Showing posts with label cricket. Show all posts
Showing posts with label cricket. Show all posts

Friday, April 08, 2016

ফেসবুকে ঘৃণার সংস্কৃতি

বুয়েটের সুনামখ্যাত চমক হাসানের লেখাটা ঠিক আমার এ সপ্তাহের আগের লেখাটারই সূত্র ধরে বলা কিছু কথা ...

Thursday, April 07, 2016

বাড়ির পাশেই আরশিনগর

মাত্র এ সপ্তাহেই ফাইনালের পরে যেই লেখাটা লেখলাম, তারই পুনরাবৃত্তি পরদিনের পত্রিকায় [প্রতিদিন, ৪ এপ্রিল, ২০১৬] ... আশা করেছিলাম বাংলাদেশী আনিসুল হক বা এমন কোনো কলামিস্ট, লেখক শ্রেণীর লোক বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার ঘৃণা বিষয়টা নিয়ে লেখবে ... যা হোক, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের লেখাটা খুবই অক্ষরে অক্ষরে সত্য

Tuesday, April 05, 2016

How a Jharkhand boy became MS Dhoni...


MS Dhoni has showed a knack for the dramatic in how he goes about his game, and the reason for this is probably that he has led a life which can give fair competition to the raciest of thrillers. For example, when Dhoni and three of his friends were taking a road trip from Ranchi to Agartala in a race against the clock for him to reach in time for his first Duleep Trophy match in 2001, a huge step for the promising 20-year old, any weaker heart might have wilted when the car engine gave its first sputter.
The reason for this unorthodox way of making one’s way into domestic cricket limelight, as opposed to the more conventional route with the rest of the team by air, can be pinned down to the bureaucratic disorganisation of cricket in the country. As is said in Dhoni’s hometown, "If one Indian crab tries to climb out of the jar, nine others will pull it down."
An 18-year-old Dhoni had made his first class debut for Bihar in the 1999-2000 season, and played his coming-of-age knock the next season, in January 2001 against Bengal. The 19-year-old played an innings beyond his years, protecting his tail-enders admirably on way to a maiden FC century, 114 not out, helping his side earn a respectable draw from a position where it had looked like an innings defeat was imminent.

A shock call-up made useless by CAB’s incompetence

He was included in the East Zone side in the 2001 Duleep Trophy, a shock call-up considering his lack of experience. But his matchwinning ability had been evident from his earliest cricketing days, and selectors saw a potential investment. This was also a big opportunity, because most India cricketers would be featuring in that edition of the tournament, in preparation for the 2001 tour by Australia.
However, the shambolic state that Cricket Association of Bihar was in meant that they had no way of knowing or had no intention to convey this news to Dhoni. News did not reach Ranchi of this call-up in any way, till it was too late to join the rest of the team in Kolkata, who were taking a flight to Agartala.
It was Dhoni’s friend Paramjit Singh, a.k.a Chhotu Bhaiyya, who got the news first, and with 20 hours left before the match would start, collected money and hired a Tata Sumo and drove it towards their destination. Among the two other friends in that car was Gautam Gupta, Dhoni’s future brother-in-law.
The car broke down on the highway, however, and Deep Dasgupta was played as East Zone wicket keeper against South Zone.
Conspiracy theories have said that the Bengal-dominated East Zone could not afford to drop Dasgupta at that stage – he had already played Tests, and an important international series was coming up.
Might it have been that it was this that stopped the news from reaching Dhoni in time? Considering the dearth of Indian wicketkeepers at that time, might Dhoni have come up with something in that match to be called up to the India team for the Australia series?

What happened after the Agartala match

Dhoni was not able to reach his team in time for the first match, but travelled with the team to Pune for the second match against West Zone. He was 12th man in that match, but had at least one dream fulfilled. Sachin Tendulkar, who scored a match-winning 199 not out for West Zone, asked for some water from Dhoni during a drinks break.
He had to turn his mind to practical matters after this match, however, and was signed up to work for South Eastern Railways as a ticket examiner, by worth of what he added to their cricket side. He was known to be irregular at work, and was once served a notice by his employers.
Dhoni had to wait before he would get an opportunity at such a big stage again, before three years of steady progress earned him a spot in the India A side that played in Kenya. He was named Man of the Series and the nation was suddenly aware of the prospect of a long-haired wicketkeeper who could play for the country soon, someone who could run very fast between the wickets and who could hit the ball out of stadiums.
National selector Pranab Roy put his weight behind the Bihar (later Jharkhand) youngster, having spotted something special during his days of umpiring at the junior level while Dhoni was coming up through the ranks. Within a year of that tri-series in Kenya, Dhoni had earned an India cap.
It is funny when luck is ascribed to some of Dhoni’s victories, because luck has not always been his best friend.
 
[Source]

Sunday, March 20, 2016

বাংলাদেশের fan-রা আসলেই উন্মাদ


মাত্র কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তরুণ বোলার তাসকিন আহমেদের একটি ছবি যাতে ও ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনীর কাটা মাথা নিয়ে বিজয় উৎসব করছে দেখে গেছে, তারই সপ্তাহখানেক হতে না হতেই সামনের বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচকে সামনে রেখে বাংলাদেশী সমর্থকরা এবার স্টিভেন স্মিথের কাটা মাথার একটি ছবি ফেইসবুকে ছড়াচ্ছে। উল্লেখ্য, এই লেখাটি লেখার সময়কালে তাসকিন আহমেদ ইতিমধ্যে আইসিসির দ্বারা সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক কোনো ক্রিকেটে খেলা থেকে। সেটি অবশ্য ওর বোলিং এ্যাকশনকে ঘিরে। কিন্তু বাংলাদেশী সমর্থকদের আবারও এমন হীনতর স্বভাব সত্যিই নিজেকে বাংলাদেশী বলতে লজ্জা লাগে। জানি না তাসকিন নিজে এসব বিষয়ে কতটা অবগত আছেন। যদি না জেনে থাকেন তাহলে সংস্লিষ্ট মহলের ওকে জানানো উচিত। আর জেনে থেকেও এসবকে প্রশ্রয় দেওয়া ওর ব্যক্তিগত চরিত্রকেই ফুটিয়ে তোলে না কি?

Saturday, March 05, 2016

বাংলাদেশী সমর্থকদের এই কি নমুনা?

 
বিভিন্ন ভারতীয় পেইজগুলোতে দেখলাম তাসকিনের এই ছবিটা ছড়াচ্ছে। ওদের কথা বাংলাদেশী কোনো সমর্থক মজা করার উদ্দেশ্যে এমন ছবিটি ফটোশপে করেছে। পূর্বেও মুস্তাফিজের আরেকটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে যা এমনকি একটি বাংলাদেশী পত্রিকাই (প্রথম আলো) প্রথমে ছড়িয়েছে । যদি বাংলাদেশীরা সত্যিই এমন আচরণ করে থাকে, তাহলে সত্যিই লজ্জা লাগে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থক বলতে। উন্নতির আহরণে এমন চিন্তা-চেতনা কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর জন্য শুভ বার্তা বহন করে না। ভুলে গেলে চলবে না যতোই উপরে উঠি না কেন, আমাদের ছায়া সবসময় মাটিতেই পড়ে। আবেগের সাথে সাথে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাটাই হলো প্রকৃত স্থিতপ্রজ্ঞের লক্ষণ.........


Wednesday, July 08, 2015

কেন বলি বাংলাদেশে হিন্দুদের আর স্থাণ নেই...

সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সিরিজে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের কিছু ব্যাটসম্যান (সৌম্য সরকার, লিটন দাস) যখন ভারতের বোলারদের তুলোধনা করছিলো চার-ছয় মেরে, তখন বাংলাদেশেরই কিছু সমর্থক এমনতর মন্তব্য করছিলো...

কেন যে বলি বাংলাদেশে আর হিন্দুদের জায়গা নেই, এবার বুঝছেন তো পাঠক? যেখানে VIP হিন্দু star-দেরই এমনতর অবস্থার শিকার হতে হয়, তখন সাধারণ জনগণের কথা নাহয় নাইবা বললাম।


[সংগৃহীত]

Sunday, July 05, 2015

কোথায় এগোচ্ছে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম?

সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার ৩-ম্যাচের ODI ক্রিকেট সিরিজের টানা দুই ম্যাচে ভারতের হারের পর পুরো বাংলাদেশ যেন আনন্দে ফেটে পড়ে। স্টেডিয়াম থেকে রাস্তা-ঘাট, অলি-গলি, পাড়া-মহল্লায় যেন আনন্দের মিছিল ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এরই মাঝে ঘটে যায় নিকৃষ্ট একটা ঘটনা। ভারতের সুনামখ্যাত একজন দর্শক, সুধীর কুমার গৌতম, যিনি প্রায় সকল ভারতের ম্যাচেই উপস্থিত থাকেন গ্যালারীতে দল জিতুক আর হারুক শেষ পর্যন্ত, আর সেটা অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিংবা যেকোনো দেশেই হোক না কেন, ছিলেন সেদিনকার ম্যাচেও। খেলার শেষে তিনি যখন গ্যালারী থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছেন, তখন আনন্দরত দর্শকের মধ্য থেকে তার উদ্দেশ্যে ইট-পাথড় ছুড়ে মারা হয়। তিনি কোনো মতে যানবাহন করে তার হোটেল অবদি পৌঁছান। কিন্তু সেসব অতর্কিত ইট-পাথড়ে তিনি খানিকটা আহত হন।

এ তো গেলো ঘটে যাওয়া ঘটনা। এরপরে বাংলাদেশের মিডিয়া এই খবরকে নিয়ে নানা মারপ্যাচ লাগাতে থাকে। ভারতীয় মিডিয়া যখন এই খবরকে ফলাও ভাবে প্রচার করছে, তখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম কোনো না কোনো ভাবে চেষ্টা করছিলো কিভাবে ঘটনাটিকে স্বাভাবিক হিসেবে ফলাও করা যায় সে নিয়ে ব্যস্ত। প্রসঙ্গত, নিচের ভিডিওটি দেখলেই এটি আরো পরিস্কার হবে। বাংলাদেশী সাংবাদিক কথা বলার সুযোগই দিচ্ছেন না সুধীর গৌতমকে তার পুরো বক্তব্য বলার। সাংবাদিক টেনে টেনে এনে যতটুকু শোনালে এটি প্রমাণ হবে যে সুধীর বাবু আহত হননি, ততটুকুই চেষ্টা করছিলেন এই অংশটি জুড়ে। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার অপমান করতে চাচ্ছি না। কিন্তু এমনতর যদি একটা প্রাইভেট টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকতার নমুনা হয়, তাহলে তো মানুষ সত্য কখনোই জানবে না। যেমনভাবে দর্শককে গেলাবে, তেমনটাই দর্শক গিলবে - সে যদি কোনো খুনও হয়, তাতেও খুনীকে ভূয়সী প্রশংসার পাত্র বানাতে কোনো অসুবিধাই হবে না এমন সাংবাদিকদের।

video


পরিশেষে এটুকুই বলবো, বাংলাদেশে দিন বদলের পালা চলছে। 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গড়ার কাজ চলছে। উন্নতির শিখায় উঠতে উঠতে নিজের আগের অবস্থাকে ভুলে গেলে ভবিষ্যত খুব সুখকর হবে না। যতই বড় হোক না কেন দেশ, যতই উন্নত হোক না কেন ক্রিকেট, যতই আধুনিক হোক না কেন মানুষ - নিজের পেছন ইতিহাস ভুলে গেলে ক্রিকেটার নাসিরের ফেইসবুক নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, রমনায় বর্ষবরণে নারীদের প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির যে ঘটনা ঘটেছে - এমন ঘটনা আরো বাড়বে। আগের কিছু লেখায় দিয়েছিলাম যে, যারা বুঝতে পারছে তারা নিজেদের মেয়েদের এমন দেশে বড় করতে সাহস পাবে না, কিংবা আগেই এমন ভবিষ্যতবাণী দিয়ে ফেলতে পারে যে ক্রিকেট ক্রেইজ থেকে নানা নোংরামীর সৃষ্টি হতে পারে। এই প্রবণতা যদি আরো বেশী চলতে থাকে তাহলে ভারতে কেন, বাংলাদেশেও কোনো প্রবাসীনী, বিদেশীনীরা পা ফেলতে এগোবে না। ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, নোংরা মন্তব্য, আবেগপ্রবল আঘাত - এসব যদি সামনের নব্য প্রজন্মকে বর্ণনা করে, তাহলে এমন ডিজিটালের চেয়ে সেই আগেকার গ্রাম্য থাকাই মন্দ না। যেই বাংলাদেশ, বাঙালীরা আতিথেয়তার জন্য অন্যান্য সমাজের কাছে প্রসিদ্ধ, তাদের যদি এমন ভবিষ্যত প্রজন্ম হয়, তাহলে নিজেকে বাংলাদেশী পরিচয় দিতেও দু'বার চিন্তা করে নেব।

Thursday, July 02, 2015

বাংলাদেশ কোন দিকে এগোচ্ছে?

অনেকেই আগে ধারণা করেছিলেন বাংলাদেশের এমন নিচু সামাজিক বিকৃতির বিষয়ে। প্রশ্ন হলো সমাজ হিসেবে কি কিছু করা হয়েছে এ নিয়ে?

ফেসবুকে ইদানিং দেখি আমরা "বাংলাদেশ লাভার" প্রজন্ম তৈরি করতে গিয়ে আসলে "অন্য দেশের হেটার" প্রজন্ম তৈরি করছি! squint emoticon
কিছুদিন আগে দেখলাম এক ছেলে অতি আবেগী হয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে,
"ভারতের আছে লতা মুঙ্গেশকর আমাদের আছে সাবিনা ইয়াসমিন, (মানতে কষ্ট হলেও মানলাম)
ভারতের আছে টেন্ডুলকার আমাদের আছে সাকিব (মনে হলো ঠিক আছে, চলে) তারপর যেটা লিখলো সেটা দেখে আমার আক্কেল গুড়ুম,
ভারতের আছে এ আর রহমান আমাদের আছে তাহসান! unsure emoticon (তাহসান নিজে শুনলেও ভয়ানক লজ্জা পাবে। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল হলেও মানতাম।)
আমরা সব জায়গায় যেকোন মূল্যে বিদেশিদের গালি দিতে খুব পছন্দ করি। কিছু একটা হলে এটা আমেরিকার ষড়যন্ত্র, এটা ভারতীয় ষড়যন্ত্র ইত্যাদি। আরেকটা হেটার প্রজন্ম তৈরি করছে ক্রিকেট, মুভি ইত্যাদি রিলেটেড গ্রুপগুলো। অন্য দেশের খেলোয়ারদের নাম বিকৃত করে, গালি দিয়ে যে যেভাবে পারে অসম্মান প্রদর্শনের চূড়ান্ত প্রকাশ তারা দেখিয়ে যায়। তাদের কাছে কোহলির নাম হয় "কুলি" squint emoticon , ব্রেন্ডন টেইলর হচ্ছে "দর্জি", আফ্রিদি হচ্ছে "ডাকরিদি" ইত্যাদি। এমন ঘৃণা চর্চার কারণে যে বাজে ব্যাপারটা ঘটে তা হলো সব জায়গায় তারা হেট প্রথা চালাতে থাকে। আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সাপোর্টাররা নিজেরা মারামারি করে একেবারে খুন করে ফেলে! তারা মার্ক জাকারবার্গের ছবিতে গিয়ে কেলেংকারী ঘটিয়ে আসে। জিম্বাবুয়ের অফিশিয়াল ক্রিকেট পেজে গিয়ে এমন গালিগালাজ করে আসে যে তারা অফিশিয়াল নোটিশ দিতে বাধ্য হয়। সাকিবকে না নেয়ার কারণে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স পেজে অস্ট্রেলীয়রা আমাদের গালি দেখে নিজেরাই লজ্জা পেয়েছে। তারাই সাকিব-মুশফিকের বউ নিয়ে হেট মার্কা কমেন্ট করতে থাকে। এগুলো হলো নেগেটিভ এফেক্ট। হেটার্স প্রজন্ম তৈরি করার নেগেটিভ এফেক্টগুলো এরা বুঝে না।
"হেটার্স প্রজন্ম" তৈরি করে লাভটা কি আমি জানিনা; তবে ক্ষতি অনেক অনেক অনেক বেশি। অলরেডি আন্তর্জাতিক কিছু ফেসবুক পেজে বিশ্বের মানুষ এটা জেনেছে যে, বাংলাদেশিরা কোন কারণ ছাড়াই খুব গালি দিতে পারে। আমরা "লাভার্স প্রজন্ম" তৈরি করি। সেজন্যে অন্যকে গালি দেবার দরকার নেই। নিজের দেশের প্রতি ভালবাসা সৃষ্টি করতে হলে অন্যকে ঘৃণা করতে হবে এই থিওরী খুবই ক্ষতিকারক। চর্চা এক জায়গায় শুরু হলে অবচেতন মনেই সব জায়গাতে তার প্রভাব পড়ে। ফেসবুক সেলিব্রিটিদের কোন মতের বিরোধীতা করলে তারা ব্লক করে দেয়। আস্তে আস্তে ব্যাপারটা ক্ষুদ্র গন্ডিতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন নিজের বন্ধুদের বাইরে কেউ ভিন্নমত দিলে তাকে গালি দেয়া হয়। সময় থাকতে সবার সতর্ক হওয়াটা খুব জরুরি।
বটমলাইন হচ্ছে, আমাদের সবার কাছেই নিজের দেশ সবার আগে। যেকোন জায়গায় নিজেদের দেশকে বেশি ভালোবাসবো, সমর্থন করব। কিন্তু তার জন্য অন্যকে ঘৃণা করব না, তাদেরও সম্মান করব।
- শেখ মিনহাজ হোসেন 

Source

Tuesday, June 30, 2015

দুঃখিত নাসির ... ক্ষমা করে দিও

video

সম্প্রতি বাংলাদেশের ক্রিকেটার নাসির হোসেন তার বোনকে নিয়ে একটা ছবি তার ফেইসবুকে দেয়ার পরপরই যেভাবে নোংরা মন্তব্য উঠে আসতে থাকে তার ভক্ত(!)দের কাছ থেকে তার পরিপ্রেক্ষিতে উপরের সোলায়মান সুখন ভাইয়ের ভিডিও যথেষ্ট। ক্ষমা করে দিও নাসির, ক্ষমা করে দিও আপু (নাসিরের বোন)। বাংলাদেশে কোনো মেয়েই নিরাপদ নয় আর, সে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হোক, আদিবাসী সমাজের হোক, সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠদের হোক, কিংবা কোনো VIP ব্যক্তির মা-বোন-স্ত্রী বা মেয়েই হোক।

Source

Saturday, June 13, 2015

Team India doesn't hold any grudge against Bangladesh: Virat Kohli

Will this change in the way Bangladesh is performing recently?

(read the article)

Source

Thursday, January 24, 2013

Sachin phenomenon

MAXIMUM TIMES TOP SCORERS IN TEAMS TOTAL

1. SACHIN TENDULKAR: 129 Times
2. Sanath Jayasuriya: 84 Times
3. Jaques Kallis: 78 Times
4. Brian Lara: 70 Times
5. Arvinda de Silva: 66 Times
6. Ricky Ponting: 64 Times
7. Sourav Ganguly: 61 Times

129 out of 463 means he top scored every 4th innings he played...phenomenal considering we almost every time have 7 batsmen in the team for most countries.

Monday, January 21, 2013

Few known and unknown facts about ‘GOD’ Sachin Tendulkar


=> Grew his hair and tied a band around it to copy his idol John McEnroe, was called McEnroe by his friends. Admires Pete Sampras, Boris Becker and Diego Maradona.

=> Wanted to be a tearing fast bowler and even went to the MRF Pace academy but head coach Dennis Lilee told him to concentrate on his batting.

=> Has scored big runs on Indian festivals like Gokulastmi, Holi, Raksha Bandhan and Diwali.

=> Loved to have i-can-eat-more-vada-pavs-than-you competitions with cricket buddies Vinod Kambli and Salil Ankola.

=> Loves sea food. co-owns a restaurant called ‘Tendulkar’s' near ‘Gateway of India’ in Mumbai.

=> Sydney cricket ground is his favorite ground.

=> Loves Kishore Kumar and rock group Dire Straits. Fusses over his personal stereo.

=> A Ganesh devotee, he visits Siddhi Vinayak temple in the early hours of morning

=> Wears his left pad first, has the tricolor pasted inside his kit bag.

=> Remembers every test dismissals especially the bowler who dismissed him. Likes to dunk his glucose biscuit into his tea.

=> Ambidextrous: bats with his right hand and eats and autographs with his left hand.

=> Used to sleep with his cricket gear during his junior days.

=> Refused to shoot for a soft drink ad of him smashing cricket balls with a fly sweater. He reportedly told film-maker Prahlad Kakkar "that would make me greater than the game." the ad was modified: he hit the balls with a stump.

=> A fast car friend who likes to tear down Mumbai's road at 4 am.

=> Fell from a tree on a Sunday evening during the summer vacation, when Guide was showing on national TV. His infuriated brother (and mentor) Ajit packed him off to cricket coaching class as punishment.

=> Came back from 4 month tour of Australia after the 1992 world cup and turned up to play for his college, Kirti college in April 1992.

=> Was without a bat contract during the 1996 world cup where he emerged as the highest run-getter. A famous tire company promptly signed him up after that.

=> His coach at Shardashram, Ramakant Achrekar used to offer a 1 rupee coin as a prize to anyone who dismissed him. If he remained not out the coin belonged to Sachin. That he still has a good bunch of those coins tells the story.

=> Fielded for Pakistan as substitute during a one-day practice match against India in Brabourne stadium in 1988.

=> Was a ball boy during the 1987 world cup semi final match between India and England at Wankhede.

=> The first ad he shot was for a sticking plaster.

=> In school he was once mistaken for a girl by his good friend Atul Ranade because of his long curls.

=> Amitabh Bachchan became his favorite hero after watching Deewar and Zanjeer.

=> Played tennis ball cricket and darts during rainbreaks.

=> Sang and whistled with Vinod Kambli during their 664 run stand in Harris shield in 1988 to avoid eye contact with coach's assistant, who wanted to declare while the duo wanted to bat on.

=> Teammate Praveen Amre bought him his first pair of international quality cricket shoes.

=> Was a bully at school but was kind to cats and dogs. His first captain Sunil Harshe said that he loved to pick a fight. Every time he was introduced to someone, his 1st reaction was "will I be able to beat him?"

=> Used to go fishing for tadpoles and guppy fishes in the stream that ran through the compound of Sahitya Sahwas at Bandra East.

=> Made his mother once look for a frog bhaji recipe.

=> The nanny who looked after him is now universally called Sachuchi bai.

=> Colony watchman's son Ramesh Pardhe who was his playmate, said Sachin would ask him to dip a rubber ball in water and hurl it at him. He wanted to see the wet marks left on his bat to find out whether he middle the ball correctly.

=> A prankster, he once put a hose pipe into Saurav Ganguly's room and turned the tap on. Ganguly awoke to find his gear floating. Calls Ganguly 'babu mashai', Saurav calls him 'chhota babu'. 



(collected)

Tuesday, January 08, 2013

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার রমিজ রাজা'র বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্যের প্রত্যুত্তর

রমিজ রাজা সাহেব বলেন ক্রিকেটে নাকি বাংলাদেশের অবদানই নাই !
( Ramiz said “The BCB has no major part in international cricket" )
হা হা হা ঠিকই তো ... বাংলা পুলাপান এতো বছর ক্রিকেট খেলে...
*সালমান স্টাইলে বালিশের নিচে টাকা নিয়ে ধরা পড়লোনা,
*আমির স্টাইলে টাকা খায়া এক হাত লম্বা নোবল করলোনা ,
*আসিফ স্টাইলে ভীনা মালিকের লগে ফস্টিনস্টি করলোনা ,
*আফ্রিদি স্টাইলে বল কামড়ায়া টেম্পারিং করলোনা,
*রশিদ লতিফ স্টাইলে মাটি থেকে বল কুড়ায়া আউট করলোনা ,
*শোয়েব আখতার স্টাইলে টিমমেটরে ব্যাট দিয়া পিটাইলোনা ,
*আসিফ স্টাইলে দুবাই এয়ারপোর্টে গাঞ্জা লইয়া ধরা খাইলোনা,
*ওয়াকার ওয়াসিম স্টাইলে সতীন ঝগড়া করলোনা ,
*সেলিম মালিক স্টাইলে জুয়াড়ি হইলোনা ,
*আখতার স্টাইলে ড্রাগ লইয়া ধরা পড়লোনা,
*আসাদ রউফ স্টাইলে ইন্ডিয়ান মাইয়ার লগে স্ক্যান্ডাল বানাইলোনা ,
*ইউসুফ ইউনুস স্টাইলে বছরে ৪ বার কইরা অবসর আর ফেরত আসার নাটক করলোনা ,
*নাসির জামশেদ স্টাইলে বিপিএলে ম্যাচ পাতাইলোনা ...
( এই ফিরিস্তির শেষ নাই )
আসলেই কোন অবদান নাই আমাদের ...
ভাগ্যিস পাকিস্তান ছিলো নাহলে ক্রিকেট অপবিত্র
করার গুরুদায়িত্ব কে নিতো ?



(সংগৃহীত) 

Monday, January 07, 2013

Will BCCI ever learn their lessons?

Since Gary Kirsten left the position for Indian cricket team's coach right after Team India won the World Cup 2011. He was the person who brought more glories to the national cricket team after the team gained the position for #1 ranked test team in the world. It was a rare feat that Team India gained for the first time in the history of cricket.

Soon afterwards, Kirsten took over as the coach of South African national cricket team. The results didn't take long to deliver. South Africa took the #1 ranking test status from England after India lost the position to England in that summer of 2011.

Team India's downfall was just beginning to appear to the world cricket. First, they lost the away series in England (4-0). Total whitewash. Although the ODI form was still okay, the test form was suffering miserably. But the selectors didn't take notice of that.

Then came the Australia tour. Again, the team lost (4-0) to the Australian test team. By this time, the media was bashing on the veteran players for not giving the opportunity to youngsters. The trio (Rahul Dravid-VVS Laxman-Sachin Tendulkar) were still holding their places. But the back-to-back (8-0) series whitewash in both these away games moved the veterans.

Immediately after Australia series, Rahul Dravid retired from test. Indian ODI team was also showing signs of suffering now. They were eliminated in the tri-series between Sri Lanka, Australia & India. Though there were positives to take from that series in the form of Virat Kohli, the team, as a whole, was going down.

Next was the Asia Cup in Bangladesh. Again, even though Sachin Tendulkar scored his 100th hundred against Bangladesh, Team India could not save the match. Sachin's masterpiece went in vain to a country known as "minnows" to the world cricket. Instead of India or Sri Lanka, it was Bangladesh who qualified to play in the final of that Asia Cup against Pakistan.

The IPL took over afterwards. The T20 frenzy craze in people IPL5 to be a even bigger event than any previous IPLs. The BCCI still invested in this money-spending business to earn some quick dollars.

Though India did relatively well against New Zealand later on, they again showed signs of weakness when England came to India. This time after almost 30 years, the English team defeated India in their home turf in a series loss. India lost 2-1 against a formidable English line-up.

Soon after, the T20 encounter went on to a 1-1 tie between them.

Then came Pakistan. The arch-rival's T20 encounter also turned out to be 1-1. But the ODI 3-match series. Pakistan comprehensively won the first 2 games. Even in the 3rd encounter, India lost their top & middle-order quite cheaply as the first 2 games. The revered-figure in ODI history of cricket Sachin Tendulkar had already announced his retirement from the ODI format prior to the beginning of that series.

With Sachin gone, the responsibility fell on the now-senior players like Virender Sehwag, Gautam Gambhir, Yuvraj Singh, MS Dhoni. Although MS Dhoni did deliver his best in all 3 games, winning 2 Man of the Match prizes, the others had little to contribute with their batting.

The run-machine for the last 2 years for Indian ODI team had been Virat Kohli. It is also been considered that he would take over captaincy after MS Dhoni. Even he found poor form during these last few games.

But the bulk of the blame has to go to Sehwag & Gambhir. When this pair fails, the middle-order crumbles, as it had been seen in the past few years. Both of them seemed edgy, not eager to get runs, or at least stay in the crease for the longer part of the game.

And, yes, the most talked about player, Rohit Sharma, still failed to get some runs. Though it has been few years now that Indian media & former players are bulking in his talent. But he had not been able to demonstrate that talent in the last few years.

Still Rohit Sharma gets another chance in the ODI series between India-England in India. Still Manoj Tiwary, who impressed everyone with his maiden hundred against West Indies at home after 4-0 defeat against England in England, gets no chance. Rather he succumbed to injury, sitting in the dug-out waiting for another opportunity. The last time he had a chance to showcase his talent, he even took some wickets with his spin bowling.

Ajinkya Rahane got another run in this upcoming series instead of Sehwag. But he has yet to show a match-winning knock. Cheteshwar Pujara would be making his ODI debut following good form at home in the first 2 games against England in the test series. But what about Irfan Pathan? What about Mohammad Kaif? What about Wasim Jaffer? What about Sreesanth? What about Munaf Patel? What about Ambati Rayudu?

Though Bhuvneshwar Kumar & Shami Ahmed were impressive in both their debut, they still need some more time. But in terms of batting, when would India produce some Gangulies, Tendulkars, Dravids who can play in all forms of the game: ODI, T20 or test? We all know bowling had been one of the worrying factor for India for many decades. But if the strength of their game, batting, fails as well, what would happen to Indian cricket?

With Sachin gone out of the ODI picture now, most people would turn off their TV when India would be playing. Even the last India-Pakistan game didn't get as many viewership as the Ranji trophy match that Sachin played against Baroda. This should send some alarming notice to the BCCI.

Will they stick to IPL? Will they want more viewership for Indian cricket? Do they want Indian cricket to improve? If so, what measures are they taking for that to happen? Will they invest in making good fast bowlers? Will they train players to play longer innings? Will they instruct players to play for the country than the money? Will they acknowledge that Duncan Fletcher is not working out for Team India? He might have been good for England team before, but is he contributing for the success of Team India? Will they bring a wholesome change after their defeats at home & away? Or will they continue to make excuses to hide the real problem here?

That is the question. Will BCCI learn the much-needed lessons?

Wednesday, January 02, 2013

পাকিস্তান সফরে বাংলাদেশ প্রমিলা দল

পাকিস্তান সফরে যেহেতু বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের যাওয়াটা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে, তাই একটা প্রমিলা দলকে পাঠানো যেতে পারে:
----------------------------------
প্রমীলা দলের সেরা একাদশ:
----------------------------------
  • সাহারা খাতুন (৪৮ ঘন্টা উইকেটে তালা ঝুলিয়ে রাখবেন , কোন উইকেট পড়বে না)
  • সেলিনা হক (বাংলার খোলাখুলি সিনেমার জননী মন্ত্রী , খোলাখুলি ৪/৬ মারবেন)
  • ময়ুরী (এই উইকেটে তার মত একটা ওয়াল দরকার)
  • শেখ হাসিনা (উইকেট কিপার কাম কাপ্তান , উইকেটের নিরাপত্তা দিতে পারবেন না , তবু উইকেটে তিনি জোর করেই থাকবেন)
  • সাংসদ শাম্মী আখতার (ব্যাটসম্যান কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • বেগম খালেদা জিয়া (যেহেতু খুরিয়েহাঁটেন তাই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্পিনার কাম ব্যাটসম্যান কাম জ্বালাও পোড়াও)
  • মতিয়া চৌধুরী (ব্যাটসমান কাম পেসার কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • ব্যারিস্টার পাপিয়া (পেস বোলার কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • প্রভা (অফ ব্রেক ললিপপ স্পিনার)
  • কানিজ আলমাস (ব্যাটসম্যান কাম পয়েন্ট স্পেশালিস্ট ফিল্ডার , রান আউট তার চোখের ক্যামেরাতে ভালো আয়ত্বে থাকবে)
  • এরশাদ চাচুর প্রথম বউ (নাম জানি না , তয় উনি ভালো স্পিনার ও ফিল্ডার , কেমনে যে চাচারে বুড়া বয়সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ক্যাচ করলেন)

  • ফিজিও : দীপু মনি ( সাজসজ্জা করিয়েদেবেন , ইনজুরিতে কাকে কোন দেশে যেতে , কতদিন থাকতে হবে , দারুন পারবেন )

Wednesday, December 26, 2012

ক্রিকেটারদের উপর হামলায় আন্তর্জাতিক যোগসূত্রতা?

অনেক তথ্যসমৃদ্ধ একটা পোস্ট। শেয়ার করলাম। পোস্ট পড়ে কেন জানি মনে হচ্ছে কোন আন্তর্জাতিক যোগসূত্র আছে হামলাগুলোর মধ্যে। 

*********************************
 
এপ্রিল ২১, ১৯৮৭
ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম কলঙ্কজনক ঘটনাটি ঘটে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। সবেমাত্র শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ডের মধ্যেকার ১ম টেস্ট শেষ হয়েছে। তামিল টাইগারদের গাড়ী বোমা হামলায় মারা যায় একশর বেশী সাধারন মানুষ। নিউজিল্যান্ড বাকি খেলা রেখেই প্লেনের টিকেট ধরে। এরপর থেকেই শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেট খেলতে অস্বীকৃতি জানায় অধিকাংশ ক্রিকেট দল।

১৬ নভেম্বর, ১৯৯২
আবারও ভালো মানুষি দেখাতে যায় নিউজিল্যান্ড। ফলস্বরূপ খেলোয়ারদের হোটেলের কাছেই মোটরসাইকেলধারী একদল তামিল টাইগারের হামলায় মারা যায় চারজন বেসামরিক লোক। নিরাপত্তাহীনতার কারনে ঐদিনেই বিমান ধরে পাঁচজন ক্রিকেটার এবং তাদের কোচ। পরবর্তীতে বাকিরা সবাই।

১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬
ইতিহাসে এত ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞ আগে আর ঘটেছে কিনা সন্দেহ আছে। তামিলদের এক হামলাতেই মারা যায় ৮০ জন বেসামরিক মানুষ, আহত হয় প্রায় ১২০০'র ও বেশি। তখন প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজন করছিল এশিয়া মহাদেশ। এরপরও নিজেদের প্লেয়ারদের নিরাপত্তার কারনে শ্রীলঙ্কায় খেলতে যায়নি অষ্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অনেকটা একারনেই শ্রীলঙ্কা সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

জুলাই ২৪, ২০০১
আবারও হামলার স্বীকার নিউজিল্যান্ড। এবার তামিলরা বোমা হামলায় বন্ধ করে দেয় কলম্বো আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। মারা যায় ১৪ জন মানুষ, আহত হয় ১২ জনের বেশি। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে একটা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেই শেষবারের মত রাস্তা মাপে নিউজিল্যান্ড।

মে ৮, ২০০২
এবার থেকে শুরু ফাকিনামা। স্বীকার সেই নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা যে হোটেলে অবস্থান করছিল ঠিক তার একটু পাশেই আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। মারা যায় ১৪ জন পাকিস্তানি নাগরিক, ১১ জন ফরাসী নেভি সেনা এবং দুইজন আত্মঘাতী সন্ত্রাসী।

মার্চ ১১, ২০০৮
লাহোরে বোমা হামলায় মারা যায় ১৫ জন সাধারন মানুষ। নিরাপত্তাহীনতার কারনে অষ্ট্রেলিয়া তাদের নির্ধারিত পাকিস্তান সফর বাতিল করে। একে একে পাকিস্তান খেলতে অস্বীকৃতি জানাতে থাকে সব ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ। পাকিস্তানকে করা হয় একঘরে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০০৮
ভারতের নয়াদিল্লীতে ঘটে বোমা হামলা। মারা যায় ২০ জন, আহত হয় ৯০ এর বেশী। তারপরও কিভাবে যেন ভারতে খেলতে রাজি হয় অস্ট্রেলিয়া!

নভেম্বর ২৬, ২০০৮
অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ভারত সফরে আসে ইংল্যান্ড। এবার আর সন্ত্রাসীরা নিরাশ করেনি। মুম্বাইয়ে একের পর এক সিরিজ বোমা হামলায় নিহত হয় ১৭০ জন বেসামরিক লোক। সাথে সাথেই ইংল্যান্ড বাধ্য হয় দেশে ফিরতে।

মার্চ ৩, ২০০৯
পাকিস্তানে খেলার সাহসী সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ফলশ্রুতি ঘটে ক্রিকেট ইতিহাসের সবচাইতে কলঙ্কজনক ঘটনাটি। লাহোরে প্রায় ২০ জন বন্দুকধারী উদ্দাম গুলি খেলায় মেতে উঠে শ্রীলঙ্কান খেলোয়ারদের বহনকারী বাসের উপর। মারা যায় ৫ জন পুলিশ সদস্য, আহত হয় ৬জন শ্রীলঙ্কান নামি ক্রিকেটার এবং তাদের সহকারী কোচ।

এবার আসা যাক মূল আলোচনায়:

উপরের ধারাবাহিকতা ঠিক থাকলে এতটুকু নি:সন্দেহে বলা যায় পাকি-সন্ত্রাসীরা বন্দুক হাতে বসে আছে আমাদের ক্রিকেটারদের সাদর সম্ভাষণ(!) জানানোর জন্য। কারন একটাই.... টেররিং। টেররদের প্রথম এবং প্রধান টার্গেটই থাকে আন্তর্জাতিক কোন ঝামেলা বাঁধানো। এতে তাদের শক্তি সামর্থ্যের জানান দেওয়া খুব সহজ। যেমনটা করে এক সময় জানান দিয়েছিল তামিল টাইগাররা।

(লেখক - কে. এম. শিহাবউদ্দীন)

Monday, December 24, 2012

Sachin Tendulkar's answer to fans on retirement

Sachin Tendulkar's letter to all fans through Anand Vasudevan...

Dear fans,
I am saddened as I write this letter. I know I have disappointed you with the series loss against England and my performance isn’t what you have always expected of me. I have always given my best for the team, but the results are not in my favour this time around. People are clamouring for my retirement and I can’t agree more with them. I have not been living up to the standards that I have set for myself through the years and I am indeed answerable to the fans.
I apologize to you for my dismal performances, and for failing you time and again. It is a general misconception among people that I have grown complacent and taking things for granted. But I can assure you that I am the same person who made his debut at the age of 16 as an excited teenager. I have been following my routine right from the day I made my debut till today. Nothing has changed, neither the preparation nor the mind-set. Maybe age is finally catching up to me, something I have been trying to fight for the major part of the last five years. I have been training harder to keep myself fit and strong in order to be able to give my best.
Cricket has been my calling right from a young age. I still remember the day me and Vinod were playing together in a Harris-Shield trophy match, where we put up a 600 run partnership. The immense enjoyment of being on the field all day long with my best friend was all I could dream about for the next few days. That was the day I decided to play cricket for the rest of my life, for I loved it more than anything; food, chocolates, bicycles- things that a fourteen year old could long for.
Years have passed after that and things are not the same anymore. I have matured both as a person and as a player. But the hunger still remains the same. I still want to do well and give my best whenever I walk on the field; something that has been my mantra all through the years. I have achieved so much in cricket- the fame, the money and the compliments came to me on their own. I am proud of my records when I look back at them today. The only thing I almost missed out on was the World Cup; I got there too in the end, with a team as determined as I was, who strove along with me to achieve the glory that I was unable to attain for almost 22 years.
But the real struggle was after the World Cup, when I had to suffer through another lean patch, which I am going through even now. People wanted me to go now that I have gotten my wishes fulfilled. They said it was the right time for me to retire, since my dream has been achieved. But I felt I can contribute more to the cause of the Indian team. The team needs some good youngsters to fill the places of seniors when we retire, and someone should be there to guide them, or so we felt. It might be a wrong decision but it was for the greater good. Perhaps we realized our mistake when we heard “the seniors are selfish to block the place of talented youngsters!”
Our only thoughts were about setting the team up for the youngsters and getting the tough tours to England and Australia out of the way, so that the youngsters can have a smoother path into the test team. But we did not consider our own problems, which were the roots of our own destruction.
It was a tough time for us after Australia, losing both VVS and Rahul. It brought me back down to earth, and I started contemplating retirement. But I had some solace after the century against Bangladesh, though we were unlucky to lose the match. Two series later, we were facing the same predicament against England at home and it was humiliating to lose the series. It was a nightmare for us, having had to endure the cricket crazy fans’ reaction. People started talking about my retirement again, claiming that I was selfish and I had to go sooner rather than later. They even said I am choosing my matches for the fear of facing quality opponents. It isn’t true, of course. I am an old man who wants to spend some quality time with my kids. They should know me enough to call me father and I do not want to miss their growing up years. Therefore, I take some time off between series to be with them.
I have to admit that I am a bit selfish, for I have been playing the game for the better part of my life. I have not known anything other than cricket. Every day I wake up to take up a bat and I sleep after arranging my kit bags. It has been a penance for the last 25 years and it would be hard for me to just give up everything. Retirement would be equal to death for me, as I have lived cricket all my life. Frankly, I do not know what to do with myself once I retire. Will I be able to secure a job as a TV commentator, a trend that has been catching up with some former players, or would I be a successful coach? Nothing pleases me like playing cricket and I am not sure whether I am made for other things in life.

Wednesday, September 26, 2012

ICC T20 World Cup in Sri Lanka ... was it a good choice?

The ICC T20 World Cup has already begun in full swing with the Group stage already over. But what is noticeable is ICC's decision to pick Sri Lanka as the host for this year's T20 World Cup. Was Sri Lanka a good choice? Or, at least at this time of monsoon season.

So far, several matches have been affected by rain. Interestingly, West Indies are through to Super-8 without winning any match. That is because they lost to a lesser margin to Australia than the Irish team. Really? Is that so? Maybe Ireland could've beaten West Indies. Or maybe Windies could have beaten both Australia & Ireland and take on top position in their group. Thus, India would have been playing Windies on Friday than Australia.

Also, the other match that was critically criticized was South Africa vs Sri Lanka. In a rain-affected 7 over per side match, it doesn't make sense to have 11 men playing. Also, a score of 78 in 7 overs does not display how good or weak a team is.

In addition, the Duckworth-Lewis method is not effective for a 20-20 match. It may have been efficient for ODI format of the game, although I personally think otherwise. In effect, D/L method has aided team batting second most to all the time. A new formula or method needs to be adopted for T20 format of cricket to balance the game between two sides. Even ESPN Cricinfo's Siddarth Monga agrees with my point.

Now it's up to ICC to decide how or whether would do it or not.