Showing posts with label science. Show all posts
Showing posts with label science. Show all posts

Wednesday, January 13, 2016

Monday, June 16, 2014

জোকার নায়েকের যুক্তি



জোকার নায়েক দাবি করছে যে, কোরআনে প্রথম লেখা হয়েছে যে সূর্য স্থির এবং পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহ এর চারিদিকে ঘুরছে। এই মিথ্যা অপবাদটা সে সর্বপ্রথম দেয়।

কোরআনের সৃষ্টি অর্থাত্‍ ইসলামের সূচনা ঘটে মাত্র ১৫০০ বছর আগে। এর আরো ১০০০ বছর পূর্বে অর্থাত্‍ প্রায় ২৫০০ বছর পূর্বে কোপারনিহাস সর্বপ্রথম বলেন যে সূর্য স্থির এবং পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। সেসময়ের ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত জ্যোতিষবিদ আর্যভট্ট ও প্রমাণ করে দেখান যে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।

তারপর সূচনা ঘটলো ইসলাম ধর্মের এবং তারা এখন দাবি করছে কোরআনে নাকি এসব সবার প্রথম বলা হয়েছে!

একটা কথা আপনাদের জানানো প্রয়োজন এই যে, ইসলাম ও কোরআন সৃষ্টির পূর্বেই কোপারনিহাস এবং আর্যভট্ট এইসব আবিষ্কার করেন, সবার সামনে তুলে ধরেন এবং মারা যান উনারা।

আমার এখানে প্রশ্ন হলো, তাহলে কেন মুসলিমরা বিশেষ করে এই জোকার নায়েক ফালতু যুক্তি দিয়ে সাধারণ মানুষদের বিভ্রান্ত করছে? 



(সূত্র

Monday, May 26, 2014

Zakir Naik exposed


He needed to be exposed. We are happy that finally someone did. In just 5 minutes, 25 mistakes.

Wednesday, July 31, 2013

Can ELECTRICITY pass through flash light of the digital camera to your body?

This is a true incidence reported of a boy aged 19, who was studying in 1st year of engineering, who died in Keshvani Hospital, Mumbai. He was admitted in the Hospital as a burned patient. Reason ??????

This boy had gone to Amravati (a place located in State of Maharashtra ) on a study tour, on their return they were waiting at the railway station to catch the train. Many of them started taking pictures of their friends using "Mobile Phones" and / or "Digital Camera". One of them complained that, he was unable to capture the full group of friends in one frame in the Digicam.
This boy moved away to a distance to get the whole group.

He failed to notice that at an angle above his head, 40,000 volts electrical line was passing through.
As soon as he clicked the digital camera? 40,000 volt current passed through the camera flash light to his camera and then from his camera to his fingers & to his body. All this happened within a fraction of a second. His body was half burned.
They arranged for an ambulance & his burned body was brought to Keshavani Hospital, Mumbai.

For one & half days or so he was conscious & talking. Doctors did not have much hopes as there was a lot of complex issues in his body. He passed away later.
Now how many of us are aware about these technical threats & dangers? Even if we are, how many of us are adhering??

* Please avoid mobile phones on petrol outlets.
* Please avoid talking on mobile phones while driving.
* Change that "Chalta Hai Yaar Attitude".
* Please avoid talking on mobile phones while kept in charging mode without disconnecting from wall socket.
* Please do not keep mobile phones on your bed while charging and / on wooden furniture.
* Avoid using mobile phones / Digital cameras near high voltage electrical lines like in railway stations and avoid using flash.
 
(collected)

Tuesday, July 30, 2013

Tonoscope-এ ওঁ


একুশ শতকের উদ্ভাবন টোনোস্কোপ (Tonoscope) এ তৈরী হল হাজার বছরের পুরনো বৈদিক সংকেত "ওঁ"!!!

ছবিটি দেখে চিনতে পারছেন তো? একটি বৃত্তের ভেতর কয়েকটি ক্রিসেনট্রিক আকারের গঠন সম্বলিত রেখাসমষ্টি হিন্দুধর্মে যন্ত্র মন্ডল বা শ্রীচক্র নামে খ্যত। এ চিহ্নটি সকলের কাছেই পবিত্র বলে গৃহীত। বৈষ্ণবরা একে শ্রীগোবিন্দের বৈকুন্ঠের আকৃতি হিসেবেও বিশ্বাস করে!

কিন্তু আসলে কি তাই?

সুইস বিজ্ঞানী Dr. Hans Jenny, যিনি আকার গঠন বিদ্যা (Cymatics) জগতের একজন পথিকৃত হিসেবে স্বীকৃত, তিনি আজীবন শব্দসমূহের প্রতিচ্ছবি নিয়ে গবেষনা করেছেন। তিনি টোনোস্কোপ (Tonoscope) নামক এক যন্ত্র আবিস্কার করেন যার মধ্য দিয়ে শব্দ প্রবেশ করালে তার একটি ছবি তৈরী হয়।

তিনি টোনোস্কোপ এর ভেতর দিয়ে শুদ্ধ উচ্চারন এ ওঁ ধ্বনি প্রবেশ করান এবং যে ছবিটি পান তা হল যন্ত্র মন্ডল বা শ্রীচক্র এর ছবি!

অলৌকিক ক্ষমতাবলেই বৈদিক ঋষিগন ওঁ ধ্বনির প্রতিচ্ছবি আঁকতে সক্ষম হয়েছিলেন যা আধুনিক বিজ্ঞানের কৃপায় আমরা আজ জানতে সক্ষম হয়েছি।

ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি

(By-Niloy Arya)

Tuesday, May 14, 2013

নিউটনের গতির সূত্র সনাতন ধর্মের বেদে



ইউরোপিয়ান বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৬৬ সালে গতি সুত্র আবিষ্কার করেন । কিন্তু আমাদের সনাতন ধর্মের বেদজ্ঞ ঋষি , তথা বিখ্যাত দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক তাঁর বই "শেশিক"-এ লিখে গেছেন । বিশেষিকা হল প্রাচীন ভারতবর্ষর একটা হিন্দু স্কুল যেখানে বেদ থেকে শিক্ষা দান করা হত ।

তিনি লিখেছেন -

১। বেগ: নিমিত্তবিশেষাৎ কর্মণো জায়তে ।

মানে: একমাত্র বল প্রয়োগ করেই বেগের পরিবর্তন করা যায় ।


২। বেগ: নিমিত্তপেক্ষাৎ কর্মণো জায়তে নিয়তদিক ক্রিয়াপ্রবন্ধহেতু ।

বেগের পরিবর্তন প্রয়োগ করা বলের পরিবর্তনের সাথে সমানুপাতিক । এবং বল প্রয়োগ হয় যে দিকে বেগের পরিবর্তনও হয় সে দিকে ।


৩। বেগ: সংযোগবিশেষবিরোধী ।

ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া সমান কিন্তু বিপরীত ।

(সূত্র: মিমি আর্য)