Showing posts with label terrorist. Show all posts
Showing posts with label terrorist. Show all posts

Friday, January 20, 2017

Obama's Final Legacy

As we are bidding farewell to the first-ever African American president in US history, Barack Obama, it begets us to look back at his legacy. While most of the things that he promised to do during his campaign trail, he was unsuccessful to complete them, it is very interesting to look at the things that he is doing just before leaving Oval Office. 

One of those campaign promises of his was shutting down Guantanamo Bay (Gitmo) prison. While the use of extreme torture may violate human rights, it ought to be asked whether or not those terrorists who were involved in terrible terrorist activities could be considered human beings like any other of us. But that's a different question for a different day. What got attention for many people like me was the fact that Obama is releasing those Gitmo prisoners to the world just before leaving office. Right after getting out of the prison, they are heading back to the Middle East (Saudi Arabia, UAE etc).
Now ask yourself, if you were imprisoned for years for terrorism regardless of your innocence or guilt, once you're released, would you not be attempting to take revenge for what you have gone through? Wouldn't it be fair to say that those released individuals might go back to al-Qaeda or ISIS to carry out the next terrorist plot? Who would take the blame for that? Rather, who would be responsible for the deaths or injuries that might ensue because of these releases? 

On top of that Obama commuted the sentence of one of the modern-day traitors (Chelsea Manning) for the country in the last week of his presidency. What does that show for the country? Well, it presents a picture to other future leakers of confidential information that they can do away with releasing sensitive governmental information with no possibility of full punishment. If that is not encouraging more engagement from countries like Russia to hack into American governmental systems, then what is? If that is not an inspiration for other traitors out there who are afraid to come back to the US, then what is? 

I hope to be proved wrong for my prediction. But this prediction does happen, remember you heard it from here first. 

Sunday, November 22, 2015

Extremism: Short-term Solutions

With the recent Paris attack by ISIS, it is quite clear to everyone that radical or extremist Islam needs to be taken care of as soon as possible by the Free World. No matter which spectrum of the right vs. left wing you might be, you cannot deny that tougher actions need to be implemented at the earliest to prevent any near-future incidents like this to the Free World. Already some of the western nations along with France have gone ahead in crushing some key points of ISIS in Syria. But the action cannot stop there. While I have been reading & listening to various people give their takes on the solution to the overall issue, I myself thought about some steps for a full-stop on this growing problem, once and for all.

Firstly, as we have been seeing in the recent past, the Cold War superpowers were quite divided in how to handle ISIS. While one does not want to proceed with military actions, other has already struck at various locations of ISIS. No matter who is right or wrong, it just cannot make sense to a common folk that at a time when the existence of the western civilization is threatened, how can the two giants sit separately and continue diverging further. When at school, we teach our kids "sharing is caring". Buddha teaches us that "to give is to gain". The Bible tells us that "it is more blessed to give than receive". The point is when the enemy is common, set aside all your personal vendetta, set aside all your past animosity, set aside all your pesky little or big differences, set aside all your ego, and unite for this common purpose because "united we stand, divided we fall". When the enemy is ISIS which affects both of your (US and Russia) very western civilization, strike at the heart of the enemy with combined force. Let the world see that whenever fanatics rise, i.e. during WWII with Hitler, the world leaders know how to deal with it, rather than fighting against themselves on their own issues. I strongly believe that if the western, civilized countries come together under one roof to crush ISIS, it won't be long that we would say ISIS as a 'thing of the past'.



Saturday, November 21, 2015

If it's true, I support Mr. Putin in this cause


Although for the last few days, this quote has been going viral on Facebook after a reporter tweeted it on her Twitter. The credibility of this exact saying from Mr. Putin is questionable, but if it is true, I am completely supportive of his motive on this instance. Let's send the martyr wannabes to their God!

[collected]

Sunday, November 08, 2015

Muslim extremists in UK

video

Please watch the video fully before making any comments ......

If this is really to be true, then it's not very far when Islamic extremists will take over Europe ......

কোনো কথা হবে না ...... শুধু ভিডিওটি একটিবারের জন্য দেখুন ...... তারপর নিজেই যাচাই করুন

এই যদি প্রকৃতই সত্যি হয় যুক্তরাজ্যের মতো দেশে তবে আর বেশী দিন নেই মুসলিম কট্টরপন্থীদের ইউরোপ দখল করতে ......



[full video]

[Source]

Tuesday, August 26, 2014

ISIS এর অনুপ্রেরণায় এবার জামায়াত-হেফাজত

গত কয়েকদিনে শুধু জানতাম ISIS এর মতো জঙ্গী সংগঠন (যা নাকি আবার পশ্চিমাদের তৈরি) মাজারের মতো পবিত্র স্থাণ ধ্বংস করছে ইরাকের মতো অঞ্চলে। এরপরে শুনেছিলাম বাংলাদেশের ইসলামী সংগঠনগুলোও নাকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওদের সাথে সহমত পোষণ করছে। আর এবারে সরাসরি খোদ বাংলাদেশেই মাজার গুড়িয়ে দিলো হেফাজত-জামায়াতীরা

আর ISIS এর কীর্তিকান্ডের কথা নাই বা বললাম বিশদ যারা এবারে শুধু মাজারই নয় কোরআনকেও নতুন করে লিখতে চায়
BREAKING NEWS: #ISIS এর জেহাদিরা এবার নবী মোহাম্মদের নাতনির মাজার + মসজিদ গুড়ায়া দিসে মসুল এ ।

// Today, the ISIS terrorist gangs destroyed the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her), the grand daughter of the Prophet (saws) in the district of Sinjar, Nineveh province.

A security source said that "ISIS terrorists gangs, blew up the shrine of Sayeda Zeinab (peace be upon her) in Sinjar, west of Mosul, Nineveh province."

The ISIS terrorist have blown up a number of shrines in the city of Mosul after it took control of the city on the 10th of the June. //


Sunday, August 24, 2014

Selective Humanity

ISIS এর জিহাদী ভাইরা সারা বিশ্বের মুসলমান ভাইদের দারুন এক ঈদ উপহার দিয়েছেন। বোমা মেরে উনারা গুড়িয়ে দিয়েছেন হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার। তো আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কবে দেখতে পাব ?? নাকি এইটা নিয়ে বললে লাইক আসবে না বলে কেউ কিছু বলবে না ...



(সূত্র

Saturday, August 09, 2014

Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) tells the truth about Hamas




Mosab Hassan Yousef (Son of Hamas Founder) reveals the truth about how Hamas Terror group aims to kill civilians and uses Palestinian Children as human shields. (CNN interview. July 24 2014)


(Source)

Wednesday, July 16, 2014

আজ গাজায় নিহত শিশুদের নিয়ে যেসব হিন্দু স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা কি ভারতে হিন্দু হওয়ার অপরাধে ভারতীয় মুসলিমদের হাতে নিহত এই শিশুদের কথা জানে?


প্রথমেই আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন করি, ২০০২ সালে গুজরাটের অক্ষরধাম মন্দিরের শান্তির ধর্মের অনুসারীদের হামলার কথা আপনারা কজন জানেন? মনে হয়না খুব বেশি সংখ্যক মানুষ জানেন বা মনে রেখেছেন।এই আত্মবিস্মৃত হিন্দু জাতি ২০০২ সালের কথাই মনে রাখতে পারে না তারা কি করে শত শত বছর আগে ধ্বংস করা মন্দির গুলোর কথা মনে রাখবে??? দিনটা ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০২,ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধী নগরে অবস্থিত সুবিখ্যাত এবং অনিন্দ্য সুন্দর অক্ষরধাম মন্দিরে প্রতিদিনের মত হাজার হাজার পুন্যারথি আর দর্শনার্থী হাজির হয়েছেন। তখন বেলা ৩টা।মধ্যাহ্ন ভোজনের পর আবারও ধিরে ধিরে ভিড় জমে উঠছে মন্দিরে। মুর্তজা হাফিজ ইয়াসিন আর আশরাফ আলি মুহাম্মদ ফারুক নামে দুজন শান্তির ধর্মের অনুসারী অক্ষরধাম মন্দিরের ৩ নম্বর ফটক দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করল।তাদের শরীরের কাপড়ের আড়ালে লুকান একে ৪৭ আর গ্রেনেড। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের কারনে তারা ঢুকতে পারল না গেট দিয়ে।এভাবে যখন আর সম্ভব হচ্ছিল না তখন মরিয়ে হয়ে দেয়াল টপকে ঢুকেই শুরু করল গুলি বর্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের বুক স্টলের কাছে লুটিয়ে পড়লেন একজন মহিলা দর্শনার্থী এবং একজন মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবক।এরপরই এই মুসলিম জঙ্গিদ্বয় প্রধান মন্দির কমপ্লেক্সে ঢুকতে চেষ্টা করল।কিন্তু মন্দির রক্ষিগণ আটকে দিল প্রধান ফটক।ব্যর্থ হয়ে জঙ্গিরা দৌড়ে ঢুকতে চেষ্টা করল মাল্টিমিডিয়া থিয়েটারে।কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হল। অবশেষে তারা ঢুকে পড়ল ১ নম্বর একজিবিশন রুমে।সেখানে তারা নিরবিচারে গুলি বর্ষণ করল। হতাহত হল প্রচুর।এরপর জঙ্গিরা উঠল মন্দিরের ছাদে। বিকাল ৫ টা নাগাদ সমস্ত এলাকা পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী ঘিরে ফেলে।কিন্তু তারা জঙ্গিদের ধরতে ব্যর্থ হয়।রাত ১১ টা নাগাদ ‘ব্লাক ক্যাট’ ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরস এসে দায়িত্ব নেয়।এরপর শুরু হয় আসল অপারেশন যার নাম দেয়া হয় ‘বজ্রশক্তি’।সকাল ৬টা নাগাদ জঙ্গিদ্বয় গুলিতে নিহত হয়।কিন্তু এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে মারা গেছেন ৩০ জন সাধারন মানুষ আহত হয়েছেন আরও ৮০ জন।জঙ্গিরা নিষ্পাপ শিশুদেরও মারতে দ্বিধা বোধ করেনি।এই অপারেশনের সময় গুরুতর আহত হন সিকিউরিটি ফোরসের সদস্য সুরজান সিং ভাণ্ডারী। প্রায় দুই বছর কোমাতে থাকার পর ২০০৪ সালে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে গুজরাট রাজ্য সরকার, ভারত সরকার,ইন্টারপোল,সি আই এ এবং আরও কিছু দেশি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বের হয়ে আসে এই হামলা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এই হামলার পরিকল্পনা করে জইশ ই মুহাম্মদ নামক ইসলামি জঙ্গি সংগঠন। আশরাফ আলি আর মুর্তজা ইয়াসিনের সাথে আইয়ুব খান নামক জঙ্গি পাকিস্তানের লাহোর পিণ্ডি হতে খালী হাতে গুজরাটের আহমেদাবাদে হাজির হয়।সেখানে তাদের কে আশ্রয় দেয় সেলিম হানিফ শেখ ও আদম সুলেমান আজমেরি নামক ভারতীয় মুসলমান যারা ভারত মাতারই ক্রোড়ে লালিত হয়েছিল সারাটি জীবন। আজমেরি তার ভাইয়ের বাড়িতে থাকার জায়গা করে দেয় এবং আরও কিছু ভারতীয় মুসলিম জঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় যারা পাকিস্তান থেকে অস্ত্র আগেই এনে রেখেছিল। ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেশনের মাধ্যমে আজমেরি, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মুহাম্মদ শেখ সহ ৬ জনকে আটক করে।সর্বশেষ ২০১০ সালে গুজরাট আদালত ৩ জনকে ফাসি এবং ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাগারে দণ্ডিত করে। এভাবেই ভারতের মাটিতে জন্ম নেয়া,ভারত মাতার ক্রোড়ে লালিত মুসলিম সন্তানদের সাহায্যে পাকিস্তানি ইসলামি জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসের বিষ দাঁত বসিয়েছে ঐতিহাসিক কাল থেকে।


(সংগৃহীত

Saturday, June 07, 2014

গুজরাট দাঙ্গার উৎপত্তি


আজ আমি গুজরাট দাঙ্গা সংগঠিত হওয়ার কারনটা বর্ণনা করব। আপনি যদি হিন্দু হয়ে থাকেন এটা পড়ার পর আপনার হৃদয় অগ্নিশিখার ন্যায় জ্বলে উঠবে। সেইসব মুসলিম যবনদের প্রতি ঘৃণা জানানোর ভাষাও হারিয়ে ফেলবেন। ওরা আজ 3000 মুসলিম মারার জন্য হিন্দুদের দোষ দেয়। কিন্তু সেই দাঙ্গার ব্যাকগ্রাউন্ডটা যদি জানেন তবে আপনার হৃদয়ের অগ্নিশিখা দাউদাউ করে দাবানলের মত জ্বলতে জ্বলতে ছড়িয়ে পড়বে।