Showing posts with label politics. Show all posts
Showing posts with label politics. Show all posts

Friday, June 12, 2015

খালেদা বনাম মোদী

কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে ভ্রমণে এসে বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে এই প্রশ্নগুলো করেন -
  • ভারতের রাষ্ট্রপতির সাথে যেদিন পূর্ব নির্ধারিত সাক্ষাতের কর্মসূচি ছিলো সেদিন কারা ঢাকায় হরতাল ডেকেছিলো।
  • ২০০৪ সালে চীন থেকে আসা দশ ট্রাক অস্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে অবৈধভাবে খালাস করে ভারতীয় সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার যে আয়োজন করা হয়েছিলো সেটা ঘটেছিলো আপনার প্রধানমন্ত্রীত্বের আমলে। আর সেই গোপন আমদানির সঙ্গে আপনার ক্যাবিনেটের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র ও শিল্পমন্ত্রী জড়িত ছিলেন। শোনা যাচ্ছে, আপনি এবং আপনার দল ওই ঘটনার তদন্তে খুব একটা সাহায্য করেননি।
  • বর্ধমানের  বিস্ফোরণকাণ্ডে তার দলের ও জোটসঙ্গী জামায়াত নেতাদের সম্পৃক্ততার তথ্য ভারত-বাংলাদেশের যৌথ তদন্তে উঠে আসছে। বিএনপি ও তার জোটসঙ্গীদের ওইসব দোষীদের আড়াল না করে তদন্তে সহায়তা করা তার (বেগম খালেদা জিয়ার) নৈতিক দায়িত্ব।
প্রথমটির উত্তর দেবার চেষ্টা করলেও পরের দুটোতে চুপ থাকেন খালেদা। দেখার বিষয় হলো এই যে, মোদী ভদ্রতার খাতিরে এমনতর প্রশ্ন করতে পিছপা হননি একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। এমন স্পষ্টবাদীতা বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যেই আজকাল খুব একটা দেখা যায় না। 

Wednesday, August 20, 2014

পশ্চিমবঙ্গে ঈদের প্রাধান্য দুর্গাপূজার চেয়ে


১৯৫১ সালের সেন্সাস অনুসারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল--৭৯.৪০%।
মুসলমানদের সংখ্যা ছিল--১৮.৬৩%।
২০০১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা হয়েছে--৭২.৯০%।
মুসলমানদের সংখ্যা হয়েছে ২৫.৩৭%।

Monday, July 14, 2014

মমতা দিদি একটু দেখুন


খবরে প্রকাশ পাহাড় হাসছে।
খবরে প্রকাশ রাজ্যের উন্নতির ৯৯% কাজ সম্পূর্ণ।
আবার অন্যদিকে খবরে প্রকাশ জলপাইগুড়িতে বন্ধ চা বাগানে,কর্মহীন একের পর শ্রমিকের অনাহারে অপুষ্টিতে মৃত্যু।
জিতবাহন মুণ্ডা নামে এক শ্রমিকের কাল মৃত্যু হয়, ২২ জুন থেকে ২৬ জুনের মধ্যে যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তিন জন শ্রমিকের নাম সেলিনা তিরকি (৬০), তেতরি বড়াইক (৩৫) এবং বাসু ওঁরাও (৫২)। ।
এই তথাকথিত উন্নয়নের স্বর্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গে এইসব মৃত্যুগুলো প্রমান করে,কোলকাতায় বসে একের পর এক উন্নয়নের ঢাক পেটানো তৃনমূল সরকার আসলে করেছে টা কি!
বাংলার মানুষ না খেতে পেয়ে মরবে,আর ওনারা শাহরুখ খানের প্রাইভেট টিম জিতলে,টাকা খরচ করে সম্বর্ধনা দেবেন।
লজ্জা পাওয়া উচিত আপনাদের।


(সংগৃহীত

Saturday, May 24, 2014

হিন্দু আচারে নরেন্দ্র মোদী



না; বিপুল ভোটে জেতার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজী ভুললেন না নিজের হিন্দু ধর্ম সংস্কৃতির কথা। জেতার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তিনি গেলেন হিন্দু ধর্মের পীঠস্থান এবং হিন্দু ধর্মের রাজধানী বারানসীতে।

Friday, May 23, 2014

Build toilet first then temple

হিন্দু উগ্রবাদি নেতা নরেন্দ্র মোদি ২১ শে মে শপথ গ্রহন করছেন না । যদিও পঞ্জিকা দেখে দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিলো, তাও ঐদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা রাজীব গান্ধীর প্রয়াণ দিবস বলে তার প্রতি সম্মানার্থে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেয়া হয় ।

Monday, May 19, 2014

To Prime Minister Narendra Modi

To
The Prime Minister of India
Mr.Narendra Modi

Hope this message reaches you in the state of good health.

We Citizens of India voted you for the good & bright future of our country.

We have believed you & have many expectation from you as given below........

Sunday, May 18, 2014

!!ক্ষমা করো হজরত!! (কাজী নজরুল ইসলাম)


তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ, ক্ষমা করো হজরত্‌।
ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ
ক্ষমা করো হজরত্‌।।

Monday, December 30, 2013

অসধারণ সংসদীয় বক্তব্য



সংসদের এই বক্তব্যটা দেখে শরীরের লোমগুলো শিহরীত হয়ে উঠলো। 
সাধারণত এমন গর্জন সংসদে কমই শোনা যায়।

(সূত্র

Saturday, August 03, 2013

HSC পরীক্ষার্থীদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

এবারের ২০১৩ সালের বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত HSC (Higher Secondary Certification) পরীক্ষায় তুলনামূলকভাবে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় ফলাফল সর্বোপরি খারাপ হয়েছে। গত বছর যেখানে ৭৮% ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছিলো সেখানে এবছর সেই পাসের হার ৭৪%। প্রায় তিন হাজার কম সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী GPA-5 পেয়েছে। 

প্রশ্ন হলো কেন এই ফল বিপর্যয়? কেন তুলনামূলক অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর ফলাফল খারাপ হলো ছাত্র-ছাত্রীদের? 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন যে, লাগাতার হরতাল-সহিংসতা ইত্যাদি থাকার ফলে ছেলে-মেয়েদের মনে স্বাভাবিকভাবেই একটা ভয় বিরাজ করেছে পুরো পরীক্ষার সময়। শুধুমাত্র প্রথম পরীক্ষাই কোনো রকম রাজনৈতিক কর্মসূচী বাদে পরিচালিত হয়েছে। পরবর্তীতে নয় দিন পরীক্ষা পিছিয়েছে। ফলে ছেলে-মেয়েদের মানসিক যে প্রস্তুতি সেটা বারংবার ব্যাহত হয়েছে। এর দায় বিএনপি-জামায়াত-হেফাজতে ইসলাম এড়াতে পারবে না। এমনকি কেউ কেউ বলছেন, যেই মহিলা নিজেই HSC পাস করতে পারেননি, তিনি কেন চাইবেন দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা তার চেয়ে বেশী শিক্ষিত হোক।

সে যাই হোক। একদিকে যেমন সরকারী পক্ষ বিরোধীদের দোষারোপ করছে। আবার বিরোধীরা দুষছে সরকারী পক্ষকে। বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, সরকারপক্ষ তাদের নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদের উপর দোষ চাপাচ্ছেন। সেটার সাথে আবার বিরোধী সমর্থকরা একমতই পোষণ করছে।

আমার আবেদনটা মূলত HSC পরীক্ষার্থী/শিক্ষার্থীদের কাছে। তারা (তোমরা) যে যেই ফলাফল করেছ না কেন বেশীরভাগেরই আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। সবাই চেয়েছিল Golden GPA-5 পেতে, কিন্তু ক'জনায় তা পেরেছে? দোষ দাও বিএনপিকে, জামায়াতকে, হেফাজতকে কিংবা আওয়ামী লীগকে, তারা কেউই কিন্তু প্রকৃতভাবে তোমাদের ফলাফলে কোনো মাথাব্যথা করছে না। আজ যদি সরকারীপক্ষ আওয়ামী লীগ না হয়ে বিএনপি হতো এবং এমন হরতাল-অবরোধ-সহিংসতা ঘটতো, তাহলে লোকজন বিরোধীদের দুষত। 

আমার পয়েন্ট হলো, আওয়ামী-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত এরা কেউই প্রকৃতভাবে দেশের আপামত জনসাধারণের ভালো চায় না। ফলে একটা ছেলের ভবিষ্যত যদি নষ্ট হয়ে যায় তাদের হরতাল-অবরোধের কারণে তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। হয়ত সেই পরিবারের লোকজনরা সেই ছেলেটির ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে ছিলো যেন ছেলে ভালো ফল করলে ভালো কাজে ঢুকতে পারবে, সংসারে টানা-পোড়েন থাকবে না। কিংবা হয়ত সেই মেয়েটি যে বাবা-মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো যে সে যদি পরীক্ষায় পাস করে তাহলে তাকে বিয়ে না দিয়ে আরো পড়াশোনা করাবে বাবা-মা। সেই মেয়েটির স্বপ্ন হয়ত স্বপ্নই রয়ে যাবে। এমন নানা ঘটনাই হয়ত আমাদের অজান্তেই থেকে যাবে। কই এনে দেবে কোনো চাকরী সেই ছেলেটার জন্য যে তার পরিবারের আশার আলো দেখানো স্বপ্ন নিয়ে Golden GPA-5 এর লক্ষ্যে পড়াশোনা করেছিলো? এনে দেবে কোনো সরকারী-বিরোধী কিংবা ইসলামী কোনো দল-গোষ্ঠী? বন্ধ করতে পারবে সেই মেয়েটির বিয়ে যে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ফলে বাবা-মার কাছে মুখ তুলে তাকাতে পারবে না? পারবে কোনো দল-পার্টি এই ক্ষেত্রে কিছু করতে? পারবে যদিওবা, কিন্তু করবে না। করছে না। আজ পর্যন্ত করেনি। ভবিষ্যতেও করবে কিনা সন্দেহ।

মনে যদি শান্তি না থাকে তাহলে দেহে শান্তি মেলে না। আর দেহ-মন দুটোই যদি খারাপ থাকে তাহলে পরীক্ষায় যতই পড়াশোনা, প্রস্তুতি থাকুক না কেন, ফলাফল সচরাচর ভালো হয় না। আমি নিশ্চিত সেটাই ঘটেছে বাংলাদেশে এবারের ২০১৩ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের বেশীরভাগের ক্ষেত্রে।

একটা ছেলের ভবিষ্যত ধ্বংস করতে একটা রাজনৈতিক দলই যথেষ্ট। একটা মেয়ের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ করতে একটা সরকারী-বিরোধী পার্টিই যথেষ্ট। কেউ সেই ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যত-স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করে না। কমপক্ষে বাংলাদেশ-ভারতের মতো দেশগুলোর রাজনৈতিক কোনো দল তো নয়ই। 

তাই আমার আহবান, যেসব পরীক্ষার্থীরা খারাপ করেছে, মন মতো ফলাফল করোনি, তারা সামনের নির্বাচন বর্জন করো। বয়কট করো। কি ফলাফল এনে দেবে যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যায়? কি সুফল বয়ে আনবে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে? কি লাভ হবে তোমাদের নিজেদের? বরং ক্ষতির পরিমাণটাই বেশী। হয়ত সামনের বার তোমার না হোক, তোমার কোনো ভাই-বোন, কিংবা আত্মীয়-স্বজনের এরকমভাবে ভবিষ্যত স্বপ্ন নষ্ট হবে। 

প্রশ্ন করবে কী হবে আমি একজন বয়কট করলে? তুমি একজনের দেখাদেখি আরেকজন করবে যে নিজেও হয়ত এমন ভুক্তভোগী। আর তাছাড়া, নিজের বিবেকের কাছে তো বলতে পারবে সামনের বার যখন এমন ফলাফল ঘটবে যে, না, আমি ওই স্বার্থান্বেষী মহলকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনিনি। কিংবা আমি ওই ক্ষমতালোভীদের বাক্যের জালে পড়িনি।

আমাকে হয়ত অনেকেই ভুল বলবেন। আমি বলাতে কে ভোট দিলো কি না দিলো তাতে কি যায় আসে। যে ক্ষমতায় যাবে, সে ঠিকই যাবে এই ক'জন ভোট দিক আর না দিক। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি নিশ্চিত সেইসব খারাপ ফলাফল করা ছেলে-মেয়েরা মনের দিক থেকে নিশ্চয়ই একটা শান্তি অনুভব করবে।

Thursday, May 16, 2013

পুলিশও মানুষ


ইনাদের আমরা সুযোগ পেলেই গালমন্দ করি; অভিশাপ দিই। অথচ একবারও চিন্তা করিনা এই মানুষগুলো না থাকলে চুরি-ছিনতাই কি হারে বেড়ে যাবে? মন্ত্রীরা এত প্রটোকল কিভাবে পাবে? ঈদের নামাজ কিংবা পহেলা বৈশাখ শান্তিপূর্ণভাবে কিভাবে উদযাপন করবো? সরকারী চাকুরীজীবীরা শুক্র-শনি ছুটি পেলেও এদের কোন ডে-অফ নেই। এদের কি সংসার নেই? তাদের সন্তানরা বাবাকে কতটা সময় কাছে পায়। অথচ পিতৃস্নেহ অধিকার থেকে নিজেদের সন্তানকে বঞ্চিত করে এরাই হাজারো সন্তানের জন্য রাতজেগে বন্দুক কাঁধে নিয়ে ডিউটি করেন আর নিরবে কান্না করেন। অথচ এদের কান্নার কোন দাম আছে?
পুলিশের মেসের খাবার কেউ একটু খেয়ে দেখবেন? অথচ এরা রাষ্ট্রের অত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে কিন্তু সরকার তাদের মূল্যায়ন করে না। সরকার টাকা দেয় সবুজ উর্দিওয়ালাদের। উর্ধ্বতন অফিসারদের কমিশনের সুবিধা দিতে ১৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনেন। প্রতিবছর চকচকে নতুন গাড়ি আসে; একটু পুরোনা হলেই গাড়ির চাক্কা বদলে যায়। আর লক্করঝক্করমার্কা গাড়ি নিয়ে ডিউটি করেন টোল্লা! পুলিশ।
এরা রক্ত ঝরায়; সর্বোচ্চ ধৈর্য্য দেখায়। সরকার প্যাদায়; পাতি নেদারা পেদায়। আর আমরা কত রাগ ঝারি। এতমোটা পোষাক পড়ে ঠাঠারোদে একটু ডিউটি করেন; দেখবেন চান্দি গরম হয়ে যাবে। অথচ কাগজ ছাড়া মোটরসাইকেল চালিয়ে বড়ভাইদের ফাপড় নিই। অথচ এই পোষাক পড়ে ডিউটি করুন না একটু।

একাত্তরে সবার আগে রক্ত দিয়েছে পুলিশ। ৮৫৬জন রাজারবাগে শহীদ হয়েছিল। অথচ একজন পুলিশও বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পায়নি। এরা মরে গেলে আমরা সাংবাদিকরা বলি পুলিশ! নিহত। এদের রক্তের দাম কি মূল্যহীন?

সব পেশাকে সম্মান করুন। মানুষের কর্মকে সম্মান করুন।

(সংগৃহীত)

Saturday, May 04, 2013

Former Hindu Slave Woman Turns Politician in Pakistan

Veero Kolhi was a slave of landlords. She has broken the shackles of slavery and has stood up against them in the elections. When she made the asset declaration required of candidates for Pakistan’s May elections, she listed the following items: two beds, five mattresses, cooking pots and a bank account with life savings of Rs. 2,800 rupees ($28).

Her aim is to eradicate the bounded slavery in our society. She is contesting from PS-50, Hyderabad. Salute to this brave lady.
(Source)

Thursday, May 02, 2013

বাংলাদেশে ‘শ্রম দাস’ প্রথার নিন্দায় পোপ


সাভারে গত সপ্তাহে রানা প্লাজা ধসে কয়েকশ’ মানুষ নিহতের ঘটনায় শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ-পরিস্থিতিকে শ্রম দাস প্রথার সঙ্গে তুলনা করে এর নিন্দা জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।

রানা প্লাজার ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা ৪শ’ ছাড়িয়েছে।ওই প্লাজায় কয়েকটি পোশাক তৈরির কারখানা ছিল।

বুধবার মে দিবস পালনকালে ভ্যাটিকানের বাসভবনে সমবেত দর্শনার্থীদের পোপ বলেন, ঢাকার বহু শ্রমিকই মাসে মাত্র ৫০ মার্কিন ডলার বেতন পায় এমন শিরোনামের খবর দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত।

‘একেই শ্রম দাস প্রথা বলা যায়’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। পোপের উদ্ধৃতি দিয়ে ভ্যাটিকান বেতার এ খবর দিয়েছে।

“সৃষ্টিকর্তা আমাদের যে সৃজনশীলতা, কাজ করা এবং সম্মনিত হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে আজ এ ধরনের দাসত্ব চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে,” বলেন পোপ।

মে দিবসে বিশ্বজুড়ে বেকারত্ব আর কাজের সুষ্ঠু পরিবেশের অভাবের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে সাভারের ঘটনায় হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে পোপ বলেন, “কতজন ভাই-বোনকে এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে!

তিনি আরো বলেন, “সঠিকভাবে বেতন পরিশোধ হচ্ছে না, চাকরি জুটছে না। কারণ, আপনারা শুধু লাভের দিকটা দেখছেন।এ ধরনের কর্মকান্ড সৃষ্টিকর্তারই বিরুদ্ধাচরণ করা।”

লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে নির্বাচিত পোপ ফ্রান্সিস দরিদ্রদের পক্ষে এক সরব ও বলিষ্ঠ কণ্ঠ।তার দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় তিনি গরিবদের পক্ষেই সোচ্চার হয়েছিলেন।

মার্চে নতুন পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ফ্রান্সিস রোমান ক্যাথলিক চার্চকে গরিবদের পাশে দাঁড়ানোরই আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

মে দিবসে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের ভাষণে ৭৬ বছর বয়সী পোপ ফ্রান্সিস ‘স্বার্থপর লাভ’ এর পথ পরিহার করে বৃহত্তর সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানান।

“আমি শ্রম বাজার নতুন করে ঢেলে সাজানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর জন্য রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাচ্ছি”, বলেন তিনি।


(সংগৃহীত

Wednesday, April 24, 2013

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন


হামিদ আ্যাডভোকেট ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মরহুম হাজী মো. তায়েব উদ্দিন ও মাতার নাম মরহুমা তমিজা খাতুন।আব্দুল হামিদের শিক্ষাজীবন শুরু কামালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এখানে তিনি ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেন। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েন ভৈরব কেবি স্কুলে এবং নিকলী জেসি স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন।পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়ালকলেজ থেকে আইএ ও বিএ ডিগ্রী এবং ঢাকার সেন্ট্রাল ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রী লাভ করেন।এলএলবি ডিগ্রী অর্জনের পর তিনি আইন পেশায় কিশোরগঞ্জ বারে যোগদান করেন। তিনি ১৯৯০-১৯৯৬ সময়কাল পর্যন্ত পাঁচবার কিশোরগঞ্জ জেলা বার সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আব্দুল হামিদের রাজনৈতিক জীবন শুরু ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে। ১৯৬১ সালে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ফলে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে করারুদ্ধ করে। ১৯৬৩ সালে তিনি কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৫ সনে একই কলেজের সহ-সভাপতি নির্বাচিতহন। ১৯৬৪ সালে কিশোরগঞ্জ সাব-ডিভিশনের ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ১৯৬৬-১৯৬৭ সালে ময়সনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের জেলা সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।আব্দুল হামিদ ১৯৭০ সালে ময়মনসিংহ-১৮ সংসদীয় আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং ভারতের মেঘালয় রিক্রুটিং ক্যাম্পের চেয়ারম্যান ও তৎকালীন সুনামগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলার বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (মুজিব বাহিনী) এর সাব-সেক্টর কমান্ডার পদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ -৫ আসন থেকে তিনি সংসদসদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৮ থেকে ২০০৯ এর ২৫ জানুয়ারি স্পিকার নির্বাচিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।


(সংগৃহীত) 

Tuesday, April 23, 2013

মাহমুদুর রহমানের আমলনামা দেখতে কেমন হবে? চেষ্টা করা যাক...


একজন ইঞ্জিনিয়ার

বৈবাহিক সূত্রে মুন্নু সিরামিকে ইঞ্জিনিয়ারের চাকুরি করেন।

আলাদিনের চেরাগ পেলেন- বিএনপি সরকারের আমলে বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন।

পরে হলেন জ্বালানি উপদেষ্টা।

জাতীয় সম্পদ কয়লা নামমাত্র দামে টাটা কোম্পানির কাছে বেচতে চাইলেন। ফুলবাড়ি- বড় পুকুরিয়াবাসী প্রতিরোধ করেলন।

ভুল জ্বালানি নীতির কারণে দেশ জুড়ে জ্বালানি সংকট।

সেই মহাজাগতিক কোটেশন- "তেল সংকট নিয়ে মিডিয়ার অপপ্রচার রাষ্ট্রবিরোধী"।

অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।

উইকিলিকসে তার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ

উত্তরা কেলেঙ্কারি

সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ছড়াই ‘দৈনিক আমার দেশ’-এর পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

২০১০-এ আদালত অবমাননার কারণে জেলে- আদালত তাকে বলে, ‘চান্স এডিটর’

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের মামলা

স্কাইপ কেলেঙ্কারি

নিজ কার্যালয়ে স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ

গণজাগরণ মঞ্চের কঠোর সমালোচনা, বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন।

ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মাঝে নাস্তিকতার নামে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো।

গ্রেফতার-রিমান্ড

এই নাহলে বর্ণাঢ্য চরিত্র? বাংলাদেশে কজন আছে এমন নাটকীয়তা পূর্ণ মানুষ?
গায়ে একাডেমিক সার্টিফিকেট , জ্বালানি উপদেষ্টার পদের গৌরব , একজন টেকনোক্র্যাট, সুলেখকের আড়ালে তিনি একজন উচ্চাভিলাষী, চতুর ও ধূর্ত প্রকৃতির ব্যক্তি।

এই ধরণের চরিত্র সব সময় ভয়ংকর। উপরের তালিকাত তার কর্মকাণ্ডের অতি সামান্য ও চুম্বক অংশই আছে।
এদের শত্রু হলে আপনার ভয় পেতেই হবে।

(Courtesy - Mahbub Rashid)

Monday, April 22, 2013

স্বদেশপ্রেমী এক মালাউন

-বাবা! এনেছ তো?
-আজ তো দোকান বন্ধ বাবা, হরতাল!
-কে বলেছে দোকান বন্ধ? সামিনকে দেখলাম কিট-ক্যাট খেতে!
-সামিনের বাবা হয়ত কাল কিনে রেখেছে।
-তুমি কেন কিনে রাখোনি?
-তুমি তো আমাকে আগে বলোনি বাবা!

ছেলেটা অস্ফুট স্বরে কি একটা বলে চলে যায় বারান্দায়। চোখের কোণে একটু জল উঁকি দেয়। আর বাবার বেরিয়ে আসে চাপা দীর্ঘশ্বাস। কিন্তু কে বলবে বাবার কথার সবটুকু ছিল মিথ্যা? কার দেখার সময় আছে যে বাবা অভাবের কারণে ছেলেটাকে বোকা বানিয়ে রেখেছে আজ কয়েকদিন। হরতালের অজুহাতে অফিস খুলছে না। বেতনটাও আটকে গেছে। আটকে গেছে বলাটা ভুল! তিনি কেরাণী বলে তার বেতনের দিকে কারো খেয়াল নেই। বড় ছেলের কোচিংয়ের বেতন এ মাসেও বাকি পড়ে গেল...
কষ্টে-সৃষ্টে একটা রুমে বাবা-মা, দুই ছেলে থেকে, আরেকটা রুম সাবলেট দিয়েছে, অভাবটা যাতে একটু কমে! কিন্তু সব বৃথা চেষ্টা! অভাব যায়না! তার উপর বাড়িওয়ালার নোটিশ এ মাস থেকে ৩০০ টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। চোখে সর্ষেফুল-ই শুধু দেখা যায়! আবার নতুন জ্বালা হয়েছে শ্বশুর বাড়ির দাওয়াত। কিছু একটা না নিয়ে গেলে যে মান সম্মান বাঁচে না। মাসের মাত্র ১০ তারিখ। কীভাবে চলবে আর ২০ টা দিন?

সামনে আবার পহেলা বৈশাখ! বড় ছেলে বায়না ধরবে নতুন পাঞ্জাবির। বউ চাইবে ইলিশ মাছ। এগুলো না দিয়ে কি করে তাকাবেন তাদের চেহারার দিকে?

কড়া রোদ উপেক্ষা করে বের হয়ে গেলেন সুজিত বাবু। কিছু একটা কাজ করে আজকের দিনের বাজারটা জোগাড় করতে হবে। পাড়ার হেকমত ভাইয়ের কাছ থেকে রিকশা নিলেন একটা। মুখে রুমাল বেঁধে সেই রিকশা নিয়ে বারিধারা গেলেন একটু বেশি ভাড়া পাবার আশায়! এক বড় সাহেবকে উঠিয়ে কিছুদূর চালিয়ে নেবার পর হঠাৎ করেই রিক্সা থামিয়ে দিল পুলিশ! "লুঙ্গি পরে বের হয়েছেন যে তিনি!!" এটা ছোটলোকের পোশাক! এখানে মানায় না...

বড় সাহেব দাঁত মুখ খিঁচিয়ে নেমে গেলেন রিক্সা থেকে। একটা পয়সাও দিলেন না... হতাশ হয়ে দেখলেন এক প্যান্ট পরিহিত রিক্সাওয়ালার রিক্সায় উঠে যেতে... রিক্সাটা যতক্ষণ দেখা যায় ততক্ষণ চেয়ে থাকলেন। এবার চিন্তা পল্টনের দিকে যাবেন। ওদিকে সাধারণ মানুষ বেশি।

কাকরাইল মোড়ে কিছু পাঞ্জাবি পরা মানুষ দেখি রিক্সা থামাচ্ছে!

-ওই খালি যাবি?
-কই যাবেন?
-বনশ্রী!
-নাহ যামু না!
-ক্যান যাবি না?
-এমনি!
-সমিস্যা কি তোর? ওই কাদের এদিকে আয় তো! এই হালারে ধর!!!

-কিরে কিচ্ছে তোর? না গেলে কলেমা পড়তে হইব! নাইলে ছাড়া পাবি না! কলেমা পড়!

বুক প্রচুর কাঁপছে। সাথে তীব্র তৃষ্ণা। মুসলমানদের ভালো জানতেন তিনি। এ কোন মুসলমান? দেশে কি হচ্ছে এসব? রঞ্জিত বাবু কোলকাতা যাবার সময় বলে গেছেন, "সুজিত দাদা, এদেশ ৪৭-এর পরের সময়ে ফিরে গেছে। আমার সাথে চলুন। এখানে থাকলে যেকোন সময় মরবেন!"

-কিরে কলেমা পড়স না ক্যান?
-আমি হিন্দু!
-ওই মালাউন পাইছি রে! ধর!!!

এরপর শুধু ভেসে আসে অবিরত লাঠির আঘাতের শব্দ। চাপা আর্তনাদ।

আর তিনি গহীন অন্ধকারে ডুবে যেতে যেতে বলেন, বাবা সুদীপ, বাবা সুব্রত! আমাকে ক্ষমা করে দিস বাবা! এদেশে তোদের জন্ম দিয়ে আমি ভুল করেছি। বউ, তুমি ছেলে দুটোর খেয়াল রেখো। পারলে এদেশ ছেড়ে চলে যাও! দেশকে অনেক ভালোবেসেছিলাম। দেশ আমাকে ধোঁকা দিয়েছে। এখানে আর না! আমি চললাম....

(Courtesy - Rkz Shuvo)

Sunday, April 21, 2013

একটা ছেলের গল্প বলবো

একটা ছেলের গল্প বলবো। যার চোখে স্বপ্ন ছিলো। প্রচন্ড পড়ুয়া একটি ছেলে'র গল্প। পরিচয় প্রথম টিএসসি তে। বোকা ছেলে টা দাড়িয়ে দাড়িয়ে ১ ঘন্টাই আমার সাথে গল্প করলো। আমি বললাম একটা সিগারেট....ওমা চিকন হ্যাংলা পাতলা ছেলেটা ধুম করে দৌড়ে একটা সিগারেট নিয়ে জ্বালিয়ে চা-টা খাইয়ে অস্থির। বাসায় এসে ওর প্রোফাইল টা একবার ঘাটলাম। ভারি ভারি সব গল্প, উপন্যাস এর কোটেশন। ঢাকা ভার্সিটির বাংলা বিভাগে পড়ে। সেইরকম বইপত্র তার পড়া। মাথা পুরা নষ্ট। হুমায়ুন আজাদের চরম ভক্ত, পেজ টা টা আমাকে ইনভাইটেশন পাঠালো। নিয়মিত ওর আপডেট দেখতাম। মাঝে মধ্যেই নক করতো- “সেলিব্রটি, কেমন আছেন” আমি রেগে যেতাম-“ আমি সেলিব্রিটি না.... হ্যান ত্যান” ওর সাথে পুরোপুরি মেশা উত্তাল শাহবাগে। একসাথে বসতাম স্লোগান দিয়ে জাকিরের দোকানে। আমি, মহামান্য কহেন,আনিস রায়হান, মিতু আপু, ফোড়িং ক্যামেলিয়া আর ও। হ্যা, আন্দাজ করে নিয়েছেন বোধহয় এই প্রচন্ড চুপচাপ ছেলেটির নাম, সুব্রত শুভ। তার ভেতর কোন উগ্রতা ছিলোনা, কখোন আমাকে জিজ্ঞাসা করেনি সে আমি আস্তিক না নাস্তিক। ওর সব কাজ গুলো খুটিয়ে খুটিয়ে আমি দেখেছি। ওর স্টাটাস দেখবেন
“আজ যখন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলাম তখন খবর শুনলাম জামাত-শিবির আমার দেশের জাতীয় পতাকা পোড়াচ্ছে!!!তারা কী এই বাঙলাদেশ চেয়েছিল? প্রিয়ভাষিণীরা আমাদের ক্ষমা করুন। আমরা আপনারদের সম্মান রাখতে পারি নি।"

কাজ করেছে জামাত বিরোধী, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে। নাস্তিকতা কি আর ধর্মান্ধতা কিংবা ধর্মাদ্বেষ কি তা বুঝিয়েছে লেখা দিয়ে। কোথাও তো ওর ধর্মীয় উষ্কানীমূলক লেখা নেই যাতে আমার আস্তিক মনে লাগবে। কোন দিন আমার সাথে ধর্ম নিয়ে তর্ক পর্যন্ত করেনি সে। তার আসল অপরাধ টা কোথায়, ঠিক ধরতে পারি না। যেদিন সুব্রত কে উপস্থিত করা হল মিডিয়ার সামনে, এক কোনা ভিজে গিয়েছিলো সেদিন। কাকে ধরে নিয়ে গেলা তোমরা, এ কি করেছে ? এই শান্ত শিষ্ট ছেলে টা কিসের বিদ্বেষ ছড়িয়েছে। তবুও ধৈর্য ধরে ছিলাম।গতকাল তাদের জামিনের শুনানী ছিলো। অনেক খবরের ভেতর থেকে বের করতে হয়েছিলো, তাদের জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। হুমম, পরে হিসাব টা মেলালাম, ঠিকই আছে। তাদের জামিন হবে কিভাবে, ওরা প্রচন্ড ক্ষমতাশালী কেউ নয়। ওদের অঢেল টাকা নেই। পেছনে প্রচন্ড ক্ষমতার আস্ফালন নেই। অসহায় সুব্রত হয়তো গতকাল আশায় ছিলো, জামিন হয়ে যাবে। কিন্তু......নাহ।

লেখা টা আমার বিবেকের থেকে লেখা, একজন বন্ধুর জন্য লেখা, একজন ছোট ভাইয়ের জন্য লেখা। গুটিকয়েক মানুষ তার পাশে আছে, একজন ছোটাছুটি করছে আইনজীবী দের কাছে, একজন টাকা জোগাড় করছে। আমরা আস্তে আস্তে তাদের কথা ভুলে যাচ্ছি। মনে হলো, সুব্রত দের ভুলতে দেয়া যায় না। সুব্রত শুভ দের তোমরা ৪০ বছর পর কিংবদন্তি বলবে, তার আগে আমি বলবো তার পাশে দাড়িয়ে আমি ছিলাম।

পরিশেষে একটা ঘটনা, হাংরি জেনেরেশনের কবি মরয় রায় চৌধুরী একটি কবিতা রেখেন ৬০ এর দশকে, নাম "প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার।" অশ্লীলতা এবং রাষ্র্রদ্রোহীতার অপরাধে মাজায় দড়ি বেধে কবি মলয় রায় চৌধুরী কে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বিপক্ষে সাক্ষি দেন শক্তি চট্টপোধ্যায়, মুচলেকা দিয়ে অনেক কবি কানে ধরেন আর মলয়ের সাথে মিশবেন না। কিন্তু কবি মলয়ের পক্ষে সেদিন সাক্ষি দিয়েছিলেন সুনীল গঙ্গোপধ্যায়, তিনি কবিতা টি পড়ে বলেছিলেন – “ না এতে কোন অশ্লীলতা নেই, কবিতা কখনো অশ্লীল হয় না ” ......মলয় রায় চৌধুরী আজ কিংবদন্তি, সুনীল আজ কিংবদন্তি। ৪৫ বছর পর কবিতাটি এম ফিল ও পি এইচ ডি গবেষণার বিষয়বস্তু হয়েছে ।

আমি সিডাটিভ হিপনোটিক্স, আমি ক্ষমতাবান দের নয় দূর্বলের হাত টা ধরতে ভালোবাসি। পথের পাশে পড়ে থাকা দলা মোচড়া করা কাগজ টাই আমাকে বেশী টানে। আজ হয়তো অনেকে গালি দেবেন নীচে, ব্যাটা নাস্তিকের হয়ে কথা বলছিস। তুই নিজেও নাস্তিক। শুনে যাবো, তবুও আমি দাড়াবো সুব্রত শুভ দের পাশে, রাসেল রহমান দের পাশে। যাদের তোমরা আজ ত্যাজ্য করলে, সিডাটিভ তাদের আপন হিসেবে কাছে টেনে নিলো। দিতে পারেন এই সিডাটিভ কে গালি, সমস্যা নেই। আমাদের ভবিষ্যৎ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে এই সমাজ অনেক আগেই। আর কয়েকটা গালি ? এ আর এমন কি......তুবও আওয়াজ তুলবো। একাই....

পুনশ্চ: সুব্রত শুভ’র একটি স্টাটাস-

“ব্লগার মাত্রই নাস্তিক নয়, টুপি মানেই জামাত নয়
নাস্তিক দেখলে জবাই নয়, ধার্মিক দেখলে ঘৃণা নয়।"
সুব্রত শুভ -ফেব্রুয়ারী ২৪,২০১৩

(Courtesy - Sedative Hypnotics)

Saturday, April 20, 2013

তবুও তো বেঁচে আছি


"সারাদিন পরিশ্রম করে বাসায় ফিরেছে বাবা ... তার ক্লান্ত চোখের দিকে তাকিয়ে ছেলের রাগত স্বরের প্রশ্ন, "মাসের ১তারিখ !! নেটের বিল কি দিবা নানাকি ??"

বাবা কোন কথা বলে না ... মা কে বলে, "শার্টটা একটু সেলাই করে দিও, ছিড়ে গেছে !!"

মা বলে, "এইটা তো পুরাই নষ্ট হয়ে গেছে, নতুন একটা কিনো প্লিজ !!"

বাবা দীর্ঘশ্বাস আড়াল করে বলে, "না না !! এটাই সেলাই করে চলবে !!"

উত্তরের আশায় ছেলে তখনও দাঁড়িয়ে ছিলো ... বাবা তাকে বলতে গিয়েও বলতে পারে না,"চালের দাম কেজিতে আরো ৫ টাকাবাড়ছে ... আমি কিভাবে টাকা দিবো, কি খাবো, কিভাবে চলবো, কিভাবে সংসার চালাবো, বাবা??"

সারাদিন সুলভ মূল্যে চাল কিনার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ক্লান্ত বাবা মাথা ব্যথার জন্য একটু চা চায় ... দীর্ঘশ্বাস আড়াল করে মা বলে,"ক্লান্ত হয়ে আসছো, ঘুমাও এখন... চা খেলে ঘুম হবে না ... তোমারঘুম দরকার !!"

বাবা-মা দুজনেই বুঝতে পারে তাদের মাঝে ঘটে যাওয়া এই ছোট্ট নাটকটার সংলাপের মর্ম... দু'দিন ধরেই চিনি নেই ঘরে ... চা হবে কী করে ??

বাবা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায়... মা রান্নাঘরে কাজ করতে থাকে ... এভাবেই দিন চলে যায় !!

ঘরের বড় ছেলেটাকে কেউ চাকরি দেয় না ... বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করেই চলছিলো এতদিন... এখন বাবার পকেটও ফাঁকা থাকে ... ছোট বোনের বিয়ে সামনের মাসে ... উপায় না পেয়ে লোকাল বাসে উঠে পকেট মারে ছেলেটা !!

রুদ্ধশ্বাসে দৌড়াতে দৌড়াতে একটা টিভির দোকানের সামনে জিরাতে থাকে ছেলেটা ... রাতের খবর হচ্ছে ... মাননীয় মন্ত্রী বলছেন, "৪০০০ কোটি টাকা কোন টাকা না, দেশের অবস্থা এখন অনেক ভালো !!"

প্রচন্ড আক্রোশে ইট ছুড়ে মারে টিভির দিকে ... আবারো দৌড়াতে থাকে সে ... সামনে অনেক মানুষ জড় হয়ে আছে ... কাল হরতাল... বাসে আগুন দিয়েছে জানি কারা ... ৩ জন অগ্নিদগ্ধ ... এদেরমধ্যে একজন তার ছোটবোন, টিউশনি করিয়ে বাড়ি ফিরছিলো !!

হাসপাতালে নেয়ার পরের দিন মৃত্যু হয় বোনের ... ঝাপসা চোখে হাসপাতালের টিভির দিকে তাকায় ছেলেটা ... এক দলের নেত্রী বলছেন, "জনগণ হরতাল মেনে নিয়েছে, সফল করেছে !!" ... আরেক দলের নেত্রী বলছেন,"মানুষ এ হরতাল প্রত্যাখ্যান করেছে, দেশের মানুষ সুখে আছে!!"

আমি জানি না এরপর ছেলেটার কেমন অনুভূতি হয়েছিলো ... আমি জানি না কতটুকু ঘৃণায়, কতটুকুকষ্টে, কতটুকু অসহায়তায় ছেলেটার ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছিলো !!

একটা আলাদিনের চেরাগ হাতে পেলে ছেলেটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চাইতো না... চাইতো, "আমাদের দেশের সব রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীকে কয়েকমাসের জন্য এরকম একটা মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য বানিয়ে দাও!!"

তবুও দিন শেষে বেঁচে আছি, এই তো জরুরি খবর !!"

(Courtesy: Mushfiqur Rahman Ashique)