেসব পোশাক-আশাক, খাবার-দাবার, আচার-আচরণ পালন করে তা কিছু মুসলিমের কাছে একদমই গুণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং ক্রমাগত এদের সংখ্যা বাড়ছেই দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। দেখার বিষয় কতদিন এই নিয়ম-নিষ্ঠা বাংলাদেশের বাঙালীরা পালন করে?

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, হায় রে......
গ্রামের নওজোয়ান, হিন্দু-মুসলমান
মিলিয়া বাউলা গান আর মুর্শিদী গাইতাম......

Tuesday, December 23, 2014

BEING AN INDIAN ABROAD

Last time when I reached SFO Airport, there has been a very long queue to reach the immigration counters. A security personnel was guiding the passengers to form the queue. The moment she went to other side, a man suddenly came out of the queue and ran towards the front, out of turn. I have noticed the passport in his hand - it was a Pakistani Passport.

A bearded westerner (obviously not an American as this was a queue for non-citizens) made a comment: "He must be an Indian..."

I got angry. I told him: "No, he is a Pakistani"

Saturday, November 22, 2014

বাংলা বারের নামকরণ ইতিহাস

আপনি কি জানেন?

বাংলা সাত বারের নাম ও বাংলা বার মাসের নাম হিন্দু দেবতাদের নাম অনুসারে হয়েছে?
তাহলে দেখুন:
শনিবার- শনি দেবতার নাম অনুসারে
রবিবার- রবি বা সূর্য দেবতার নাম অনুসারে
সোমবার- সোম বা শিব দেবতার নাম অনুসারে
মঙ্গলবার- ধূপ বা দ্বিপের নাম অনুসারে
বুধবার-বৃহস্পতিবার-শুক্রবার- গ্রহের নাম অনুসারে

বৈশাখ- কীর্ত্তন নাম অনুসারে
জৈষ্ঠ্য- অগ্নি দেবতার নাম অনুসারে
আষাঢ়- আষাঢ়ি পূর্ণিমার নাম অনুসারে
শ্রাবণ- ব্রাক্ষ্ মা দেবের নাম হতে
ভাদ্র- শ্রীকৃষ্ণের বাঁশি হতে
আশ্বিন- অশ্বিনী কুমারের নাম হতে
কার্তিক- কার্তিক দেবতার নাম অনুসারে
অগ্রহায়ন- সূর্য দেবতার আবর্তন হতে
পৌষ- পার্বন হতে আগত
মাঘ- তীর্থস্হান হতে আগত
ফাল্গুন- জলন্ত কাঠ বা যজ্ঞ হতে আগত
চৈত্র- বাসন্তী দেবীর শাড়ি হতে আগত

মূলত সূর্যকে কেন্দ্র করে এসব নামের উৎপত্তি । সম্রাট আকবর আরবের সাথে হাত মিলিয়েও এই নামগুলি পরিবর্তন করতে পারেন নাই । আর পারবেও না............. ....

(মূল লেখাঃ নয়ন)
[প্রকাশেঃ শোভন]

Thursday, November 20, 2014

মনে কি পড়ে?


This picture is from "90s. It never gets old in Bangladesh! If you are a human, please say something!
পঞ্চাশের দশকে "কাফেরদের হত্যা কর" কোরান খতম দিয়ে নোয়াখালীতে লক্ষ লক্ষ হিন্দু হত্যা করা হয়েছিল ! নব্বই এর দশকে ঠিক একই ভাবে "কাফেরদের হত্যা কর" কোরান খতম দিয়ে মসজিদ থেকে বেরিয়েই প্রথম দেখা হিন্দু বিমল দাসকে হত্যা করে মোল্লারা ! হাতজোড় করেও ক্ষমা পায়নি বিমল দাস ! খুনির চরিত্র কখনো বদলায় না ! এই ছবিটা দেখে মুসলিম জিহাদী নামক সন্ত্রাসীদের মায়া কান্না হয়না ! কিন্তু ফিলিস্তিনের জিহাদী সন্ত্রাসীদের দেখে তাদের মায়াকান্নার গঙ্গা বয়ে যায় !


(সূত্র

Tuesday, November 18, 2014

ভন্ডামীর শেষ কোথায়?

ছাগুসম্রাট দস্তার রাজদরবার লিখেছে,
//হিন্দুরা প্রায়ই ফাপড় নেয় যে, ফেসবুক
হলো গিয়ে এক ইহুদির তৈরী,
সুতরাং মুসলমানরা তা ব্যবহার
করতে পারে না।
কিন্তু কোন মুসলমান
হিন্দুদেরকে পাল্টা বলে না যে,
তোরা যেই দুর্গাপূজা,
সরস্বতী পূজা আর শিবের
**পূজা করিস, তা করিস বাদশাহ
আকবরের সভাসদ ফতেহউল্লাহ
সিরাজীর বানানো ক্যালেন্ডার
অনুসরণ করে । এখন মুসলমান
হলে যদি ইহুদিদের বানানো ফেসবুক
ব্যবহার করা ঠিক না হয়,
সেক্ষেত্রে তোরা মুসলমানদের
আবিষ্কৃত ক্যালেন্ডার ব্যবহার
করে করা তোদের সমস্ত পূজাটুজা বাদ
দিয়ে দে।//
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=794024160642981&id=100001062146408&refid=17&_ft_
এটা কি কোনো যুক্তির পর্যায়ে পড়ে? এদের কেন ছাগু উপাধী দেওয়া হয়েছে বোঝা যাচ্ছে!
মুসলিমরা নিজেরায় বলছে ইহুদি পণ্য বর্জন কর বর্জন কর আবার সত্যিকারের ইহুদি পণ্য বর্জন করতে গেলে ওরা পিলে চমকে যাচ্ছে! কারণ বাস্তবে ওরা জানে যে বিশ্বে একমাত্র সন্ত্রাসবাদ ছাড়া এই দেড়শো কোটি মুসলমানের আর কোনো ক্ষেত্রেই নূন্যতম অবদান নেই। তবুও ওরা নিজেদের ধর্মগ্রন্থের হিংসাত্বক বাণীগুলো পালন করার প্রয়াস করে যাচ্ছে।
কোরানের ৫/৫১ আয়াতে বলা হয়েছে, "হে ঈমানদার বান্দারা! তোমরা মুসলমান ব্যতীত ইহুদী-খ্রীষ্টানদের তোমাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না।মনে রেখ তারা একে অপরের বন্ধু।
আর তোমরা কাফিরদের সন্মান করো না তবে আল্লাহকে অসন্মান করা হবে।তোমরা কাফিরদের কোনোকিছু গ্রহণ করো না তবে তোমরা কাফিরদের দলভুক্ত হবে।মনে রেখ আল্লাহ সর্বশক্তিমান।"
দেখুন কতোটা জঘন্য ও হিংসাত্বক এই কোরানের বাণী! আল্লাহ বলছেন কাফির অর্থাৎ অমুসলিমদের কোনো কিছুই যেন মুসলিমরা গ্রহণ না করে।একজন অমুসলিম যতোই সৎ হোক না কেন তবুও তাকে সন্মান জানাতে কঠোর হুশিয়ারী করেছে তথাকথিত সর্বশক্তিমান আল্লাহ! আল্লাহ নিজেই মুসলমানদের সাহায্য করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তবে মুসলমানরা এখন কাফিরদের সাহায্য কামনা করে কেন?
যায় হোক এবারে মূল কথায় আসা যাক! ছাগুদরবারের ছাগুমার্কা যুক্তি হল একজন মুসলমান বাংলা ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করেছে তাই হিন্দু পূজা করতে পারবে না!!!!
এখানে বলে রাখি হিন্দুশাস্ত্রে কোথাও কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ রাখতে বলা হয়নি। হিন্দুশাস্ত্রের কোথাও বলা হয়নি যে নিজ গোষ্ঠীভুক্তদের ব্যতীত বাকিদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করা যাবে না বা তাদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করা যাবে না!
এখন বাংলা ক্যালেন্ডার বা বর্ষপঞ্জির ইতিহাস থেকে ঘুরে আসা যাক!
বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল প্রাচীন গৌড়সম্রাট শশাঙ্কের আমলে।তার রাজত্বকালের হিসাবেই বাংলা সন গণনা হয়ে থাকে।তার রাজত্বকালের হিসাবেই এখন ১৪২১ বঙ্গাব্দ চলছে।
তবে দস্যু আকবর কি করেছিলেন?
মহান (!) শাসক হিসাবে খ্যাত আকবর বাংলা সন কে হিজরি সনের সাথে মেলাতে চেয়েছিলেন।তাই তিনি ইরানী ফতুল্লা সিরাজীকে দিয়ে বাংলা সনের হিসাব পরিবর্তন করেন। শুধু তাই নয়, এই মহান সম্রাট (!) বাংলা ১২ মাসের নামগুলি পর্যন্ত পরিবর্তন করে পারসি ভাষায় নাম রাখেন। কারণ বাংলা মাসের নামগুলি হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী ছিল।যদিও আকবরের এই ঘৃণ পরিবর্তন কেউ মেনে নেয়নি তাই আজও রাজা শশাঙ্কের প্রদত্ত বর্ষপঞ্জিই স্বীকৃত রয়েছে।এছাড়া বাংলা সনের সাত দিনের নামও হিন্দু দেবতাদের নামেই রয়েছে। যেমনঃ শনিদেবের নামানুসারে শনিবার, সূর্যদেবের নামানুসারে রবিবার ইত্যাদি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে আকবর কুচক্রী কর্মকান্ড একেবারেই বিফল হয়েছে। বাংলা ক্যালেন্ডারের আবিষ্কারক কখনোই কোনো মুসলমান নয় তাই পূজা বন্ধের প্রশ্নই আসে না। বরং কুরান মতে তোদেরই উচিত বাংলা ত্যাগ করা!

(সূত্র

Sunday, November 16, 2014

লাভ জিহাদ বাদই দিলাম......এটা তবে কি?

সম্প্রতি প্রখ্যাত নজরুলগীতির শিল্পী ফিরোজা বেগম মারা গেছেন। উনার মৃত্যুতে কুলখানীর আমন্ত্রণপত্রে উনার বাবা-মা'র নাম ঠিকই উল্লেখ আছে, কিন্তু স্বামীর নাম একদমই নেই। স্বামী কি হিন্দু বলে? সাধারণত আমাদের বাঙালী সমাজের বিবাহিত মহিলারা বিয়ের পরে স্বামীর নাম নিয়েই চলেন। এক্ষেত্রে এমন ব্যতিক্রম করার কারণ কি? মুসলিম মহিলারা হিন্দু পতির প্রতি আকৃষ্ট হবেন তা থামানোর জন্যে? এমনকি বিয়ের পরও ইনি মুসলিম রীতি-নীতিই পালন করেছেন। সন্তানাদিরাও মুসলিম নামই ধরে রেখেছেন। পিতার পারিবারিক নাম কেউই বহন করেননি। তুলনা করুন একটা হিন্দু মেয়ে-মুসলিম ছেলের বিয়ের পরবর্তী অবস্থা!


Thursday, October 16, 2014

সাঁথীয়া কাঁদছে


৭১-এও যেখানে পাক সেনারা আঘাত করেনি, ৪২ বছর পর সেখানে স্যেকুলার সরকারের আমলে আক্রমণ হলো। বয়স্ক এই বৈষ্ণব মহিলা আজও চাইছে তুলসীর তলা আলোময় করে রাখতে। ক'দিন আর পারবে?

Thursday, October 02, 2014

Islamic Humanity

  • নারদ কহিলো, ''বাসুদেব ইসলামিক হিউম্যানিটি কাকে বলে?''
  • সিরিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তানে এক একবার বোমা হামলায় যখন ৫০-১০০ জন করে মানুষ মরবে তখন তুমি ''ফুল-পাখি-চাঁদ'' নিয়ে স্ট্যাটাস দেবে, কিন্তু গাজার সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি জঙ্গীগোষ্ঠি হামাস এবং ইজরাইলের মধ্যে যুদ্ধে যখন মানুষ মরবে তখন তুমি যে মানবতার তাড়নায় ''ফুল-পাখি-চাঁদ বিলকুল বাদ'' দিয়ে স্ট্যাটাস দেবে ''You don't need to be muslim to care and pray for Gaza. It's not about religion, it's about humanity.'' এবং SaveGaza SaveHumanity হ্যাসট্যাগের অতিমাত্রিক ব্যাবহার করবে সেই মানবতাকে 'ইসলামিক হিউম্যানিটি' বলে।

(কৃতজ্ঞতা - রিপন মন্ডল)

Wednesday, October 01, 2014

Selective Human Rights


 
ইরাকে তৃতীয় বার বিমান হানা চালাল আমেরিকা। সঙ্গে ফেলা হল ত্রাণসামগ্রীও। এ বার আমেরিকার সঙ্গে ত্রাণের কাজে যোগ দিল ব্রিটেনও। ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (র‍্যাফ) বিমান থেকে এ দিন ত্রাণ নামে। কিন্তু এতেও সিনজারে আটকে থাকা ৫৬ ‌জন ইয়াজিদি শিশুর প্রাণ রক্ষা হয়নি।

Tuesday, September 30, 2014

আপনি করলে দোষ না, পরে করলেই দোষ

ভারতের অযোধ্যায় বাবরী মসজিদের জায়গায় রামমন্দিরের শিলান্যাস ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে ইসলামিক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ২৯ অক্টোবর, ১৯৮৯ থেকে বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডবলীলা শুরু করে। এই শ্রেষ্ঠত্ববাদী গোষ্ঠী বহু জায়গার হিন্দু বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আক্রমণ করে পুড়িয়ে দেয়; বহু হিন্দু আহত হয়, কিছু সংখ্যক মারাও যায়। হিন্দু মন্দির এবং আশ্রমগুলোর ওপর ছিলো তাদের বিশেষ নজর। ৯ এবং ১০ নভেম্বর, ১৯৮৯ এই উন্মত্ততা চরম আকার ধারণ করে। অসংখ্য মন্দির ভেঙ্গে বা পুড়িয়ে দেয়া হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরো অনেক। দেব-দেবীর প্রতিমাতে ভাঙচুর চলে, সেগুলো ছুড়ে ফেলা হয় মন্দিরের বাইরে। পুরোহিতেরা মারধরের শিকার হন। পদক্ষেপহীন ২টি সপ্তাহ কাটাবার পর বাংলাদেশ সরকার অবশেষে এই হামলা বন্ধের তাগিদ অনুভব করে। বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে নিজেদের অসাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে সরকার এক ডজন মন্দিরের মেরামতেরও ঘোষণা দেয়। নিচের তালিকাটি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, ৫৩ তেজতুরি বাজার, ঢাকা, বাংলাদেশের প্রকাশনার সাহায্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে লক্ষণীয় যে এটি একটি আংশিক তালিকা মাত্র।

Sunday, September 28, 2014

পশ্চিমবঙ্গে পূজো পেছালো ঈদের কারণে



এরপরেও ভারতের মুসলিমরা বলে তারা নাকি পূর্ণ স্বাধীনতা পান না ভারত রাষ্ট্রে। অথচ রমজানে রোজার মাসে মন্দিরগুলোতে পূজা-পার্বণ ঠিকমত করা যাবে না বাংলাদেশে - এমন হওয়ার পরেও বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র!

(সূত্র)

Saturday, September 27, 2014

লালমনিরহাটে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা



Land Dispute: Four of a Hindu family stabbed, house set afire at Shafirhat village in Patgram upazila in Lalmonirhat. The injured are Pushpa Rani Sen, 68, wife of late Debendra Nath Sen and her two sons Shyamol Chandra Sen, 45, and Kamol Chandra Sen, 38, and Shyamol's wife Dipali Rani Sen, 30 & Seriously injured Pushpa Rani was admitted to Rangpur Medical College Hospital.

(Through Adv. Rabindra Ghosh)
President of Bangladesh Minority Watch (BDMW)


[Source]

Friday, September 26, 2014

মানিকগঞ্জে হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ

Ms. Sagorika Haldar(16) Minority belonging to Hindu raped and murdered at Manikgonj:

The victim was poor but brilliant HINDU student of Class IX (Nine) studying in Joymantop High School near her village. Her registration No. 1210792720 (Session 2012). On the date of occurrence the victim was at her home, but uneducated and simple father and mother was out of their home for business purpose. One Gurupada informed police that the dead body of Ms.Sagorika Haldar was found in her room adjacent with a ceiling fan after a quarreling amongst the victim and perpetrator Abdur Razzak. Abdur Razzak – the notorious women monger, without having any previous consent & without any lawful authority entered into the room of Ms. Sagorika and started to assault her closing the door with shoes because the victim reused sexual intercourse and cried for rescue; resulting serious injuries and she died. Police came and saw the dead body laid down on the ground. Police also managed to carry the dead body for post mortem at the nearest Hospital. But police did not record the case under proper section of law.


(Through Bangladesh Minority Watch)

[Source]

Thursday, September 25, 2014

বিশ্বে মুসলিম বনাম ইহুদী অবদান

মুসলিমরা বলে বিজ্ঞানিরা তাদের কুরআন থেকেই অনেক কিছু পেয়েছে। ভাল কথা। তাহলে আজ মুসলিমরা কেন
জ্ঞান-বিজ্ঞানে এত পিছিয়ে ???বরং যে ইহুদিদেরকে মুসলিমরা প্রধান শত্রু হিসেবে জানে তারাই আজ জ্ঞান- বিজ্ঞানে অনেক অনেক এগিয়ে। তাদের আবিষ্কৃত অনেক কিছু আজ মুসলিমরা ব্যবহার করছে। এটা কি মুসলিমদের
জন্য একটা লজ্জার বিষয় না ? এটা কি হারাম না ?

Wednesday, September 24, 2014

ফেনী-ঝালকাঠিতে হিন্দুদের উপর হামলা

ফেনী ও ঝালকাঠিতে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে হামলা, আগুন। পত্রিকা বলে দুর্বৃত্ত। আমার প্রশ্ন দুর্বৃত্ত কি জিনিস???? সরাসরি বলতে লজ্জা কিসের?
১।
ফেনীতে হিন্দু বাড়িতে আগুন দিলো দুর্বৃত্তরাঃ
ফেনীর মোটবী ইউনিয়নের সুরেন্দ্র কুমার নাথের ঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
এসময় সুরেন্দ্র কুমারের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৩ টি গরু পুড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীর
া জানান, প্রথমে গোয়ালঘরে আগুন লাগলেও মুহুর্তেই তা পুরো বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হতে পারলেও প্রায় ৩ ঘণ্টার আগুনে সব
মালামালসহ ঘরটি পুড়ে যায়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুরেন্দ্র কুমারের পারিবারের। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২।
বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরঃ
ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার যদু বণিকের বাড়ির সর্বজনীন মনসা মন্দিরে হামলা চালিয়ে একটি মূর্তি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফিরোজ আকন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মন্দিরের পাশের বাড়ির বাসিন্দা ফিরোজ আকনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল মন্দিরে ঢোকে। তারা মন্দিরে থাকা মনসা প্রতিমার সখীর মূর্তি এবং মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় মন্দিরের পরিচালক শিবেশ্বর দত্ত বণিক বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় গতকাল বুধবার মামলা করেছেন। ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শীলমণি চাকমা বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


(সূত্র

Tuesday, September 23, 2014

নোয়াখালীতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের কর্মকারবাড়ির বসতঘর ও মন্দিরে গত বুধবার একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি বেদখলের পরদিন গতকাল শুক্রবার পুলিশের সহায়তায় তা উদ্ধার হয়েছে। তবে ওই পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নোয়াখালী: ধন্যপুর গ্রামের ধনঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার দুপুরে স্থানীয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে তাঁদের বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার বাড়ির ছেলেদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তা মীমাংসাও করা হয়। কিন্তু বেলা একটার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁদের বসতঘর ও মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় বাধা দিলে নারীসহ অন্তত আটজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে রুপেক চন্দ্র কর্মকার (২৭) ও সঞ্জয় চন্দ্র কর্মকার (২৩) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ধনঞ্জয় আরও বলেন, সিরাজের সঙ্গে জমি নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই এ হামলা হয়েছে। সিরাজ ও তাঁর ছেলে মানিকসহ অন্যদের এলাকায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
হামলা ও ভাঙচুরের সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সামাদ বলেন, এ ঘটনায় সিরাজসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বাউফল (পটুয়াখালী): পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের নকুল চন্দ্র কির্ত্তনীয়া (৭৫) প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে তাঁর পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একই গ্রামের কাজী মো. আলী হোসেনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িঘরের বেড়া ভাঙচুর করে এবং পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির জমি দখল করে নেয়। পরে এ ঘটনায় বাউফল থানায় অভিযোগ করলে গতকাল দুপুরে পুলিশ গিয়ে ওই জমি উদ্ধার করে তাঁদের বুঝিয়ে দেয়।
নকুল চন্দ্র অভিযোগ করেন, এখন তাঁর পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনি ও তাঁর পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের জমি ওই পরিবারটি দখল করে রেখেছে। সেই জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে হামলা, ভাঙচুর এবং তাঁদের প্রাণনাশের ও দেশ ছাড়ার হুমকির অভিযোগ মিথ্যা।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরেশ চন্দ্র কর্মকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জমির কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


(সূত্র

Sunday, September 21, 2014

বিচারের আশা নিয়েই শুধু বাঁচি, বিচার কভু পাই না



শিল্পি রানি দাস (৩৫) একজন হিন্দু নারী সে কাদছে বিচারের আশায়, যার নাবালিকা মেয়েকে (১২) ধর্ষিত এবং খুন করেছে মুসলিম মৌলবাদীরা।

=> ঘটানাটি ঘটেছে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলা সদর, বুয়াবারিয়া থানা, ২৮,০৬,২০১৩ সালে। ঘটানার সাথে জরিত তিন মুসলিম যথা 1) মোহাম্মদ রুবেল শেখ, 2) মোহাম্মদ লাল চাঁদ শেখ এবং 3) মোহাম্মদ রমিজ শেখ। এই নিয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নাম্বার-১৪, তারিখ ২৮,০৬,২০১৩। কিন্ত পুলিশ চাচ্ছে ঘটানটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে। কতিপয় হিন্দুদেরকে জরিয়ে দিতে।


(সূত্র)  

Friday, September 19, 2014

দাফন নাকি দাহ?

জাকির দাবী করে যে অগ্নিতে আহুতি দেয়ার চেয়ে দাফনই উত্তম কেননা এতে খরচ কম এবং পরিবেশ এর দূষন কম! অথচ এ বিষয়ে পৃথিবীর শীর্ষ জরিপকারী সংস্থা ও এই বিষয়ক গবেষনামূলক বইগুলো বলছে তার ঠিক উল্টো কথা।এই বিষয়ে কয়েকটি রেফারেন্স দেখে নেয়া যাক

- দাফন এর ক্ষেত্রে মৃতদেহটি সংক্রামন এর মারাত্মক উত্‍স হিসেবে ভূমিকা পালন করে।বিশেষ করে ইনফেকশাস ডিসিসে মৃত্যুবরনকারীর ক্ষেত্রে দাফন খুব মারাত্মক মহামারী ড়েকে আনতে পারে।সেক্ষেত্রে এটি পানি,বাতাস ও মাটির দূষনকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করে(তথ্যসূত্র-Spongoberg,Alison L Becks,inorganic water,air and soil contamination,pg no. 117)

- জাপান,টোকিও সহ ইউরোপের বিভিন্নদেশে বর্তমানে ওইসবদেশের সরকার দাফনকে বাদ দিয়ে অগ্নিদাহকে উত্‍সাহিত করছে কেননা এতে জমির প্রচুর অপচয় হয়।(তথ্যসূত্র-Furse Raymond,An invitation in japan,pg.73)

(Source)