Showing posts with label temple. Show all posts
Showing posts with label temple. Show all posts

Monday, April 04, 2016

Yet we call India a communal country

Both temple (mandir) & mosque (masjid) co-exist side-by-side in a town of Pune, India with utmost harmony & peace between the followers of both Hindu & Muslim faiths. Yet our general perception is that India is the most communal country of the world, or at least some consider it to be so.


[Source: NDTV]

Sunday, January 03, 2016

শান্তির ধর্মের শান্তির নমুনা


আমরা সচরাচর শুনে আসি ইসলাম মানেই শান্তির ধর্ম। ঐতিহাসিকভাবে এই ধর্মের মানুষ বিশ্বের চারপাশে ছড়িয়েছে। শুধু বসত বাড়ি করেই এরা অভিবাসী হয়নি, তার সাথে সাথে এদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে অন্য ধর্মের উপাসনালয়কে ধ্বংস করতেও এদের বাধেনি। অথচ আজকের শিশু-কিশোরদের শিক্ষা দেওয়া হয়, মুঘলদের মতো সম্রাটের যখন ভারতবর্ষ শাসন করেছে, অনেক শান্তিতেই নাকি ছিলো তৎকালীন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এই কি তার নমুনা? 

আজকের ভারতের বেশীরভাগ মন্দিরগুলোর আশে পাশে কিংবা মন্দিরের সাথে লাগিয়েই, অথবা মন্দির ভেঙ্গে সেই জায়গাতেই মসজিদ দেখা যায়। উদারপন্থীদের কথা অনুযায়ী মুসলিমরা যদি শান্তিপ্রিয়ই হতো, তাহলে কেন অন্যের ধর্মে আঘাত করে নিজের ধর্ম পালন করে? ওদের কোনো মসজিদ ভেঙ্গে যদি কেউ মন্দির, গীর্জা নির্মাণ করে তখন তাদের মনে কতটা আঘাত পৌঁছবে? আমাদের সুশীল সমাজ কি কখনো এটি ভেবে দেখে? অন্যের উপর কিছু করার আগে কখনো কি ভেবে দেখে ওরা ওদের নিজেদের ওপর এমনটি হলে ওদের কেমন লাগতো? 

উল্লেখ্য, কেউ কিন্তু এখানে মসজিদ নির্মাণে বাধা দিচ্ছে না। পাঠক লক্ষ্য করবেন উপরোক্ত স্থাণগুলোতে মন্দির ভেঙ্গে কিংবা মন্দিরের খুব সন্নিকটেই মসজিদ নির্মাণ হয়েছে। এটি কতটা সুশোভনের মতো আচরণ? ধর্মীয় স্বাধীনতার এই কি ফল? এটি কতটা শান্তিপ্রিয়? এতে শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটাটা কি অস্বাভাবিক? কোনো উগ্রপন্থী কি তৈরি হবে না এমনতর আচরণে? করবে না ধ্বংসযজ্ঞ সেসব মসজিদে? তৈরি হবে না ঘৃণা-বিদ্বেষ আর চরম শত্রুতার? তখন কেউ কি ভেবে দেখে এর পূর্বের কারণটি? 

পাঠক যাচাই করবেন। 


(সংগৃহীত) 

Saturday, November 07, 2015

Kailasa Temple, Ellora


This is one of the largest ancient rock-cut temple of Indian civilization of Hindu belief. The structural architecture of this grand temple can teach us a lot about Hindu history of the past, their modern understanding of building complex structures & the need to preserve such priceless piece of history with all that we have today.


[collected]


Tuesday, September 16, 2014

যুদ্ধপূর্ববর্তী রমনা কালী বাড়ি


আজ যে ছবিটি আপনাদের দেখাব সেটা বাংলাদেশের ঢাকা শহরের খুব বিখ্যাত একটি জায়গা। ১৯৭১ সালে জায়গাটির নাম ছিল রেসকোর্স ময়দান যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।ছবিতে দূরে যে মঠ সদৃশ মন্দিরটি দেখছেন ওটাই সেই বিখ্যাত রমান কালী বাড়ি।

রমনা কালী মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল। এটি রমনা কালীবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি প্রায় এক হাজার বছরেরও পুরাতন বলে বিশ্বাস করা হয় এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা পার্কের (যার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বহির্ভাগে অবস্থিত।এই মন্দিরটিরও একটা গল্প আছে। একবার নাকি নেপাল থেকে দেবী কালীর একজন ভক্ত এসেছিলেন। তিনিই তৈরি করেছিলেন এই কালী মন্দির। ঢাকা শহরের অন্যতম পুরোনো আর বনেদি এই কালী মন্দিরটি পরে ভাওয়ালের রানী বিলাসমণি দেবী সংস্কার করেন।মোঘল আমলের শেষ দিকে মোঘল সেনাপতি মান সিংহের সহযোগিতা ও বার ভূঁইয়ার অন্যতম কেদার রায় এর অর্থে শাহবাজ মসজিদের উত্তর দিকে হরিচরণ গিরি ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন কৃপা সিদ্ধির আখড়া যা পরবর্তীতে ভদ্রাকালী বাড়ী এবং পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয় রমনা কালী মন্দির হিসেবে।

ঊনিশশো একাত্তর সালের ছাব্বিশে মার্চ সকাল এগারোটার দিকে পাকিস্তানি সেনারা এই আশ্রমে প্রবেশ করে। পুরো আশ্রম ঘেরাও করে এরা লোকজনদের আটকে রাখে- বের হতে দেয় না কাউকে। সে সময় এই পিশাচদের সাথে ছিলো পুরোনো ঢাকা থেকে ১৯৭০ এর নির্বাচনে পরাজিত মুসলীম লীগ প্রার্থী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অন্যতম দোসর খাজা খায়েবউদ্দিন। প্রধানত এই হিংস্র জানোয়ারের তৎপরতায়ই ২৭ মার্চের গভীর রাতে রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়।

২৭ মার্চ গভীর রাতে সান্ধ্য আইন চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মন্দির ও আশ্রম ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সার্চ লাইটের আলোতে গোটা রমনা এলাকা আলোকিতো হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় গুলিবর্ষণ। রমনা কালীমন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমা গুঁড়িয়ে দেয় এই অসভ্য বর্বর সেনাবাহিনী।মন্দির তারপর গোলাবর্ষণ করে- মন্দির ও আশ্রম পরিণত হয় এক ধ্বংসাবশেষে।

সেখানেই তারা হত্যা করে রমনা কালী মন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী পরমানন্দ গিরিকে। ইতিহাস পাঠে জানা যায়- এই সাধক মৃত্যুর আগে আশ্রমের অন্যান্যদের উদ্দেশে বলে গিয়েছিলেন- আমি তোমাদের বাঁচাতে পারলাম না, কিন্তু আশীর্বাদ করি- দেশ স্বাধীন হবেই। সব শেষে বোমা দিয়ে ধ্বংস করে দেয় পুরো মন্দির। (ছবিতে সাদাকালো অংশ ধ্বংস হবার আগের মন্দির) । রমনার কালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে একাত্তরের শহিদ হয় শতাধিক ভক্ত ।

পাক সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে ‘৭১’র রমনা কালি মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমটি দুটি ধ্বংস করেছিল। কিন্তু তা আজও নির্মাণ হয়নি। এই মন্দিরটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ২য় বৃহত্তর জাতীয় মন্দির। অবিলম্বে এই মন্দিরটির জায়গা ও মন্দিরটি পুনঃনির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাই। 


(সূত্র

Tuesday, September 09, 2014

ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন


চলতি পথে ইদানীং বেশ কিছু বরাহ শাবকের দেখা পাচ্ছি যেগুলো বিভিন্ন সময় বলার চেষ্টা করে বা বোঝাবার চেষ্টা করে কিংবা স্রষ্টা প্রদত্ত লজ্জা নামক বিষয়টি ছুড়ে ফেলে বলেই ফেলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা নাকি ভারতের মুসলিমদের থেকে ভাল আছে। এই অমানুষ গুলো শুধু এটুকুই বলে না আরও বলে বাংলাদেশে নাকি হিন্দুদের উপর কখনও নির্যাতন করা হয় না বা সামান্য কিছু নির্যাতন ছাড়া আর কখনও হয়নি।এই সকল নির্লজ্জ বেহায়া প্রজাতির বরাহ যারা নিজেদেরকে মনুষ্যগর্ভে জন্মগ্রহন কারী বলে দাবী করে তাদের মুখের উপর এই লেখাটি ছুড়ে দেবেন।

Wednesday, July 16, 2014

আজ গাজায় নিহত শিশুদের নিয়ে যেসব হিন্দু স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা কি ভারতে হিন্দু হওয়ার অপরাধে ভারতীয় মুসলিমদের হাতে নিহত এই শিশুদের কথা জানে?


প্রথমেই আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন করি, ২০০২ সালে গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দিরের শান্তির ধর্মের অনুসারীদের হামলার কথা আপনারা কজন জানেন? মনে হয়না খুব বেশি সংখ্যক মানুষ জানেন বা মনে রেখেছেন।এই আত্মবিস্মৃত হিন্দু জাতি ২০০২ সালের কথাই মনে রাখতে পারে না তারা কি করে শত শত বছর আগে ধ্বংস করা মন্দির গুলোর কথা মনে রাখবে??? দিনটা ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০২,ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধী নগরে অবস্থিত সুবিখ্যাত এবং অনিন্দ্য সুন্দর অক্ষরধাম মন্দিরে প্রতিদিনের মত হাজার হাজার পুন্যারথি আর দর্শনার্থী হাজির হয়েছেন। তখন বেলা ৩টা।মধ্যাহ্ন ভোজনের পর আবারও ধিরে ধিরে ভিড় জমে উঠছে মন্দিরে। মুর্তজা হাফিজ ইয়াসিন আর আশরাফ আলি মুহাম্মদ ফারুক নামে দুজন শান্তির ধর্মের অনুসারী অক্ষরধাম মন্দিরের ৩ নম্বর ফটক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করল।তাদের শরীরের কাপড়ের আড়ালে লুকান একে ৪৭ আর গ্রেনেড। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের কারনে তারা ঢুকতে পারল না গেট দিয়ে।এভাবে যখন আর সম্ভব হচ্ছিল না তখন মরিয়ে হয়ে দেয়াল টপকে ঢুকেই শুরু করল গুলি বর্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের বুক স্টলের কাছে লুটিয়ে পড়লেন একজন মহিলা দর্শনার্থী এবং একজন মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক।এরপরই এই মুসলিম জঙ্গিদ্বয় প্রধান মন্দির কমপ্লেক্সে ঢুকতে চেষ্টা করল।কিন্তু মন্দির রক্ষিগণ আটকে দিল প্রধান ফটক।ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিরা দৌড়ে ঢুকতে চেষ্টা করল মাল্টিমিডিয়া থিয়েটারে।কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হল। অবশেষে তারা ঢুকে পড়ল ১ নম্বর একজিবিশন রুমে।সেখানে তারা নিরবিচারে গুলি বর্ষণ করল। হতাহত হল প্রচুর।এরপর জঙ্গিরা উঠল মন্দিরের ছাদে। বিকাল ৫ টা নাগাদ সমস্ত এলাকা পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী ঘিরে ফেলে।কিন্তু তারা জঙ্গিদের ধরতে ব্যর্থ হয়।রাত ১১ টা নাগাদ ‘ব্লাক ক্যাট’ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরস এসে দায়িত্ব নেয়।এরপর শুরু হয় আসল অপারেশন যার নাম দেয়া হয় ‘বজ্রশক্তি’।সকাল ৬টা নাগাদ জঙ্গিদ্বয় গুলিতে নিহত হয়।কিন্তু এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে মারা গেছেন ৩০ জন সাধারন মানুষ আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।জঙ্গিরা নিষ্পাপ শিশুদেরও মারতে দ্বিধা বোধ করেনি।এই অপারেশনের সময় গুরুতর আহত হন সিকিউরিটি ফোরসের সদস্য সুরজান সিং ভাণ্ডারী। প্রায় দুই বছর কোমাতে থাকার পর ২০০৪ সালে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে গুজরাট রাজ্য সরকার, ভারত সরকার,ইন্টারপোল,সি আই এ এবং আরও কিছু দেশি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বের হয়ে আসে এই হামলা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই হামলার পরিকল্পনা করে জইশ ই মুহাম্মদ নামক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন। আশরাফ আলি আর মুর্তজা ইয়াসিনের সাথে আইয়ুব খান নামক জঙ্গি পাকিস্তানের লাহোর পিণ্ডি হতে খালী হাতে গুজরাটের আহমেদাবাদে হাজির হয়।সেখানে তাদের কে আশ্রয় দেয় সেলিম হানিফ শেখ ও আদম সুলেমান আজমেরি নামক ভারতীয় মুসলমান যারা ভারত মাতারই ক্রোড়ে লালিত হয়েছিল সারাটি জীবন। আজমেরি তার ভাইয়ের বাড়িতে থাকার জায়গা করে দেয় এবং আরও কিছু ভারতীয় মুসলিম জঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যারা পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আগেই এনে রেখেছিল। ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে আজমেরি, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মুহাম্মদ শেখ সহ ৬ জনকে আটক করে।সর্বশেষ ২০১০ সালে গুজরাট আদালত ৩ জনকে ফাসি এবং ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাগারে দণ্ডিত করে। এভাবেই ভারতের মাটিতে জন্ম নেয়া,ভারত মাতার ক্রোড়ে লালিত মুসলিম সন্তানদের সাহায্যে পাকিস্তানি ইসলামি জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসের বিষ দাঁত বসিয়েছে ঐতিহাসিক কাল থেকে।


(সংগৃহীত

Saturday, June 07, 2014

গুজরাট দাঙ্গার উৎপত্তি


আজ আমি গুজরাট দাঙ্গা সংগঠিত হওয়ার কারনটা বর্ণনা করব। আপনি যদি হিন্দু হয়ে থাকেন এটা পড়ার পর আপনার হৃদয় অগ্নিশিখার ন্যায় জ্বলে উঠবে। সেইসব মুসলিম যবনদের প্রতি ঘৃণা জানানোর ভাষাও হারিয়ে ফেলবেন। ওরা আজ 3000 মুসলিম মারার জন্য হিন্দুদের দোষ দেয়। কিন্তু সেই দাঙ্গার ব্যাকগ্রাউন্ডটা যদি জানেন তবে আপনার হৃদয়ের অগ্নিশিখা দাউদাউ করে দাবানলের মত জ্বলতে জ্বলতে ছড়িয়ে পড়বে।

Saturday, May 31, 2014

বৃন্দাবনে সর্বোচ্চ উঁচু মন্দির


পৃথিবীর উচ্চতম মসজিদকে হারিয়ে সবচেয়ে উঁচু মন্দির নির্মানাধীন বৃন্দাবনে !
 

The world's tallest religious building/temple in Vrindavan, India.

Sunday, May 18, 2014

!!ক্ষমা করো হজরত!! (কাজী নজরুল ইসলাম)


তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ, ক্ষমা করো হজরত্‌।
ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ
ক্ষমা করো হজরত্‌।।

Tuesday, February 18, 2014

কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ



কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের নাম তো মনে হয় শোনা আছে।কিন্তু জ্ঞানবাপী মসজিদ বা আলমগিরি মসজিদ এর নাম কি শুনেছেন? না শোনারই কথা,শুনলে জানলে যদি সেকুলার দের ভণ্ডামো ধরে ফেলেন।বখতিয়ার খিলজি ১৭ সৈন্যের রুপকথা বেদ বাক্যের মত জানি আর সুকৌশলে নালন্দা ধ্বংসের কথা এড়িয়ে যাই। যা হোক,জ্ঞানবাপী হল কাশীর সেই মসজিদ যা মন্দির খাদক আউরাংজেব বিশ্বনাথ মন্দির ধ্বংস করে তারই ধ্বংসাবশেষ গুলো দিয়ে নির্মাণ করেছিলেন আর হিন্দুদের কে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন,দেখ তোমার মন্দিরে এখন গো মাতা জবাই দিই।হিন্দুদের লজ্জা দেবার জন্য মন্দিরের কারুকাজ গুলো কোনরকম ঢাকার চেষ্টা করে নি, যাতে উঠতে বসতে ওদের মনে করিয়ে দেয়া যায় এটা কিন্তু মন্দির ছিল।মন্দিরের ভিত্তি, স্তম্ভ ও সম্মুখভাগের দেওয়ালে আদি হিন্দু মন্দিরটির কিছু কিছু নিদর্শন স্পষ্ট দেখা যায়।পুরনো মন্দিরের পাঁচিলটি মসজিদের অন্তর্ভুক্ত হয়। মন্দিরের কিছু কিছু অংশকে স্পষ্টভাবে মসজিদের গায়ে রাখা হয়েছিল “সতর্কবার্তা ও হিন্দু মানসের প্রতি অপমান” হিসেবে।

১৭৮০ সালে হিন্দু মারাঠা রানি অহল্যা বাই হোলকার কাশী বিশ্বনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন। নবনির্মিত মন্দিরটি মসজিদের পাশেই নির্মিত হয়। সেই সময় থেকে মন্দির ও মসজিদ দুটি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করছে। দুইয়ের মাঝে লোহা ও কাঁটাতারের বেড়া আছে। দুইয়ের মাঝে জ্ঞানবাপি নামে কুয়োটিও আছে। আওরঙ্গজেব মন্দির আক্রমণ করলে মন্দিরের শিবলিঙ্গটিকে এখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।মসজিদের ৭১ মিটার উঁচু মিনারগুলি ১৯৪৮ সালের বন্যায় ভেঙে গেলে পুনঃনির্মিত হয়।

মসজিদটি এখনও চালু আছে। এটি ধর্মস্থান (বিশেষ সুবিধা) আইন, ১৯৯১ অনুসারে বিশেষ সুরক্ষা পেয়ে থাকে।

এটাই হন ভারতভুমির চিরন্তন সেকুলারিজম,এটাই হল রামচন্দ্রের রাজ্যনীতি বা রাম রাজত্ব।ঠিক যেমন সোমনাথ ধ্বংস করে নির্মিত মসজিদ আবার হিন্দুরাই পাশে নির্মাণ করে দেয়,রাম জন্মভুমিতে রামমন্দিরের জায়গা মুসলিমের সাথে ভাগকরে নিতে পারে,কৃষ্ণ জন্মভুমি মথুরাতে কৃষ্ণ মন্দিরে ভেঙ্গে নির্মিত মসজিদ হিন্দুদের অর্থে সংস্কার করা হয়।


(লেখক - আর্য ক্ষত্রিয়

Saturday, August 10, 2013

এই না হলে বাঙালী : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত


দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁরা। সবাই রোজাদার দরিদ্র মানুষ। ধর্মপ্রাণ এই মুসলমানরা একে একে এগিয়ে আসছেন আর তাঁদের হাতে ইফতারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন বৌদ্ধ ধর্মগুরু। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ এক বিরল দৃষ্টান্ত! সম্প্রীতির বন্ধনে ইফতার বণ্টনের এমন সুন্দর দৃশ্য দেখা গেল গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বাসাবোর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে।

বৌদ্ধ মহাবিহারে কথা হলো বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহসভাপতি সুজিত কুমার বড়ুয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, এই বৌদ্ধ মহাবিহারে মাঝেমধ্যেই আসেন সিঙ্গাপুরের নাগরিক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ব্যবসায়ী মি. ভিক্টর লি। বিহারের এতিম শিক্ষার্থী ও এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য তিনি চাল, ডালসহ নানা খাদ্যদ্রব্য দান করেন প্রায়ই। সারা দিন রোজা রেখে এলাকার গরিব মানুষগুলো ভালোভাবে ইফতার খেতে পারে না শুনে দয়ার্ত হয় ভিক্টরের মন। তাই তিনি এবার দরিদ্রদের মাঝে ইফতার বিতরণের এই ব্যবস্থা করেন। মাসব্যাপী এই বণ্টনের দায়িত্ব তো আর যাকে-তাকে দেওয়া যায় না, তাই এর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দিয়েছেন বৌদ্ধ মহাবিহারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরকে। ১ রমজান থেকে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন দরিদ্রকে তিনি নিজ দায়িত্বে ইফতার বণ্টন করছেন। পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সাহায্য করছেন বিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের। অন্যদিকে শেষ রমজান পর্যন্ত ইফতার বণ্টনের এই ব্যবস্থা করে নিজ দেশে ফিরে গেছেন মি. ভিক্টর লি।

বিহার থেকে ইফতার হাতে নিয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন এলাকার নাইট গার্ড জামাল উদ্দিন (৭২)। তিনি বলেন, ‘গরিব মানুষদের জন্য এমন উদ্যোগ খুবই ভালো। এ রকম তো অন্য জায়গায় দেখা যায় না। এমন ব্যবস্থা যে করেছেন আল্লাহ তাঁর ভালো করবেন অবশ্যই। আমরা খাস দিলে তার জন্য দোয়া করি।’

নিজের ছোট মেয়ে ফারজানা আক্তারকে নিয়ে ইফতার নিতে এসেছিলেন দিনমজুর মো. ফারুক হোসেন (৬১)। তিনি বলেন, ‘গরিব মানুষ আমরা, ভালোভাবে ইফতার কিনতে পারি না। বিহারে এ ইফতারের ব্যবস্থার ফলে আমরা ভালোভাবে ইফতার করতে পারছি। আমরা খুবই আনন্দিত। যে মানুষ এমন ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন তিনি নিশ্চয়ই দয়ালু ও দানশীল। তাই তিনি যে ধর্মেরই হোক, আল্লাহ তাঁকে পছন্দ করেন। আল্লাহ তাঁকে ভালো রাখুন, আরো সম্পদ দিক, এভাবে আরো দান করার তৌফিক দান করুক।’

সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে ইফতার নিয়ে ফিরে যেতে পারে তার দেখভাল করছিলেন বিহারের শিক্ষার্থী দীপানন্দ ভিক্ষু। তিনি বলেন, ‘বিহারে ঢোকার সময় সবাইকে একটি করে কার্ড দেওয়া হয় এবং ইফতার দেওয়ার সময় সেই কার্ডটি নেওয়া হয়। ফলে কেউ দুবার ইফতার নিতে পারে না। তবে মূলত গরিব, দুস্থ মানুষের জন্য এই ইফতারের ব্যবস্থা করা হলেও কখনো কখনো সচ্ছল মানুষও ঢুকে পড়ে। আমরা অবশ্য তাদেরও ফিরিয়ে দিই না।’

ইফতার না পেয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মোছা. মমতাজ বেগমসহ (৪২) আরো কয়েকজন নারী-পুরুষ। জানা গেল তাদের জন্য আলাদাভাবে তাৎক্ষণিক আরো ৫০ প্যাকেট ইফতারের অর্ডার দেওয়া হয়েছে শুদ্ধানন্দ মহাথেরের নির্দেশে। তাঁরা জানান, প্রথম রমজান থেকেই তাঁরা এখান থেকে ইফতার করেন। এমন সুষ্ঠু, সুন্দর, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা অন্য কোথাও দেখা যায় না। কেউ ইফতার না নিয়ে ফিরে যায় না। কোনো ধাক্কাধাক্কি নেই, মারামারি নেই। মমতাজ বেগম বলেন, ‘পুরো রমজানজুড়ে আমাদের আর ইফতার নিয়ে ভাবতে হবে না। আল্লাহ তাঁর ভালো করুক।’

প্রতিবার আস্থা হারাতে হারাতে এভাবেই আবারো মানুষের কাছে ফিরে আসি। আবারো মনে হই পুরটা হারিয়ে যায়নি। ধন্যবাদ তোমাদের, মানুষ মরেনি কথাটা মনে করিয়ে দেবার জন্য।

(সূত্র: কালের কন্ঠ)