Showing posts with label jokes. Show all posts
Showing posts with label jokes. Show all posts

Monday, November 23, 2015

No offense Polish brothers...

A Polish man moved to the USA and married an American lady. Although his English wasn't perfect but still they got along very well.

One day he rushed to the solicitor's and asked him if he could arrange a divorce for him. The solicitor said that getting a divorce would depend on circumstances and asked him the following questions:

- Have you any grounds?

- Yes, an acre and a half and a nice little home.

- No, I mean what is the foundation of this case?

- It made of concrete.

- I don't think you understand. Does either of you have a real grudge?

- No, we have a car-park and not need one.

- I mean what are your relations like?

- All my relations are in Poland.

- Is there any infidelity in your marriage?

- We have hi-fidelity stereo and a good DVD player.

- Does your wife beat you up?

- No I'm always up before her.

- Is your wife a nagger?

- No !!!  She's white.

- Why do you want this divorce?

- She going to kill me.

- What makes you think that?

- I got proof.

- What kind of proof?

- She going to poison me....
She bought a bottle at drug store and put on shelf in bathroom. 
I can read English well and its label says:

POLISH REMOVER !!!!!
Laughing Laughing Laughing Laughing Laughing







[collected]

Tuesday, October 28, 2014

Awesome B_O_M_B_A_Y!


Bombay has no bombs and is a harbour not a bay.
Churchgate has neither a church nor a gate. It is a railway station .
There is no darkness in Andheri.
... Lalbaag is neither red nor a garden .
No king ever stayed at Kings Circle .
Nor did Queen Victoria stay at Victoria Terminus.
Nor is there any princess at Princess Street .
Lower Parel is at the same level as Parel.
There are no marines or sailors ⚓at Marine Lines.
The Mahalaxmi temple is at Haji Ali not at Mahalaxmi.
Teen bati is a junction of 3 roads, not three lamps .
Trams used to terminate at Kings circle not Dadar*TramTerminus. (Dadar T.T..).
Breach Candy is not a sweetmeat market, but there is a Hospital .
There are no Iron smiths at Lohar chawl.
There are no pot makers at Kumbhar wada.
Lokhandwala complex is not an Iron and steel market .
Null bazaar does not sell faucets.
You will not find lady fingers at Bheendi Bazar.
Funny 😇Bombay... zara hatke zara bachke yeh hai Bombay meri Jaan


(collected)

Wednesday, January 02, 2013

পাকিস্তান সফরে বাংলাদেশ প্রমিলা দল

পাকিস্তান সফরে যেহেতু বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের যাওয়াটা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে, তাই একটা প্রমিলা দলকে পাঠানো যেতে পারে:
----------------------------------
প্রমীলা দলের সেরা একাদশ:
----------------------------------
  • সাহারা খাতুন (৪৮ ঘন্টা উইকেটে তালা ঝুলিয়ে রাখবেন , কোন উইকেট পড়বে না)
  • সেলিনা হক (বাংলার খোলাখুলি সিনেমার জননী মন্ত্রী , খোলাখুলি ৪/৬ মারবেন)
  • ময়ুরী (এই উইকেটে তার মত একটা ওয়াল দরকার)
  • শেখ হাসিনা (উইকেট কিপার কাম কাপ্তান , উইকেটের নিরাপত্তা দিতে পারবেন না , তবু উইকেটে তিনি জোর করেই থাকবেন)
  • সাংসদ শাম্মী আখতার (ব্যাটসম্যান কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • বেগম খালেদা জিয়া (যেহেতু খুরিয়েহাঁটেন তাই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্পিনার কাম ব্যাটসম্যান কাম জ্বালাও পোড়াও)
  • মতিয়া চৌধুরী (ব্যাটসমান কাম পেসার কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • ব্যারিস্টার পাপিয়া (পেস বোলার কাম স্লেজিং স্পেশালিস্ট)
  • প্রভা (অফ ব্রেক ললিপপ স্পিনার)
  • কানিজ আলমাস (ব্যাটসম্যান কাম পয়েন্ট স্পেশালিস্ট ফিল্ডার , রান আউট তার চোখের ক্যামেরাতে ভালো আয়ত্বে থাকবে)
  • এরশাদ চাচুর প্রথম বউ (নাম জানি না , তয় উনি ভালো স্পিনার ও ফিল্ডার , কেমনে যে চাচারে বুড়া বয়সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ক্যাচ করলেন)

  • ফিজিও : দীপু মনি ( সাজসজ্জা করিয়েদেবেন , ইনজুরিতে কাকে কোন দেশে যেতে , কতদিন থাকতে হবে , দারুন পারবেন )

Saturday, January 14, 2012

চোরের ধার্মিক হওয়া

একবার এক চোরের বৌ তাকে অনেক বুঝিয়ে তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে রাজি করাল যে সে চুরি করা ছেড়ে দেবে। চোর এরপর বউকে বোঝাল সে সর্বশেষ একটা চুরি করবে রাজার বাড়িতে। এইটির পরে সে চুরি করা ছেড়ে দেবে।

রাজার বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে তিনটি হাঁড়ি। চোর চিন্তা করল হালকা-পাতলা যেই হাঁড়িটা সেটাই সে নিয়ে যাবে। তার ধারণা হাঁড়িগুলোর মধ্যে স্বর্ণ-মুদ্রা রয়েছে। হালকা-পাতলা হলে সেটা নিয়ে তার রাজ মহল থেকে বের হতে সহজ হবে - এই ভেবে সে হালকা-পাতলা হাঁড়িটি নিয়ে বাড়ি চলে গেল।

রাতে চুরি করে সে চুরির হাঁড়ি ঘরে এক কোণে রেখে দিল। সকালে বউ উঠে দেখে আগের রাতে তার স্বামী চুরি করে এনেছে এক হাঁড়ি। কৌতুহল বশে বউ হাঁড়ির মধ্যে কি আছে জানতে উদগ্রীব হল। হাঁড়ি ভেঙ্গে পেল একটি পাঞ্জাবী আর নামাজ পড়ার টুপি। বউ ভাবল আল্লাহ এবার তার স্বামীকে সৎ পথে আনতেই এই পাঞ্জাবী আর টুপি তার শেষ চুরিতে তাকে পাইয়ে দিয়েছেন। বউ চোর স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে দিয়ে গোসল করতে পাঠাল যাতে করে দুপুরে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে যেতে পারে।

লোকটি আগে কখনো নামাজ পড়তে যায়নি মসজিদে। জীবনে সবসময় কুকর্ম করেছে। এই কারণেই এতদিন আল্লাহর দরবার মসজিদে যেতে সাহস পায়নি লোকটি। এবারে চুরি ছেড়ে দিয়ে মসজিদে যেতে আর কোনো সমস্যা নাই। তাই বউয়ের কথায় মানা করল না লোকটি।

মসজিদে গেল সে শুধুমাত্র পাঞ্জাবী আর টুপিটি পড়ে। যেহেতু সে জীবনে আগে কখনো নামাজ পড়েনি, সে সবাই যেভাবে নামাজ পড়ছে সেভাবেই করতে লাগল। যখন হাঁটু গেড়ে বসে মাথা নিচু করে আছে সেসময় হঠাৎ তার পেছন থেকে তাকে লাথি মারা হলো তার অন্ডদেশে। লোকটা তো কিছুই বুঝে উঠতে পারল না। সে ধরে নিল এটা মনে হয় নামাজেরই অংশ। সে তখন তার সামনের লোকটিকে লাথি মারল একইভাবে। এরপর সে মসজিদে নামাজরত সকলকেই লাথি মারতে লাগল।

মসজিদে তো বিশৃঙ্খলা লেগে গেল। এরপর সবাই তাকে ধরল কেন সে এমন করছে। লোকটি তখন বোঝালো যে সে মনে করেছিল এটা নামাজেরই অংশ যখন তার পেছনের লোক তাকে লাথি মেরেছিল। তখন তার পেছনের লোক এসে সবার সামনে বলল, "আরে মিয়া, এইটা নামাজের অংশ হইতে যাইব কেন? তুমি মিয়া খালি পাঞ্জাবী আর টুপি পড়ে নামাজ করতে চলে আসছ। নিচে কিছুই যে পড়ো নাই।"

Monday, January 09, 2012

বোকার বেহেস্ত যাওয়া

একবার এক মূর্খ, বোকাসোকা লোক চিন্তা করল সে জীবনে আর যাই করুক একটা ব্যবস্থা করবে যাতে করে তার বেহেস্ত যাওয়া নিশ্চিত হয়। সে এক পীর বাবাজীকে ধরল। পীর বাবাকে সে জানাল, তাকে যেন এমন কিছু সুরা শেখানো হয় যাতে করে তার বেহেস্ত যাওয়া নিশ্চিত হয়। পীর বাবা তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করল যে যতই সুরা শিখুক না কেন কোনোভাবেই নিশ্চিত করে বলা যাবে না যে বেহেস্ত যাওয়া সম্ভব। কিন্তু লোকটি নাছোড়বান্দা। সে বাধ্য করল পীর বাবাকে যেন তাকে কিছু সুরা মুখস্থ করিয়ে দেন তিনি।

তারপর রাতে ঘুমিয়ে লোকটি স্বপ্নে নিমগ্ন হয়ে পড়ল। স্বপ্নে দেখল পৃথিবী শেষ হয়ে গেছে। সবাই দুই দিকের মধ্যে কোনো না কোনো দিকে যাচ্ছে। বেশীরভাগই দেখল একদিকে যাচ্ছে। লোকটি একটু এগিয়ে গিয়ে দেখল এই লাইনের লোকগুলি যাদের সে চেনে এরা পৃথিবীতে থাকতে তার সাথে মন্দ কাজ করেছে। এই দেখে লোকটি সিদ্ধান্তে আসল এই লাইনে গেলে দোযখ হয়ত দেখতে হবে। সে তখন অন্য লাইনটি নিল।

সেই লাইনে যেতে যেতে সে গিয়ে পৌঁছল একেবারে সামনে। যেই তার আগের লোকটি দরজা দিয়ে ঢুকে গেল, অমনি দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল। তার তো তখন মন খারাপ। এত কষ্ট করে সুরাগুলো শিখছিল, কিন্তু বেহেস্তের দরজা তার ঢোকার আগেই বন্ধ হয়ে গেল। হঠাৎ তার চোখে পড়ল যে দরজার মধ্যেখানে একটা ফুঁটা আছে। সে মনে করল এইটা দিয়ে যদি দরজাটা খোলা যায় তাহলে তো সে বেহেস্তে ঢুকতে পারবে। যেই সে ওই ফুঁটা দিয়ে আঙুল ঢুকালো, অমনি তার ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে দেখে তার আঙুল তার পায়ুপথে ঢুকানো।

Wednesday, January 04, 2012

বোকা জামাই

একবার এক বোকা জামাই শ্বশুর বাড়ি যায় না বলে নিজের বাপের কাছে ধমকি খেল। শ্বশুর-শ্বাশুরীরা অনেক করে বলে শ্বশুর বাড়ি যাবার জন্য। কিন্তু তবুও জামাই যায় না। এবারে নিজের বাবার কাছে ধমকি খেয়ে সে সিদ্ধান্ত নিল এবারে সে যাবেই শ্বশুর বাড়ি।

শ্বশুর বাড়ির কাছাকাছি আসার পরপরই দেখল পুকুর পারের এক কোণে বসে শ্বশুর মশাই মলত্যাগ করছেন। জামাই এগিয়ে গেল শ্বশুরের সাথে কথা বলতে।
জামাই: কেমন আছেন বাবা?
শ্বশুর বিব্রত অবস্থায় পড়লেন। তিনি লজ্জায় মাথা নিচু করলেন। জামাই তাতেও থামে না। আরো এগিয়ে গিয়ে বলে "কেমন আছেন?" শ্বশুর আরোও একটু নিচু হন। এমন করে লজ্জায় নিচু হতে দেখে জামাই বলল, "কি? এহন ক্যান হুকটার তলে মাথাটা লুকান। আমার বাপের কাছে তো কন জামাই ক্যান শ্বশুর বাড়ি আইয়ে না। অহন তো আইলাম। অহন কুনো উত্তর দ্যান না ক্যান?"
শ্বশুর তো লজ্জায় মাথাকাটা যায়।


এরপর জামাই গিয়ে উঠল রান্নাঘরে সামনে। গিয়ে দরজার এককোণে দাঁড়িয়ে দেখে শ্বাশুরী খাবার শেষ করে ডেগচি থেকে পায়েস খাচ্ছে।
হঠাৎ করে জামাইকে দেখে শ্বাশুরী লজ্জায় ডেগচি লুকিয়ে বলে, "কি গো জামাই, কখন আইলা?"
জামাই উত্তর দেয়, "ঠিক আমনের পয়লা লেহনটার সময়।"
শ্বাশুরীরও লজ্জায় মাথাকাটা অবস্থা।

এরপর রাতে খাবারের সময় গরম তরকারী মুখে দিয়ে জামাইয়ের তো বারটা বাজছে। সে মুখ হা করে উপরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। জামাইয়ের এই বোকামীর মতো গরম তরকারী মুখে দিয়ে মুখের টাকরা পোড়ার অবস্থা দেখে শ্বশুর প্রশ্ন করল, "কি গো জামাই, উপরে কি দেখ?"
জামাইও চালাকি করে বলল, "দেখতাছি আমনেগো ঘরটা কি কাঠ দিয়া বানাইছেন।"
শ্বশুর উত্তরে বলল, "ঘরটা ... ঘরটা টাকরা পোড়া কাঠ দিয়া বানাইছি।"

পরদিন সকালে জামাই আর শ্বশুর পুকুরের ধারে বসে দাঁত মাজছে। জামাই শ্বশুরকে প্রশ্ন করল, "তা বাবা, আমনেরা এই পুকুরটা যে কাটছেন সেইখানে মাটিখান কি করছেন?"
জামাইয়ের অপদার্থ প্রশ্ন শুনে শ্বশুর উত্তর দিল, "মাটি ... মাটিগুলা অর্ধেকটা খাইছে তুমার বাপে তুমারে জন্ম দিয়া, আর অর্ধেকটা খাইছি আমি তুমার মতন একখান বোকা জামাইয়ের কাছে নিজের মাইয়াটা বিয়া দিয়া।"

Sunday, August 02, 2009

Love Letter from a Mathematician


My Dear Love,

Yesterday, I was passing by your rectangular house in trigonometric lane. There I saw you with your cute circular face, conical nose and spherical eyes, standing in your triangular garden. Before seeing you my heart was a null set, but when a vector of magnitude (likeness) from your eyes at a deviation of theta radians made a tangent to my heart, it differentiated.

My love for you is a quadratic equation with real roots, which only you can solve by making good binary relation with me. The cosine of my love for you extends to infinity. I promise that I should not resolve you into partial functions but if I do so, you can integrate me by applying the limits from zero to infinity. You are as essential to me as an element of a set. The geometry of my love revolves around your acute personality.

My love, if you do not meet me at a parabola restaurant on date 10 at sunset, when the sun is making an angle of 160 degrees, my heart would be like a solved polynomial of degree 10. With love from your higher order derivatives of maxima and minima, of an unknown function.

Yours ever loving,
Pythagoras



Source: e-mail