Showing posts with label mosque. Show all posts
Showing posts with label mosque. Show all posts

Monday, April 04, 2016

Yet we call India a communal country

Both temple (mandir) & mosque (masjid) co-exist side-by-side in a town of Pune, India with utmost harmony & peace between the followers of both Hindu & Muslim faiths. Yet our general perception is that India is the most communal country of the world, or at least some consider it to be so.

video

[Source: NDTV]

Sunday, January 03, 2016

শান্তির ধর্মের শান্তির নমুনা


আমরা সচরাচর শুনে আসি ইসলাম মানেই শান্তির ধর্ম। ঐতিহাসিকভাবে এই ধর্মের মানুষ বিশ্বের চারপাশে ছড়িয়েছে। শুধু বসত বাড়ি করেই এরা অভিবাসী হয়নি, তার সাথে সাথে এদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে অন্য ধর্মের উপাসনালয়কে ধ্বংস করতেও এদের বাধেনি। অথচ আজকের শিশু-কিশোরদের শিক্ষা দেওয়া হয়, মুঘলদের মতো সম্রাটের যখন ভারতবর্ষ শাসন করেছে, অনেক শান্তিতেই নাকি ছিলো তৎকালীন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এই কি তার নমুনা? 

আজকের ভারতের বেশীরভাগ মন্দিরগুলোর আশে পাশে কিংবা মন্দিরের সাথে লাগিয়েই, অথবা মন্দির ভেঙ্গে সেই জায়গাতেই মসজিদ দেখা যায়। উদারপন্থীদের কথা অনুযায়ী মুসলিমরা যদি শান্তিপ্রিয়ই হতো, তাহলে কেন অন্যের ধর্মে আঘাত করে নিজের ধর্ম পালন করে? ওদের কোনো মসজিদ ভেঙ্গে যদি কেউ মন্দির, গীর্জা নির্মাণ করে তখন তাদের মনে কতটা আঘাত পৌঁছবে? আমাদের সুশীল সমাজ কি কখনো এটি ভেবে দেখে? অন্যের উপর কিছু করার আগে কখনো কি ভেবে দেখে ওরা ওদের নিজেদের ওপর এমনটি হলে ওদের কেমন লাগতো? 

উল্লেখ্য, কেউ কিন্তু এখানে মসজিদ নির্মাণে বাধা দিচ্ছে না। পাঠক লক্ষ্য করবেন উপরোক্ত স্থাণগুলোতে মন্দির ভেঙ্গে কিংবা মন্দিরের খুব সন্নিকটেই মসজিদ নির্মাণ হয়েছে। এটি কতটা সুশোভনের মতো আচরণ? ধর্মীয় স্বাধীনতার এই কি ফল? এটি কতটা শান্তিপ্রিয়? এতে শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটাটা কি অস্বাভাবিক? কোনো উগ্রপন্থী কি তৈরি হবে না এমনতর আচরণে? করবে না ধ্বংসযজ্ঞ সেসব মসজিদে? তৈরি হবে না ঘৃণা-বিদ্বেষ আর চরম শত্রুতার? তখন কেউ কি ভেবে দেখে এর পূর্বের কারণটি? 

পাঠক যাচাই করবেন। 


(সংগৃহীত) 

Sunday, August 10, 2014

নারীদের প্রতি ইসলামি বর্বরতার আরেকটি নিদর্শন: নারীর খতনা


এ লেখাটি আমার প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্ত মনস্ক বন্ধুদের জন্য।আমার ফেসবুক আইডিতে কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক বন্ধু না থাকায় লেখাটি দিলাম আশা করি প্রাপ্ত বয়স্করা প্রাপ্ত মনস্কও হবেন।

Tuesday, February 18, 2014

কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ



কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের নাম তো মনে হয় শোনা আছে।কিন্তু জ্ঞানবাপী মসজিদ বা আলমগিরি মসজিদ এর নাম কি শুনেছেন? না শোনারই কথা,শুনলে জানলে যদি সেকুলার দের ভণ্ডামো ধরে ফেলেন।বখতিয়ার খিলজি ১৭ সৈন্যের রুপকথা বেদ বাক্যের মত জানি আর সুকৌশলে নালন্দা ধ্বংসের কথা এড়িয়ে যাই। যা হোক,জ্ঞানবাপী হল কাশীর সেই মসজিদ যা মন্দির খাদক আউরাংজেব বিশ্বনাথ মন্দির ধ্বংস করে তারই ধ্বংসাবশেষ গুলো দিয়ে নির্মাণ করেছিলেন আর হিন্দুদের কে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন,দেখ তোমার মন্দিরে এখন গো মাতা জবাই দিই।হিন্দুদের লজ্জা দেবার জন্য মন্দিরের কারুকাজ গুলো কোনরকম ঢাকার চেষ্টা করে নি, যাতে উঠতে বসতে ওদের মনে করিয়ে দেয়া যায় এটা কিন্তু মন্দির ছিল।মন্দিরের ভিত্তি, স্তম্ভ ও সম্মুখভাগের দেওয়ালে আদি হিন্দু মন্দিরটির কিছু কিছু নিদর্শন স্পষ্ট দেখা যায়।পুরনো মন্দিরের পাঁচিলটি মসজিদের অন্তর্ভুক্ত হয়। মন্দিরের কিছু কিছু অংশকে স্পষ্টভাবে মসজিদের গায়ে রাখা হয়েছিল “সতর্কবার্তা ও হিন্দু মানসের প্রতি অপমান” হিসেবে।

১৭৮০ সালে হিন্দু মারাঠা রানি অহল্যা বাই হোলকার কাশী বিশ্বনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন। নবনির্মিত মন্দিরটি মসজিদের পাশেই নির্মিত হয়। সেই সময় থেকে মন্দির ও মসজিদ দুটি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করছে। দুইয়ের মাঝে লোহা ও কাঁটাতারের বেড়া আছে। দুইয়ের মাঝে জ্ঞানবাপি নামে কুয়োটিও আছে। আওরঙ্গজেব মন্দির আক্রমণ করলে মন্দিরের শিবলিঙ্গটিকে এখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।মসজিদের ৭১ মিটার উঁচু মিনারগুলি ১৯৪৮ সালের বন্যায় ভেঙে গেলে পুনঃনির্মিত হয়।

মসজিদটি এখনও চালু আছে। এটি ধর্মস্থান (বিশেষ সুবিধা) আইন, ১৯৯১ অনুসারে বিশেষ সুরক্ষা পেয়ে থাকে।

এটাই হন ভারতভুমির চিরন্তন সেকুলারিজম,এটাই হল রামচন্দ্রের রাজ্যনীতি বা রাম রাজত্ব।ঠিক যেমন সোমনাথ ধ্বংস করে নির্মিত মসজিদ আবার হিন্দুরাই পাশে নির্মাণ করে দেয়,রাম জন্মভুমিতে রামমন্দিরের জায়গা মুসলিমের সাথে ভাগকরে নিতে পারে,কৃষ্ণ জন্মভুমি মথুরাতে কৃষ্ণ মন্দিরে ভেঙ্গে নির্মিত মসজিদ হিন্দুদের অর্থে সংস্কার করা হয়।


(লেখক - আর্য ক্ষত্রিয়