Showing posts with label religion. Show all posts
Showing posts with label religion. Show all posts

Sunday, August 17, 2014

শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থাণে মসজিদ


পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব অপ্রাকৃত ধাম মথুরায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথীতে ৫২৩৮বছর পূর্বে। দিনটি ছিল বুধবার।

দ্বাপর যুগের সেই অপ্রাকৃত লীলাবিলাস এখনও দর্শনীয়। কংস যেস্থানে দেবকীকে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন সেই কারাগারটি এখনও দর্শন করা যায়। যে স্থানে কংস দেবকীর ছয় পুত্রকে হত্যা করেছিলেন সেই স্থানটিও দর্শন করা যায়। পৌরাণিক কাহিনী মতে এই স্থানে সর্বপ্রথম মন্দির নির্মাণ করেন শ্রীকৃষ্ণের প্রপৌত্র শ্রীবজ্রনাভ। পাথরে খোদিত ব্রাহ্মীলিপি থেকেও এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

বহুবছর এই মন্দির অবস্থিত থাকলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব বৃন্দাবন ও মথুরার বিভিন্ন মন্দিরের পাশাপাশি সেই জন্মস্থান মন্দির ধ্বংস করেন।

আলেকজান্ডারের শাসনামলে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে এসে বেদি মন্দিরটি সম্পূর্ণ না ভেঙ্গে প্রার্থণা হলটি ভেঙ্গে দেন। মন্দিরের বেদি তখন রক্ষা পেলেও মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব গোবিন্দদেব মন্দিরটি ভেঙ্গে আর্বিভাব স্থান মন্দিরের এক অংশে ঈদগাহ্ মস্জিদ নির্মাণ করেন। সেই মন্দির ও মসজিদ এখনও পাশাপাশি দর্শনীয়।

এই স্থানে নির্মিত হওয়া প্রাচীন মন্দিরের বর্ণনা সমগ্র গ্রন্থ বা লিপি রয়েছে। যেমন - ১০১৭ সালে মুহম্মদ গজনবীর লিখিত রের্কড থেকে বহু তথ্য জানা যায়। তিনি লিখেছিলেন , "শহরের প্রান্তে অবস্থিত অভূতপূর্ব মন্দির নিশ্চয়ই কোন মানুষ নির্মাণ করেননি। এটি নিশ্চয় (দেবতারা বা ফেরেস্তারা) নির্মাণ করেছেন।"

বর্তমানে মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহটি ঠিক দেখতে মানুষের মত তথা ৬ফুট বিশিষ্ট এবং জগন্নাথ -বলদেব -সুভদ্রা বিগ্রহত্রয় পুরীধাম থেকে মথুরায় এই মন্দিরে অবস্থান করে অপ্রাকৃত সেবা গ্রহণ করছেন। এখনও মন্দিরে প্রবেশ করলেই অপ্রাকৃত আনন্দ, সুখ অনুভব হয় অর্থাত্ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যে এখনও এই স্থানে লীলাবিলাস করেছেন তা শুদ্ধ ভক্তগণ অনুভব করতে পারবেন।

☛মন্দিরের অবস্থান - মথুরা বর্তমানে যমুনা নদীর তীরে, রাজধানী নয়াদিল্লী থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

☛ছবির বর্ননা - পাশাপাশি ঈদগাহ্ মসজিদ (বামে) ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান মন্দির।


(সূত্র

Saturday, August 16, 2014

Star Plus-এর "মহাভারত" সম্পর্কে স্বমূল্যায়ন


আজ প্রায় বছর ব্যাপী পরিচালিত Star Plus-এর "মহাভারত" সমাপ্ত হলো। সিদ্ধার্থ কুমারের পরিচালনায় যদিও এই আধুনিক "মহাভারত" একতা কাপুরের "কাহানি হামারী মহাভারত কি" থেকে বহুলাংশে ভালোভাবে বিভিন্ন চরিত্র, ঘটনাসমূহ ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে, তবুও সর্বাঙ্গিকভাবে বললে বলদেব রাজ চোপড়া'র ৯০-এর দশকের "মহাভারত" অনেকটাই এগিয়ে থাকবে, আমার দৃষ্টিতে। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট চিন্তা করলে সিদ্ধার্থ কুমারের তৈরি এই "মহাভারত" তরুণ প্রজন্মকে অনেকাংশেই নাড়া দিয়েছে যা আমার ধারণা চোপড়া বাবুর "মহাভারত" ততটা করতে পারেনি।

আমি চোপড়ার "মহাভারত" ৩-৪বার পুরোটা দেখেছি। যতবারই দেখেছি ততবারই নতুন করে কোনো না কোনো ছোটখাট বিষয় হলেও নবীন ভাবে আবিষ্কার করেছি যা আগেরবার পারিনি। সেবারের "মহাভারতে" কথক ছিলেন 'সময়' যেটা প্রথম প্রথম কথাগুলো শুনতে ভালোই লাগতো, পরে একসময় fast forward করে মূল ঘটনায় চলে যেতাম। কিন্তু এবারের "মহাভারতে" শ্রীকৃষ্ণকে কথক বানিয়ে পরিচালক দারুণ একটা কাজ করেছেন বলতে হবে। বিশেষকরে প্রথম দিকের পর্বগুলোতে প্রায় প্রতিটি পর্বে শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষাগুলো সত্যিই শিহরিত করেছে। যদিও আমরা প্রায় প্রত্যেকেই এখনকার সময়ে শ্রীমদভগবদগীতা পাঠ করে থাকি, কিন্তু কৃষ্ণের শিক্ষাগুলো যেন নতুনভাবে আমার মতো হাজারও যুবকের প্রাণে স্পন্দন জাগিয়েছে - সেরকমই বোধ করেছি। গীতা পড়ে যতটা না বোঝা যায়, কৃষ্ণের সেই ছোট ছোট শিক্ষাগুলোতে বাস্তব জীবনের সাথে উদাহরণ এনে বোঝানোর বিষয়গুলো আমি নিশ্চিত আমার মতো আরো অনেককেই নাড়া দিয়েছে। তার সাথে সাথে নেপথ্যের সুরগুলো, গানগুলো আরো বিশেষ করে যেন হৃদয়ে লেগেছে। আমি নিশ্চিত আমার মতো অনেকেই হয়ত এগুলো থেকে কোনো না কোনো পছন্দেরটা নিজেদের ফোনের রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করছে ও করবে।

শ্রীকৃষ্ণের প্রসঙ্গক্রমে বলতে গেলে অবশ্যই মানতে হবে সৌরভ রাজ জৈন এই বিষ্ণু অবতারকে বেশ দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। যেমন আগেরবারের কৃষ্ণ চরিত্রে অভিনয় করা নীতিশ ভরদ্বাজ চোপড়ার করা "মহাভারত" ও "বিষ্ণুপুরাণে" অভিনয়ের পরে ধ্যানে বসলেই কৃষ্ণরূপে তার চেহারাটাই ভাসতো, আজকের সময়কার এই "মহাভারত" করার পরে, আমার মতন অনেকেই কৃষ্ণ কল্পনায় সৌরভ রাজ জৈনের চেহারাকেই ভাববেন। এটাই একজন অভিনেতার জীবনকালের সবচেয়ে সেরা প্রাপ্তি। এই দুই কৃষ্ণ/বিষ্ণু অবতারের ভূমিকায় অভিনয় করা ব্যক্তিরা ব্যক্তিগত জীবনে কতটা ধর্ম-কর্ম করেন বা করবেন জানিনা, তবে এদের চরিত্রায়নের ফলে ঈশ্বরকেই যেন কল্পনা করা হবে নানা ভক্তের দ্বারা - এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

অন্যান্য যেসব চরিত্রে অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন, কারোরই চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলাতে কমতি ছিলো না। বিশেষ করে কৌরবদের মামা শকুনির চরিত্রে প্রণীত ভট্টের অভিনয় কোনো অংশেই গুফী পাইন্টালের অভিনয়ের থেকে কম ছিলো না। আর তাছাড়া মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যেরকম করে ল্যাংড়া হয়ে চলাফেরা, এক চোখ বন্ধ রেখে কথা বলা - এসব বিষয়গুলো এতো স্বাভাবিক ভাবে করেছে, যেন মনেই হয়নি তিনি শকুনি নন।

অনেকেই বর্তমান এই মহাভারতে অর্জুনকে মূল মহাকাব্যের নায়কের ন্যায় ভূমিকায় ভূষিত করে দেখানোর জন্য সমালোচনা করেছেন। হ্যাঁ, এটা অবশ্যই ঠিক যে মহাভারতের কোনো মধ্যমণি বা নায়ক নেই। আর যদি কেউ থেকে থাকে, তা নিঃসন্দেহে শ্রীকৃষ্ণ নিজে। আমার দৃষ্টিতে শ্রীকৃষ্ণকেই সেরকমভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিদ্ধার আনন্দ কুমারের এই "মহাভারতে"।

পরবর্তী সুপারিশস্বরুপ এই "মহাভারতের" তৈরিকারকদের কাছে আমার মতো অনেক ভক্তই লেখালেখি করেছেন যেন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরেই যেন শেষ করে না দেওয়া হয় এটি। কিন্তু প্রথমে যেই ২০০ পর্বের বাজেটি মাথায় রেখে কাজ শুরু করেছিল এই সিদ্ধার্থ কুমার ও তার টিম, সেখানে ২৬৭টি পর্বতে শেষ করা কম কষ্টের বিষয় না। সেদিক থেকে চিন্তা করলে অবশ্যই এই তৈরিকারকদের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই হবে। হ্যাঁ, আরো পরবর্তী ঘটনাগুলো দেখালে আমার মতো নতুন প্রজন্মের অনেকেরই ভালো লাগতো, নতুন কিছু শেখা যেতো - কিন্তু সব ভালোর তো একটা শেষ আছে, যেমন সব খারাপের অন্ত আছে। একটা সময় তখন সেটারও আসতো যখন সেটি শেষ হতো। বরং নতুন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে, ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে সিংহাসনে বসিয়ে, ন্যায়ের শাসন পুনঃস্থাপনা করে, অধর্মকে ধ্বংস করে ধর্মের প্রতিষ্ঠা করে এই মহাকাব্যের ইতি টানা কোনো অংশেই বেমানান হয়নি। তাছাড়া, কালকে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪০তম জন্মবার্ষিকীতে (জন্মাষ্টমী) আমাদের মধ্যে কৃষ্ণের বাণী পরিস্ফুটিত হবে - সেই কামনা সিদ্ধার্থ কুমারের ছিলো কিনা জানিনা, কিন্তু তিনি যা করেন ভালোর জন্যই করেন, সেটাই আবার বুঝিয়ে দিলেন। মাঝে শুধু আমার মতো কিছু তরুণ-যুবকদের মাঝে যে নতুন করে সনাতন ধর্ম সম্পর্কে জানার স্পৃহা জাগিয়ে দিয়ে গেলো সেটার অভাব যে অনুভব করব, সে নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই। আমার মতো অনেকেরই হয়ত সারা দিনটা পার করে ক্লান্ত-শ্রান্ত দেহে ঘরে বসে রাতের বেলা এই মহাকাব্য দর্শনের সেই নিত্যকর্ম আর করা হবে না অন্য কোনো কিছু দিয়ে। তবুও বলব, ধন্যবাদ সকল কলাকুশলী, তৈরিকারকগণ, প্রযোজক, পরিচালক সকলকে। আপনারা নতুন প্রজন্মের সনাতনী সমাজকে আবার ধর্মচর্চায় উদ্বুদ্ধ করেছেন নিঃসন্দেহে। আপনাদের প্রাথমিক প্রচেষ্টায় এটি ছিলো কিনা জানি না, তবুও বলবো, 'তিনি যা করেন, ভালোর জন্যই করেন'।

Friday, August 15, 2014

ভারতীয় সেকুলার মিডিয়া ও সমাজ


প্রকৃত খবরঃ- খাবার খারাপ হওয়াতে কর্মচারীকে জোর করে রুটি খেয়ে দেখতে বললেন ক্ষুব্ধ সাংসদ
সেকুলার মিডিয়াঃ- [ঠিক জমল না খবরটা] মুসলিম কর্মচারীকে জোর করে রুটি খাইয়ে রোজা ভাঙ্গালেন শিবসেনার সাংসদ
ভারতীয় হিন্দুঃ- শিবসেনা আপাদমস্তকই সাম্প্রদায়িক
ভারতীয় মুসলিমঃ- শালা ভারতটা হিন্দুদের বাপের সম্পত্তি নাকি??!!! বিজেপি আসার পর থেকে এরা যা নাই তা করছে।
বাংলাদেশী মুসলিমঃ- শালা রেন্ডিয়াগো মালায়ুনের বাচ্চা, শালা মুসলিমদের উপর অত্যাচার করস?? শুয়ারের বাচ্চাগুলার জবাই করা উচিত।
প্রকৃত খবরঃ- বাঙ্গালোরে ৬ বছরের বাচ্চা হিন্দু মেয়ে মুসলিম দ্বারা ধর্ষিতা [প্রকৃত সাম্প্রদায়িক]
সেকুলার মিডিয়াঃ- বাঙ্গালোরে মেয়ে ধর্ষিতা
ভারতীয় হিন্দুঃ- কর্ণাটকে এখন কোন সরকার আছে??
ভারতীয় মুসলিমঃ- অবিলম্বে ভারতে কোরানের আইন চালু করা উচিত
বাংলাদেশী মুসলিমঃ- লুচ্চা মালায়ুন (হিন্দু) দের ধর্ষণের দেশ হইল ইন্ডিয়া।



(সূত্র)

Monday, August 11, 2014

এদের কি মা-বোন নেই?



লালমনিরহাটে জোর পূর্বক ধর্মান্তর, ধর্ষণ। এই নিউজ সম্পর্কে কিছু বলার ভাষা পাচ্ছি না যখন দেখলাম। আমার ব্যর্থতা আমি গালি দিতে পারি না, শুনতে পারি না, সহ্যও করতে পারি না। হিন্দু ছেলেরা মালাউন আর মেয়েরা গণিমতের মাল। এর চেয়ে বড় গালি বোধহয় আর হয় না। ফিলিস্তিনের জন্য মন কাঁদে কিন্তু সত্যি এখন বাংলাদেশের জন্য করুণাও হয় না। ছিঃ বাংলাদেশ ছিঃ। ছিঃ বাঙালি ছিঃ । ছিঃ শুয়রের দল ছিঃ তোরা নারী জাতিকে মা-বোন ভাবতে পারলি না, শুধু ভাবলি ভোগের বস্তু। ধিক!


(Source)

Sunday, August 10, 2014

নারীদের প্রতি ইসলামি বর্বরতার আরেকটি নিদর্শন: নারীর খতনা


এ লেখাটি আমার প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্ত মনস্ক বন্ধুদের জন্য।আমার ফেসবুক আইডিতে কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক বন্ধু না থাকায় লেখাটি দিলাম আশা করি প্রাপ্ত বয়স্করা প্রাপ্ত মনস্কও হবেন।

Saturday, August 09, 2014

Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) tells the truth about Hamas




Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) reveals the truth about how Hamas Terror group aims to kill civilians and uses Palestinian Children as human shields. (CNN interview. July 24 2014)


(Source)

Wednesday, August 06, 2014

শুধুমাত্র কিছু মানুষের উদ্দেশ্যে

সেদিনকার এক ব্লগের মন্তব্যে কিছু বাংলাদেশী অভিযোগ তুললো যে, বাংলাদেশে হিন্দুরা নাকি অনেক শান্তিতেই আছে। আর বাংলাদেশের মিডিয়া নাকি খুবই সচেতন এ বিষয়ে। তুলনামূলক নাকি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমরা নির্যাতিত হলে খবরে তেমন একটা আসে না।

কিছুদিন আগেকার কথা। রোজার মাস রমজানে এক শিবসেনার সংসদ সদস্য না জেনে এক মুসলিম রাঁধুককে খাবারের নিম্নমানের জন্য খাবার মুখে গুঁজে দেয়। ভারতের প্রধান প্রধান সকল চ্যানেল, পত্রিকা, মিডিয়াতেই এটি এসেছে। অথচ যখন সেইসব মানুষকে দেখালাম অমরনাথ তীর্থস্থাণে প্রায় একই সময়ে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের তাঁবুতে মুসলিম কিছু লোক হামলা চালায়, আগুন দেয় - সে খবর পাত্তা পায় না প্রধান গণমাধ্যমগুলোতে।

আর এবারে এক হিন্দু প্রাক্তন শিক্ষিকা গণধর্ষিত হন মাদ্রাসায় এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপের শিকার হন - সে খবর ক'টা মিডিয়াতে এসেছে? হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশীরা খুব সহজেই ভারতের ভুল-ত্রুটী ধরতে পছন্দ করি। আর সেক্যুলার নাম দিয়ে সাম্প্রদায়িক বলে অনেক দোষারোপ করি। এককথায় নিচের কার্টুনটিই বুঝিয়ে দিচ্ছে বর্তমান ভারতীয় গণমাধ্যম:

এই পোস্টটি শুধু তাদের জন্য। যারা কথায় কথায় বলেন ভারতে মুসলিমরা কোণঠাসা হয়ে বাস করে, সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জন্য শান্তিতে টিকতে পারে না। অথচ মনে মনে এমন আশা পুষে সেসব সংখ্যালঘুরা। একটি বারের জন্য শুধু কল্পনা করেন তো কী হতো, যদি বাংলাদেশী সংখ্যালঘু কোনো হিন্দুর দ্বারা মন্দিরে কোনো সংখ্যাগুরু মুসলিম মেয়ে গণধর্ষিত হতো, কেমন হতো মিডিয়া, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া। সে তুলনায় কেমনটা দেখছেন ভারতে? একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন।

Tuesday, August 05, 2014

Children being used as toys


Is this how Islam preaches about treating children?
Is this what Muslims should do to an average children? poor children?
Is this the Arab society show to the world on how to have fun?
Is cruelty another name for rich Sheikhs' fun activities?
Does having money allow someone to play with others' lives?
Will Allah or any God consider such humans as pious?

(collected)

Monday, August 04, 2014

এতে কি মানবতা জাগে?

দেখুন তো এই খবরটিতে মানবতা জাগে কি না!

লালমনিরহাটে অপহরণকৃত হিন্দু মেয়ে ধর্ষিত এবং জোড় করে ইসলামে রূপান্তরকরন। লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার থেকে একটি মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষন করা হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সজোরে ইসলামের রূপান্তরকরনের শিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ২ মে আদিতমারী থানায় বুলেট মিয়া, বাবলু মিয়া ও আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। অপহরণকৃত হিন্দু মেয়েটি জানায় বুলেট মিয়া এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা ২৯ এপ্রিল জোড়পূর্বক তাকে অপহরণ করে। দূর্বত্তরা তাকে অপহরন করার পর কাছের একটি গ্রামে নিয়ে গিয়ে জোড়(পূর্বক ধর্মান্তরকরন এবং ধর্ষণ করে। মেয়েটির পরিবার পুলিশের কাছে সাহায্যের দাবি করলে বরাবরের মত প্রশাসন নিরব ছিল। পরে সংবাদটি মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপহ্বত মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এদিকে বুলেট মিয়া ও তার সঙ্গীরা অপহরনকৃত মেয়ের পরিবারটিকে বিয়ে এবং ইসলামের রূপান্তরের বিষয়টি পুলিশের কাছৈ স্বীকার না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তদন্তাধীন(কর্মকর্তা জেলা উপ-পরিদর্শক জাফর ইকবাল বলেন অভিযুক্তরা এখনো পলাতক আছে কিন্তু তারা ধরাছোয়ার বাইরে নয় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে যথেষ্ট তত্পর এবং তারা তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটির পরিবারে পক্ষ থেকে বলা হয় দুর্বত্তরা এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী তাই পুলিশ তাদের হাতের কাছে পেয়েও গ্রেফতার করেনি।

(সূত্র

Sunday, August 03, 2014

2002 Gujarat Riot.....in a different way

A kid named, X, was living happily with his friendly neighbours, Y & Z. But there was animosity between the parents of X, Y & Z (respectively, A, B & C). Then, one night on the return from a holy place, A's parents M & N, and some others who were of old age & felt they had earned enough virtues through their pilgrimage were coming back; but some other miscreants, H, J, K & others joined forces to attack on that returning vehicle. As all those old folks died instantly in the fire. A & his friends, D, E, F decided to attack local homes of H, J & K which turned out to be near B & C's place. On this attack, B & C found an excuse to add fuel to their old animosity by assaulting A's house. This caused A to die & eventually led X to take revenge on his father, A & grandparents, M & N's lives. X took out B, C, & his long-time friends Y & Z. He turned into such a killing spree that he killed/attacked most of the associates of B & C, including P, Q, R, S, T, U, V etc. The government eventually caught X. He confessed to his crimes. He asked the judge, when his grandparents (M & N) were brutally burned in the vehicle, he kept quiet. He did not agree nor disagree with his father, A. But when his father, A was also killed by his friend's parents, he could not bear it any longer. Ask yourself: if you were in X's place, what would you have done? Would you keep quiet to watch your grandparents & then your parents die mercilessly? What would your reaction be? How would the rest of your childhood be? What dream would you be dreaming growing up when all your close family members are gone & you have no one to look up to, no one to take care of you?

I'm not saying it was justified to kill 3000 people harshly is acceptable. But put yourself in the shoes of that kid, X. What would you have done? I know you might say if violence will lead to violence, then there is no end to it. But losing everyone in your family, could a normal human being stay peaceful, quiet, unmoved, unresponsive? Even if so, for how long? Will there not be an outburst of emotion which can come out as burning fire & raze through others in his way? Isn't that what has been shown through our Parshuram avatar's legacy?

Saturday, August 02, 2014

আরেকটি গাজার মতো ঘটনা রুখতে আজই এগিয়ে আসুন

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: সমালোচনা গ্রহণ করার মনোবৃত্তি নিয়ে যদি পড়ার সাহস থাকে তাহলেই শুধু পড়বেন, নতুবা উল্টা-পাল্টা গালিগালাজ করে নিজের এবং লেখকের সময় নষ্ট করবেন না]

George Orwell এর "1984" যখন ১৯৪৮ সালে লেখা হয়, তখন অনেকেই এটিকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলো। বলেছিলো এ সম্ভব নয়। লেখক অনেক সমালোচনারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু বেশীদিন লাগেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে শীতল যুদ্ধের সময়কালীন পর্যায়েই George Orwell এর কথাগুলো সত্য হতে থাকে। আর আজ ২০১৪ সালে তো এ বিষয় এমনই সত্য যে, এ ভিন্ন সমাজকে কল্পনা করাও প্রায় অসম্ভব। একেবারে যেন আমাদের আমাদের সামাজিক জীবনের অংশেই ঢুকে গেছে যে এ নিয়ে এখন আর আমাদের মাথা ব্যথাই আর নেই। যা হোক, পাঠক যদি এ বই না পড়ে থাকেন, নিজ দায়িত্বে পড়ে নেবেন আর তখনই বুঝবেন কোন ভবিষ্যতবাণীগুলো George Orwell করেছিলেন যা পরবর্তীতে সত্যরূপে ফলতে থাকে।

Monday, July 28, 2014

সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

সম্প্রতি ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের নিকটবর্তী অমরনাথ তীর্থক্ষেত্রে হিন্দু তীর্থযাত্রীদের উপর মুসলিমরা আক্রমণ করে। এতে শতাধিক তীর্থযাত্রীদের তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চল্লিশেরও অধিক ব্যক্তি আহত হন। একই সময়ের দিকে নয়াদিল্লীতে এক সাংসদ (যিনি শিব সেনার সদস্য) ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবারের জন্য ক্যাটারিংয়ের এক কর্মচারীর মুখে ছুড়ে মারেন খাবার। পরে জানা যায় সেই কর্মচারী একজন মুসলিম ছিলেন। পরবর্তীতে কংগ্রেস পার্টির সাংসদরা সংসদ নিকটস্থ এলাকায় হুলোস্থুল কান্ড করেন সাম্প্রদায়িকতার দোষ দিয়ে।

সংবাদ মাধ্যমগুলোতে যদি দেখি, সেটা বাংলাদেশ কিংবা ভারতের যেখানেরই হোক না কেন, দ্বিতীয় খবরটি বেশ ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে। এমনকি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর ইফতার নিমন্ত্রণে না আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বেশ সমালোচিত হয়েছেন, সেটিও বর্তমান মিডিয়া দুনিয়ায় ঠিকই ফলাও হয়ে প্রচারিত হয়েছে।

পাঠকের নিকট আমার প্রশ্ন, একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করে বলুন তো, কোন খবরটা প্রাধান্য পাওয়া উচিত ছিলো? বলুন তো কেন তীর্থযাত্রীদের উপর হামলার ঘটনা গোটা মিডিয়া বিশ্ব উপেক্ষা করে গেলো? বলুন তো সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে কোনটি আরো বড় গুরুতর?

তারপরেও আমরা জানি ভারত একটি সাম্প্রদায়িক দেশ, যে দেশে সংখ্যালঘুরা মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারে না। যে দেশে সংখ্যাগুরুরা সংখ্যালঘুদের হাতে হামলার শিকার হয়েও দেশটি সাম্প্রদায়িকতার কালিমা নিয়ে পরিচিত। যে দেশে সংখ্যালঘুদের হাতে সংখ্যাগুরুদের তীর্থস্থাণের নিকট হামলার ঘটনা সংবাদ মাধ্যম উপেক্ষা করলেও দেশটি সাম্প্রদায়িক হিসেবেই আখ্যায়িত হয়। যে দেশে একজন সংখ্যালঘু রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি হওয়া সত্ত্বেও দেশটি অসাম্প্রদায়িক। যে দেশের এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (পশ্চিমবঙ্গ) এবারে দুর্গাপূজা ও ঈদ একই সময়ের দিকে পড়ায়, প্রতিমা বিসর্জন পেছাতে আদেশ দিয়েছেন সংখ্যাগুরুদের যাতে করে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় রীতি-নীতি পালনে কোনো প্রকার অসুবিধা না হয়, তারপরেও সে দেশটি সাম্প্রদায়িক। যে দেশে স্বাধীনতা পরবর্তী ৬০ বছরেরও অধিক সময়ে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যদিও সংখ্যাগুরুদের ছাড়িয়ে যেতে পারেনি, কিন্তু সংখ্যার (%) দিক থেকে বেড়েছে।

আর এবারে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা বলি। যে দেশে স্বাধীনতা পরবর্তী ৪০ বছরেরও বেশী সময়ে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা ৩৩% থেকে ৯% এ এসে ঠেকেছে সর্বশেষ আদমশুমারী অনুযায়ী। যে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য, রায় ঘোষণা, ফাঁসীর বাস্তবায়নের সময় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়। যে দেশে সংখ্যাগুরুদের রোজার মাসে সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয় নামাজ-সংযম শেষ করে। যে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর ধর্ষণ, হত্যা, লুন্ঠনের খবর মূলধারার মিডিয়া প্রচারে অপারগ। যে দেশে সংখ্যালঘু কেউ পাশের দেশে চলে গেলে তার সম্পত্তি তার আত্মীয়-স্বজনের বদলে শত্রু সম্পত্তি হয়ে সরকারের ঘরে চলে যায়। কিন্তু তবুও সেই দেশ অসাম্প্রদায়িক।

তাহলে একটু বুঝিয়ে বলুন তো, আসলে সাম্প্রদায়িকতা আর অসাম্প্রদায়িকতার সংজ্ঞা কি একই আছে যা আমরা অভিধানে শিখেছিলাম? নাকি এদের অর্থ হঠাৎই বদলে গেছে?

আমি মানছি, সংখ্যালঘু যে দেশেই বাস করুক না কেন, সে ইউরোপ-আমেরিকাই হোক, কিংবা গরীব কোনো তৃতীয় বিশ্বের দেশই হোক না কেন, তার কপালে দুঃখ আছেই। কিন্তু বাংলাদেশে যে হারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে হিন্দুমুক্ত বাংলাদেশ হতে বেশী সময় লাগবে না। আর এতে লাভ তো সকল গ্রুপেরই - সে আওয়ামীই হোক, বিএনপিই হোক, জঙ্গীবাদী জামায়াতই হোক কিংবা সেক্যুলার সুশীল সমাজই হোক। কেননা প্রতিটা হিন্দু চলে গেলে তো তার জমি-জমা, বিষয়াদি এদের কেউ না কেউই দখলে নেবে। তখন জাদুঘরে গিয়ে ভবিষ্যত প্রজন্ম জানবে বাংলাদেশে এককালে হিন্দুগোষ্ঠী নামক এক জাতি বাস করত। আর তখন সাম্প্রদায়িকতা-অসাম্প্রদায়িকতার যে কী সংজ্ঞা হবে তা কেই বা জানে?

Friday, July 25, 2014

মানবতা কি এখন জাগে না?


রবিবার সকালে পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া শফিরহাট এলাকায় এক হিন্দু পরিবারের দুই মহিলাসহ ৪জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করা ও তাদের বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে তাদের দুই বিঘা জমি বেদখল করে নিয়েছে দুর্র্বৃত্তরা। আহতদের সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ তবে এখনো দুর্র্বত্তদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। আহতরা হলেন বিধবা পুস্প রানী সেন, তার দুই ছেলে শ্যামল চন্দ্র সেন, কমল চন্দ্র সেন ও শ্যামল চন্দ্র সেনের স্ত্রী দীপালি রানী সেন। স্থানীয় প্রভাবশালী আবুল হোসেন ও তার লোকজন ওই হিন্দু পরিবারের আবাদি জমি দীর্ঘদিন থেকে জোড়পুর্বক ভোগদখল করে আসছিলেন।
হিন্দু পরিবারটি আদালতের আশ্রয় নিলে গত ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতের হিন্দু পরিবারটির পক্ষে রায় দেন। আবুল হোসেন ও তার লোকজন ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে আজ সকালে ওই পরিবারটির উপর হামলা বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে জমি আবারো বেদখল করে নেয়।



(Source)

Wednesday, July 23, 2014

আমি গর্বিত, আমি হিন্দু

অন্তত ঈশ্বরের নামে জোরে জোরে চিৎকার করতে করতে নীরিহ মানুষ হত্যা করতে শিখিনি আমি। অন্যের উপাসনালয় ভেঙ্গে বা দখল করে আমার ঈশ্বরের মন্দির গড়তেও শিখিনি আমি। ভিণধর্মি নারীকে ফ্রি ভোগ করবার অনুমতি দেয়নি আমাকে আমার ঈশ্বর। আমার ধর্মগুরুরা সহস্র মানুষের সামনে আমার ধর্মানুষ্ঠানে অন্যধর্মীদের গালিগালাজ করে না, আমাকে গালিগালাজে উৎসাহও দেয় না। আমি যখন প্রার্থণা করি, সমগ্র পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুলের জন্য প্রার্থণা করি। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এক সম্প্রদায়ের জন্য প্রার্থণা করে আজন্ম সাম্প্রদায়িকতা লালন করি না। কাউকে জোর করে ধর্মান্তর করবার মত কুমন্ত্রও শেখানো হয়নি আমায়।

শুধুমাত্র হিন্দু বলে যা যা করিনা আমি, যা যা শিখিনি তার জন্য নিশ্চিত করেই গর্বিত আমি। নিশ্চিত করেই হিন্দু পরিবারে জন্মেছি বলে এতগুলো অপকর্ম আমাকে স্পর্শ করবে না কোনদিন।


(লেখক - Bosu Siddarto Sidhu)

Tuesday, July 22, 2014

মুমিনীয় ভন্ডামী

খবরঃ ইসরাইলের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন ফিলিস্তিনী নিহত ও কমপক্ষে ৫০ জন আহত।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ ইয়া আল্লাহ! তুমি ইসরাইলকে ধ্বংস কর। ইহুদীদের উপ্রে তোমার গজব বোমা ফালাও। মানবধিকার সংস্থাগুলু কুতায়? জাতিসংঘ কুতায়? নিরীহ মুসলিম বাচ্চাদের লাশ দেকে কি আফনাদের ফ্রাণ কান্দে না?
খবরঃ হামাসের রকেট হামলায় ১০ জন ইসরায়েলী নিহত।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ আল্লাহ হুয়াকবর! আল্লাহ হুয়াকবর!! ইহুদী মাইরা পুইতা পালামু
খবরঃ আফগানস্থানের একটি মসজিদে নামাজরত অবস্থায় তালেবানের বোমা হামলায় মসজিদ উড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে মারা গেছে প্রায় তিনশো জন মুসল্লী।
মুমিনীয় মন্তব্যঃ ..... ইয়ে মানে জরিনার মায়ের খুব ব্যাথা উঠছে! মনে অয় আরেকটা দিব। সবাই দুআ করেন আমার ১০ নাম্বার বাচ্চাটা যেন ১০ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামতে পারে!

(সূত্র

Monday, July 21, 2014

Sunday, July 20, 2014

শান্তির ধর্ম

সিরিয়ায় ১,৭০,০০০ জন নিহত হয়েছে গত ৩ বছরের যুদ্ধে। মুসলিমের হাতে মুসলিম মরলে কোন মুসলিম উম্মার ক্ষতি হয় না , যেমন বাঙ্গালী ৩০ লক্ষ মানুষের উপর গণহত্যা চালিয়ে ফাকিস্তান মোল্লাদের কাছে প্রিয় দেশ
আচ্ছা ইসলাম অর্থ কি?
আমি তো জানি 'শান্তি'!
এবার বল, পৃথিবীতে সবথেকে শান্তির দেশ কোনটা? অবশ্যই নরওয়ে! তাহলে ইসলামের দেশ কোনটা হবে?নরওয়েই তো হওয়ার কথা! অর্থাত্ বিশ্বে কোনো মুসলীম দেশকেই আমরা ইসলামের দেশ বলছি না !!! বিশ্বজুড়ে শান্তি !
প্রতিপক্ষ- মুসলিম বনাম নাস্তিক (বাংলাদেশ),
মুসলিম বনাম হিন্দু (কাশ্মীর),
মুসলিম বনাম ইহুদি (ফিলিস্তিন),
মুসলিম বনাম বৌদ্ধ (মায়ানমার),
মুসলিম বনাম খ্রিষ্টান (আফগানিস্তান),
মুসলিম বনাম কম্যুনিস্ট (চেচনিয়া)
স্বভোজী :-
মুসলিম বনাম মুসলিম (পাকিস্তান + মিশর + সিরিয়া), শিয়া বনাম সুন্নি (ইরাক),
মোহাম্মদিয়া বনাম আহমদিয়া (পাকিস্তান),
শরিয়ত বনাম ত্বরিকত (বাংলাদেশ), তারপরেও তুমি কীভাবে অস্বীকার করবে,ইসলামই একমাত্র শান্তির ধর্ম



(সূত্র

Saturday, July 19, 2014

রমজানের সংযম

কয়েকবছর আগে সিলেটে রমজান মাসে মাজারের পাশে দাঁড়িয়ে আছি, কয়েকজন চাপদাড়ি এবং সাদা পাঞ্জাবি পড়া তরুণ আমাকে ধর্মবিষয়ে নসিহত করতে এগিয়ে এলো। ছেলেগুলো শিবির সদস্য, তাদের রমজানের কার্যক্রম হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় ওয়াজ নসিহত করা। সাধারণত তাদের দেখলেই লোকজন কাজ আছে বলে কেটে পরে, কিন্তু আমি কেটে পরলাম না। আমার নাম জিজ্ঞেস করলো, নাম বললাম। তাতেই তারা নিশ্চিত হলো আমি মুসলমান। এরপরেই শুরু করলো বয়ান। আমার কলবে কী আল্লাহর ভয় নাই? আমার দিলে কি মুহাম্মদের জন্য ভালবাসা নাই? আমার কী ইসলামের জন্য জিহাদ করে জীবন দিতে ইচ্ছা করে না? আমি উদাস ভঙ্গিতে তাদের সামনেই একটা বিড়ি ধরিয়ে বললাম, নারে ভাই, আমার এত চুলকানি নাই।

Friday, July 18, 2014

ভারত মহান তাদের রুপ দেখে আমি হয়রান


বিদ্যা বালান একটি ছবির প্রমোট করতে গুজরাট গিয়েছিল আর মোদীর ভাবনাকে নকল করতে চেয়েছিল কিন্তু গুজরাটের মানুষ তাকে করতে দেয়নি আর সে কারনে হিন্দুদের উপর রাগ করে সে হায়দ্রাবাদের মাহিম দরগায় মুনাজাতে বিদ্যা বালান! এটা আজ ভারতের আসল রুপ। নিজের লাভের জন্য ধর্মকে পূঁজি করে।
কাল হিন্দুদের শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা গিয়েছে কিন্তু ভারতের শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান সহ অনেক ক্ষমতাশীল মুসলিমকে কি দেখেছেন হিন্দুদের অভিনন্দন জানাতে? না তারা কখনও তাদের ধর্ম অনুভূতিতে আগাত লাগে এমন কাজ করবে না।

Thursday, July 17, 2014

"সামান্য" ইফতারীর আয়োজন

রমজানের মাস সংযমের মাস। তাই সৌদী আরবে "সামান্য" ইফতারীর আয়োজন:

 



(সূত্র