Showing posts with label people. Show all posts
Showing posts with label people. Show all posts

Friday, October 02, 2015

Exposing Gandhi: The Naked Saint and his Spiritual Terrorism of Non-Violence




"If our civilization is to survive, we must break with the habit of deference to great men. Great men make great mistakes."
—- Sir Karl Raimund Popper (1902 to 1994)

Some of us must have seen Richard Attenborough’s film on the life of Gandhi which was first screened in 1982. Though many critics say that the film was unfair to Muhammad Ali Jinnah and Subhas Chandra Bose; but taken as a whole, the film was a faithful portrait of Gandhi.

Saturday, August 29, 2015

আসল 6-pack একেই বলে


চরে নৌকা থামতেই আবুল কাশেম ভাই দৌড়ে দৌড়ে এলেন কেন এসেছি, কী উদ্দেস্য এইসব জানতে। পাখির খোঁজে এসেছি শুনেই নিয়ে গেলে নিজের ডেরায়। তাঁর তোলা এই ছবিটি দেখাতেই লাজুক হাসি দিয়ে বললেন "এই হাড় জিরজিরে ছবি তুললেন ক্যান !!"

বললাম- আপনি জানেন না, এই ছবি দেখেই বাংলাদেশে লাখ লাখ মেয়ে বলবে- এমন ন্যাচারাল সিক্স প্যাক কেন দেখি না আশে পাশে!

-- কী পাক বললেন ভাই?

-- কিছু না, কোন পাক , প্যাঁক না, কিন্তু চেষ্টা করতেছি যেন আমার পেটটাও আপনার মত হয় !!

(Source)

Saturday, July 05, 2014

এ কেমন শান্তির নমুনা?


পাকিস্তানে হিন্দু বাস করে মাত্র ২ শতাংশ। জরিপে দেখা গেছে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার এই পাকিস্তানী হিন্দুরা। এবার সেই পাকিস্তান হিন্দুধর্মের উপর সরাসরি আঘাত করল। পাকিস্তানী একটি জুতা প্রস্তুতকারী কোম্পানী "OM" লেখা জুতা বাজারে ছেড়েছে। জুতা প্রস্তুতকারীদের দাবি, জুতাতে ওমঃ চিহ্ন থাকায় তাদের ব্যবসা ভাল হবে।

Thursday, June 05, 2014

লাভ জেহাদ

লাভ জেহাদের মূল লক্ষ্য হল কোনও অমুসলিম দেশে ধর্মীয় জনসংখ্যার বিন্যাসে দ্রুতহারে পরিবর্তন আনা। অর্থাৎ ইসলামধর্মীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করে সেখানে মুসলিমদের একাধিপত্য স্থাপন করে, দেশটিকে দার-উল-ইসলাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা। এই পদ্ধতি প্রয়োগের উদ্দেশ্য বহুমুখী ­­­­­­­­­­­­­­­­­:-
  • প্রথমত, একটি অমুসলিম মেয়েকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করলে মুসলিমদের সংখ্যা একজন বাড়ানো যায় এবং একজন অমুসলিমের সংখ্যা কমে। অর্থাৎ অমুসলিমদের ক্ষতি হয় দুইদিক থেকে।
  • দ্বিতীয়ত, অমুসলিম মহিলাদেরও মুসলিম উৎপাদনের যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে তার দ্বারা উৎপাদিত একাধিক সন্তান দ্বারা মুসলিমের সংখ্যা বাড়ানো যায়।
  • তৃতীয়ত, ইসলাম ধর্মে এক একজন পুরুষের চারটি করে স্ত্রী গ্রহণের অধিকার আছে। সেই চাহিদা অনুযায়ী জোগান কিন্তু নেই । কেবল অন্য ধর্ম সম্প্রদায়গুলি থেকে নারী গ্রহণের মাধ্যমে সেই চাহিদা পূরণ করা যায়।
  • চতুর্থত, এর ফলে অমুসলিম জনসংখ্যায় পুরুষ এবং স্ত্রী-র অনুপাতে ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এবং যার ফলে ভবিষ্যতে অমুসলিম পুরুষও মুসলিম নারী বিয়ে করতে বাধ্য হবে। এবং তখন বিধর্মী পুরুষদেরও সহজেই ইসলামে ধর্মান্তরিত করার পথ সুগম হবে।
  • পঞ্চমত, ক্ষেত্র বিশেষে অমুসলিম মহিলাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করে তাকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সন্ত্রাসীতে পরিণত করে অমুসলিমদের বিরুদ্ধেই তাকে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
  • সর্বোপরি, একজন মুসলিমের কাছে জেহাদের উদ্দেশ্য হল জান্নাতে যাওয়ার পথকে সুগম করা। এখানে তো দ্বিগুন সুগম হয় জান্নাতের পথ। কেননা একদিকে একজন ইসলামে অবিশ্বাসী কাফির কে ‘ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে’ আনার বিশাল পুণ্য, অন্যদিকে আল্লাহ-র পথে জেহাদের সর্বাধিক পুণ্য । অর্থাৎ জান্নাতে যাওয়া ‘ডাবল’ নিশ্চিত!

Wednesday, May 28, 2014

বর্বর দেশ সৌদি আরবে অমুসলিমদের দুরাবস্থা


উপরে যে ছবিটি দেখছেন তা হল সৌদি আরবে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করা হচ্ছে একজন অমুসলিমকে...

Friday, May 23, 2014

Build toilet first then temple

হিন্দু উগ্রবাদি নেতা নরেন্দ্র মোদি ২১ শে মে শপথ গ্রহন করছেন না । যদিও পঞ্জিকা দেখে দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিলো, তাও ঐদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা রাজীব গান্ধীর প্রয়াণ দিবস বলে তার প্রতি সম্মানার্থে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেয়া হয় ।

Wednesday, May 21, 2014

বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িকতা বনাম ভারতের সাম্প্রদায়িকতা



ভারতে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুবাদী বিজিপি ক্ষমতায় গেলেও কোন মুসলিম, খৃষ্টান, জৈন, সিং দার কোপ খেয়েছে বলে শুনা যায় নি। দেখা গেছে বিজয়ের সাথে সাথে বিগত সরকার বিজিপি কে অভিনন্দন জানিয়েছে। এবং নিজেদের ভুল বুঝে সবাইকে যোগ্য সরকার নির্বাচিত করায় ধন্যবাদ জানিয়েছে। একেই বলে হিন্দু। হিন্দুবাদী রাজনৈতিক দল। একেই বলে রামরাজ্য।

বাঙলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ..... দল প্রতিবার নির্বাচন কে কেন্দ্র করে হিন্দু কে কচু কাঁটা করেছে। শতশত মা-বোন কে ধর্ষণ করেছে। ২০০১সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে জামাত কুকুরের বাচ্চা কে নিয়ে পায়ের অাঙ্গুল দিয়ে হিন্দু মহিলার সিদূঁর মুছে ধর্মান্তর করে। উপাসনালয় পুড়ে মসজিদ বানিয়েছে। রাতের আধাঁরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে নিরবে দেশ থেকে পালিয়েছে কত জন? আর গত ভোটের কথা কি বলবো?

Sunday, May 11, 2014

Sunday, May 12, 2013

মুখ দিয়ে লিখে এসএসসি পাস!






হাত দুটি’র আঙ্গুল অচল। তবুও শৈশবে মা-বাবার কাছে বায়না ধরে স্কুলে যাওয়ার। সেই শৈশবে প্রথম শ্রেণী।

এরপর প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক। এবার মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর জন্য এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ ৩.৫০ পেয়েছে ফিরোজ। মুখে কলম আঁকড়ে লিখে ভালো রেজাল্ট করায় সহপাঠীরা খুশি।

পুরো নাম ফেরদৌস আলম ফিরোজ। সাহাবুদ্দিন-ফিরোজা দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে সবার বড় সে। বাড়ি লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে চতুর্থ শ্রেণীর চাকরি করেন বাবা সাহাবুদ্দিন। সেখান থেকে যা পান তা দিয়ে সংসার চলে কোনো মতো।

এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার কাউয়ামারী আপ্তার উদ্দিন প্রধান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল সে।

ফিরোজের মা ফিরোজা বেগম জানান, হাত দুটি দিয়ে কোনো কাজ করতে পারে না তার ছেলে। শুধু ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলগুলো একটু-আধটু শক্তি আছে। ভাত খেতে পারে না। তাই পরিবারের অন্যদের সহযোগিতায় খেতে হয়।

প্রতিবন্ধী ফিরোজ বলেন, ‍“আমি লেখাপড়া করে প্রতিবন্ধী শব্দটিকে জয় করতে চাই। দোয়া করবেন আমি যেন ভালোভাবে পড়ালেখা শেষ করতে পারি।”

প্রধান শিক্ষক আখেরুজ্জামান বলেন, “শারীরিক অক্ষমতা বাধা হতে পারেনি তার। মুখের সাহায্যে কলম ধরে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৩.৫০ পেয়ে আমাদের স্কুলের সম্মান বাড়িয়েছে।”


(সংগৃহীত) 

Friday, May 10, 2013

১৭ দিন অন্ধকারে বসেছিলাম — প্রধানমন্ত্রীকে রেশমা


সাভারের এরিয়া কমান্ডার ও জিওসি মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বলেছেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মুঠোফোনে রেশমার সঙ্গে কথা বলেছেন। জিওসি আরও বলেন, এ সময় রেশমা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘আমি ১৭ দিন অন্ধকারে বসেছিলাম।’

জিওসি প্রথম আলো ডটকমকে জানান, মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রী রেশমাকে বলেন, ‘আমি তোমাকে দেখতে আসছি।’ এর পরই প্রধানমন্ত্রী সাভারে সিএমএইচের উদ্দেশে রওনা হন।

হাসান সারওয়ার্দী আরও বলেন, সকালের দিকে ধ্বংসস্তূপের ওই অংশে একটি ছিদ্র করা হয়। তখন ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আলো যায়। এ সময় রেশমা ভেতর থেকে চিত্কার করে ওঠেন। একজন মেজর প্রথম রেশমাকে দেখতে পান বলে জানান জিওসি। তিনি জানান, রেশমাকে ভবন ধসের ৪১৬ ঘণ্টা পরে উদ্ধার করা হলো।

জিওসি আরও জানান, রেশমা প্রথমে পানি খেতে চান। তাঁকে পানি ও খাবার দেওয়া হয়েছে।


(সংগৃহীত) 

Thursday, May 09, 2013

জাত গেল জাত গেল বলে...

আজকে খুব অবাক হয়ে একটা ব্যাপার লক্ষ করলাম। দুপুরদের দিকে অনেকগুলো লাশ আসলো একসঙ্গে। লাশগুলো স্কুল মাঠে ঢুকার সাথে সাথেই অবস্থানরত স্বজনরা ঝাঁপিয়ে পরেন তাদের প্রিয়জনের খোঁজে।

প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মাঝবয়সী একটা ছেলে হাতে একটা ছবি নিয়ে জামার পেছন দিকটা টেনে ধরে রেখেছে। আমি কোন জবাব দিতে পারছিলাম না। ছেলেটি শুধু একটি কথায় বার বার বলে যাচ্ছিল-

"ভাই আমার মায়ের কপালে সিঁদুর ছিল, হাতে শাঁখা ছিল, আমি দেখলেই চিনব। আমাকে আরেকবার দেখান। দয়া করে দেখান।"

মুহূর্তেই আমার মায়ের মুখখানা আমার চোখের কোনে ভেসে উঠেছিল, আর ছেলেটির জায়গায় আমি! আমি কোন কথা বলতে পারছিলাম না। মুহিত ভাই বোঝানোর বৃথা চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন প্রতিনিয়তই। তখনও প্রায় শতাধিক লাশ স্কুলের বারান্দায়। দুইবার করে প্রত্যেকটি লাশ তাকে দেখিয়েছি। ছেলেটি খুঁটে খুঁটে দেখেছে। কিন্তু কোন লাশেই শাঁখাসিঁদুর পরা তার মাকে পাওয়া যায়নি। যাওয়ার কথাও না।

খোঁজার সময় মনে মনে বোকার মতো ধারনা করে রেখেছিলাম 'হিন্দু' এবং মনের সেই রূপরেখা অনুযায়ীই খুঁজছিলাম। কিন্তু হিন্দু লাশ কোথায় পাব? মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম। হিন্দু আর মুসলমান নিয়ে কতই না বাড়াবাড়ি! অথচ স্কুলের বারান্দায় আজ হিন্দু মুসলমান মিলে মিশে একাকার!

মনে পড়ে গেল লালনের সেই কয়েকটি লাইন-

আসবার কালে কি জাত ছিলে?
এসে তুমি কি জাত নিলে?
কি জাত হবা যাবার কালে?
সে কথা ভেবে বলো না...

জাত গেল জাত গেল বলে...

(Source: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র)

Wednesday, May 08, 2013

চলে গেলেন উদ্ধারকর্মী বাবু


সাভার ট্র্যাজেডি'র সেই অসম সাহসী বীর উদ্ধারকর্মীটির কথা মনে আছে? একাই ৩০ জন মানুষকে উদ্ধার করেছিলেন যিনি? সেই বাবু, ওমর...ওরফে বাবু, তিনি আর নেই! উদ্ধারকার্য শেষ হবার পর পরই তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়! রাতে আতংকে ঘুমোতে পারতেন না, দুঃস্বপ্ন দেখতেন! মানবতার সেবার, অসম সাহসিকতার, সহমর্মিতার মানুষটার জন্য।
বিন্রম শ্রদ্ধা, এই অসমসাহসী বীরের জন্য।


গত ২৪ এপ্রিল, রানা প্লাজা ধসের দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাধারণ মানুষের স্বপ্রণোদিত অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। নিজের জীবন বিপন্ন করে তাঁরা বাঁচিয়ে দিয়েছে অনেক মানুষের প্রাণ। এদেরই একজন অসম সাহসী বীর উদ্ধার কর্মী ওমর ফারুক বাবু। নিজে উদ্ধার করেছেন অসংখ্য আহত নিহতদের। সাহসী এই উদ্ধারকর্মী ভবন ধসের প্রথম দিনে একাই ৩০ জনের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। অথচ তিনি নিজেই এখন নাম লেখালেন লাশের কাতারে।

সাভারের রাজাসনের বাসিন্দা বাবু একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি। ভবন ধসের নির্মমতা ছুঁয়ে যায় বাবুকে। বিভৎস লাশগুলো টেনে হিঁচরে বের করার পর মানসিক রোগে ভুগতে থাকেন তিনি। তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর থেকে বাবুর মধ্যে মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তিনি আতঙ্কে ঘুমাতে পারেন না, মাঝেমধ্যে ভয়ে শিউরে ওঠেন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পর গভীর রাতে ঘুমের মধ্যেই ‘বাঁচাও' বাঁচাও বলে আর্ত চিৎকার দিয়ে জেগে উঠতেন।
বাবুর স্ত্রী আরো জানায়, পুরোপুরিভাবে মানসিক ভারসাম্য হারানোর আগে তিনি চিৎকার করতেন 'আমি চলে আসছি আর সমস্যা নেই আপনাদের কিচ্ছু হবেনা'।

এভাবেই তার স্বামী ওমর ফারুক বাবু আতঙ্কিত হয়ে ক্রমেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে! এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। কিন্তু মানুষের জন্য মানবতার গান গাওয়া এই সাহসী বীর বাঁচতে পারলেন না। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহস্যজনকভাবেই মৃত্যু হয় তার।

বাবু এর আগেই সংবাদে এসেছিলেন, তবে তখন তিনি ছিলেন এক বীরযোদ্ধা, আর এখন তিনি সংবাদে আসলেন সাভার ট্র্যাজেডির বলি, আরো এক লাশ হয়ে।


(সংগৃহীত

Monday, May 06, 2013

Investigation of late Ruma Rani Das case by BDMW


Ms. Ruma Rani Das (15) was a student of standard six. Her father’s name is Purno Robi Das (45) and Mother’s name is Maloti Rani Das. She was the first daughter of her parents. They used to live in the village of Danga Bazar, Police Station- Polashpur, District- Norshingdi since many years. However, due to financial crisis they sold their land and shifted to the village of Volavo, Police Station- Rupganj, District- Narayanganj one and half years back. After coming here, Md. Dalim, son of Shiraj Compani started teasing victim Ms. Ruma Rani in indecent way. When victim’s mother Ms. Maloti came to know about the fact, she tried to coax her daughter but she failed to do so and Ms. Ruma rani did fall in love with perpetrator Dalim. After knowing their love affair, parents of Ms. Ruma Rani Das decided to shift the place and eventually they shifted to the village of Konabari, Gajipur District and asked to Ms. Shundari Rani Das (70), mother of Purno Robi Das to reside in their present house. On 30.09.11 at afternoon Ms. Ruma rani Das went to visit the abode of Abul kader, son of late Tukka Mishri who is her father’s friend at Volavo. After that the following day on 01.10.11 (Saturday) at afternoon she went to see her grandmother to their house at Volavo. At this time Perpetrator Md. Dalim and his Friends Md. Rafiqul Islam and Md. Shamim Mia silently entered into bedroom of Ms. Ruma Rani Das and raped her and hanged her to death. Soon after the incident took place the members of destitute families did not dare to file a case as they were threatened by perpetrators. After that on 03.10.11 Mr. Purno Robi Das lodged First Information Report (FIR) at Volavo Police Station being Case No. 06 dated 03.10.2011 under Section 9(1) of the Nari-O-Shisu Nirzatan Daman Ain, 2000 (as amended 2003) against the perpetrators on the direction of the police. Type of Violation: Violation against personal Integrity and right to life ; Date of occurrence: 1st of October, 2011 Date of investigation: 28th of October, 2011 Place of occurrence: Within the bedroom of the victim of Volavo of Rupganj P.S. Narayanganj District, Bangladesh. The incident of gang rape has been published in the Daily “Sangbad” and “Ittefaq” dated 3 October 2011. Name of the victim: Ms. Ruma Rani Das (15) Religion: Hindu Name of the Perpetrators: 1. Md. Dalim (22), son of late Shiraj Compani 2. Md. Rafiqul Islam (23), son of Shahajahan Mia 3. Md. Shamim Mia (25), son of Majnu Mia, all of village Volavo of Rupgonj Police station, Narayangonj District.
Ruma Rani Das's mother holding her daughter's photo in rememberance

A crying mother of Ruma Rani Das


Supporting documents:
FIR 1
FIR 2
FIR 3
Daily Ittefaq report


(Source)

Sunday, May 05, 2013

ট্যাটু ব্যবহারের প্রতিক্রিয়া

নীচের যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন তা ট্যাটু বাবহারে ইনফেকশন এর কারণে হয়েছে। ঈশ্বর আমাদের এতো সুন্দর শরীর দিয়েছেন তার পরেও কি ট্যাটু ব্যাবহারের দরকার আছে?

যারা এমন নিয়মিত ট্যাটু ব্যাবহার করেন তারা স্কিন ক্যান্সারের সম্মুখীন হতে পারেন। তাই এই অপ্রয়োজনীয় পশ্চিমা ফ্যাশানটি এড়িয়ে চলুন।




(সংগৃহীত) 

Friday, May 03, 2013

Share if you care!


Please read if you eat shrimps - Very Educative:
A woman suddenly died unexpectedly with signs of bleeding from her ears, nose, mouth & eyes.
After a preliminary autopsy it was diagnosed that death was due to arsenic poisoning.
Where did the arsenic come from?

The police launched an in-depth and extensive investigation. A medical school professor was invited to come to solve the case.
The professor carefully looked at the contents. In less than half an hour, the mystery was solved.
The professor said: 'The deceased did not commit suicide and neither was she murdered, she died of accidental death due to ignorance!'
Everyone was puzzled, why accidental death?
The professor said: 'The arsenic was produced in the stomach of the deceased.' The deceased used to take 'Vitamin C' everyday, which in itself is not a problem.
The problem was that she ate a large portion of shrimp/prawn during dinner. Eating shrimp/prawn is not the problem that's why nothing happened to her family even though they had the same shrimp/prawn. However at the same time the deceased also took 'vitamin C', that is where the problem was!

Researchers at the University of Chicago in the United States , found through experiments, food such as soft-shell contain much higher concentration of five
potassium arsenic compounds.

Such fresh food by itself has no toxic effects on the human body.

However, in taking 'vitamin C', chemical reaction occurs and the original non-toxic elements change to toxic elements.

Arsenic poisoning has magma role and can cause paralysis to the small blood vessels. Therefore, a person who dies of arsenic poisoning will show signs of bleeding from the ears, nose, mouth & eyes. Thus as a precautionary measure,

DO NOT eat shrimp/prawn when taking 'vitamin C'.

After reading this; please do not be stingy. Re-share to your friends.


(collected)

Thursday, May 02, 2013

বাংলাদেশে ‘শ্রম দাস’ প্রথার নিন্দায় পোপ


সাভারে গত সপ্তাহে রানা প্লাজা ধসে কয়েকশ’ মানুষ নিহতের ঘটনায় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ-পরিস্থিতিকে শ্রম দাস প্রথার সঙ্গে তুলনা করে এর নিন্দা জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।

রানা প্লাজার ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা ৪শ’ ছাড়িয়েছে।ওই প্লাজায় কয়েকটি পোশাক তৈরির কারখানা ছিল।

বুধবার মে দিবস পালনকালে ভ্যাটিকানের বাসভবনে সমবেত দর্শনার্থীদের পোপ বলেন, ঢাকার বহু শ্রমিকই মাসে মাত্র ৫০ মার্কিন ডলার বেতন পায় এমন শিরোনামের খবর দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত।

‘একেই শ্রম দাস প্রথা বলা যায়’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। পোপের উদ্ধৃতি দিয়ে ভ্যাটিকান বেতার এ খবর দিয়েছে।

“সৃষ্টিকর্তা আমাদের যে সৃজনশীলতা, কাজ করা এবং সম্মনিত হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে আজ এ ধরনের দাসত্ব চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে,” বলেন পোপ।

মে দিবসে বিশ্বজুড়ে বেকারত্ব আর কাজের সুষ্ঠু পরিবেশের অভাবের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে সাভারের ঘটনায় হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে পোপ বলেন, “কতজন ভাই-বোনকে এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে!

তিনি আরো বলেন, “সঠিকভাবে বেতন পরিশোধ হচ্ছে না, চাকরি জুটছে না। কারণ, আপনারা শুধু লাভের দিকটা দেখছেন।এ ধরনের কর্মকান্ড সৃষ্টিকর্তারই বিরুদ্ধাচরণ করা।”

লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে নির্বাচিত পোপ ফ্রান্সিস দরিদ্রদের পক্ষে এক সরব ও বলিষ্ঠ কণ্ঠ।তার দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় তিনি গরিবদের পক্ষেই সোচ্চার হয়েছিলেন।

মার্চে নতুন পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ফ্রান্সিস রোমান ক্যাথলিক চার্চকে গরিবদের পাশে দাঁড়ানোরই আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

মে দিবসে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের ভাষণে ৭৬ বছর বয়সী পোপ ফ্রান্সিস ‘স্বার্থপর লাভ’ এর পথ পরিহার করে বৃহত্তর সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানান।

“আমি শ্রম বাজার নতুন করে ঢেলে সাজানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাচ্ছি”, বলেন তিনি।


(সংগৃহীত

Sunday, April 28, 2013

শুভবুদ্ধির উদয় হোক


Jennyfer, Primark এর মত সস্তা ব্র্যান্ড থেকে শুরু করে..Vero Moda,Topshop, New Look,Next, H&M, mango, GAP, Marks & Spencer..যেইখাইনেই শপিং করতে যাই , মেড ইন বাংলাদেশ খুঁজি!!..আমার কালেকশনে আছে অনেক 'মেড ইন বাংলাদেশ' এর জামা... নতুন পোষাকের একটা সুন্দর গন্ধ আছে..কিন্তু আমাদের দেশে বানানো পোষাকের গন্ধটা যেন একেবারেই আলাদা.. যে গন্ধ বোধহয় বাঙ্গালী ছাড়া আর কেউ অনুভব করতে পারবে না... নতুনের গন্ধ ছাপিয়ে শ্যামলা কালো হাতের ছোঁয়া মাখা,সোদা মাটির গন্ধ জড়ানো চেনা গন্ধের একটু নাগাল যদি পাই..এই আশায় অনেক্ষন জামার ভেতর নাক ডুবিয়ে থাকি... আমার দেশে বানানো টি শার্ট, টপস, জিন্স গায়ে দিলে অন্য ধরনের আনন্দ হয়.. যে আনন্দ আমি একা একা অনুভব করি...এগুলো গায়ে জড়ালে মনে হয় দেশটাকেই যেন গায়ে মেখে আছি..!! সাত সমুদ্দুরের পাড়ে এই লাল নীল কাঁচের চুড়ির স্পর্শ আর সস্তা স্নো পাউডারের সাথে মাখামাখি হওয়া জামাগুলোর মত আর কোন কিছু আমাকে এত আবেগী করে না... আমি অনেকদিন বাংলাদেশে বানানো জিন্স এর শার্ট H&M এর হ্যাঙ্গারে ঝুলানো একটা ছবি প্রোফাইল পিকচার দিয়ে রাখসিলাম...
যেই অনুভুতির কথা বললাম.. এ শুধু আমার একার নয়.. এখানে থাকা হাজারো বাঙ্গালীর অনুভুতি কমবেশি একই রকম.!!.
গার্মেন্টসে কাজ করা ৯০ ভাগই হতদরিদ্র ঘরের মেয়ে.. কখনো কখনো সংসারের হাল ধরা একমাত্র উপর্জনক্ষম নারী! যে হাতগুলো শক্ত করে ধরে রেখেছে আমার মানচিত্র..সারা পৃথিবীর বুকে.. এক বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের গুণগাথাই পড়ানো হয় পশ্চিমা বিশ্বের পাঠ্য বইয়ে... আর ওরা জানে রয়াল বেঙ্গল টাইগারের কথা.. এছাড়া যা পড়ায়... দূষন, দারিদ্র্য, দুর্যোগ.. প্রাকৃতিক বিপর্যয়..জনসংখ্যা.. সবই নেতিবাচক!
সেই হাতগুলোকেই আজ অবহেলা আর অতি লোভের কারণে ভারী কংক্রিট নিচে দুমড়ে মুচড়ে আছে আমার সোনার বাংলাদেশের কিছু হায়েনা রূপী গার্মেন্টস মালিকদের জন্য। গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যা করে তোরা কি তোর নিজের পতাকাকেই মুচড়ে দিলি না? যেই হাত দিয়ে পায়ে দিত রুপালী নুপুর আর সেই হাত দিয়েই মেশিনের সুইয়ের গাথুনিতে তোদের তৈলাক্ত চামড়ার ভাঁজে আরো চর্বির আস্তরন লাগিয়ে পরম মমতায় সেলাই করে দিত... বিনিময়ে পেত শুকনো মরিচ আর পান্তা ভাত.. সেই শরীরগুলো আজ তোদের অবহেলার কারণে কবরের বাসিন্দা হতে যাচ্ছে ....
আমি এই মগের মুল্লুকে কারো কাছে বিচার চাই না .. চেয়ে কি হবে? কার কাছেই বা বিচার চাইব? সিংহাসন রাজার হাতি ঘোড়া সবই তো একই রকম . . বিরোধী শক্তিরও একই অবস্থা.. সবাই শুধু গরিব মানুষগুলো প্রাণের বিনিময়েই মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কামাতে চায় ! আমি শুধু এদেরকে অনুরোধ করব.. বাবারে, নিজের স্বার্থেই না হয় এই প্রান গুলারে বাঁচায় রাখ...!! সব শ্রমিক যদি তোরা হত্যা করে ফেলিস তাহলে বিদেশি ডলার কামাবি কী দিয়ে? তোদের স্বার্থের কারণেই তোদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক শুধু এই কামনাই করি..!!

(Written from France by: Sanjida Sultana
)

Saturday, April 27, 2013

দায়িত্ব নিয়েই বলছি

গত বুধবারের পর থেকে এনাম মেডিক্যাল ঘুমায়নি... দমকল বাহিনী, দম ফেলার সময় পায়নি... নবম পদাতিক ডিভিশনের সৈনিকরা একটু সময়ের জন্যও চোখটা বন্ধ করেনি

এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০০ মানুষকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আবার বলছি, আড়াই হাজারর মানুষকে ধ্বংসস্তুপের ভিতর থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আড়াই হাজার মানুষ কতগুলো জানেন? এরা একসাথে দাঁড়ালে মনে হবে কোনও রাজনৈতিক দলের মিটিং হচ্ছে। এতোগুলো জীবিত মানুষকে ওখান থেকে বের করে আনা চাট্টিখানি কথা না

আমি দাঁড়িয়ে দেখেছি... না কেউ অবহেলা করেনি উদ্ধারকাজে ...যে যেটা পেয়েছে সেটা নিয়েই এগিয়ে এসেছিলো

সর্বপ্রথম দৌড়ে এসেছিলো লিটনের মা, খুন্তি নিয়ে... এমন ভাবে দৌড়ে এসেছিলো যে পারলে তিনি তার হাতের খুন্তিটা দিয়েই সব ধসে পড়া ছাদগুলোকে আল্গি দিবে

কালকে ওখানে আমি দাঁড়িয়ে হঠাৎ শুনলাম, দমকলের এক কর্মীকে বলতে; “কেউ একটা ডাইলের চামচ দেন আমাকে... নিচে একজনকে দেখা যাচ্ছে... ওকে পানি খাওয়াতে হবে”

২ মিনিটের মধ্যে দেখলাম আরেক লিটনের মাকে, ডাইলের চামচ নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে হাজির...

হয়তো উদ্ধারকর্মীর কেউ চিৎকার দিয়ে বলছে, ‘কেউ ২ টা হাতুড়ি দেন তো আমারে’... সাথে সাথে সাভার এলাকা থেকেই ২০০ হাতুড়ি এসে হাজির.. ঢাকায় খবরটা আসতে আসতে ২ হাজার হাতুড়ি রেডি

ভালো লেগেছে... লিটনের মা-দের দেখে

... ভালো লেগেছে, সাভার এলাকার হাজারো লিটনদের দেখে; তারা কিন্তু ওখানে, ‘রানা প্লাজা ধ্বসে যাওয়ায় যে ওপাশের আকাশ একেবারে ক্লিয়ার দেখা যাচ্ছে’, তা দেখতে আসেনি। এসেছে, একটু পানিটা পারলেও এগিয়ে দিতে

... ভালো লেগেছে যখন দেখলাম, সরকারী দলকে ধুয়ে ফেলার পরেও কিছু কিছু জনপ্রতিনিধি টানা তিনদিন থেকে ওখানে মুখ কালো করে বসে আছে

ভালো লাগেনি দেখতে... যখন দেখলাম এক লাশের নিকট আত্মীয়, লিটনদের হাতে মার খাচ্ছে... কারণ ধরা পরে গেছে যে, সে আসলে নিকট আত্মীয় নয়, লাশের ২০ হাজার টাকা নিতেই সে এসেছে; তার পকেটে গাঁজার পুরিয়াও পাওয়া গিয়েছে।

হ্যা কিছুটা ভালোও লেগেছে তাকে দেখে... কারণ, যে ৩৬৫ দিনই সমাজের লাথি খায়, সে একদিনে মার খেয়ে আর কতটুকুই বা ব্যাথা পাবে...

ভালো লেগেছে... ফেসবুকে মানুষের উৎকণ্ঠা দেখে; যে হোমপেইজ, ৫ ফেব্রুয়ারির পর থেকে মুসলমান... হিন্দু... আস্তিক... নাস্তিক নিয়ে ছিল... সেই হোমপেইজই আজ একত্রিত হয়েছে, সবাই বলছে; “সাভারের জন্য রক্ত চাই” ... ভালো লেগেছে যে, কেউ বলছে না, “শুধু মুসলমানের রক্ত চাই... কেউ বলছে না, নাস্তিকের রক্ত চাই না”

ভালো লেগেছে যখন ফেসবুকের ছাগু সম্রাট ট্যাগ খাওয়া ইসলামিক ব্লগার আরজেল ফোন দিয়ে বলল, “আরিফ ভাই আজ রাতে শুনলাম উদ্ধার কাজ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে... কথাটা কি ঠিক? কেমনে কি ভাই?”

ভালো লেগেছে যখন ডিবির কাছেই শুনলাম, কারাগারে আটক স্বঘোষিত নাস্তিক আসিফ ছটফট করছে, সাভার নিয়ে কিছু করার জন্য

... ভালো লাগেনি বিরোধীদলের কাণ্ডজ্ঞানহীন নড়াচড়ার গতি দেখে

ভালো লেগেছে যখন সাভারে দেখলাম রাসেল নামের সেই ফেসবুকের ছেলেটিকে, যে কিনা দুদিন আগেও আমাকে, বাপ মা তুলে গালি দিয়েছে... সেই এখন কিনা, সেখানে উদ্ধার কাজে হেল্প করতে গিয়েছে...

ভালো লাগেনি, ঘেমে ঘেমে একাকার সেই রাসেল ছেলেটিকে একটা ডাব না খাইয়ে ঢাকায় ফিরে আসতে

ভালো লেগেছে যখন আম্মা ঘুম থেকে ডেকে তুলে, পত্রিকা দেখিয়ে নাম ধরে বলছে; এই আবির, হাবিব, রুবেল, ও হীরা এই চারজনকে আমার একাউন্ট থেকে তুলে ১০ হাজার টাকা করে প্রত্যেককে দিয়ে দে তো... তারা নাকি নিজেরাই শখানেক জীবিত মানুষকে উদ্ধার করেছে, জানিস? ওই আইলসা, ঘুম থেকে উঠ

ভালো লাগেনি, সরকারের কোনও মন্ত্রী এখনও লজ্জার মাথা খেয়েও পদত্যাগ করেনি দেখে

ভালো লেগেছে নাটক পাড়ার বনেদী ছেলে ইরেশ ভাই এর পাগলামি দেখে। অফিসের কাজ বাদ দিয়ে, অফিসের নিচেই বড়বড় ট্রাক দাড় করিয়ে রেখেছে; যে যাই দিচ্ছে, ওখানে উঠিয়ে সাভার পাঠিয়ে দিচ্ছে। ভালো লেগেছে... যখন আজকে সকালেও উনার সাথে ফোনে আলাপের এক পর্যায়ে বলল, “বৃষ্টি আসছে আরিফ ভাই, ওখানে তাবু পাঠাতে হবে তাবু, কিন্তু ভাই তাবু জিনিসটা টাঙ্গায় কেমনে? আপনি জানেন? ও আচ্ছা আপনি ও তো আর্মির লোক না”

... ভালো লেগেছে তার বুঝে শুনে করা পাগলামিটা

ভালো লেগেছে, জাগো ফাউন্ডেশনের কর্ণধার সেই পিচ্চিটাকে যখন দেখলাম কলাবাগানের এক কোনায়, এক বাবুর্চি বাড়ির সামনে, একা দাঁড়িয়ে বড় পাতিলে করে খাবার উঠাচ্ছে গাড়িতে, সাভারে দিবে বলে

ভালো লেগেছে ফেসবুকের জেবতিক ভাইকে যে কিনা দিনে ২/৩ বার নিজে গাড়ি চালিয়ে সাভারে ঢাকা সাভার ঢাকা করেছে

...ভালো লাগেনি, নামের আগে ডাক্তার নাম লাগানো কিছু ব্লগারদের এক চোখা নীতি দেখে

ভালো লেগেছে ফেসবুকের লিটনদের, যারা প্রতিদিন সকালে কেডস পড়ে রেডি হয়ে বসেছিলো, শুধু আমার ডাকের অপেক্ষায়, শুধু এটা শোনার জন্য; “চল সাভারে, বিল্ডিঙের ভিতরে ঢুকতে হবে সুরঙ্গ দিয়ে, পারবি তো?”

মনে কি আছে আমেরিকায় থাকা সেইই বাঙালী ছেলেটির কথা, যার ক্যান্সার হয়েছিলো, এবং যে গত মাসেই পুরো সুস্থ হয়ে গেছে? হ্যা ভালো লেগেছে... যখন দেখলাম, সে তার স্টেটসের বাঙ্গালীদের কাছ থেকে টাকা তোলার অনুমতি চেয়ে ইনবক্স করেছে

ভালো লাগছে না এই লেখাটা লিখতে লিখতে হাত বারবার কিবোর্ডের কাছ থেকে সরিয়ে চোখের কাছে নিতে

...ভালো লাগছেনা লেখাটা শেষ করতে

কিছু লেখা না হয় অসমাপ্তই থা...


(কৃতজ্ঞতায়: Arif R Hossain)

Friday, April 26, 2013

পানির অভাবে মারাই গেলেন সোনিয়া

দুনিয়ার এই নিষ্ঠুরতাকে কিভাবে আমি মেনে নেব ? কাকে দোষ দেবো ? লোভ-লালসার এই নীতিকে নাকি লোভী হায়েনাদের অকর্ম কে ?
সত্যিই আজ নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হচ্ছে ! কেনো আমি হতে পারলাম না এই লাশের মিছিলের সাথী।

মারা যাবার আগে এক ফোটা পানির জন্য কতোই না ছটফট করেছে মেয়েটি। পানি না পেয়ে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন রানা প্লাজায় আটকা পড়া সোনিয়া। এর ফলে মৃত্যু ঘটল একটি সুন্দর স্বপ্নের। গত তিনটি দিন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে হেরে যেতে হলো এই তরুণীকে।

সোনিয়া নামের ওই তরুণী মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্বপ্ন দেখতেন, একটি সুখের সংসার হবে শিগগিরই তার। আসবেন স্বপ্ন পুরুষ। আগামী মে মাসের কোনো এক সময় তার বিয়ের সব প্রস্তুতি চলছিলো পারিবারিক ভাবে।

শুক্রবার বিকেলের কোনো এক সময় সোনিয়া মারা যান। সোনিয়ার মারা যাবার বিষয়টি বাংলানিউজকে জানিয়েছেন তারই বড় বোন তানিয়া। সন্ধ্যায় প্রতিবেদকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন তানিয়া। আবেগ আপ্লুত আর কান্না জড়িত কণ্ঠে তানিয়া বলেন, “ভাইয়া, আমার বোনটি বিকেলে মারা গেছে। শুধু পানির অভাবে ও মারা গেলো।”

উল্লেখ্য, বুধবার ঘটনার পর থেকে পাগল হয়ে নিজের বোনের খোঁজে এদিক ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছিলেন সোনিয়ার বড় বোন তানিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে বাংলানিউজ বলেছিলেন, “আমার বোনকে খুঁজে পাচ্ছি না।”

সেদিন তানিয়া নিজের বোনের এক কপি ছবি দেখিয়ে জানিয়েছিলেন, ধসে পড়া রানা প্লাজার ৫ম তলায় কাজ করতেন তার বোনটি। নাম সোনিয়া। গ্রামের বাড়ি বরিশালে।

তানিয়াও কাজ করেন একটি গার্মেন্টেসে। বুধবার সকালে কাজে যাবার আগে শেষ কথা হয় ছোট বোনের সঙ্গে তানিয়ার।

তানিয়া বলেছিলেন, “সোনিয়া আমার ছোট ছিলো। বাবা মারা যান ২০০৬ সালে। এরপর সংসারের অভাবে আমি কাজ করতে আসি ঢাকায়। এরপর আসে ও (সোনিয়া)।”

সেই বোনটিরই মৃত্যুর খবর জানিয়ে তানিয়া আরও বলেন, “গত তিনটি দিন আমার প্রিয় বোনটির কতোই না কষ্ট হয়েছে। পানির অভাবে কতোই না ছটফট করেছে। শুধু একটু পানির অভাবে মারা গেলো আমার লক্ষী বোনটি। কার কাছে এর বিচার চাইবো আমি?”

আর বলতে পারলেন না তানিয়া। কথা আটকে যাচ্ছিল বারবার- “এ কেমন পাশবিক দুনিয়া। আমি আমরা মাকে কি জবাব দেবো?”

অনেকটা ক্ষোভ আর দুঃখ নিয়ে বলেন, উদ্ধার হওয়া সোনিয়ার পাশের এক সহকর্মী তাকে জানিয়েছেন, সোনিয়া শুধু পানির অভাবে মারা গেলো। ওর শরীরে কোনো আঘাত ছিলো না। ও সুস্থ ছিলো। কিন্তু প্রচণ্ড গরম আর অক্সিজেনের অভাব ছিলো ওরা যেখানে আটকা ছিলো। গায়ে কাপড় পর্যন্ত রাখতে পারছিলো না মেয়েটি।

পানি না মেয়ে সোনিয়া তার পাশে থাকা ওই সহকর্মীকে কামড় দিয়ে রক্ত পর্যন্ত খেতে চেষ্টা করেছেন। বারবার তার কাছে আকুতি করেছেন, একটু পানির জন্য।

“মৃত্যুর আগে এক ফোটা পানি আমি আমার বোনকে খাওয়া পারলাম না”- বলে আবারও কান্নায় ভেঙে পড়লেন তানিয়া।

তানিয়া বলেন, “বাইরে এতো পানি, খাবার ও অক্সিজেন রয়েছে। কিন্তু ভেতরে এসব দেওয়া হচ্ছে না কেন”

“ভেতর পানি দেওয়া হলে কি আমরা বোনটি মরতো”- প্রশ্ন রাখেন তানিয়া।

আজ তানিয়ার আর কিছুই চাওয়ার নেই। শুধু বললেন, “আমার বোন মারা গেছে। আমি আর দুঃখ করছি না। কিন্তু ওখানে যারা আটকরা আছেন, তাদেরকে আপনার বাঁচান। পানি, খাদ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করুন। পানির অভাবে হয়তো আরো অনেকে মরছেন।”

“মাকে আমি কি জবাব দেবো? আমি কিভাবে ওই পানি খাবো? আমার বোন যে একটু পানির জন্য মারা গেলো। আমার নিজের আজ বাঁচতে ইচ্ছে করছে না। এই দুঃখ কিভাবে বইবো আমরা? লাশটি পর্যন্ত পাবো কিনা জানি না” কান্না জড়িত ভাবে বলছিলেন বোনহারা এই তরুণী।

(সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪)