Showing posts with label middle east. Show all posts
Showing posts with label middle east. Show all posts

Thursday, October 02, 2014

Islamic Humanity

  • নারদ কহিলো, ''বাসুদেব ইসলামিক হিউম্যানিটি কাকে বলে?''
  • সিরিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তানে এক একবার বোমা হামলায় যখন ৫০-১০০ জন করে মানুষ মরবে তখন তুমি ''ফুল-পাখি-চাঁদ'' নিয়ে স্ট্যাটাস দেবে, কিন্তু গাজার সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি জঙ্গীগোষ্ঠি হামাস এবং ইজরাইলের মধ্যে যুদ্ধে যখন মানুষ মরবে তখন তুমি যে মানবতার তাড়নায় ''ফুল-পাখি-চাঁদ বিলকুল বাদ'' দিয়ে স্ট্যাটাস দেবে ''You don't need to be muslim to care and pray for Gaza. It's not about religion, it's about humanity.'' এবং SaveGaza SaveHumanity হ্যাসট্যাগের অতিমাত্রিক ব্যাবহার করবে সেই মানবতাকে 'ইসলামিক হিউম্যানিটি' বলে।

(কৃতজ্ঞতা - রিপন মন্ডল)

Wednesday, October 01, 2014

Selective Human Rights


 
ইরাকে তৃতীয় বার বিমান হানা চালাল আমেরিকা। সঙ্গে ফেলা হল ত্রাণসামগ্রীও। এ বার আমেরিকার সঙ্গে ত্রাণের কাজে যোগ দিল ব্রিটেনও। ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (র‍্যাফ) বিমান থেকে এ দিন ত্রাণ নামে। কিন্তু এতেও সিনজারে আটকে থাকা ৫৬ ‌জন ইয়াজিদি শিশুর প্রাণ রক্ষা হয়নি।

Friday, September 05, 2014

Some statistics on Gaza (গাজা সম্পর্কে কিছু পরিসংখ্যান)


গাজা সংক্রান্ত একটি তথ্যবহুল পোস্ট ! এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ !
ইস্রায়েলে মুসলিমদের চিত্র :
১৯৪৮ সালে ১৫০,০০০ জন মুসলিম ছিল। আজ ১৬৪০,০০০ জন মুসলিম ইসরাইলে।
আরব দেশ সমূহে ইহুদির চিত্র :
আলজেরিয়া: ১৯৪৮ সালে ১৪০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ২৮ জন ইহুদি আছে !
ইরান : ১৯৪০ সালে ১৫০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
বাহরাইন : ১৯৪৮ সালে ৬০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৩৭ জন ইহুদি আছে !
লিবিয়া : ১৯৪৫ সালে ৩২,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
সিরিয়া : ১৯৪০ সালে ৩৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ কোনো ইহুদি নেই !
টিউনিসিয়া : ১৯৪৮ সালে ১১০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৭০০ জন ইহুদি আছে !
ইয়েমেন : ১৯৪৮ সালে ৫৩,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১০০ জন ইহুদি আছে !
মরক্কো : ১৯৪৮ সালে ২৮৫,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ৬৫০০ জন ইহুদি আছে !
মিশর : ১৯৪০ সালে ১০০,০০০ ইহুদি ছিল। আজ মাত্র ১৫০ জন ইহুদি আছে !
সৌদি আরব : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
আরব আমিরাত : মধ্য যুগ থেকে কোন ইহুদি নেই।
অদূর ভবিষতে উপমহাদেশে এই চিত্র আসতে আর বেশি দেরী নেই ! তাই হিন্দুরা আজই প্রস্তুতি নিন !
[তথ্যসূত্র : Google & Wiki]
 

Tuesday, September 02, 2014

Why don't I criticise Israel?

I was going to do a podcast on a series of questions, but I got so many questions on the same topic that I think I’m just going to do a single response here, and we’ll do the ‪#‎AskMeAnything‬ next time.

Wednesday, August 27, 2014

How many of us know this?


Thousands of Israelis gather in Tel Aviv to protest the Gaza war and commemorate Gazan victims.
I know for a fact that there are many Gazans who want to protest Hamas and its rocket attacks as well (but of course cannot legally do that). But this is encouraging nonetheless.
The thing with this conflict is, most Muslims around the world support Palestinians, and most Jews support Israel. This is natural, but it's also problematic.
It means that this is not about who's right or wrong as much as which tribe or nation you are loyal to. It means that Palestinian supporters would be just as ardently pro-Israel if they were born in Israeli or Jewish families, and vice versa. It means that the principles that guide most people's view of this conflict are largely accidents of birth - that however we intellectualize and analyze the components of the Middle East mess, it remains, at its core, a tribal conflict.
So gestures like this hint that the cycle may be breaking.

(Courtesy)
(News Source)

Tuesday, August 26, 2014

ISIS এর অনুপ্রেরণায় এবার জামায়াত-হেফাজত

গত কয়েকদিনে শুধু জানতাম ISIS এর মতো জঙ্গী সংগঠন (যা নাকি আবার পশ্চিমাদের তৈরি) মাজারের মতো পবিত্র স্থাণ ধ্বংস করছে ইরাকের মতো অঞ্চলে। এরপরে শুনেছিলাম বাংলাদেশের ইসলামী সংগঠনগুলোও নাকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওদের সাথে সহমত পোষণ করছে। আর এবারে সরাসরি খোদ বাংলাদেশেই মাজার গুড়িয়ে দিলো হেফাজত-জামায়াতীরা

আর ISIS এর কীর্তিকান্ডের কথা নাই বা বললাম বিশদ যারা এবারে শুধু মাজারই নয় কোরআনকেও নতুন করে লিখতে চায়
BREAKING NEWS: #ISIS এর জেহাদিরা এবার নবী মোহাম্মদের নাতনির মাজার + মসজিদ গুড়ায়া দিসে মসুল এ ।

// Today, the ISIS terrorist gangs destroyed the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her), the grand daughter of the Prophet (saws) in the district of Sinjar, Nineveh province.

A security source said that "ISIS terrorists gangs, blew up the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her) in Sinjar, west of Mosul, Nineveh province."

The ISIS terrorist have blown up a number of shrines in the city of Mosul after it took control of the city on the 10th of the June. //


Sunday, August 24, 2014

Selective Humanity

ISIS এর জিহাদী ভাইরা সারা বিশ্বের মুসলমান ভাইদের দারুন এক ঈদ উপহার দিয়েছেন। বোমা মেরে উনারা গুড়িয়ে দিয়েছেন হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার। তো আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কবে দেখতে পাব ?? নাকি এইটা নিয়ে বললে লাইক আসবে না বলে কেউ কিছু বলবে না ...



(সূত্র

Thursday, August 21, 2014

হায়রে গাজাবাসী

আমি যদি গাজাবাসী হতে পারতাম তাহলে জীবনের শেষ দিন মানুষের ভালোবাসা দেখে চোখ বন্ধ করতে পারতাম। কিন্তু দুঃখিত আপনাদের সকল কান্নাই আমার ভণ্ডামো মনে হয়। গত বছর ১২০০ আদিবাসী নিজের ভূমি ছেড়ে ভারতের সীমানায় আশ্রয় নেয়। ২০০১ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছুতায় এই দেশের অমুসলিমদের বাড়ি ঘরে, মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। দেশ থেকে তাড়ানো হয়েছে তাদের ভূমি দখল করা হয়েছে। ৭০ সালে এদেশে ভিন্নধর্মী জনসংখ্যা ছিল ৩০% বর্তমানে তা ৮% এর মতন। সেটলারদের দিয়ে প্রতিনিয়ত আদীবাসি ভূমি দখল করে নেওয়া হচ্ছে। তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। অবিশ্বাসীদের বিভিন্ন ছুতোয় বিভিন্নভাবে আঘাত করেছেন, হত্যা করা হচ্ছে। অথচ বেশিরভাগ মানুষই এর বিরুদ্ধে একটা লাইনও লিখেননি। একটা ‪#‎ট্যাগ‬ ও দেন নি। এই #ট্যাগ বা একটি লাইন এর হয়তো কোন শক্তি নেই। দানবের সামনে এই #ট্যাগ একটি বালির ঘর। কিন্তু জনাব, তখন আপনারা চুপ ছিলেন। এবং এও জানি ভবিষ্যতেও থাকবেন। মাঝে মধ্যে মনে হয় গাজাবাসী হলে অন্তত কিছু মানুষ (!) দেখতে পারতাম; যারা দানবের বিরুদ্ধে কথা বলে। শুধু ইসরাইলের সেনাবাহিনীর হাতে না একটু লক্ষ্য করে দেখুন আপনারা হাতেও একই রক্ত লেগে আছে।

(সূত্র

Monday, August 18, 2014

”মুসলমান” এক সংকীর্নমনা জাতির নাম

আচ্ছা আমরা সবাই প্যালেষ্টাইন নিয়ে যে পরিমান অশ্রু বিশর্জন দিলাম বা দিচ্ছি ,ঠিক একই ধরণের সমস্যা আমাদের দেশের পার্বত্য চট্রগ্রামে বিদ্যমান।সেখানেও এক রাতে ৫০০ মানুষকে নির্মম ভাবে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আমরা বাংগালীরা হত্যা করেছিলাম উপজাতীদের তাঁদেরকেও বাংলাদেশের অষ্ণল (সব অধিকার বাংগালীদের) বলে উপজাতীদের (যেনো বহিরাগত) দেশ থেকে বিতারিত ও তাদেঁরকে জোর পূর্বক সংখ্যা লঘুতে পরিনত করা হয়েছে ।
তাঁদের মানে উপজাতীদের সহানূভূতি না পাবার কারণটা কি ধর্মীয় ? আমরা কাস্মির বা প্যালেষ্টাইন নিয়ে কি পরিমান কান্নাকাটি করছি !!!! সেই চোখের পানির একটি চুল পরিমান আমাদের ভাই উপজাতীদের জন্য আছে ? জানি নাই । বরং দেশকে ভাগ করার কাল্পনিক অভিযোগ এর কথা বলে তাঁদেরকে সর্ব প্রকার অধিকার হনণ করা হচ্ছে প্রতিনিযত ।আমরা ধর্মীয় সংর্কীনতায় আমাদের হ্রদযকে আষ্টেপিস্টে বেধে রেখেছি ?? এতে কি প্রমানীত হয় না যে, ধর্ম মানুষকে মহৎ নয় সংকীর্ন করে দেয় ।

(সূত্র

Thursday, August 14, 2014

নিজের মোরদ নাই, অথচ বর্জনের সাহস দেখাও

মুসলমানদের একটা সূচ বানানোর যোগ্যতা নেই। অথচ তারা ইহুদিদের পণ্য বর্জন করতে চায়। নিচের ফ্যাক্টগুলো একবার জেনে বর্জন করুন এবং ছাগুর খাতায় নাম লেখান !!!

এই পর্যন্ত প্রদত্ত ৮৫০ টি নোবেল পুরুস্কারের মধ্যে ১৯২ টি নোবেল পুরুস্কার গিয়েছে ইহুদীদের কাছে যা মোট নোবেল পুরুস্কারের প্রায় ৪ ভাগের একভাগ। যদিও এই ইহুদীরা পৃথিবীতে জনসংখ্যায় মাত্র ০.২ ভাগ কিন্তু জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তারা সমস্ত পৃথিবীর মধ্যে অন্যান্য জাতিদের চেয়ে এগিয়ে। নোবেল প্রাইজ দেবার পর থেকে এখন পর্যন্ত অর্থনীতিতে ৪১ ভাগ, চিকিৎসায় ২৮ ভাগ, পদার্থে ২৬ ভাগ, রসায়নে ১৯ ভাগ এবং সাহিত্যে ১৩ ভাগ দখল করে আছে ইহুদীরা। মাত্র ১৫ মিলিয়নের কম ইহুদীর মধ্যে আইনস্টাইনসহ ১৯২ জন পেয়েছেন নোবেল সম্মাননা অন্যদিকে ১৫০০ মিলিয়নের বেশী মুসলিমের মধ্যে আমাদের ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস সহ নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন মাত্র ১০ জন।
দেখুন লিস্ট অফ জিউস নোবেল লরিয়েট ইন উইকিপিডিয়া এবং লিস্ট অফ মুসলিম নোবেল লরিয়েট ইন উইকিপিডিয়া।
যে দেশের হাল ধরার মতো লিডার নেই, যে দেশের বিশ্বনেতাদের সাথে ভালো সম্পর্ক নেই, যে দেশে ভালো কোন
সাহিত্যিক নেই, নেই কোন ভালো খেলোয়াড়, ভালো বিজ্ঞানী থাকার তো প্রশ্নই আসে না নেই কোন কূটনীতিক বুদ্ধি
নেই সামরিক শক্তি আছে শুধু ইসলাম-ইসলাম-ইসলাম আর আছে হামাসের মতো জঙ্গি সংগঠনের উপর নির্ভরশীলতা।
সেই দেশ কিভাবে ইসরাইলকে ধ্বংস করার স্বপ্নমৈথুন করে? কিভাবে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ প্রযুক্তির একটি দেশের উপর হামলা করার সাহস করে? এখন দুনিয়া অনেক এগিয়েছে, ফেরেশতা এসে মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করে বিধর্মীদের ধ্বংস করবে এই গালগল্পে আজকাল বাস্তববাদী মুসলমানরাও বিশ্বাস করে না। আফসোস মারা যাওয়া সেই ১৫টা শিশু ফিলিস্তিনে জন্মগ্রহণ না করে আমাদের গুলিস্তানের রাস্তায় জন্মগ্রহণ করলেও সারভাইভেল ফর দ্যা ফিটেস্ট থিউরিতে টিকে যেতে পারতো। আর মারা যাওয়া এই শিশুদের ভবিষ্যৎ কি ছিলো? হামাসে যোগদান?
তাহলে মানবতাদণ্ডটা খুব একটা উত্থিত না করাই ভালো। একজন ফিলিস্তিনি শিশু বড় হলে বড়োজোর ভালো জিহাদি হতে পারবে, আর একের পর এক ইসরাইলী শিশু পৃথিবীকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এনে দিয়ে জয় করবে নোবেল পুরুস্কার। পৃথিবীর কাছে তাই একজন ফিলিস্তিনি শিশুর থেকে একজন ইসরাইলী শিশুর মূল্য অনেক বেশী হবে এটাই স্বাভাবিক।
ইসরাইল শুধু পৃথিবীর মানুষকে দিয়েই যাবে, ওদের অন্যদের কাছ থেকে কিছু নিতে হবে না, পৃথিবীর মানুষ ওদের আবিষ্কৃত জিনিষ ব্যবহার করে ওদের ঘৃণা করলেও ওদের কিছু আশা যায় না।

(সংগৃহীত)

Wednesday, August 13, 2014

বাহ! কী শান্তির নমুনা ......

ইসরাইলী ফুটবলারদের উপর ফিলিস্তিনিদের হামলা 

একেই বুঝি লোকে বলে শান্তির বারি বর্ষিত হওয়া? একেই বুঝি বলে sportsmanship?

[নিজেই পড়ে দেখুন]


অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf
অস্ট্রিয়ায় ফ্রান্সের ফুটবল ক্লাব লিল’র সঙ্গে ইসরায়েলি ক্লাব ম্যাকাবি হাইফা’র একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচ চলাকালে হামলা চালিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনপন্থিরা। এসময় তারা বেশ ক’জন ইসরায়েলি ফুটবলারকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তবে পরবর্তী সময়ে হামলকারীদের পাল্টা পিটুনি দেয় ইসরায়েলি ফুটবলাররা।

অস্ট্রিয়ার একটি স্টেডিয়ামে এ মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। - See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/309758.html#sthash.6fuGpXRn.dpuf


Tuesday, August 12, 2014

দ্যা বাম মুমিনস এর সাথে কথোপকথন


-আপনি ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আক্রমণ নিয়ে লিখছেন না কেন?
-লিখেছি তো।
- কই লিঙ্ক দেন।
-খুঁজে পড়ুন, লিঙ্ক দিতে পারবো না। আমি কাউকে লিঙ্ক দেই না।
-আচ্ছা আপনি ফিলিস্তিন ইসরাইল সমস্যার কারণ কী মনে করেন? আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে ধর্মই এই সংঘাতের কারণ।
- হ্যাঁ ধর্ম তো বটেই, জাতীয়তাবাদও। জন লেনন বলেছেন, একদিন ধর্মমুক্ত রাষ্ট্রমুক্ত পৃথিবী হবে, সেদিন "nothing to kill or die for" এর সময় আসবে। কোন কিছু নিয়ে কাউকে আর খুন করতে হবে না। সমস্ত পৃথিবীই সব মানুষের হবে।
- কিন্তু ঐ ভূমি তো প্যালেস্টাইনের জনগণের।

Saturday, August 09, 2014

Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) tells the truth about Hamas




Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) reveals the truth about how Hamas Terror group aims to kill civilians and uses Palestinian Children as human shields. (CNN interview. July 24 2014)


(Source)

Tuesday, August 05, 2014

Children being used as toys


Is this how Islam preaches about treating children?
Is this what Muslims should do to an average children? poor children?
Is this the Arab society show to the world on how to have fun?
Is cruelty another name for rich Sheikhs' fun activities?
Does having money allow someone to play with others' lives?
Will Allah or any God consider such humans as pious?

(collected)

Sunday, July 27, 2014

"চাচা, আপন চরকায় তেল দে"

প্রাচীন বাঙালী প্রবাদগুলো বোধহয় সেকালের বয়োঃজ্যেষ্ঠরা সময়ের সাথে সাথে নানান অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জেনেই চিরন্তন বাক্যগুলো বলে গিয়েছিলেন। নইলে কয়জনায় আমরা নিজের ঘরে সদাইপত্র আছে নাকি না দেখে অন্যের ঘরের খবর নিব। আর শুধু খবরই নেব না, প্রয়োজনে নিজের সময়-অর্থ ব্যয় করে অন্যের সদাইপত্র এনে দেব। উদার মানসিকতার লক্ষণ হতে পারে এসব। কিন্তু নিজের ঘরের শিশুটা না খেয়ে কাঁদলেও আমার কান অব্দি তা আসবে না বা আসলেও আমি কোনো কিছুই করব না - এমনটাই বোধহয় বাঙালীদের চরিত্র।

প্রসঙ্গত, গত ক'দিন যাবত ফেইসবুক, টুইটার তথা অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ মিডিয়াগুলো ফলাও করে প্রচার করছে গাজাতে ইসরাইলী হামলার নানান দুর্বিষহ ছবি, ভিডিও। ফলে স্বভাবতঃই আমাদের বাঙালী হৃদয়ে ক্রন্দন চলে আসছে। আর ফলে কেউবা অনন্ত জলিলের মতো অর্থ পাঠাচ্ছেন। কেউবা হেফাজতে ইসলামীর মতো বাংলাদেশে ইসরাইলী দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচী করছে। আর যারা একেবারেই কোনোভাবে সাহায্য করতে পারছেন না, তারা নিজ নিজ ফেইসবুক, টুইটারগুলোতে hashtag - "#SupportGAZA" বা এমনতর কিছু দিয়ে সেইসব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন।

এবারে দেখি অন্য দৃশ্যটুকু। খোদ বাংলাদেশে গত ক'দিনে কী সব ঘটেছে, আমরা ক'জনায় জ্ঞাত আছি? ক'জনে আমরা জানি উপজাতীয় শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না গুলি খেয়ে মরে যাবে বলে? ক'জনায় জানি স্বাধীন দেশ বাংলাদেশে সেসব শিশুদের স্কুল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে? ক'জনায় জানি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফেইসবুকে ইসলাম অবমাননার দায় দিয়ে হিন্দু বাড়ি-ঘরগুলোতে হামলা হয়েছে? সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে ইদানীংকালে যে হারে হিন্দুপল্লীগুলোতে ফেইসবুকে ধর্ম অবমাননার অজুহাত তুলে দিয়ে কত নিরীহ মানুষজনের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে - তা ক'জনায় জানেন? কিংবা স্বাধীন দেশে মুক্তিযোদ্ধারা অর্থের অভাবে প্রাণ হারান, কিন্তু সাহায্যের জন্য আমাদের গাজায় ঠিকই অর্থ পাঠানোর সামর্থ্য থাকে, দেশের বীরসেনাদের জন্য না - সেখবরই বা ক'জনায় রাখেন?

আর যদি বলেন প্রকৃত মানবতার জন্যই আপনাদের এই সুশীল সমাজের লড়াই, তাহলে অন্যান্য যেসব দেশগুলোতে গাজার চেয়েও গুরুতর মানবতার হানি হচ্ছে, সেব্যাপারে কতটা সোচ্চার আছে আপনাদের কন্ঠস্বর? শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই সিরিয়াতে ১,৭০০-র অধিক মানুষ মারা গেছে, যার মধ্যে দু'দিনেই ৭০০-র বেশী। এ নিয়ে কেন নীরব মানবতা? নাইজেরিয়াতে বোকো হারামের গ্রুপ শতাধিক মানুষ (বিশেষ করে নারী) মারছে, তখন কোথায় আপনাদের মানবতা? কিংবা যখন ISIS নামক সংগঠন হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার ধ্বংস করে দেয়, তখন মুমিন মুসলমানরা কোথায় থাকে?

আমরা আজ সকলেই নিরীহ ফিলিস্তিনীদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের জন্য ইসরাইলকে দোষারোপ করছি। একবার নিজের দিকে দেখুন তো! ইসরাইল ১৯৪৮ সাল থেকে যে পরিমাণে আগ্রাসী হয়ে ফিলিস্তিনীদের জমি দখলে নিয়েছে, খোদ বাংলাদেশে ১৯৭১ এর পর থেকে ৩৩% থেকে ৮% এ নেমে আসা হিন্দু জনসংখ্যার জমিগুলো কাদের হাতে গেছে? পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের ভূমি থেকে বিতাড়িত করে তাদের জমি দখল করে নিয়েছে কারা? 

রক্তের বন্যা বইয়ে দেবার জন্য অন্যকে দোষারোপের আগে একবার নিজের হাতে দেখুন তো, নিজের হাতখানা রক্তময় কিনা? অন্যের দেশের আদিবাসীদের জন্য সহানুভূতি না দেখিয়ে নিজের দেশের আদিবাসীদের জন্য কি করেছেন, প্রশ্ন করুন তো নিজেকে? আপনি নিজে যা করতে পারছেন না, তা অন্যকে বলার আগে নিজে করে দেখুন তো পারেন কিনা? হযরত মোহাম্মদ সঃ একটা গল্প ছোটবেলায় ক্লাসে পড়েছিলাম এক শিশুকে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলার আগে নিজে নিজের মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস বদলে তারপর সেই শিশুর মায়ের সামনে সেই শিশুকে মিষ্টি খাওয়ায় বারণ করেছিলেন। প্রকৃত ধর্মপ্রাণ হোন আর তথাকথিত নাস্তিকবাদী, মানবতাবাদীই হোন না কেন - নিজেকে হাস্যকর কৌতুকের পাত্র বানাবেন না। যদি সেই সাহস থাকে তবে আগে নিজে করে দেখান পরে অন্যকে বলবেন। আর সুবিধাবাদী একপেশে খবরের উপর ভিত্তি না করে, চারদিকে কী ঘটছে না ঘটছে সেদিকটাতে একটু মনযোগী হবেন। এতে গাজার মতো সিরিয়ার কিংবা নাইজেরিয়ার হাজারো মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য নিজেকে অন্তত নিজের মন তৃপ্ত মনে হবে। 

Wednesday, July 16, 2014

আজ গাজায় নিহত শিশুদের নিয়ে যেসব হিন্দু স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা কি ভারতে হিন্দু হওয়ার অপরাধে ভারতীয় মুসলিমদের হাতে নিহত এই শিশুদের কথা জানে?


প্রথমেই আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন করি, ২০০২ সালে গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দিরের শান্তির ধর্মের অনুসারীদের হামলার কথা আপনারা কজন জানেন? মনে হয়না খুব বেশি সংখ্যক মানুষ জানেন বা মনে রেখেছেন।এই আত্মবিস্মৃত হিন্দু জাতি ২০০২ সালের কথাই মনে রাখতে পারে না তারা কি করে শত শত বছর আগে ধ্বংস করা মন্দির গুলোর কথা মনে রাখবে??? দিনটা ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০২,ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধী নগরে অবস্থিত সুবিখ্যাত এবং অনিন্দ্য সুন্দর অক্ষরধাম মন্দিরে প্রতিদিনের মত হাজার হাজার পুন্যারথি আর দর্শনার্থী হাজির হয়েছেন। তখন বেলা ৩টা।মধ্যাহ্ন ভোজনের পর আবারও ধিরে ধিরে ভিড় জমে উঠছে মন্দিরে। মুর্তজা হাফিজ ইয়াসিন আর আশরাফ আলি মুহাম্মদ ফারুক নামে দুজন শান্তির ধর্মের অনুসারী অক্ষরধাম মন্দিরের ৩ নম্বর ফটক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করল।তাদের শরীরের কাপড়ের আড়ালে লুকান একে ৪৭ আর গ্রেনেড। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের কারনে তারা ঢুকতে পারল না গেট দিয়ে।এভাবে যখন আর সম্ভব হচ্ছিল না তখন মরিয়ে হয়ে দেয়াল টপকে ঢুকেই শুরু করল গুলি বর্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের বুক স্টলের কাছে লুটিয়ে পড়লেন একজন মহিলা দর্শনার্থী এবং একজন মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক।এরপরই এই মুসলিম জঙ্গিদ্বয় প্রধান মন্দির কমপ্লেক্সে ঢুকতে চেষ্টা করল।কিন্তু মন্দির রক্ষিগণ আটকে দিল প্রধান ফটক।ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিরা দৌড়ে ঢুকতে চেষ্টা করল মাল্টিমিডিয়া থিয়েটারে।কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হল। অবশেষে তারা ঢুকে পড়ল ১ নম্বর একজিবিশন রুমে।সেখানে তারা নিরবিচারে গুলি বর্ষণ করল। হতাহত হল প্রচুর।এরপর জঙ্গিরা উঠল মন্দিরের ছাদে। বিকাল ৫ টা নাগাদ সমস্ত এলাকা পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী ঘিরে ফেলে।কিন্তু তারা জঙ্গিদের ধরতে ব্যর্থ হয়।রাত ১১ টা নাগাদ ‘ব্লাক ক্যাট’ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরস এসে দায়িত্ব নেয়।এরপর শুরু হয় আসল অপারেশন যার নাম দেয়া হয় ‘বজ্রশক্তি’।সকাল ৬টা নাগাদ জঙ্গিদ্বয় গুলিতে নিহত হয়।কিন্তু এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে মারা গেছেন ৩০ জন সাধারন মানুষ আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।জঙ্গিরা নিষ্পাপ শিশুদেরও মারতে দ্বিধা বোধ করেনি।এই অপারেশনের সময় গুরুতর আহত হন সিকিউরিটি ফোরসের সদস্য সুরজান সিং ভাণ্ডারী। প্রায় দুই বছর কোমাতে থাকার পর ২০০৪ সালে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে গুজরাট রাজ্য সরকার, ভারত সরকার,ইন্টারপোল,সি আই এ এবং আরও কিছু দেশি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বের হয়ে আসে এই হামলা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই হামলার পরিকল্পনা করে জইশ ই মুহাম্মদ নামক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন। আশরাফ আলি আর মুর্তজা ইয়াসিনের সাথে আইয়ুব খান নামক জঙ্গি পাকিস্তানের লাহোর পিণ্ডি হতে খালী হাতে গুজরাটের আহমেদাবাদে হাজির হয়।সেখানে তাদের কে আশ্রয় দেয় সেলিম হানিফ শেখ ও আদম সুলেমান আজমেরি নামক ভারতীয় মুসলমান যারা ভারত মাতারই ক্রোড়ে লালিত হয়েছিল সারাটি জীবন। আজমেরি তার ভাইয়ের বাড়িতে থাকার জায়গা করে দেয় এবং আরও কিছু ভারতীয় মুসলিম জঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যারা পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আগেই এনে রেখেছিল। ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে আজমেরি, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মুহাম্মদ শেখ সহ ৬ জনকে আটক করে।সর্বশেষ ২০১০ সালে গুজরাট আদালত ৩ জনকে ফাসি এবং ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাগারে দণ্ডিত করে। এভাবেই ভারতের মাটিতে জন্ম নেয়া,ভারত মাতার ক্রোড়ে লালিত মুসলিম সন্তানদের সাহায্যে পাকিস্তানি ইসলামি জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসের বিষ দাঁত বসিয়েছে ঐতিহাসিক কাল থেকে।


(সংগৃহীত